ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুবাইদা রহমানকে পাশে বসিয়ে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম: প্রধানমন্ত্রী


জুবাইদা রহমানকে পাশে বসিয়ে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু সময় কাটিয়েছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’- এর উদ্বোধনের পর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান।

ডা. জুবাইদা রহমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় এই হোস্টেলেই থাকতেন।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দোয়া করি, আপনারা নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হোন।"

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে, হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে, তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

এ সময় স্মৃতিচারণ করে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, " আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনারা কাছে নিয়ে এসেছি।"

নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, "আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।"

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আমাদের সবসময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপোড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে। মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।"

তিনি বলেন, "মেডিকেল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি।"

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে সেলফি তোলেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু ইস্যু ঘিরে জাতিসংঘের বৈঠকে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


ইরানের পরমাণু ইস্যু ঘিরে জাতিসংঘের বৈঠকে উত্তেজনা

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন এবং রাশিয়ার বিরোধিতার মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শেষ হয়েছে।

বৈঠকে অধিকাংশ সদস্য দেশ সতর্ক করেছে যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর কার্যকর নজরদারির সক্ষমতা হারিয়েছে। এর ফলস্বরূপ, পরমাণু বিস্তার রোধের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মস্কো ও বেইজিং দাবি করেছে, ২০১৫ সালের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের আইনি কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আর যৌক্তিকতা নেই। আলোচনার বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের বিরোধিতা সত্ত্বেও নিরাপত্তা পরিষদের ইউরোপীয় সদস্য বাহরাইন এবং ইউরোপীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশ ডেনমার্ক, ফ্রান্স, গ্রিস, লাটভিয়া ও যুক্তরাজ্য বৈঠকের আহ্বান করেছিল।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১টি সদস্য দেশের সমর্থন, দুটি দেশের বিরোধিতা এবং দুটি সদস্য রাষ্ট্রের ভোটদানে বিরত থাকার মধ্য দিয়ে একটি পদ্ধতিগত ভোটাভুটির পর। এটি ছিল ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইরান সম্পর্কিত নিরাপত্তা পরিষদের তিন নম্বর বৈঠক। চলতি বছরের মার্চ ও জুন মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আগের দুটি বৈঠক, যা কোনো আনুষ্ঠানিক ফলাফল ছাড়াই শেষ হয়েছিল।

ইরান এবং পি৫+১ শক্তিগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন’ (জেসিপিওএ)-কে অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে গৃহীত ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর শেষ হবে।

এক্ষেত্রে তেহরান, মস্কো এবং বেইজিংয়ের অবস্থান হলো, প্রস্তাবটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল বিধান, বিধিনিষেধ এবং নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্বও অবসান ঘটেছে। এর ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিরাপত্তা পরিষদের কোনও আইনি কর্তৃত্ব নেই।

তারা আরও যুক্তি দিয়েছে, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি কর্তৃক তথাকথিত ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়া কার্যকর করার প্রচেষ্টা আইনি ও পদ্ধতিগতভাবে অকার্যকর, কারণ প্রস্তাবটির মেয়াদ আগেই শেষ হয়েছে।

বৈঠকের আগে নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখার সময় জাতিসংঘে রাশিয়ার উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি আনা এভস্টিগনিয়েভা বলেছিলেন, ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবটির কার্যকারিতা শেষ হওয়ায় এ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনার কোনো ম্যান্ডেট নিরাপত্তা পরিষদের নেই।

তিনি পরিষদের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত নিয়মকানুন উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এমন একটি বিষয় নিয়ে বারবার বৈঠক ডাকা হচ্ছে, যা এখন আর নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে নেই।

এভস্টিগনিয়েভা আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলা উত্তেজনা বৃদ্ধি বা নিরাপত্তা পরিষদকে রাজনৈতিক সংঘাতের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহারের যে অযৌক্তিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে। তিনি যোগ করেন, ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়া কার্যকর করা হয়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

জাতিসংঘে চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি সান লেই মস্কোর অবস্থানের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের মেয়াদ ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর শেষ হয়েছে এবং এর ফলে নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সংক্রান্ত আলোচনা শেষ হয়েছে।

সান যুক্তি দেন, নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনা থেকে বাদ পড়া কোনো বিষয় নিয়ে বারবার বৈঠকের আয়োজন করা কূটনৈতিক আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশকে ক্ষুণ্ণ করে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের ভেতরে ক্রমবর্ধমান রাজনীতিকরণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনকে আরও গভীর করে এবং রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর পথে বাড়তি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবিরাম বৃষ্টিতে পানিবন্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের দুই শতাধিক পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


অবিরাম বৃষ্টিতে পানিবন্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের দুই শতাধিক পরিবার

টানা বৃষ্টির কারণে নওগাঁর মান্দা উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের বর্দ্দপুর গ্রামে অবস্থিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর প্লাবিত হয়েছে। শনিবার তোলা। কালের কণ্ঠ।

অবস্থার কারণে প্রকল্পের ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। স্থানীয়বাসিন্দাদের মতে, তাদের ঘরে পানি ঢুকে পড়ার ফলে তিন দিন ধরে অনেক পরিবারের চুলায় আগুন জ্বলেনি। তারা রান্না করা খাবারের পরিবর্তে শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। জলাবদ্ধতার মাঝেই সাপ ও জোঁকের উপদ্রব বেড়ে গেছে যা তাদের আতঙ্কে দিন কাটাতে বাধ্য করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা প্রশাসনের সূত্র মতে, গত বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ভারি বৃষ্টি শুরু হয় যা উজানের কয়েকটি উপজেলা থেকে আসা পানির কারণে আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আশ্রয়ণের ঘরে পানি ঢুকতে শুরু করে। বর্তমানে পুরো এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমেছে এবং পানিতে ঘরের মেঝে ডুবে গেছে, যার ফলে বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অনেক ঘরে পানি ঢুকেছে। রান্না করার সুযোগ না থাকায় বাকি শুকনো খাবারই বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হঠাৎ জলাবদ্ধতায় পুরো এলাকায় সাপ ও জোঁকের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার শঙ্কায় নারী ও শিশুরা পানিতে নামতে ভয় পাচ্ছে। সাপের আতঙ্কে অনেক পরিবারে নির্ঘুম রাত কাটছে।

প্রকল্পের বাসিন্দা বায়োজিদ হোসেন মন্তব্য করেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘরে পানি ঢুকতে শুরু করে। এখন পুরো এলাকায় হাঁটুসমান পানি। রান্নার চুলা ডুবে গেছে, ঘরেও পানি উঠেছে। তিন দিন ধরে রান্না করা খাবার খেতে পারিনি। খুব কষ্টে দিন কাটছে।’

অন্যদিকে, বাসিন্দা মরিয়ম বেগম বলেন, ‘ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে। চুলা তলিয়ে যাওয়ায় রান্না করা যাচ্ছে না। আমরা অনেক কষ্টে আছি।’

এদিকে, আজ শনিবার দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পানিবন্দি ২০০ পরিবারের মধ্যে স্যালাইন, মোমবাতি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সার্থী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছার রহমান, মৈনম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সার্থীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বন্যা নয়, হঠাৎ ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে শুক্রবার এলাকা পরিদর্শন করা হয়। সংসদ সদস্যের তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় আজ (শনিবার) পানি বন্দি পরিবারগুলোর মাঝে স্যালাইন, মোমবাতি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচ জেলায় ফের বন্যার শঙ্কা, সতর্কবার্তা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


পাঁচ জেলায় ফের বন্যার শঙ্কা, সতর্কবার্তা জারি

 

উজানের ঢল এবং বৃষ্টিপাতে ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুড়িগ্রামসহ রংপুরের পাঁচ জেলায় নিম্নাঞ্চলে ফের স্বল্পমেয়াদী বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে দেওয়া এক পূর্বাভাস বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতিতে নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে পরামর্শ দিয়েছে পাউবো। দুর্যোগ মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র ও শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রেখেছে জেলা প্রশাসন।

আবহাওয়া সংস্থার তথ্যের বরাতে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম প্রদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, এ সময় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলা সংলগ্ন এসব নদীর নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দেওয়া তথ্য মতে, জেলার সবকটি নদ-নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রামের তালুক শিমুলবাড়ী এবং সেতু পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাউবো, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার পূর্বাভাস রয়েছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের যেসব স্থান দুর্বল রয়েছে, সেগুলো মেরামতে আমাদের কাজ চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩৬০ শিক্ষার্থীর: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


চলতি বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩৬০ শিক্ষার্থীর: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে দেশে ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী নিহত এবং ১০৯ জন আহত হয়েছেন বলে তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, যদি শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করা যায় তাহলে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং একটি সুশৃঙ্খল জাতির গঠনও সম্ভব হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) মিরসরাই ট্রাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেছেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, মিরসরাই ট্রাজেডির পুনরাবৃত্তি রোধে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচির অভাব রয়েছে। এর কারণেই প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রাণ হারাচ্ছে এবং অনেকেই আহত হয়ে স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী নিহত এবং ১০৯ জন আহত হয়েছেন।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী আরও বলেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থী বহনকারী একটি মিনিট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে শিক্ষার্থীসহ ৪৫ জন নিহত হন। এটি দেশের ইতিহাসে একক সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা। ওই দুর্ঘটনার পর এখনও শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে কার্যকর ও নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরি হয়নি এবং প্রতিবছরই সড়ক দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থীর প্রাণহানি ঘটছে।

সংগঠনটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭ শিক্ষার্থী নিহত ও ২২ জন আহত হন। ফেব্রুয়ারিতে ৩৯টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১১ জন আহত হন। মার্চে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত ও একজন আহত হন। এপ্রিলে ৫১টি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হন। মে মাসে ৬১টি দুর্ঘটনায় ৭৩ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হন। জুনে ৫৩টি দুর্ঘটনায় ৬০ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি পাঁচ দফা সুপারিশও তুলে ধরেছে। সুপারিশগুলো হলো—

১. পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা অন্তর্ভুক্ত করা।

২. প্রতি মাসে অন্তত একবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ঘণ্টাব্যাপী সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা।

৩. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের সব গুরুত্বপূর্ণ পারাপারস্থল, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে জেব্রা ক্রসিং আঁকা এবং সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা।

৪. মহাসড়কসংলগ্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে 'রোড সেফটি গার্ড' নিয়োগের মাধ্যমে লাল পতাকা ব্যবহার করে যানবাহন থামিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করা।

৫. প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সড়ক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%