শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৮ এম
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। অফিসের কাজের প্রয়োজনে কিংবা অবসর সময় কাটানোর জন্য, বেশিরভাগ সময়ই আমাদের ডিজিটাল যন্ত্রের সামনে কাটাতে হয়।
কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করার ফলে যে ক্ষতি হতে পারে তা নিয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অনেকেই সোফায় বসে কিংবা বিছানায় শুয়ে কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করেন। তবে, ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ কোলে রাখলে অণ্ডকোষের আশপাশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। পুরুষদের শরীরে শুক্রাণু তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম থাকতে হয়। অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে থাকলে শুক্রাণুর উৎপাদন ও গুণমানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, এমনটি বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।
প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখা একটি সাধারণ অভ্যাস। তবে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি বা আরএফ তরঙ্গ পুরুষের প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে। কিছু গবেষণায় শুক্রাণুর গতিশীলতা ও গুণমানের হ্রাস দেখা গেছে।
প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো:
১. দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। ডেস্ক বা ল্যাপটপ স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।
২. মোবাইল ফোন সব সময় প্যান্টের সামনের পকেটে রাখার অভ্যাস পরিবর্তন করুন।
৩. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
৪. ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা কমানোর বিষয়ে সচেতন থাকুন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুমান এবং সুষম খাবার খান।
৬. দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তানধারণে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করলেই প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে, কাজের ধরন ও দৈনন্দিন অভ্যাসে ছোটখাটো পরিবর্তন সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনন্ত মহাবিশ্বের অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের মাঝে, পৃথিবীই একমাত্র প্রাণবন্ত নীলাভ নীড়। এই প্রাণের অস্তিত্বের জন্য প্রথম এবং প্রধান পূর্বশর্ত হলো জল। আধুনিক বিজ্ঞান যেমন পৃথিবীতে জীবনের সূচনাকে জলের সঙ্গে যুক্ত করেছে, তেমনি হাজার হাজার বছর আগে বৈদিক ঋষিরাও জলকে সৃষ্টির আদিরূপ হিসেবে উপলব্ধি করেছিলেন।
ঋগ্বেদের নাসদীয় সূক্তে সৃষ্টির পূর্বাবস্থার বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে - সৃষ্টির আদিতে সর্বত্র ছিল অন্ধকারে আচ্ছন্ন এক অসীম জলরাশি। সনাতন ভাবনায় পঞ্চমহাভূতের মধ্যে ‘অপ’ বা জলই সেই মূল উপাদান, যা বাকি সব উপাদানের মাঝে প্রাণসঞ্চার করে। নদী, বৃষ্টি, পুকুর, বিল ও সমুদ্রের সঙ্গে গড়ে ওঠা আমাদের রূপসী বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির গভীরে জলের এই অস্তিত্বকে এবারের দুর্গাপূজার ভাবনায় ধারণ করে গুলশান–বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন বেছে নিয়েছে একটি অনন্য থিম - ‘জলজ’ (জল থেকে যার জন্ম)।
সনাতন ধর্মে জল কেবল একটি প্রাকৃতিক উপাদান নয়; জল স্বয়ং পবিত্রতা, পরমেশ্বর ও পরম সংস্কারের স্তম্ভ। মাতৃগর্ভের তরল থেকে শুরু করে গঙ্গাতীরে জীবনের শেষ অঞ্জলি - মানুষের সমগ্র জীবনচক্র জলের প্রবাহেই বাঁধা। জলই মাঙ্গলিক সূচনা, ঘটস্থাপন, তর্পণ, হোম কিংবা আত্মশুদ্ধির প্রধান মাধ্যম। শ্রীশ্রীচণ্ডীতে দেবী মা কেবল শক্তিরূপা নন, তিনি জীবের জীবনধারণের মূল আকুতি: ‘তৃষ্ণারূপেণ সংস্থিতা!’ জলের বুক চিরে যেমন পদ্ম প্রস্ফুটিত হয়, তেমনি জীবচেতনার তৃষ্ণা থেকেই প্রকাশিত হন মহাশক্তি মা দুর্গা।
এই ভাবনাকেই এবছর গুলশান–বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের মণ্ডপসজ্জায় স্থাপত্য, প্রকৌশল, কুটিরশিল্প, আলোক-নকশা আর নানান অলংকরণের মিশেলে রূপ দেয়া হচ্ছে এক বৃহৎ জলজ জৈব-রূপকল্পে। পরিবেশবান্ধব উপাদান যেমন বাঁশ, বেত, প্রাকৃতিক তন্তু ও চটের সাহায্যে নির্মিত হবে ঢেউখেলানো বহুস্তরীয় দৃশ্যপট, যা এক স্থির বিশাল উর্মিমালার মতো দর্শককে ঘিরে রাখবে।
প্রবেশপথ থেকে মণ্ডপের অন্তঃস্থল পর্যন্ত দর্শকের যাত্রা হবে এক আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা - প্রকৃতির উত্তাল তরঙ্গ থেকে শান্ত হয়ে মাতৃচরণের দিকে অগ্রসর হওয়া। জলপ্রপাত, রিফ্লেকশন পুল ও আলোর মেলবন্ধনে সৃষ্টি হবে এক রূপান্তরশীল পরিবেশ। আর প্যান্ডেলের কেন্দ্রে থাকবে একটি বৃহৎ পদ্মরূপী স্থাপত্য, যেখান থেকে জলের গভীরতা থেকে প্রস্ফুটিত পদ্মের মতো শংখ-পটে উদ্ভাসিত হবেন আদ্যাশক্তি মা দুর্গা।
তবে ‘জলজ’ কেবল ধর্মীয় অনুভূতির মাঝে সীমাবদ্ধ নয়; এটি তার আবেদনকে প্রসারিত করেছে বৈশ্বিক ও পরিবেশগত সামাজিক দায়বদ্ধতায়। আজ জলবায়ু পরিবর্তন, নদী দখল ও জলদূষণের কারণে পৃথিবীর জলচক্র মারাত্মক সংকটে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য এই সংকট অস্তিত্বের প্রশ্ন। তাই জলকে সম্মান করা ও রক্ষা করা মানেই জীবন, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা। ‘জলজ’ মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার, প্রকৃতিকে ভালোবাসার এবং জীবমণ্ডলকে রক্ষা করার এক সানন্দ আহ্বান।
জল, পদ্ম, তীর্থবারি, তৃষ্ণা ও পরম জীবন – এ সবকিছু মিলিয়ে দেবী দুর্গার কাছে আমাদের আকুল প্রার্থনা: মা, তুমি বিশ্বসংসারকে তৃষ্ণামুক্ত করো, জীবন ও প্রকৃতিকে রক্ষা করো, মানুষকে দাও সংহার নয়, সৃষ্টির শক্তি।
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং স্থপতি অমিতি কুন্ডু ও শিল্পী-গবেষক পার্থপ্রতিম সাহার পরিকল্পনা, ডিজাইন ও তত্ত্বাবধানে বনানী কামাল আতাতুর্ক পার্কে শারদোৎসবের এই অভিনব ও দৃষ্টিনন্দন সার্বজনীন মন্ডপ সকল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোবাইল কোর্ট গুলশানের ‘পেয়ারি তেহারি’ রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, রাজধানীর গুলশান-১ এর পেয়ারি তেহারি রেস্টুরেন্টে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ আফরোজ।
অভিযান চলাকালে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘরের মেঝে নোংরা অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়াও, রান্নার মশলা ও আচার স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ নন-ফুডগ্রেড পাত্রে সংরক্ষিত অবস্থায় লেবেলহীনভাবে পরিলক্ষিত হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, অভিযানের সময় রেস্টুরেন্টের ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, নিবন্ধন সনদ, প্রেমিসেস লাইসেন্স, রেস্টুরেন্টকর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ এবং পানি পরীক্ষার সনদ পাওয়া যায়নি। এসব অপরাধের কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তা অবিলম্বে আদায় করা হয়।
অভিযানকালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূইয়া ও অন্যান্য কর্মচারী এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যাওয়ার পর সমাজসেবা অধিদপ্তর শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের বর্তমান কার্যকরী পরিষদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।
এছাড়া, সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এবং ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলী গঠন করা হয়েছে। এই মণ্ডলীর আহ্বায়ক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. খায়রুল ইসলাম।
৮ অক্টোবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। আদেশে স্বাক্ষর করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খান।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের মহাসচিব রেজা করিম এবং কার্যকরী পরিষদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া, যশোর শিশু হাসপাতালের স্থানীয় ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল করার পাশাপাশি বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটির অর্থ স্থানান্তরের বিষয়েও অভিযোগ পাওয়া যায়।
এই অভিযোগগুলোর তদন্তের জন্য গত ২৯ জুলাই একটি দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় সংস্থাটির বর্তমান কার্যকরী পরিষদের অনিয়মের বিষয়টি পরিলক্ষিত হওয়ায় স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী কার্যকরী পরিষদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলীর আহ্বায়ক ডা. মো. খায়রুল ইসলামকে দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক মণ্ডলী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতি মাসের ৫ তারিখে গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে একটি গোডাউনে ১৬০ থেকে ১৭০ টন এলাচ মজুদের তথ্য সংগ্রহ করেছে। এই মজুদে একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১১ মাসে ১৫ টন এলাচের মধ্যে মাত্র আধা টন বিক্রি করেছে।
অন্য একটি প্রতিষ্ঠান ৩০ টন এলাচ বিক্রির রশিদ দেখালেও পণ্য সরবরাহ করেনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিচালিত অভিযানে এসব তথ্য প্রকাশ পায়।
এলাচ মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টার অভিযোগে হোসেন কর্পোরেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই গোডাউনে আমদানিকৃত জিরার মূল বস্তায় উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকায় আরাফাত ট্রেডিংকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় এই অভিযান পরিচালনা করে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, খাতুনগঞ্জের বিমল বাবুর গোডাউনে হোসেন কর্পোরেশন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ১৫ টন এলাচ মজুদ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত মাত্র আধা টন বিক্রি করেছে। অবশিষ্ট সাড়ে ১৪ টন এলাচ দীর্ঘদিন ধরে মজুদ রয়েছে, যার মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। অধিদপ্তরের মতে, এভাবে পণ্য আটকে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
একই গোডাউনে প্রাইম ট্রেডিংয়ের গত দুই মাসে ধাপে ধাপে ৪৭ টন এলাচ মজুদের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি এ সময়ে ৩০ টন এলাচ বিক্রির রশিদ দেখালেও পণ্যের ডেলিভারি সম্পন্ন হয়নি। বিক্রয় রশিদ যাচাইয়ে বিভিন্ন ধাপে দাম বাড়ানোর তথ্যও অধিদপ্তর পেয়েছে।
এলাচের ক্রয়মূল্য, ভাউচার ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য প্রাইম ট্রেডিংকে আগামী রোববার প্রয়োজনীয় রেকর্ডসহ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের অযৌক্তিক মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও পণ্য সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে ন্যায্যমূল্য ও পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে তদারকি অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ