শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২০ এম
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে একটি গোডাউনে ১৬০ থেকে ১৭০ টন এলাচ মজুদের তথ্য সংগ্রহ করেছে। এই মজুদে একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১১ মাসে ১৫ টন এলাচের মধ্যে মাত্র আধা টন বিক্রি করেছে।
অন্য একটি প্রতিষ্ঠান ৩০ টন এলাচ বিক্রির রশিদ দেখালেও পণ্য সরবরাহ করেনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিচালিত অভিযানে এসব তথ্য প্রকাশ পায়।
এলাচ মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টার অভিযোগে হোসেন কর্পোরেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই গোডাউনে আমদানিকৃত জিরার মূল বস্তায় উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকায় আরাফাত ট্রেডিংকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় এই অভিযান পরিচালনা করে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, খাতুনগঞ্জের বিমল বাবুর গোডাউনে হোসেন কর্পোরেশন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ১৫ টন এলাচ মজুদ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত মাত্র আধা টন বিক্রি করেছে। অবশিষ্ট সাড়ে ১৪ টন এলাচ দীর্ঘদিন ধরে মজুদ রয়েছে, যার মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। অধিদপ্তরের মতে, এভাবে পণ্য আটকে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
একই গোডাউনে প্রাইম ট্রেডিংয়ের গত দুই মাসে ধাপে ধাপে ৪৭ টন এলাচ মজুদের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি এ সময়ে ৩০ টন এলাচ বিক্রির রশিদ দেখালেও পণ্যের ডেলিভারি সম্পন্ন হয়নি। বিক্রয় রশিদ যাচাইয়ে বিভিন্ন ধাপে দাম বাড়ানোর তথ্যও অধিদপ্তর পেয়েছে।
এলাচের ক্রয়মূল্য, ভাউচার ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য প্রাইম ট্রেডিংকে আগামী রোববার প্রয়োজনীয় রেকর্ডসহ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের অযৌক্তিক মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও পণ্য সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে ন্যায্যমূল্য ও পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে তদারকি অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি আগামী ২০ অক্টোবর রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন। সফরের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর সামরিক বিমানে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৈয়দপুরে পৌঁছানোর পর তিনি রংপুর ধর্মসভা (রাধা গোবিন্দ মন্দির) পরিদর্শন করবেন।
এরপর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর দেড়টায় তিনি রাজশাহী ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন এবং পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছু সময় অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত সফরে রাজশাহীতে একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। বেলা ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
জনসভা শেষে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় তিনি চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছু সময় অবস্থান করে রাতে বিমানযোগে ঢাকায় ফিরে আসবেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর এবং শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) প্রস্তুতিমূলক সভা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় ঘণ্টাব্যাপী আরএমপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সফর উপলক্ষে সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কন্যা মেহেরিন মুনজারিন রত্নাকে ভারত সফরের অনুমতি প্রদান করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত মেহেরিনকে ১৬ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভারত যাওয়ার জন্য ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তার ভারত সফর সম্পন্ন হবে।
গত ১২ অক্টোবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আবদুল করিমের স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে ছুটি মঞ্জুরের বিষয়টি জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২০১১ সালের ১৯ জুনের একটি চিঠির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, মেহেরিন মুনজারিন রত্না তার ভারত সফরের সকল ব্যয় নিজেই বহন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ সফরের জন্য কোনো আর্থিক দায়বদ্ধতা থাকবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এই সময়ে মেহেরিনের ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। গুঞ্জন রয়েছে যে, তার বাবা আ ক ম মোজাম্মেল হক ভারতে অবস্থান করছেন। এ কারণে বাবার সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে মেহেরিন ভারতে যাচ্ছেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে মেহেরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আবদুল করিম যুগান্তরকে জানিয়েছেন, মেহেরিন মুনজারিন রত্না তার স্বামীর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত যাওয়ার জন্য ছুটির আবেদন করেছেন। তবে তিনি কী ধরনের চিকিৎসা বা নির্দিষ্ট কোনো রোগের কথা উল্লেখ করেছেন, তা এই মুহূর্তে জানাতে পারছেন না। নথি না দেখে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।
এদিকে, ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেহেরিন মুনজারিন রত্না তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, তার বাবার ওপর আস্থা রেখে শেখ হাসিনা তাকে চতুর্থবারের মতো নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছেন এবং তৃতীয়বারের মতো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রমিকের অধিকার এবং উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, চিংড়ি চাষের জমির পরিমাণে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও প্রতিবেশী ভারতকে রপ্তানিতে পেছনে ফেলতে পারছে না। এই ব্যবধান কমাতে উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরাটন ঢাকা হোটেলে চিংড়ি খাতবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরে বে অ্যাকোয়ারিয়াম (এমবিএ) এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সদস্য প্রতিষ্ঠান টোটালফুড প্রসেসিং (প্রা.) লিমিটেড যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করেছে।
রপ্তানি বহুমুখীকরণে চিংড়ি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছর বাংলাদেশের হিমায়িত মাছ ও চিংড়ির রপ্তানি ১৯ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তবে তিনি জানান, এ খাতে প্রবৃদ্ধির সুযোগ আরও অনেক বেশি রয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে ভারত ৫০০ কোটি ডলারের বেশি চিংড়ি রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশের চিংড়ি চাষের জমি ভারতের তুলনায় প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি থাকা সত্ত্বেও রপ্তানিতে পিছিয়ে থাকার বিষয়টিকে উৎপাদনশীলতা ও মানোন্নয়নের বড় সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্রেতারা এখন শুধু পণ্যের মান যাচাই করেন না; তারা দেখতে চান পণ্যটি কারা উৎপাদন করেছেন, শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ কেমন এবং উৎপাদন পরিবেশসম্মত হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। তাই কাগুজে নথিনির্ভর পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে সমন্বিত ও স্বচ্ছ ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ‘রেসপনসিবল বিজনেস কন্ডাক্ট সেল’ গঠন করেছে। শ্রম অধিকারসহ দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের জাতীয় নীতিমালা এবং ট্রেসেবিলিটি কৌশল প্রণয়নেও কাজ চলছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বাংলাদেশের চিংড়ির সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিসহ (এফটিএ) দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করতে সরকার বিভিন্ন সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উপকূলীয় মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতিতে চিংড়ি শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এ খাতের সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কৃষক, ডিপো কর্মী, প্রক্রিয়াজাত কারখানার শ্রমিক ও রপ্তানিকারক—সবার ন্যায্য অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেয়জা। সমাপনী বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনন।
আলোচকরা বলেন, সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ বাংলাদেশের চিংড়িকে আন্তর্জাতিক বাজারে দায়িত্বশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বিয়ের একদিন আগে আরিফ শাহরিয়ার সৌমিক নামক এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরিফ শাহরিয়ার সৌমিক (২১) জেলা শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়ার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার সুলতান মিয়ার পুত্র।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, সৌমিক প্রায় এক মাস আগে ঢাকা থেকে গাইবান্ধার বাড়িতে ফিরে আসেন। কিছুদিন আগে তিনি হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তার শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
স্বজনরা তাকে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে নিয়ে যান। পরে রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সৌমিককে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, আগামীকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তার বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল। আজ বৃহস্পতিবার ছিল গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। বিয়ের জন্য দুই পরিবারেই নানা প্রস্তুতি চলছিল। কনের বাড়িতে আলোকসজ্জার গেট সাজানো হয়েছিল এবং বাড়িঘরও সাজানো হয়েছিল।
অন্যদিকে সৌমিকের বাড়িতেও বিয়ের আয়োজন চলছিল। কিন্তু বিয়ের আগের দিন তার মৃত্যুতে সকল আয়োজন থেমে যায়। বিয়ের সব প্রস্তুতি হঠাৎ বিষাদে পরিণত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ