ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

এ মাসেই দীপু মনিসহ সাবেক ১০ এমপির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ


এ মাসেই দীপু মনিসহ সাবেক ১০ এমপির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

জুলাই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন। এ প্রতিবেদনগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রায় ১০ জন এমপি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে আমির হোসেন আমু, দীপু মনি, শাহজাহান খান, কামাল আহমেদ মজুমদার, আবদুর রাজ্জাকসহ অন্যান্যরা রয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদনগুলো যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে চলতি মাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে সুপেরিয়র রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ।

ইতোমধ্যে জুলাই হত্যাযজ্ঞের ২৪ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৬ টি মামলার রায়ও হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাবি শিক্ষার্থীর গাড়িচাপায় রিকশাচালক মো. শাহজালালের মৃত্যু, আহত ২

এদিকে, শাপলা চত্বর হত্যার ঘটনায় তদন্ত কাজও শেষ হয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আগামী ২১ জুলাই ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সর্বনিম্ন ৫ সপ্তাহের মধ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সর্বনিম্ন ৫ সপ্তাহের মধ্যে

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ৫ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় এটি ঘটেছে, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে প্রভাবিত করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১২ জুলাই) প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল গত পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমেছে।

জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে যে, রোববার হরমুজ প্রণালিতে মাত্র ছয়টি জাহাজ চলাচল করেছে, যা গত পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। প্রণালি ছেড়ে যাওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ছিল ‘হিউম্যানিটি’ নামের একটি ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার, যা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। এছাড়াও ‘ক্যাপেটান আন্দ্রেয়াস’ নামের একটি ট্যাংকার প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল কুয়েতি তেলজাত পণ্য নিয়ে প্রণালি অতিক্রম করেছে।

কেপলার তথ্য অনুযায়ী, অপরিশোধিত তেল বোঝাইয়ের জন্য তিনটি খালি তেলবাহী জাহাজ উপসাগরে প্রবেশ করেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় বেশিরভাগ জাহাজই নিজেদের অবস্থান শনাক্তকারী ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে কেপলার জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী কোনো জাহাজের প্রবেশ ঘটেনি।

অন্যদিকে, কেপলারের আরেকটি তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ১০ থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি পরিচালিত মাত্র একটি তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে, এবং এই জাহাজটি ভারতের দাহেজ বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে রোববারের হামলার পরিধি আগের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, রোববার রাতে তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালিয়েছে, যেখানে নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্র দিয়ে ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প রোববার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি এখনও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে, যদিও বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।

তবে এর আগে, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ইরানের দাবি, অনুমোদনহীন পথে চলাচল করা একটি জাহাজে আঘাত হানার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রেজারের গর্জনে গিলছে আড়িয়াল খাঁ,একের পর এক হারাচ্ছে ঘর, জমি, স্কুল; নদীভাঙনের আতঙ্কে শতাধিক পরিবারের নির্ঘুম জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি শাওন বল

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


ড্রেজারের গর্জনে গিলছে আড়িয়াল খাঁ,একের পর এক হারাচ্ছে ঘর, জমি, স্কুল; নদীভাঙনের আতঙ্কে শতাধিক পরিবারের নির্ঘুম জীবন

একসময় ছিল বসতভিটা, ফসলভরা জমি আর স্বচ্ছল সংসার। এখন সেই সবই স্মৃতি। আড়িয়াল খাঁ নদীর ভয়াল ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছেন মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের হোগলপাতিয়া গ্রামের মো. এনামুল আকন। তাঁর মতো শতাধিক পরিবার প্রতিদিন নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের পর থেকেই নদীর গতিপথ বদলে গিয়ে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।

৪৮ বছর বয়সী এনামুল আকন জানান, একসময় প্রায় ১০ বিঘা আবাদি জমিতে কৃষিকাজ করে পরিবার চালাতেন। ১৯৮৮ সালের বন্যার পর থেকে ধীরে ধীরে নদী তাঁদের জমি গ্রাস করতে শুরু করে। সময়ের ব্যবধানে পারিবারিক ভাগে পাওয়া শেষ দুই বিঘা জমি ও বসতভিটাও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এখন পরিবার নিয়ে স্থানীয় সাইফুল ইসলামের আট শতাংশ জমিতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

চোখের জল মুছতে মুছতে এনামুল বলেন, “ড্রেজার দিয়ে বালু না তুললে নদী এভাবে ভাঙত না। যারা এসব করে তারা খুবই প্রভাবশালী। প্রতিবাদ করলে হামলার ভয় থাকে। তাই মুখ খুলতেও ভয় পাই। আল্লাহ ছাড়া আমাদের দেখার কেউ নেই।”

একই গ্রামের টিটল আকনের জীবনেও নেমে এসেছে একই ট্র্যাজেডি। গোলাভরা ধান, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি—সবই এখন নদীর তলদেশে। বাধ্য হয়ে নদীর ওপারে নিজের ছয় শতাংশ জমিতে নতুন করে ঘর তুলেছেন তিনি।

টিটল আকনের ভাষ্য, “আমাদের এলাকায় আগে কখনো নদীভাঙন ছিল না। ড্রেজার বসানোর পর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে। যারা বালু তোলে, তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস কারও নেই।”

আড়িয়াল খাঁ নদী মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়ন এবং কালকিনি উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। হোগলপাতিয়া, চরহোগলপাতিয়া, চর কালকিনি, সস্তাল ও কাদের আকন কান্দিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা এখন নদীভাঙনের স্থায়ী ঝুঁকিতে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাটবাজার। যেসব ঘর এখনো নদীর কিনারায় টিকে আছে, সেসব পরিবারের প্রতিটি বর্ষা কাটে চরম উৎকণ্ঠায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৃদ্ধ বলেন, “সংবাদ করলে আমাদেরই বিপদ হয়। কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধান হয় না।”

নদীভাঙনের ধাক্কায় চরহোগলপাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও সামাজিক স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় শিক্ষার্থীরা জানায়, নদীভাঙনের কারণে নৌকায় চলাচল করতে ভয় লাগে। এ কারণে অনেক সময় তারা স্কুলেও যেতে পারে না।

স্থানীয় বাসিন্দা জলিল বেপারী বলেন, “রাতভর ড্রেজারের শব্দে ঘুমাতে পারি না। কিছু বলতে গেলেই ভয় দেখানো হয়।”

শাহানুর আকন, সিদ্দিকী আকন, আজম হাওলাদার ও রাজ্জাক হাওলাদারসহ একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনের পর থেকেই নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অনেক পরিবার পাঁচ থেকে সাতবার পর্যন্ত ঘর সরাতে বাধ্য হয়েছে। তাঁদের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে পুরো জনপদই একসময় নদীগর্ভে বিলীন হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল হোসাইন অভিযোগ করেন, অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট জড়িত। দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যাবে।

 

ঝাউদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম আবুল হাওলাদারের চাচাতো ভাই জাফর হাওলাদার বলেন, নদীর পাড়ে কয়েকজন মিলে বরই ও আমের বাগান করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, শামীম আকন নদীর পাড়ের মাটি ড্রেজার ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করায় তাঁর বাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

জাফর হাওলাদার বলেন, “আমি বাধা দিলে আমাকে লোক দিয়ে মারতে আসে। প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।”


হোগলপাতিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লোকমান বেপারী বলেন, “তারা অনেক প্রভাবশালী। আমি প্রতিবাদ করলে আমার ওপরও হামলার আশঙ্কা রয়েছে।”

আলিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহিদ পারভেজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঝাউদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম আবুল হাওলাদার বলেন, নদীভাঙনের বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ তাঁকে অবহিত করেননি বলেও দাবি করেন।


মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের খান বলেন, ঝাউদি ইউনিয়নে নদীতীর সংরক্ষণের জন্য একটি প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দলের পরিদর্শন শেষে প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু হবে।

মাদারীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জেলা প্রশাসক মিস মর্জিনা আক্তার বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পৃথক ম্যাজিস্ট্রেট টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ অভিযান চলমান থাকবে।

আড়িয়াল খাঁর তীরে দাঁড়িয়ে এখন মানুষের একটাই প্রশ্ন—অবৈধ ড্রেজারের গর্জন থামবে কবে? তার আগেই কি নদী গিলে খাবে এই জনপদের শেষ আশ্রয়টুকুও?

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের হত্যার তালিকায় ট্রাম্প, মেলোনি, ম্যাক্রোঁসহ ১৩ বিশ্বনেতার নাম!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


ইরানের হত্যার তালিকায় ট্রাম্প, মেলোনি, ম্যাক্রোঁসহ ১৩ বিশ্বনেতার নাম!

সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে কাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে, সে বিষয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ইরান। এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারাও রয়েছেন। ইরানের একটি রক্ষণশীল সংবাদপত্র, যা উস্কানিমূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত, এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হন প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ। এরপর তার পুত্র মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন এবং প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেন।

‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং তা অবশ্যই কার্যকর করতে হবে,’ এই সপ্তাহে তার বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর শনিবার দেয়া প্রথম বার্তায় মোজতবা একথা বলেন।

‘এই অপরাধীরা, যাদের নাম একটি তালিকায় রয়েছে, তারা নিজেদের বিছানায় শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কবরে যাবেন।’ বলেন মোজতবা।

এদিকে, ইরানের রাজধানীতে কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হামশাহরি সংবাদপত্রটি শনিবার গভীর রাতে অনলাইনে একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করেছে, যেখানে মোজতবার বিবৃতির পাশাপাশি ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি রয়েছে।

সর্বোচ্চ নেতা তার বার্তায় বলেছেন, ইরান লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে, তবে তিনি কোনো নাম উল্লেখ করেননি এবং সংবাদপত্রটির তালিকাটি যে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত, এমন কোনো ইঙ্গীতও ছিল না।

এই ইনফোগ্রাফিকটিতে অন্যদের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তালিকায় আরও রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ।

যুদ্ধ চলাকালীন, ইরান ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে যে, তারা তাদের ভূখণ্ডে মার্কিন হামলার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন সামরিক বিমানকে উড়তে দিয়ে সহায়তা করেছে।

যুদ্ধের আগে থেকেই মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং জানা গেছে, যে হামলায় তার বাবা নিহত হন, সেই হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ৪১৬ বছরপূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


ঢাকার ৪১৬ বছরপূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছরপূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ আগস্ট ‘ঢাকা উৎসব’ আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এই উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম।

সোমবার ডিএসসিসির অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতরা সকলকে ‘ঢাকা উৎসব’-এর আমন্ত্রণ জানাতে ভুলেননি। আব্দুস সালাম বলেন, ‘আগামী ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছরপূর্তি হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ১ আগস্ট আমরা ঢাকা উৎসব উদযাপন করতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উৎসব অনুষ্ঠান উদ্বোধনের সম্মতি দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার কৃষ্ঠি, সাহিত্য, ঐতিহ্য—এসব আমরা মানুষের মনে ফিরিয়ে দিতে চাই। ঢাকা দিবস উদযাপনে ১ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত সাত দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম আরও জানান, ‘প্রথম দিন লালবাগ কেল্লা থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে আদি ঢাকার খাবারের স্টল পরিদর্শন, ক্লিন ঢাকা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, ঘুড়ি উৎসব, নৌকাবাইচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনও করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%