নীলফামারী: স্টাফ রিপোর্টার রায়হান আলী
০৭:২১ পি.এম
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে নীলফামারী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতীফের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যসহ ২৮ জনের মাঝে নগদ অর্থ ও অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন নীলফামারী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতীফ। এ সময় তিনি বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান কখনোই ভোলার নয়। তাঁদের কল্যাণ ও সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের সকলের দায়িত্ব। মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব রুহুল আমীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নীলফামারী সদর উপজেলা কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন এবং সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা সুধাংশু কুমার রায়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু হানিফা শাহ, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান আজাদ, সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহমাদ রায়হানসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে উপকারভোগীরা এই সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। অনুদান বিতরণ কর্মসূচি শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ও কল্যাণে সকলের সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যে দল তার কর্মীদের অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে দলের দেশ শাসনের অধিকার নেই। তিনি জানান, "আমরা দেশকে শাসন করতে চাই না, দেশের সেবা করতে চাই।"
তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) মুন্সীগঞ্জ শহরের রয়েল পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়াত আয়োজিত বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার বাজেটে কর কমালেও বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমেনি। কারণ, "বাজার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। রাজনৈতিক প্রশ্রয় না থাকলে কোনো সিন্ডিকেট টিকে থাকতে পারে না।"
ডা. শফিকুর রহমান চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে বলেন, "সারাদেশে চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে। কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জনগণ জানে।"
গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, "সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা।"
সম্মেলনে সংগঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির আ. জ. ম. রুহুল কুদ্দুস এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাইফুল আলম খান মিলন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট থেকে অপহরণ করা স্কুলছাত্রীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। অপহরণের ঘটনার প্রায় এক মাস পরে ওই স্কুলছাত্রীর উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
একইসঙ্গে গৃহশিক্ষক অন্তর খানও আটকের আওতায় এসেছে।
শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের পাঠানো র্যাব-৯-এর সিলেট ক্যাম্পের মিডিয়া অফিসার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চরইসলামপুর গ্রাম থেকে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটককৃত অন্তর খান (২৫) হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার এড়ালিয়াপাড়ার আজাদ খানের পুত্র।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, ভিকটিম সিলেট জেলার মোগলাবাজার উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। অন্তর খান, যিনি অপহরণকারী গৃহশिक्षক, তার শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২১ মে সকালের সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছে ভিকটিম। এরপর আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। শেষে গত ৪ জুন মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তারপর জানতে পারে, গৃহশিক্ষক অন্তর খান ভিকটিমকে ২১ মে সকাল ১০ টায় স্থানীয় কলাবাগান বাজার থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল। থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে।
র্যাব আরও জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টায় বিজয়নগর উপজেলার চর-ইসলামপুর গ্রাম থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী অন্তর খানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদেরকে সিলেট জেলার মোগলাবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ সময় ধরে ছয় বছর পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের ১২ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ইংরেজি বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান শুভকে আহ্বায়ক হিসেবে এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আবুল বাশারকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সদ্য ঘোষিত কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ সর্বশেষ কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, নতুন সদস্য সচিব আবুল বাশার ছিলেন ওই কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক।
নতুন কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আতিকুর রহমান দায়িত্ব পেয়েছেন।
এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. সাইফুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দীন অন্তর, সাগর আহমেদ, সাফায়েত হোসেন সজল, মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত, আশরাফ উদ্দিন মুন্না, মাহফুজুর রহমান আরিফ, তরিকুল ইসলাম এবং মো. সাইদুল ইসলাম শাওনকে।
কমিটি ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক জনাব তারেক রহমানকে এবং আমার নেতা কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে ধন্যবাদ জানাচ্ছি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আমাকে মূল্যায়ন করার জন্য। এই দীর্ঘ যাত্রায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যেসব সহযোদ্ধা আমার পাশে ছিলেন তাদেরকে কৃতজ্ঞতা জানাই এবং কমিটিতে মনোনীত সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’
আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এই কমিটি পেয়েছে। এজন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে অশেষ ধন্যবাদ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানকে আমাদের প্রতি আস্থা রেখে সুন্দর এই কমিটি দেওয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। নবগঠিত এই কমিটির সকল সদস্যরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবে। এ বিষয়ে সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে ছাত্রদলকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি।’
প্রসঙ্গত, আগামী ১০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং এক মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৮ জুন বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি (কায়রো, মিশর) শাখার উদ্যোগে মিশরের রাজধানী কায়রোর গ্র্যান্ড কনফারেন্স হল বুর্জ আল-তাতবিকিয়্যিনে ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব বাহরে শরীয়ত শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ)-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাক-ভারত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠতম আধ্যাত্মিক মারকাঝ ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.)।
ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি মিশরের আহ্বায়ক জনাব সাইমুম আল-মাহদী আল-আযহারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন মিশরের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব ফাদিলাতুশ শাইখ ক্বারী মোহাম্মাদ সাইদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন জনাব সাইফুর রহমান আল-আযহারী। এ সময় আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেশের ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিবৃন্দ হযরত পীর সাহেব কেবলাকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলা, আরবী ও ইংরেজী ভাষায় ছারছীনা শরীফের খেদমত, শাহ মোহাম্মাদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.)-এর জীবনাদর্শ, তাজদিদি মিশনের কার্যক্রম, আধ্যাত্মিক অবদান এবং বাংলাদেশের ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁর বিপ্লবী ভূমিকা তুলে ধরেন।
এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০টি দেশের ছাত্র প্রতিনিধি, রুয়াসাউল ইত্তেহাদ, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, ফিলিস্তিনি দাতা সংস্থা One Ummah Foundation, আল-আযহার স্টুডেন্ট ফোরাম, ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ। বাংলা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ছাত্রসংসদের প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইত্তেহাদ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, এবং বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।
হযরত পীর ছাহেবকে উক্ত সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। বিশেষ করে মিশরের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি ছাত্রদের সংগঠন, ইত্তেহাদের পক্ষ থেকে উপদেষ্টা প্রধান শিহাবউদ্দিন আল-আযহারী সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। ভারতের ফুরফুরা দরবার শরীফের শাহ সাহেবগণও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে হুজুরকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন।
সকল সংগঠনের প্রধানগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে, শতাব্দী জুড়ে ছারছীনা শরীফের অবদানসমূহ তুলে ধরেন। ইত্তেহাদুল আরবের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মাদ মাখঝুমি, তাসাউফ চর্চা ও দ্বীন ইসলামের খেদমতে ছারছীনা দরবার শরীফের অবদানকে মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুসরণীয় আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ছারছীনা দরবার শরীফের বিশ্বব্যাপী ত্রাণ সংস্থা হেমায়েতে ইসলাম বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে মিশরে অবস্থানরত উদ্বাস্তু ও নিপীড়িত ফিলিস্তিনি মজলুম জনগোষ্ঠীর ২০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সমাপনী বক্তব্যে পীর ছাহেব হুজুর কেবলা আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে দ্বীনি শিক্ষা, আমল-আখলাক, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং সুন্নতে নববীর আদর্শে নিজেকে উম্মাহর জন্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সর্বোপরি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সম্প্রীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পরিশেষে ফিলিস্তিনসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করে পরিশেষে দেশ-জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা মুনাজাত পরিচালনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ