১০:৪৪ পি.এম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮৩ জন প্রার্থীর পক্ষে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তিনি সকল চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অবিলম্বে নিয়োগপত্র দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম বলেন, "লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও ৮৩ জন প্রার্থী কেন নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট নয়।" তিনি আরও জানান, তাদের নিয়োগ আটকে থাকার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা প্রয়োজন।
সাদিক কায়েমের বক্তব্য অনুযায়ী, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও এসব প্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের মধ্যে ১৫ জন অনশন করছেন।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
তিনি বলেন, "আমরা এই সরকারের কাছে জবাবদিহি চাই, কেন এতজন চাকরিপ্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত হলেন? অবিলম্বে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সবাইকে নিয়োগপত্র দিতে হবে।"
বিবৃতিতে সাদিক কায়েম আরও বলেন, "মেধা না কোটা" স্লোগানে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকারের উচিত মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া। যোগ্যতা প্রমাণের পর চাকরিপ্রার্থীদের অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা। তাদের দাবি, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রার্থীদের নিয়োগ না পাওয়ার কারণ এবং এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে।
আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন