ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথম ওয়ানডেতে মার্শ এবং পুরো সিরিজে নেই হেড


প্রথম ওয়ানডেতে মার্শ এবং পুরো সিরিজে নেই হেড

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ খেলতে পারবেন না। অন্যদিকে, বিশ্রামের কারণে ওয়ানডে সিরিজে কোন ম্যাচেও মারকুটে ব্যাটার ট্রাভিস হেডকে পাওয়া যাবে না।

এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম।

সাম্প্রতিক সময়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) লাক্ষ্মৌ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলার সময় মার্শ গোড়ালিতে আঘাত পান। সেই কারণে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না মার্শ। তার জন্য ৯ জুন বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ঐ দিন থেকেই মিরপুরে ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে।

মার্শের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন জশ ইংলিশ, যিনি পাকিস্তান সিরিজেও দলের অধিনায়ক ছিলেন।

অন্যদিকে, আইপিএলের ক্লান্তির সমস্যা কাটাতে অতিরিক্ত বিশ্রামের কারণে বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারবেন না হেড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্য গত শুক্রবার দুই ভাগ হয়ে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবে আজ তারা প্রথম অনুশীলন করেছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়া এবার পেস লাইন আপ থেকে অভিজ্ঞ প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজেলউডকে ছাড়া বাংলাদেশ সফরে আসছে।

৯ জুন থেকে মিরপুরে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। এরপর ১১ ও ১৪ জুন সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা সকাল ১১টায় শুরু হবে।

ওয়ানডে সিরিজ শেষে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন সিরিজের তিনটি ম্যাচ খেলা হবে। সবগুলো ম্যাচ দুপুর ২টায় শুরু হবে।

আরও পড়ুন: চীনে পাচারের চেষ্টা, ১২ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত

যুদ্ধবিরতিতে যেমন আছেন মার্কিন সেনারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


যুদ্ধবিরতিতে যেমন আছেন মার্কিন সেনারা

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার প্রায় ১৪ সপ্তাহ পর ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, যা পুরোপুরি যুদ্ধও নয়, আবার শান্তিও নয়।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, মার্কিন বাহিনীকে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকতে হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনারা নিয়মিত উত্তেজনার মাঝে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এমনকি কিছু সেনা যুদ্ধক্ষেত্রে গুরুতর আহত হওয়ার পরও তারা তাদের দায়িত্বে ফিরে আসছেন।

একই সঙ্গে, পেন্টাগন ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের মজুত পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘায়িত মোতায়েনের কারণে সেনাসদস্যদের পরিবারও মানসিক চাপে ভুগছে।

শুক্রবার ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের উদ্দেশ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়লে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। যদিও ট্রাম্প এপ্রিল মাসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন, তবুও সংঘাত কার্যত অচলাবস্থায় রয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে ইরান এখনও সীমাবদ্ধতা বজায় রেখেছে এবং শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প আবার বড় ধরনের বিমান হামলার হুমকি দিয়েছেন।

এই সমস্ত পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন বাহিনীকে সর্বদা যুদ্ধ প্রস্তুত অবস্থায় থাকতে বলা হচ্ছে।

ঘাঁটিগুলোতে অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে, ড্রোন ও স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সব সময় ‘লেভেল-১০’ সতর্কতায় থাকা এবং মুহূর্তের নোটিশে অভিযানে প্রস্তুত থাকা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত চাপের ও কঠিন দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক প্রধান জোসেফ ভোটেল বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘খুবই বিপজ্জনক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সেনাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা নেতৃত্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

যুদ্ধের কারণে আহত সেনাদের নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। মার্কিন আর্মি রিজার্ভের সার্জেন্ট কোরি হিকস ইরানি ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হয়ে আছেন। হামলায় তার শরীরে শার্পনেল ঢুকে একটি ধমনি ছিঁড়ে যায় এবং চোয়াল ভেঙে যায়। পাশাপাশি তিনি মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পান।

৩৭ বছর বয়সী এই আর্মি বলেন, ‘ড্রোনটি দ্রুতগতিতে আসা ছোট বিমানের মতো শব্দ করছিল। এরপর সেটি ভবনে আঘাত করে বিস্ফোরিত হয়। আমি শুধু আগুনের বড় গোলা, প্রচণ্ড চাপ ও তাপ অনুভব করেছিলাম, তারপর আর কিছু মনে নেই।’

মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রায় ৪০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মস্তিষ্কে আঘাত পেয়েছেন। আহতদের ৯০ শতাংশেরও বেশি ইতোমধ্যে তাদের দায়িত্বে ফিরে গেছেন। সংঘাতে এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

দীর্ঘায়িত সংঘাত সেনাসদস্যদের পরিবারের ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলছে। ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা ইয়াদিরা দেসাঁর ছেলে মার্কিন আর্মি রিজার্ভে কর্মরত। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির মাঝেও কি হচ্ছে তা জানি না।’ ফলে স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে ধারণার অভাবে পরিবারগুলো উদ্বেগে থাকে।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন ছেলেকে একটি বার্তা পাঠাই—সুপ্রভাত, বাবা। আমি তোমাকে ভালোবাসি। মাঝে মাঝে সে উত্তর দেয়, আমিও তোমাকে ভালোবাসি মা অথবা তোমাকে মিস করছি।

দেসাঁ দাবি করেন যে, তার ছেলে কয়েকবার ইরানি ড্রোন হামলার মুখোমুখি হয়েছেন এবং ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ তার আশপাশে পড়ে।

দীর্ঘমেয়াদি চাপের আশঙ্কা রয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চললেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যেকোনো সম্ভাব্য সমঝোতা কেবল যুদ্ধবিরতির সময়সীমা দীর্ঘায়িত করবে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এদিকে, দীর্ঘ সংঘাতের কারণে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ওপর চাপ বাড়ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরায় পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ টম কারাকো এর মাধ্যমে জানান, ‘যুদ্ধ শুধু অস্ত্রভাণ্ডারকেই ক্ষয় করে না। এটি মানুষ ও সামরিক সরঞ্জামের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করে।’

গুরুতর আহত হওয়ার স্মৃতি কোরি হিকসকে তাড়া করে ফেরে। কুয়েতে হামলার যে ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে তার ৬ সহযোদ্ধা নিহত হন। তাদের একজন ছিলেন ৩৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস নিকোল আমর।

হিকস বলেন, ‘ড্রোনটি আঘাত হানার মুহূর্তে আমি সার্জেন্ট আমরের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তিনি আমার থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরে ছিলেন। এই স্মৃতি আমাকে সারা জীবন বহন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বদ আকীদার বিস্তার তরুণ প্রজন্মের ঈমান-আকীদা ও নৈতিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে -কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


বদ আকীদার বিস্তার তরুণ প্রজন্মের ঈমান-আকীদা ও নৈতিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে -কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ

হাফেজ মোঃ হাসান শরীফকে সভাপতি, মোঃ আব্দুল বাতেনকে সাধারণ সম্পাদক-১ ও মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক-২ মনোনীত করে ৫৭ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ ভোলা জেলা শাখার কমিটি আগামী এক বছরের জন্য গঠিত হয়।

০৭ জুন ২০২৬ রোজ রবিবার সকাল দশ ঘটিকায় বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ্ ভোলা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বোরহানউদ্দিন মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ ভোলা জেলা উত্তর শাখার আহবায়ক মাওঃ মুহাম্মদ নেছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওঃ মুহাম্মদ আবু ওয়াক্কাস, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ সোহেল মাহমুদ, প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোরহানউদ্দিন মজমের হটি সিনিয়র ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ মুহাম্মদ ফয়জুল আলম সাহেব, বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে- লালমোহন ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ জমইয়াতে হিববুল্লাহ ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার আহবায়ক আলহাজ্ব মাওঃ মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, চরফ্যাশন মাঝের চর সিনিয়র ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ ও ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাওঃ মুহাম্মদ এ কে এম লোকমান, চরফ্যাশন করিমজান মহিলা কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব আলহাজ্ব মাওঃ মুহাম্মদ আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখার সভাপতি মাওঃ মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে বলেন- বর্তমানে ইসলামের নামে বিভিন্ন অপব্যাখ্যা, অপসংস্কৃতি ও বদ আকীদার বিস্তার তরুণ প্রজন্মের ঈমান-আকীদা ও নৈতিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের ভ্রান্ত মতবাদ ও বিভ্রান্তিকর কার্যক্রম থেকে সতর্ক থাকার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ একটি অরাজনৈতিক দ্বীনি ছাত্র সংগঠন হিসেবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বিশুদ্ধ আকীদা ও আদর্শ প্রচার-প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি ছাত্রসমাজকে চরিত্র বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড, নৈতিক অবক্ষয়, মাদক, অশ্লীলতা ও ইসলামবিরোধী সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে আদর্শবান, সুশিক্ষিত, নৈতিকতাসম্পন্ন এবং দ্বীনি চেতনায় উজ্জীবিত ছাত্রসমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি সকল শিক্ষার্থীকে কুরআন-সুন্নাহ ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসৃত পথের ওপর অবিচল থাকার আহ্বান জানান।

 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাটাগরি বিভাগ ও জেলা থেকে পরিচালক হলেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


ক্যাটাগরি বিভাগ ও জেলা থেকে পরিচালক হলেন যারা

বিসিবি নির্বাচনের ফলাফল একনজরে দেখা যাক।

ক্যাটাগরি ১ (১০ জন):

ঢাকা বিভাগ থেকে দুইজন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন সাইদ বিন জামান সৌরভ এবং এস.এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।

সিলেট বিভাগ থেকে একজন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি হলেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগ আবারও দুইজন পরিচালক নির্বাচিত করেছেন। তারা হচ্ছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু এবং মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু।

খুলনা বিভাগে দুইজন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নাম শান্তনু ইসলাম সুমিত এবং শফিকুল আলম।

বরিশাল বিভাগের একজন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, তার নাম মিজানুর রহমান।

রাজশাহী বিভাগ থেকে একজন পরিচালক হচ্ছেন মীর শাকরুল আলম সীমান্ত।

রংপুর বিভাগে একজন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি হলেন মির্জা ফয়সল আমীন।

ক্যাটাগরি ২ (১২ জন) - (ব্র্যাকেটে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা):

তামিম ইকবাল ৭৩ ভোট পেয়েছেন।

সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ পেয়েছেন ৭২ ভোট।

ইসরাফিল খসরু- ৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

মাসুদুজ্জামান ৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক ৬৮ ভোট পান।

ফাহিম সিনহা নির্বাচনে ৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

শানিয়ান তানিম পেয়েছেন ৬৬ ভোট।

সাকিফ আহমেদ সালাম ৬৫ ভোট পান।

আসিফ রব্বানি ৬৪ ভোট পেয়েছেন।

মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ ভোট পান।

প্রফেসর ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম ৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্যাটাগরি ৩ (১ জন) - সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।

উল্লেখ্য যে, গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডটি ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এবার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পাকাপাকিভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে বসলো সাবেক এই অধিনায়ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকাকে হত্যা, গ্রেপ্তার দম্পতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


১৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকাকে হত্যা, গ্রেপ্তার দম্পতি

ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপিকা হত্যার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তিন দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, অধ্যাপককে হত্যার উদ্দেশ্যে তারা প্রায় ১৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দিল্লিতে এসে পরিকল্পনা অনুযায়ী এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

রোববার (৭ জুন) একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি এ তথ্য জানায়।

নিহত অধ্যাপিকার নাম দেবস্মিতা পাল। তিনি দিল্লির শিবাজি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।

বুধবার (৩ জুন) পূর্ব দিল্লির বাসুধারা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্টে তার ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে পুলিশ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান থেকে রামপ্রসাদ দাস ও বংশ্রী দাস নামে দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকেও আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতে হাজির করা হবে এবং পরবর্তী তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রানজিট রিমান্ড চাওয়া হতে পারে।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা মুখোশ পরে একটি ক্যাবে করে ঘটনাস্থলে এসেছিল এবং সিসিটিভিতে তাদের প্রবেশ ধরা পড়েছে। তারা সিঁড়ি দিয়ে ষষ্ঠ তলায় উঠে ভুক্তভোগীর ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এবং সঙ্গে আনা অস্ত্র দিয়ে ওই শিক্ষককে হত্যা করে। সন্দেহ এড়াতে তারা তাদের নাবালক ছেলেকে সাথে নিয়ে আসে।

কর্মকর্তারা জানান, তারা বন্ধুত্বপূর্ণভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে।

ঘটনার প্রায় ৩০ মিনিট পর তারা পোশাক পরিবর্তন করে নিচে অপেক্ষমাণ ক্যাবে করে পালিয়ে যায়। ওই হাউজিং কমপ্লেক্সে আসা ২০০ জনের মধ্য থেকে অন্তত ১৩ জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের সাতটি দল চারটি রাজ্যে অভিযান চালিয়ে শত শত লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাদের শনাক্ত করা হয়।

পুলিশের দাবি, নিহত অধ্যাপকের পশ্চিমবঙ্গে একটি মূল্যবান সম্পত্তি ছিল। আর সেই বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন অভিযুক্তরা এবং তারা সেটি দখল নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে ওই শিক্ষক তাদের বাড়ি ছাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কারণেই দম্পতিটি ভুক্তভোগীর সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

ঘটনার পর নিহতের বোন দেবারতি বারবার যোগাযোগ করতে না পেরে ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজা ভেঙে মৃতদেহ দেখতে পান। তার মাথায় গভীর আঘাত এবং কব্জির শিরা কাটা ছিল। ফ্ল্যাটে কোনো লুটপাটের চিহ্ন নেই বলে প্রাথমিকভাবে ডাকাতির সম্ভাবনা নাকচ করে পুলিশ। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং পুলিশ বলছে, বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান, জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মাত্র তিন দিনের মধ্যে মামলার অগ্রগতি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%