বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫০ এম
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ধরনের ঘটনা। উদ্ভাবন ও উন্মোচনের পাশাপাশি অনেকের জন্ম ও মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে বিশেষভাবে স্থান করে নেয়। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে স্থান পায়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১১৮৯ সালে গেরার্ড ডে রাইডফোর্ট, যিনি নাইট টেম্পলার-এর গ্রান্ডমাস্টার ছিলেন ১১৮৪ সাল থেকে, তিনি অ্যাকর অবরোধকালে নিহত হন।
১৭৮০ সালে কলকাতা শহরের বৈঠকখানা রোডের বাড়িতে আলিয়া মাদরাসা শিক্ষাধারার প্রতিষ্ঠা হয়।
১৭৮৭ সালে সুভোরোভ-এর নেতৃত্বে রাশিয়া কিনবার্নে তুর্কিদের পরাস্ত করে।
১৭৯১ সালে ফ্রান্সের আইনসভার প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
১৭৯২ সালে ব্রিটেনে প্রথম মানি অর্ডার প্রথা চালু হয়।
১৭৯৬ সালে বেলজিয়াম ফ্রান্স জয় করে।
১৮৩৮ সালে প্রথম ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৫৪ সালে ভারতবর্ষে সরকারিভাবে ডাকটিকিট ব্যবস্থা চালু হয়।
১৮৬৪ সালে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে মানিঅর্ডার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
১৮৬৯ সালে অস্ট্রিয়ায় প্রথম পোস্টকার্ড চালু হয়।
১৮৮৭ সালে ব্রিটিশরা পাকিস্তানের বেলুচিস্তান দখল করে নেয়।
১৯০৯ সালে ভাগলপুরে বেগম রোকেয়া কর্তৃক ভাগলপুর সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯২৭ সালে রাশিয়া-পারস্য অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
১৯২৭ সালে খোরাসান প্রদেশের পুলিশ প্রধান মোহাম্মাদ তাকি খান পেসিয়ান তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের অনুচরদের হাতে নিহত হন।
১৯৪৬ সালে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালে নাৎসি জার্মান নেতারা দোষী সাব্যস্ত হন।
১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯৫৫ সালে প্রেসিডেন্ট মাওসেতুংয়ের নেতৃত্বে গণচীন প্রজাতন্ত্র তার অস্তিত্ব ঘোষণা করে।
১৯৬০ সালে নাইজেরিয়া ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৭৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারির বিচার শুরু হয়।
১৯৮৫ সালে ইসরায়েলের জঙ্গি বিমানগুলো তিউনিসিয়ায় ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও’র দপ্তরে হামলা চালায়।
১৯৮৮ সালে ভিয়েতনামের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ক্রয়ং চিনের মৃত্যু হয়।
১৯৮৮ সালে মিখাইল গর্বাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
১৯৮৯ সালে বিশ্বে সর্বপ্রথম ডেনমার্কে সমকামীদের বিয়ের অনুমতি প্রদান করা হয়।
১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সহায়তায় পালাউ স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯৯ সালে বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’ পথচলা শুরু করে।
২০০১ সালে কাশ্মীরের রাজ্যসভায় জঙ্গি হামলায় ৪০ জনকে হত্যা করা হয়।
২০০১ সালে বাংলাদেশে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোটের বিপুল বিজয় ঘটে।
২০০৫ সালে বোমা হামলায় ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ২৩ জনের প্রাণহানি ঘটে।
জন্ম
১৭৯১ সালে সের্গেই আক্সাকভ, যিনি রাশিয়ান লেখক ছিলেন।
১৮৬১ সালে চিকিৎসক স্যার নীলরতন সরকার।
১৮৬৫ সালে পল ডুকাস, ফরাসি সুরকার, পণ্ডিত ও সমালোচক।
১৮৮১ সালে বোয়িং বিমান কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম এডওয়ার্ড বোয়িং।
১৮৯৫ সালে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খাঁ।
১৯০৬ সালে শচীন দেব বর্মন, যিনি ভারতীয় বাংলা গানের কিংবদন্তি ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ছিলেন।
১৯২২ সালে চেন নিং ইয়াং, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন চীনা বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন।
১৯২৪ সালে আবদুল মালেক উকিল, যিনি একজন বাংলাদেশি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
১৯২৪ সালে জিমি কার্টার, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
১৯৩৬ সালে ডানকান এডওয়ার্ডস, যিনি একজন ইংরেজ আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন।
১৯৪০ সালে কবি, প্রাবন্ধিক মনজুরে মাওলা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ সালে ছড়াকার সিরাজুল ফরিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৭ সালে আরন চিয়েচানভের, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরায়েলি জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক ছিলেন।
১৯৫৬ সালে এন্ডরুল আনসিপ, যিনি এস্তোনীয় ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ ও ১৫তম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
১৯৬৬ সালে জর্জ উইয়াহ, যিনি সাবেক লাইবেরিয়ার ফুটবলার ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
১৯৭২ সালে লায়লা হাটামি, যিনি ইরানি অভিনেত্রী ছিলেন।
১৯৮০ সালে টেনিস তারকা মার্টিনা হিঙ্গিস।
১৯৮১ সালে হুলিও বাপতিস্তা, যিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ছিলেন।
মৃত্যু
১৪৯৯ সালে মারসিলিও ফিচিনো, যিনি ইতালিয়ান জ্যোতিষী ও দার্শনিক ছিলেন।
১৯২৯ সালে আন্টইনে বউরডেলে, যিনি ফরাসি ভাস্কর ও পেইন্টার ছিলেন।
১৯৪৭ সালে স্পেনের কবি ও নাট্যকার গ্রেগোরিও মার্তিনেজ সিয়েরা।
১৯৫৯ সালে এনরিকো ডে নিকোলা, যিনি ইতালীয় সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ইতালির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
১৯৮৫ সালে ই বি হোয়াইট, যিনি আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক ছিলেন।
১৯৮৭ সালে মাওলানা আবদুর রহিম।
১৯৯০ সালে জন স্টুয়ার্ট বেল, যিনি আয়ারল্যান্ডীয় পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন।
১৯৯৫ সালে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি আদিত্য বিক্রম বিড়লা।
২০০০ সালে চিত্রশিল্পী কালাম মাহমুদ।
২০১২ সালে ডির্ক ব্যাচ, যিনি জার্মান অভিনেতা, গায়ক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার ছিলেন।
২০১৩ সালে টম ক্ল্যানসি, যিনি মার্কিন লেখক ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে, যেকোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তারিখে কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং দোকানপাট বন্ধ থাকবে, তা দেখে নিন।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপারমার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপারমার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, ফরচুন শপিংমল, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট এবং সাকুরা মার্কেট।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা এবং রমনা শিশুপার্ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরীর আমন্ত্রণে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবু জাফর খান কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকারের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আবু জাফর খান যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়ের মধ্যে উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, ভাষা শিক্ষার প্রসার এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষভাবে আরবি ও মালয় ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, বৃত্তি ও আন্তর্জাতিক একাডেমিক বিনিময়ে অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশি জনশক্তির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ তৈরিতে ভাষা শিক্ষার ভূমিকা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।
এছাড়াও মালয় ও আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনার ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এ লক্ষ্যে ভাষাগত দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি সাইন্স ইসলাম মালয়েশিয়া (USIM) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া (IIUM)-এর আমন্ত্রণে বর্তমানে সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবু জাফর খান।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিস্টার জাহিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপাচার্যের সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আশফাক আখতারও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শাহরিয়ার মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় ২০২৪ সালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসী হামলার মামলাসহ দুইটি মামলার আসামি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে কয়েক দফা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ফলে চারজন মুসল্লি নিহত এবং কয়েকশ মুসল্লি আহত হন। এই ঘটনায় বিবদমান দুই পক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করে। এসব মামলার মধ্যে টঙ্গী পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টা, গাড়ি ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ। তার পিতার নাম উকিল মনশাদ উল্লাহ। তার ঠিকানা ঢাকার মিরপুরের ১২ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের আট নম্বর লাইনের সাত নম্বর বাড়ি। শাহরিয়ার মাহমুদ গাজীপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একটি হত্যা মামলার সি আর মোকদ্দমার ২৫ নম্বর আসামি। মামলাটি বর্তমানে গাজীপুর পিবিআইয়ের তদন্তাধীন রয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, শাহরিয়ার মাহমুদ আমার থানার মামলা নম্বর ০৬(০৯)২৪ এর তিন নম্বর আসামি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই গাজীপুরের ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই মামলায় শাহরিয়ার মাহমুদসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, যাদের মধ্যে কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যের (এমপি) জামাতা মিজানুর রহমান এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের ‘কিং অব রোমান্স’ শাহরুখ খান বাস্তব জীবনে সম্পর্কের রসায়ন কতটা গভীরভাবে বোঝেন, তা আবারও প্রমাণিত হলো। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এক ভক্ত নবদম্পতিদের সুখী বিবাহিত জীবনের ‘গ্রিন ফ্ল্যাগ’ বা মূল চাবিকাঠি সম্পর্কে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলে, শাহরুখ খান সুখী দাম্পত্যের ইতিবাচক দিক হিসেবে পারস্পরিক সমঝোতা ও মানিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি এই পরামর্শটি ‘আস্ক এসআরকে’ সেশনে প্রদান করেন।
বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান বলেন, 'একে অপরের রঙে রঙিন হয়ে ওঠো...। নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নাও, যাতে তোমরা দুজনেই সঙ্গীকে আরও সুখী করতে পারো।'
শাহরুখ খানের এই বক্তব্য শুধুমাত্র রোমান্টিক নয়, এর পেছনে রয়েছে একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব। রিলেশনশিপ কোচের মতে, যদি দুজন মানুষ সম্পর্কের আগের মতো বেঁচে থাকার জেদ ধরে রাখেন, তাহলে কোনো ভালোবাসার সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।
তিনি জানান, স্বাস্থ্যকর অ্যাডজাস্টমেন্টের অর্থ হলো— সঙ্গীর জন্য নিজের জীবনে জায়গা তৈরি করে নেওয়া। সঙ্গী কিভাবে মানসিক দ্বন্দ্বে সাড়া দেন, তা বুঝে যোগাযোগের মাধ্যম বদলানো, সপ্তাহান্ত কীভাবে কাটাবেন, দায়িত্ব কীভাবে শেয়ার করবেন কিংবা কঠিন দিনের পর সঙ্গীর নীরবতার প্রয়োজনকে সম্মান জানানো— এসব বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা।
বাদশাহর ভালোবাসার ভিত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— অন্যকে খুশি করতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে ছোট করা যাবে না। অসুস্থতা, ক্যারিয়ারের চাপ, গর্ভাবস্থা কিংবা শোকের মতো কঠিন সময়ে একজন সঙ্গীকে বেশি দায়িত্ব বহন করতে হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে দুজনকেই অনুভব করতে হবে— ‘তোমার আনন্দ যেমন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আমার আনন্দও তোমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ভালোবাসায় দুজন মানুষ অনিবার্যভাবে একে অপরের অভ্যাস, স্বাদ ও চিন্তাভাবনা দ্বারা প্রভাবিত হন। তবে সম্পর্ক গভীর হতে গিয়ে দুজনের নিজস্ব রঙ বা ব্যক্তিত্ব হারিয়ে যাবে না। দুটি আলাদা রঙ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি নতুন সুন্দর শেড তৈরি করাই আসল ভালোবাসা।
সম্পর্কের লক্ষ সঙ্গীকে খুশি করা নয়; বরং এমন একটি বন্ধন গড়ে তোলা, যেখানে দুজন মানুষই সমান ভালোবাসা, মর্যাদা, স্বতন্ত্রতা এবং সুখ অনুভব করতে পারেন। সাইকোথেরাপিস্টের ভাষায়— ভালোবাসায় অবশ্যই মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, তবে সুস্থ ভালোবাসা কখনো নিজের অস্তিত্ব বিসর্জন দেওয়ার দাবি করে না।
অতএব, সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো বড় সিদ্ধান্ত বা অ্যাডজাস্টমেন্ট করার আগে বিশেষজ্ঞরা দম্পতিদের নিজেদের কাছে পাঁচটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দিয়েছেন—
প্রথমত, আমি কি এটি নিজের ইচ্ছায় বেছে নিচ্ছি, নাকি 'না' বললে পরিণতি কী হবে সেই ভয়ে মেনে নিচ্ছি?
দ্বিতীয়ত, আমার সঙ্গীও কি একই ভাবে আমার প্রয়োজন ও মানসিক শান্তির জন্য জায়গা তৈরি করছেন?
তৃতীয়ত, এই অ্যাডজাস্টমেন্ট কি কেবল একটি অভ্যাস বদলাতে বলছে, নাকি আমার গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিতে বলছে?
চতুর্থত্ব, অসম্মান বা মানসিক অবহেলার শিকার না হয়ে আমি কি সম্পর্কের মধ্যে দ্বিমত পোষণ করতে পারি?
পঞ্চমত, বারবার আপস করার পর আমি কি এখনো নিজেকে এই সম্পর্কের মধ্যে চিনতে পারি?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ