মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ এম
প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলি সময়ের সাথে সাথে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ-সবকিছুরই সাক্ষী ইতিহাস। ইতিহাস আমাদের নতুন দিগন্তের দিকে পরিচালিত করে।
আজ ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ২০২৬। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি
৫৩৯ খ্রিষ্টপূর্ব - ইরানের হাখামানেশিয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সাইরাস ঐতিহাসিক বাবেল শহর দখল করেন।
৫৪ - রোমান সম্রাট ক্লডিয়াস রহস্যজনকভাবে বিষক্রিয়ায় মারা যান, এবং তার দত্তক পুত্র নিরো তার স্থলাভিষিক্ত হন।
৪০৯ - ভ্যান্ডাল ও অ্যালানরা পিরেনিজ পর্বত অতিক্রম করে হিসপানিয়ায় প্রবেশ করে।
৬৩৫ - খালিদ বিন ওয়ালিদ সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক জয় করেন।
১২৬৯ - ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবির বর্তমান ভবনটি পবিত্র করা হয়।
১৩০৭ - ফ্রান্সে রাজা চতুর্থ ফিলিপ শয়ে শয়ে নাইটস টেম্পলারকে গ্রেফতার করেন।
১৩৩২ - রিঞ্চিনবাল খান মঙ্গোলদের খাগান এবং ইউয়ান রাজবংশের সম্রাট হন, মাত্র ৫৩ দিন রাজত্ব করেন।
১৩৯৯ - ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ হেনরির অভিষেক হয়।
১৫৫৬ - মোগল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের সূচনা হয়।
১৬৪৪ - একটি সুইডিশ-ওলন্দাজ নৌবহর ফেহমার্নে ডেনীয় নৌবহরকে পরাজিত করে এবং প্রায় ১,০০০ বন্দিকে আটক করে।
১৭১০ - ফরাসি আকাদিয়ার রাজধানী পোর্ট রয়্যাল ব্রিটিশ বাহিনীর অবরোধে পতিত হয়।
১৭৭০ - তামার পয়সার বদলে ‘আনি’র প্রচলন শুরু হয়।
১৭৭৫ - মহাদেশীয় কংগ্রেস মহাদেশীয় নৌবাহিনী প্রতিষ্ঠা করে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পূর্বসূরি।
১৭৯২ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৭৯৩ - ফরাসি বিপ্লবী যুদ্ধ: উইসেমবুর্গের প্রথম যুদ্ধে অস্ট্রীয়-প্রুশিয়া বাহিনী ফরাসি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে।
১৮১২ - কুইন্সটন হাইডমের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮১৫ - সিসিলির রাজা জোয়াকিম মুরার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
১৮২১ - মেক্সিকান সাম্রাজ্যের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়।
১৮৪৩ - নিউ ইয়র্ক শহরে বিশ্বের প্রাচীনতম ইহুদি সেবা সংস্থা ব'নাই ব'রিথ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮১ - এলিয়েজার বেন-ইয়েহুদা ও তার বন্ধুদের দ্বারা আধুনিক হিব্রু ভাষায় প্রথম কথোপকথন অনুষ্ঠিত হয়।
১৮৮৪ - ওয়াশিংটন সম্মেলনে গ্রিনিচকে সার্বজনীন মূল মধ্যরেখা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
১৮৮৫ - আটলান্টায় জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯২ - এডওয়ার্ড এমারসন বার্নার্ড প্রথম ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন।
১৯০৩ - বোস্টন রেড সক্স অষ্টম খেলায় পিটসবার্গ পাইরেটসকে পরাজিত করে প্রথম আধুনিক বিশ্ব সিরিজ জয় করে।
১৯০৮ - মার্গারেট ট্রাভার্স সাইমন্স যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রবেশ করে বক্তব্য দেন এবং প্রথম নারী হিসেবে সেখানে কথা বলেন।
১৯১১ - কনটের ডিউক প্রিন্স আর্থার রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে প্রথম কানাডার গভর্নর জেনারেল হন।
১৯১৫ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: হোহেনজোলার্ন রেডাউটের যুদ্ধ লুসের যুদ্ধের সমাপ্তি চিহ্নিত করে।
১৯১৭ - পর্তুগালের কোভা দা ইরিয়াতে আনুমানিক ৭০,০০০ মানুষ "সূর্যের অলৌকিক ঘটনা" প্রত্যক্ষ করেন।
১৯২১ - তুরস্ক এবং দক্ষিণ ককেশাস রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সীমান্ত আনুষ্ঠানিক করতে সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলো কার্স চুক্তি সই করে।
১৯২৩ - আঙ্কারাকে তুরস্কের নতুন রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
১৯৩৭ - চীনের জাতীয় বিপ্লবী বাহিনীর নতুন চতুর্থ আর্মি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৩ - ইতালি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত রিগা আক্রমণে শহরটি দখল করে।
১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুগোশ্লাভিয়ার বিখ্যাত নেতা মার্শাল টিটো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাবাহিনীর সহায়তায় জার্মানীর দখলে থাকা যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড মুক্ত করতে সক্ষম হন।
১৯৪৬ - ফ্রান্স চতুর্থ ফরাসি প্রজাতন্ত্রের সংবিধান গ্রহণ করে।
১৯৪৬ - মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও লর্ড ওয়াভেল এর ফলপ্রসূ আলোচনার পর নিখিল ভারত মুসলমান লীগ ওয়ার্কিং কমিটি কর্তৃক অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রীর পদে যোগদানের প্রস্তাব গ্রহণ করেন।
১৯৬২ - প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমে ক্যাটাগরি ৩ হারিকেনের সমতুল্য কলম্বাস দিবসের ঝড় আঘাত হানে, ৪৬ জন নিহত হন।
১৯৬২ - যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে পানামা খাল অঞ্চলে নতুন পানামা খালের সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার জন্যে একটি উদযাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
১৯৬৬ - শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় দফা আন্দোলন চলাকালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান অস্ত্র প্রয়োগের ভয় দেখালে তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
১৯৭২ - মস্কোর বাইরে এরোফ্লট ফ্লাইট ২১৭ বিধ্বস্ত হয়, ১৭৪ জন নিহত হন।
১৯৭২ - উরুগুয়ের বিমান বাহিনীর ফ্লাইট ৫৭১ আন্দিজ পর্বতমালায় বিধ্বস্ত হয়।
১৯৭২ - জাপানের ওকিনাওয়া প্রশাসনিক অঞ্চলের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
১৯৭৬ - রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রে ড. এফ. এ. মারফি প্রথম ইবোলা ভাইরাসের ইলেকট্রন মাইক্রোগ্রাফ তোলেন।
১৯৭৬ - বলিভিয়ার সান্তা ক্রুজ দে লা সিয়েরার এল ট্রমপিলো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর লয়েড এরিও বলিভিয়ানোর একটি বোয়িং ৭০৭ বিধ্বস্ত হয়, ৯১ জন নিহত হন।
১৯৭৭ - পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন কর্তৃক লুফথানসা ফ্লাইট ১৮১ ছিনতাই করা হয়।
১৯৮৩ - অ্যামেরিটেক মোবাইল কমিউনিকেশনস শিকাগোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করে।
১৯৮৯ - আধুনিক বিশ্বের বৃহত্তম ব্রোঞ্জ বৌদ্ধ মূর্তি - ২৬.৪ মিটার উঁচু থিয়েনথান বৌদ্ধমূর্তির নির্মাণকাজ হংকংয়ের তায়ুএ পাহাড়ে সমাপ্ত হয়।
১৯৯০ - সিরীয় বাহিনী লেবাননের মুক্ত অঞ্চলে আক্রমণ করে রাষ্ট্রপতি প্রাসাদ থেকে জেনারেল মিশেল আউনকে অপসারণ করে।
১৯৯০ - ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও তাত্ত্বিক লে দাক থো মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৯১ - বাংলার প্রাচীন প্রেক্ষাগৃহ স্টার থিয়েটার আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়।
১৯৯৩ - পাপুয়া নিউ গিনির পূর্বাঞ্চলে ফিনিস্টেরে পর্বতমালায় ধারাবাহিক ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হন এবং ব্যাপক ভূমিধস ঘটে।
১৯৯৪ - মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র প্রমাণ করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সারাদেশে কমপক্ষে কয়েক হাজার লোক যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যক্তিগত আইসক্রিম কোম্পানির উৎপাদিত আইসক্রিম খাওয়ার ফলে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটে, কিন্তু কেউ মারা যায় নি।
১৯৯৭ - পাঁচ দিনের সফরে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জেমস উলফেনসন ঢাকা আগমন করেন।
১৯৯৯ - ভারতে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।
২০০১ - ভারতীয় সংসদ ভবনে আতঙ্কবাদী হামলা - সব আতঙ্কবাদী সমেত মোট ১৫ জনের মৃত্যু।
২০০২ - বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেত্রী ইলা মিত্র মৃত্যুবরণ করেন।
২০০৪ - ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি কার্ডিয়াক সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়।
২০০৬ - শান্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল পুরস্কার লাভ।
২০১০ - চিলির কোপিয়াপো খনি দুর্ঘটনার সমাপ্তি ঘটে, ৬৯ দিন ভূগর্ভে আটকে থাকার পর ৩৩ জন খনি শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়।
২০১৩ - ভারতের মধ্যপ্রদেশে নবরাত্রি উৎসব চলাকালে পদদলিত হয়ে ১১৫ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন।
২০১৬ - মালদ্বীপ কমনওয়েলথ অব নেশনস থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
২০১৯ - কেনীয় দৌড়বিদ ব্রিজিড কোসগেই শিকাগো ম্যারাথনে ২:১৪:০৪ সময় নিয়ে নারীদের বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেন।
২০২০ - বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে "নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।
২০২১ - বাংলাদেশে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন কুমিল্লা শহরের নানুয়ারদীঘি এলাকার একটি পূজামণ্ডপ থেকে কোরআন পাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন জেলায় ধর্মান্ধ গোষ্ঠী কর্তৃক পূজা মণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার সূত্রপাত হয়।
জন্ম
১৮২১ - রুডল্ফ ফিরখো, জার্মান চিকিৎসক, নৃবিজ্ঞানী, রোগবিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী, লেখক, সম্পাদক ও রাজনীতিক।
১৮৬২ - পর্যটক ও লেখক মেরি কিংসলে।
১৮৯০ - কনরাড রিক্টার, মার্কিন ঔপন্যাসিক।
১৯১১ - অশোক কুমার, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯১২ - কর্নেল ওয়াইল্ড, হাঙ্গেরীয়-মার্কিন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯২৫ - লেনি ব্রুস, মার্কিন স্ট্যান্ড-আপ কৌতুকাভিনেতা, সামাজিক সমালোচক ও বিদ্রুপাত্মক রচয়িতা।
১৯২৫ - মার্গারেট থ্যাচার, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
১৯৩১ - রেমোঁ কোপা, ফরাসি ফুটবলার।
১৯৩৮ - হুগো ইয়াং, ইংরেজ সাংবাদিক ও লেখক।
১৯৩৯ - মেলিন্ডা ডিলন, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৪১ - পল সাইমন, আমেরিকান সংগীতজ্ঞ, গায়ক ও গীতিকার।
১৯৪৮ - নুসরাত ফতেহ আলি খান, পাকিস্তানি কাওয়ালি সংগীত শিল্পী।
১৯৬২ - কেলি প্রেস্টন, আমেরিকান অভিনেত্রী।
১৯৭১ - সাশা ব্যারন কোহেন, ব্রিটিশ অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা এবং চিত্রনাট্যকার।
১৯৭৯ - ওয়েস ব্রাউন, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮০ - সোনালি চৌধুরী, বাঙালি ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৮২ - ইয়ান থর্প, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় সাঁতারু।
১৯৯০ - পূজা হেগড়ে, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৯২ - রিয়া শর্মা, ভারতীয় সমাজকর্মী ও ইউনিসেফ গ্লোবাল গোলস পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম ভারতীয়।
১৯৯৩ - টিফানি ট্রাম্প, ক্যালিফোর্নিয়ার নারী মডেল ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা।
১৯৯৪ - লিটন দাস, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
১৯৯৫ - অহনা কৃষ্ণা, ভারতীয় অভিনেত্রী এবং সংগীত শিল্পী।
১৯৯৫ - পার্ক জিমিন, দক্ষিণ কোরীয় গায়ক, সংগীত-রচয়িতা এবং নৃত্যশিল্পী।
২০০১ - কেলেব ম্যাকলখলিন, মার্কিন অভিনেতা।
মৃত্যু
৫৪ - ক্লডিয়াস, ছিলেন ৪১ থেকে ৫৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রোমান সম্রাট।
১২৮২ - নিচিরেন, একজন জাপানি বৌদ্ধ পণ্ডিত।
১৮২২ - আন্তেনিও কানোভা, ইতালীয় ভাস্কর।
১৮৮২ - জোযেফ আর্থার গোবিনো, ফরাসি দার্শনিক ও লেখক।
১৯০৯ - ফ্রান্সিসকো ফেরার ই গার্দিয়া, একজন স্প্যানিশ মুক্ত চিন্তাবিদ এবং নৈরাজ্যবাদী।
১৯১১ - ভগিনী নিবেদিতা, (আসল নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল), অ্যাংলো-আইরিশ বংশোদ্ভূত ভারতহিতৈষী সমাজকর্মী, লেখিকা, শিক্ষিকা এবং স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা।
১৯১৯ - কার্ল অ্যাডলফ গেজেলরুপ, ছিলেন একজন ডেনিশ কবি, ঔপন্যাসিক এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
১৯৬৪ - প্রেমাঙ্কুর আতর্থী, কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।
১৯৬৪ - গোলাম মোস্তফা, বাঙালি কবি।
১৯৬৬ - ক্লিফটন ওয়েব, ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী, ও গায়ক।
১৯৭১ - আবদুল মোনেম খান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।
১৯৮৩ - অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা, নাট্যকার ও নাট্য পরিচালক।
১৯৮৭ - কিশোর কুমার, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও গায়ক।
১৯৮৭ - অমলেন্দু বিশ্বাস, বাংলাদেশি যাত্রা অভিনেতা ও পরিচালক।
১৯৮৭ - ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেইন, একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
১৯৯০ - লি ডাক থো, ভিয়েতনামের বিপ্লবী, জেনারেল, কূটনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
২০০২ - ইলা মিত্র, বাঙালি মহীয়সী নারী, তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী।
২০০৩ - বারট্রাম ব্রকহাউস, একজন কানাডীয় পদার্থবিজ্ঞানী।
২০০৪ - বার্নিস রুবেনস, ছিলেন একজন ওয়েল্স বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখিকা।
২০০৪ - নিরূপা রায়, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
২০০৬ - প্রতিভা বসু, ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
২০০৭ - ওবায়েদ উল হক, একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি সাংবাদিক।
২০১৩ - চিত্তরঞ্জন মাইতি, ছিলেন একজন জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক।
২০১৬ - ভূমিবল অতুল্যতেজ, থাইল্যান্ডের রাজা।
২০১৬ - দারিও ফো, ইতালির নোবেলজয়ী নাট্যকার।
২০২০ - রশীদ হায়দার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশি লেখক, কথাসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, নজরুল ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক।
২০২৩ - লুইজ গ্লিক, একজন মার্কিন কবি ও প্রাবন্ধিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার হিসেবে এসেছে। এই পরিমাণ দেশের মুদ্রায় ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা, যেখানে প্রতি ডলার ১২৩ টাকায় হিসাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার (১২ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, গত রবিবার প্রবাস আয় হিসেবে দেশে এসেছে দুই হাজার ১৭৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। গত বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৯৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাস আয় ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৯৭৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাস আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৮৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাস আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব খাদ্য দিবসে প্রশ্নটি শুধুমাত্র পেট ভরানোর বিষয় নয়, বরং আমরা কী খাচ্ছি এবং সেই খাবার সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান কতটুকু, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ছোটবেলায় ঐকিক নিয়ম শিখেছিলাম। এক কেজি চালের দাম জানা থাকলে দুই কেজির দাম কত, তা সহজেই বের করা যায়। একটি জানা তথ্য থেকে অজানা হিসাব বের করার এই সহজ নিয়মটি তখন পরীক্ষার খাতাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। বড় হয়ে বুঝতে পারছি, জীবনের অনেক জটিল প্রশ্নের উত্তরও কখনো কখনো এমন সহজ হিসাবের মধ্যে লুকিয়ে থাকে।
ধরা যাক, একটি খাবারে কতটা চিনি, লবণ বা চর্বি রয়েছে, তা সহজেই জানা গেল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে খাবারটির পুষ্টিগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেল। আর কেনার মুহূর্তে ভোক্তা যদি তথ্যটি বুঝতে পারেন, তাহলে কি খাবার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত আরও সচেতন হতে পারে না? এই ভাবনা থেকেই ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং বা এফওপিএল-এর প্রয়োজনীয়তা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, যেখানে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনের অংশে সহজবোধ্য পুষ্টি-তথ্য কিংবা প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ‘Innovate today. Nourish tomorrow’ যা বাংলায় ‘আজই উদ্ভাবন করুন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিত করুন’। এই প্রতিপাদ্যটি আমাদের খাদ্যব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দেয়। উদ্ভাবন মানে শুধু নতুন ফসল উৎপাদন বা কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং মানুষকে খাবার সম্পর্কে সঠিক তথ্য বুঝতে এবং সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, এমন ব্যবস্থাও উদ্ভাবনের অংশ।
পেট ভরলেই কি পুষ্টি নিশ্চিত হয়?
বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে অল্প টাকায় চিপস, বিস্কুট, নুডলস কিংবা মিষ্টি পানীয় পাওয়া যায়। ব্যস্ত জীবন, রান্নার সময়ের অভাব, স্বাদের আকর্ষণ কিংবা পরিবারের সীমিত বাজেট, বিভিন্ন কারণে এসব খাবার অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু কোনো খাবার সস্তা বা সহজলভ্য হলেই যে তা পুষ্টিকর, এমন নয়।
স্কুল থেকে ফেরার পথে একটি শিশু কয়েক টাকার চিপস কিনছে। কর্মব্যস্ত দিনের ফাঁকে কেউ প্যাকেটজাত নুডলস খাচ্ছেন। দৃশ্যগুলো আমাদের পরিচিত। এসব খাবার কেনার পেছনে ব্যক্তিগত পছন্দ যেমন আছে, তেমনি সময়, সামর্থ্য ও বিকল্পের প্রশ্নও রয়েছে। তাই মানুষ কী খাচ্ছে, শুধু তা জানলেই হবে না; কেন সেই খাবার বেছে নিচ্ছে এবং খাবার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য পাচ্ছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
খাদ্যনিরাপত্তা মানে শুধু খাবারের প্রাপ্যতা নয়। খাবারটি পুষ্টিকর কি না, তার দাম মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে কি না এবং ভোক্তা সেটি সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাচ্ছেন কি না, এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর খাবার অনেকের নাগালের বাইরে থাকলে শুধু ব্যক্তিকে ভালো খাবার বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। একই সঙ্গে বাজারে সহজলভ্য প্যাকেটজাত খাবারের পুষ্টিগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়ার সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদ্রোগের মতো অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এসব ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি প্রয়োজন এমন খাদ্যপরিবেশ, যেখানে মানুষ সহজে তথ্য বুঝতে পারবেন এবং সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
উদ্ভাবন শুধু উৎপাদনে নয়, তথ্য বোঝার সুযোগেও।
২০২৬ সালের বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্যটি পড়লে প্রথমেই কৃষি, খাদ্য উৎপাদন কিংবা নতুন প্রযুক্তির কথা মনে হতে পারে। কিন্তু উদ্ভাবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র রয়েছে, আমরা কী খাচ্ছি, তা সহজে বোঝার সুযোগ তৈরি করা। আর সেখানেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং, অর্থাৎ প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনের অংশে সহজবোধ্য পুষ্টি-তথ্য বা সতর্কবার্তা প্রদানের ব্যবস্থা।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা যথেষ্ট স্পষ্ট। জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার যৌথ প্রতিবেদন The State of Food Security and Nutrition in the World 2026 অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের প্রায় ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য রাখেননি, সংখ্যায় যা প্রায় ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ২৬ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ মাঝারি বা তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছিলেন। অর্থাৎ, আমাদের খাদ্যচ্যালেঞ্জ শুধু খাবারের প্রাপ্যতা নয়; পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার সামর্থ্যও বড় প্রশ্ন।
এই বাস্তবতায় প্যাকেটজাত খাবার সম্পর্কে স্পষ্ট পুষ্টি-তথ্য পাওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একটি পণ্যের দাম বা স্বাদ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ। কিন্তু তাতে কতটা চিনি, লবণ বা চর্বি রয়েছে, তা দ্রুত বোঝা সব সময় সহজ নয়। প্যাকেটের পেছনে লেখা পুষ্টি-তথ্য ছোট অক্ষরে থাকলে, ভাষা দুর্বোধ্য হলে কিংবা তথ্য খুঁজে পেতে সময় লাগলে কেনার মুহূর্তে তা ভোক্তার সিদ্ধান্তে কতটা কাজে আসে, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।
এখানেই এফওপিএলের গুরুত্ব। প্যাকেটের সামনের অংশে সহজে চোখে পড়ে এমন পুষ্টি-তথ্য বা নির্ধারিত মান অনুযায়ী সতর্কবার্তা থাকলে ভোক্তা দ্রুত বুঝতে পারেন, কোনো পণ্যে নির্দিষ্ট পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ বেশি কি না। এতে বিভিন্ন পণ্যের মধ্যে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে। এফওপিএল ভোক্তার হয়ে সিদ্ধান্ত নেবে না; বরং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে বুঝতে সাহায্য করবে।
আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি
বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্যের সঙ্গে এফওপিএলের যোগসূত্র এখানেই। উদ্ভাবন মানে সব সময় নতুন কিছু তৈরি করা নয়; বিদ্যমান ব্যবস্থাকে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কার্যকর করে তোলাও উদ্ভাবন। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি খাবার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে বোঝার সুযোগ তৈরি করাও জরুরি।
বাংলাদেশে প্যাকেটজাত খাদ্যের লেবেলিং নিয়ে নীতিগত কাজ এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জনমত গ্রহণের জন্য খসড়া নিরাপদ খাদ্য (প্যাকেটজাত খাদ্যের লেবেলিং) প্রবিধানমালা প্রকাশ করেছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পরামর্শ ও আলোচনা শেষে খসড়াটি আরও প্রক্রিয়াকরণের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি; তবে প্রক্রিয়াধীন খসড়াকে কার্যকর প্রবিধান হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
এখন প্রয়োজন জনস্বাস্থ্য, পুষ্টিবিজ্ঞান, ভোক্তা অধিকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং খাদ্যশিল্পের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর গঠনমূলক অংশগ্রহণের মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা বিজ্ঞানভিত্তিক, বাস্তবায়নযোগ্য এবং ভোক্তার জন্য কার্যকর। নির্ধারিত মান অনুযায়ী প্যাকেটের সামনের অংশে সহজবোধ্য সতর্কবার্তা নিশ্চিত করা গেলে তা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্য প্রস্তুতকারকদের পণ্যের উপাদান পুনর্বিবেচনা ও পুষ্টিগত মানোন্নয়নের জন্যও উৎসাহিত করতে পারে। এর সুফল পেতে প্রয়োজন যথাযথ নিয়ম, বাস্তবায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।
ছোটবেলার ঐকিক নিয়মের কথায় ফিরে আসি। একটি সঠিক তথ্য থেকে আরেকটি হিসাব করা যায়। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে শুধু তথ্য জানা যথেষ্ট নয়; সেই তথ্য মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হয়। প্যাকেটের গায়ে প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা সেই কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হতে পারে।
‘আজই উদ্ভাবন করুন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিত করুন’ এই আহ্বান বাংলাদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক। নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভোক্তার জানার অধিকার এবং সচেতনভাবে খাবার বেছে নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এফওপিএলকে কার্যকর ও বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
আজ খাবারের তথ্য সহজবোধ্য করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আগামী প্রজন্মের আরও সচেতনভাবে খাবার বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, পুষ্টিকর ভবিষ্যৎ শুধু বেশি খাবার উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে না; মানুষ কী খাচ্ছি, তা বুঝতে পারার সুযোগের ওপরও নির্ভর করে। আর সেই সুযোগ নিশ্চিত করা ব্যক্তি, সরকার, খাদ্যশিল্প ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন দফতর, সংস্থা, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠন প্রতিদিন নানা কর্মসূচি পালন করে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে কী কী আছে, তা দিনের শুরুতেই জেনে নেওয়া যেতে পারে।
প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি
সকাল পৌনে ৯টায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে একটি র্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
জাতীয় প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপের উদ্বোধন
সকাল ১০টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ন্যাশনাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপ (এনপিএপি) বাংলাদেশের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক
দুপুর ১টায় রাজধানীর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী সোয়ের্ড সোয়ের্ডসমা বৈঠক করবেন। বৈঠক শেষে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গাছপালা কাটা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্দেশ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো সোমবার (১২ অক্টোবর) পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়।
রংপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-এর গংগাচড়া জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুড়িরহাট উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি ফিডারে জরুরি গাছপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তবে গংগাচড়া বাজার এবং এর আশপাশের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু থাকবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হলে যেকোনো সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হতে পারে।
এদিকে, নেসকো রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-বিমানবন্দর জানায়, বিদ্যুৎ লাইনের কাছাকাছি গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য ১১ কেভি বাইপাস ও পোস্টাল ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
১১ কেভি বাইপাস ফিডারের আওতাধীন ওমরপুর, কুচপাড়া, মাস্টারপাড়া, নামোপাড়া এবং সার্ভে কলেজ থেকে খড়খড়ি পর্যন্ত এলাকায় সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে, ১১ কেভি পোস্টাল ফিডারের আওতাধীন নওদাপাড়া, মধ্য-নওদাপাড়া, মেহেরের মিল বটতলা, তালপুকুরপাড়া, কয়েদারাসহ শিল্পীপাড়া ও আশপাশের এলাকায় দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
নেসকোর রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সুরঞ্জিত কুমার দাস জানিয়েছেন, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের কাছাকাছি গাছপালা কর্তনের জন্য মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত তালাইমারী, মতিহার, ধরমপুর, ফলতলা, কাজলা, বিনোদপুর, মির্জাপুর ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩৩ কেভি লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও লাইনের আশপাশের গাছপালা কর্তনের কাজের জন্য সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উলিপুর জোনাল অফিসের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। তবে কাজ শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হতে পারে।
উলিপুর জোনাল অফিসের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম, অ. দা.) চিরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ