বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:১৪ এম
আজ ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার কুমিল্লা প্রেসক্লাব কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনে মোট ১৭টি পদে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ নির্বাচনে ৭০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান। তাঁর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আবুল হাসানাত বাবুল এবং বদরুল হুদা জেনু।
নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ মিয়াজী, নজরুল ইসলাম দুলাল এবং কাজী এনামুল হক ফারুক। সহ-সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সাদিক হোসেন মামুন, মাহবুব আলম বাবু, মোতাহার হোসেন মাহবুব, তাওহীদ হোসেন মিঠু এবং মো. রফিকুল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু এবং মো. জাহিদ হাসান। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বাহার উদ্দিন রায়হান এবং দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ প্রার্থী হয়েছেন।
এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে হুমায়ুন কবির জীবন এবং মো. সেলিম রেজা মুন্সী, অর্থ সম্পাদক হিসেবে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং শাহ আলম শফি, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুকী তাপস এবং জাহিদুর রহমান, পাঠাগার সম্পাদক হিসেবে জি এম জামাল উদ্দিন দামাল এবং হাবিবুর রহমান খান, বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক হিসাবে মোঃ নেকবর হোসেন এবং মোঃ আসিফ হোসাইন মান্না, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মনির হোসেন এবং দিলীপ মজুমদার, নির্বাহী সদস্য পদে মোঃ জসিম উদ্দিন কনক, এইচ এম জাকারিয়া মানিক, মোঃ আনোয়ার হোসাইন, মামশাদ কবীর, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, খালেদ সাইফুল্লাহ, ইয়াসমীন রীমা এবং মোঃ সহিদ উল্লাহ প্রার্থী হয়েছেন।
এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ শাহ্ মোহাম্মদ আলমগীর খান। কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ইতিমধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা আশা করি বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছয়নাী ইউথ ফাউন্ডেশন (Chhayani Youth Foundation) আয়োজন করে আর্ট ও ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা "Brain Charge-26" এ অংশ নিয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন সামিয়া সুলতানা এবং নীলিমা নিজাম। তারা দু'জনই নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী এবং NGC Art & Photography Club-এর কৃতী সদস্য।
ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ক্লাবটির ফাইন্যান্স সেক্রেটারি ও নোসক শিক্ষার্থী সামিয়া সুলতানা। একই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ক্লাবের জয়েন্ট ক্লাব ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি ও নোসক শিক্ষার্থী নীলিমা নিজাম।
শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষ্যে, ছয়ানি ইউথ ক্লাব আয়োজিত আর্ট ও ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়, জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের অসংখ্য প্রতিযোগী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সম্প্রতি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের স্থানীয় এক কমিউনিটি সেন্টারে একটি জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
এনজিসি আর্ট এন্ড ফটোগ্রাফি ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসনাত রিজভী মন্তব্য করেন, তাদের এই অনন্য অর্জন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি আমাদের পুরো ক্লাবের জন্য এক গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয়। এমন কৃতিত্ব পুরো কলেজের জন্যও সম্মানের। আমরা বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতাতেও আমাদের সদস্যরা কলেজের জন্য এমন অসাধারণ অর্জন আনতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ সম্পর্কে ছাড় দিতে ইরান প্রস্তুত নয়। আন্তর্জাতিক ডেস্ক থেকে জানানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির যৌথ পরিচালনার জন্য ওমান যে প্রস্তাব দিয়েছিল, সেটি ইরান পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপর তেহরান নিজেই একটি নতুন প্রস্তাব সামনে এনেছে। এ কারণে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ইরানের মূল লক্ষ্য কী?
বিষয়টি হচ্ছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান কি অর্থনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে আগ্রহী? আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইআইএসএস এর গবেষক সাশা ব্রুকম্যান আল জাজিরাকে জানান, ইরান একা হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, যাতে কৌশলগত এবং সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়।
ব্রুকম্যান জানান, ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের দাবির ধরন পরিবর্তিত হলেও মূল উদ্দেশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।' শুরুতে ইরান প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের কথা বলছিল। পরে সেটি পরিবর্তন করে ‘সেবা ফি’ এবং বর্তমানে ‘স্বেচ্ছামূলক ফি’ বলা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব দাবির মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা। তিনি আরও বলেন, ওমানের প্রস্তাবিত ৫০-৫০ যৌথ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ এতে একটি নৌপথ তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
ব্রুকম্যানের বিশ্লেষণে উপস্থাপিত দৃষ্টিতে, এটি এমন একটি লেন, যেটি তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এই বিষয়টি সামরিক ও নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত, বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার সঙ্গে নয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্ব বহনকারী জ্বালানি পরিবহন পথ। এই নৌপথের ওপর প্রভাব প্রতিষ্ঠা করলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা লাভ করতে সক্ষম হবে।
ব্রুকম্যান আরও বলেন, ওয়াশিংটনকে পাশ কাটিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলাদা সমঝোতায় পৌছানো এবং ধাপে ধাপে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করাই হচ্ছে ইরানের বর্তমান কৌশল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ডি.এল.আর অ্যান্ড সেটেলমেন্ট আমিনস ইউনিয়ন সিলেট জোন কমিটি।
সিলেট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ ফারুক আহমদের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সমিতির সভাপতি সরদার আমিন নিজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হকের নেতৃত্বে সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে সংগঠনের পক্ষ থেকে চলতি বছরের নভেম্বর মাসের আসন্ন মৌসুমে মাঠপর্যায়ে নিয়োগ নিশ্চিত করাসহ মাঠকাজের নানা বিদ্যমান সমস্যা ও সংকট তুলে ধরা হয়।
জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ ফারুক আহমদ নেতাদের সার্বিক দাবিসমূহ গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে সব ধরনের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে নেতৃবৃন্দ সদর সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার ও কারিগরি উপদেষ্টা শওকত আলীর সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে বাংলাদেশ ডি.এল.আর অ্যান্ড সেটেলমেন্ট আমিনস ইউনিয়ন সিলেট জোন কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ছাদ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মানিক মিয়া, অর্থ সম্পাদক দুলাল মিয়া, দপ্তর সম্পাদক মুহিবুর রহমান ও প্রচার সম্পাদক সাদিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও নির্বাহী সদস্য বুরহান উদ্দিন, ফজলুল হক, মকবুল আলী, সুবাস দাশ, সাকের আহমদ, এস এম জহিরুল ইসলাম, ফারুক মজুমদার, শওকত হাসানসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলা এবং মুসলিম হওয়ায় একটি ভারতীয় নারীকে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে সন্দেহ করা হয়েছে এবং জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করার অভিযোগ উঠেছে।
এটি খুবই উদ্বেগজনক একটি ঘটনা। সব বৈধ নাগরিকত্বের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া এই পুশব্যাকের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়ে ঘটনার বিচার এবং তাকে ফেরত আনার জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছে তার পরিবার এবং একটি মানবাধিকার সংগঠন।
ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম সাইদা ফকির (৫০)। তিনি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর ব্লকের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তবে তিনি স্বামী জুম্মান ফকিরের সঙ্গে গত ২০ বছর ধরে মুম্বাইয়ে বসবাস ও কাজ করছিলেন।
গত ১৯ জুলাই, মুম্বাইয়ে বাজার করতে বের হলে পুলিশ তাকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আটক করে। সে সময় সাইদা নিজেকে ভারতীয় দাবি করলেও এবং বৈধ কাগজপত্র থাকা অবস্থায়ও, পুলিশ তার কথায় কান দেয়নি।
পরিবারের অভিযোগ, আটক হওয়ার পর সাইদা ফকিরকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং আটকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চলে, যার ফলে তাকে ৩ হাজার কিলোমিটার দূরে আসামের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। ২৩ জুলাই সেখান থেকে, কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া বা যথাযথ যাচাই ছাড়া শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলা এবং মুসলিম হওয়ার কারণে আসাম সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়।
সাইদার পরিবার দাবি করছে, বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা অঞ্চলে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকে ভিডিও কলে ভারতে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন। এ অবস্থায় সাইদাকে অতি শীঘ্রই ভারতে ফিরিয়ে আনার এবং এই বেআইনি পুশব্যাকের সুরাহা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠন ‘বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ’ (মাসুম) এবং ভুক্তভোগীর পরিবার।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সাইদা ফকিরের ভোটার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড, জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং পৈতৃক জমির দলিল তার ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ হিসেবে পেশ করা হয়েছে। তবে আদালত এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ