ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ফেরত


ভারতে পাচার হওয়া ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ফেরত

ভারতে পাচারের শিকার ছয় বাংলাদেশি নারীকে কারাভোগের পর ফেরত দিয়েছে সে দেশের পুলিশ। ভারতীয় পুলিশ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বেনাপোল চেকপোস্টে তাদের ফেরত দেয়া হয়েছে। হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সময় ভারত ও বাংলাদেশের বেনাপোল এবং হরিদাসপুর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি, বিএসএফ, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ভারত সরকারের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হায়দরাবাদের এফআরআরও অফিস থেকে গত ২৯ মে ও ১২ জুনের দেয়া 'লিভ ইন্ডিয়া নোটিশ' এবং 'এক্সিট পারমিট' প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই বাংলাদেশিদের স্বদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

স্বদেশে ফিরে আসা নারীরা হলেন চাঁদপুরের দক্ষিণ থানার উপাধী মিয়াজী বাড়ি গ্রামের তাহমিনা আক্তার, যশোরের শার্শা থানার পাঁচভুলাট গ্রামের ফাতেমা জিন্নাত, ঢাকার দারুসসালাম (মিরপুর) থানার সাই আলী মাজার এলাকার মিম আক্তার শান্তি, শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার পশ্চিম সারেঙ্গা এলাকার সাদিয়া আক্তার, টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার মধুপুর পশ্চিম গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রিফা খাতুন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার দক্ষিণ কুণ্ডা গ্রামের শ্রুফা আক্তার। তাদের সবার বয়স ১৮ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোর্তজা জানান, এরা বিভিন্ন সময়ে দালালের প্ররোচনায় পড়ে ভারতে পাচার হয়েছিলেন। পরে সেখানকার পুলিশের হাতে আটক হলে হায়দরাবাদ জেলখানায় তিন বছর সাজাভোগ শেষে আদালতের নির্দেশে বিভিন্ন শেল্টার হোমে তাদের রাখা হয়। পরে দুদেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে চিঠি চালাচালির একপর্যায়ে তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর বিশেষ ট্রাভেল পারমিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। আইনি প্রক্রিয়া ও ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফেরত আসা নারীদের আইনি সহায়তা ও পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, ইমিগ্রেশন ও পোর্ট থানা পুলিশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফেরত আসা নারীদের আইনি সহায়তা ও পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য মানবাধিকার সংস্থা 'জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার'-এর জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা ফেরত আসা নারীদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মানবাধিকার সংস্থা 'জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার'-এর ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ফেরত আসাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপাতত তাদের জিম্মায় যশোর হোমে রাখা হবে।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১২ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে এবং তারা নতুন কর্মস্থলে পদায়ন পেয়েছেন।

এই আদেশ বুধবার বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে কার্যকর করতে হবে। কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ২ জুলাই থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।

বদলি ও পদায়ন হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন: শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তানভীর হোসেনকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) নিয়োগ করা হয়েছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রিপন চন্দ্র সরকারকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে স্থানান্তরিত করা হয়েছে, সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারহানা আফরোজ জেমিকে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে নড়াইল সদর সার্কেলে, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সায়েম ইউসুফকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পহন চাকমাকে নওগাঁ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মশিয়ার রহমানকে রাঙ্গামাটির ১৮ এপিবিএনে পদায়ন করা হয়েছে।

এবং সাতক্ষীরার তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহকে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সার্কেলে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী পুলিশ সুপার ফারহান-উল-ইমামকে ঢাকা পুলিশ স্টাফ কলেজে, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার এস. এম. মাহবুবুল আলমকে সিআইডিতে, র‌্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জিয়া লতিফুল ইসলামকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শেখ মো. আব্দুর রাজ্জাককে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, কারখানা মালিককে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


মাদারীপুরে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, কারখানা মালিককে জরিমানা

মাদারীপুরের শিবচরে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম এবং শিশু খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে পপুলার আইসক্রিম নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিকেল বেলা, শিবচর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘকাল ধরে শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা এলাকায় অনুমতি ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন খাদ্য তৈরি করে আসছিল পপুলার আইসক্রিম প্রতিষ্ঠানটি। এরপর, তারা সেগুলো বাজারজাত করে আসছিল। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এরকম অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালায়। ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় কারখানা মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানা জানিয়েছেন, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম এবং শিশু খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে পপুলার আইসক্রিম নামক প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৫৩ ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়। জনস্বার্থে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এর ফলে, আগেও একই কারখানায় পপুলার ওয়ার্ল্ড ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড নামে ২০২৩ সালের ১৯ জুন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন খাবার স্যালাইন এবং ভেজাল খাদ্যপণ্য জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ। তখন ২২৪ কার্টন খাবার স্যালাইন, বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন তেতুলের চাটনি, ঝালমুড়ি, চিপস, নোংরা পরিবেশে তৈরি করা ৮ ড্রাম মটরভাজা, পণ্য বাজারজাতকরণের মোড়ক, এবং স্যালাইন তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়েছিল। পরে প্রশাসন প্রতিষ্ঠানটি সীলগালা করে দেয়। তারপর, মুছলেকা দিয়ে আবার প্রতিষ্ঠানটি চালু করে এবং একইভাবে শিশু খাদ্য উৎপাদন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ. লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


আ. লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা ও সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এক আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির একাংশের বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে ব্যতিক্রমী এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় অঙ্গনে নানা প্রশ্নেরও জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিনোদপুর ইউনিয়নের গয়াতলা বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় এই বিক্ষোভ মিছিল। এতে বিএনপির পরিচয়ে কয়েকজন নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে গ্রেপ্তার হওয়া বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সির মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মিছিলের প্রায় ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীকে আওয়ামী লীগ নেতা লিটন মুন্সির মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সত্ত্বেও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাবেক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সিকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

পালং মডেল থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার অভিযান চালিয়ে লিটন মুন্সিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত গুপ্ত মিছিল এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত আছে।

অপরদিকে, আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির এক অংশের মিছিলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির। তিনি বলেন, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া একজন আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের মিছিল করা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, আদালত বা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে তা রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের উদ্যোগ জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।

তবে ঘটনাটিকে বিএনপির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে অস্বীকার করেছেন বিনোদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাদবর। তিনি বলেন, “এটি ইউনিয়ন বিএনপির কোনো অনুমোদিত কর্মসূচি নয়। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু ব্যক্তি দলকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

একজন আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির পরিচয়ে মিছিল করার ঘটনাকে শরীয়তপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরল ও ব্যতিক্রমী হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি স্থানীয় রাজনীতির নতুন বাস্তবতা ও জটিল সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে শুল্ক বৃদ্ধি: বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় মাছ আমদানি প্রায় বন্ধের পথে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ পি.এম


বাজেটে শুল্ক বৃদ্ধি: বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় মাছ আমদানি প্রায় বন্ধের পথে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মাছ আমদানির ওপর উল্লেখযোগ্য হারে শুল্ক বৃদ্ধি পাওয়ার পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে মাছের আমদানি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত শুল্কের কারণে লোকসানের আশঙ্কায় প্রথম দিন থেকেই অনেক আমদানিকারক মাছ আমদানি স্থগিত রেখেছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

আমদানিকারকদের দাবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মাছ আমদানির ওপর মোট শুল্কহার ৪৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করেছে। ফলে বাজারে মাছের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সরকারের রাজস্ব আয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা দ্রুত এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, আগে প্রতি কেজি মিঠা পানির মাছ আমদানিতে ৮৬ টাকা ১০ পয়সা শুল্ক দিতে হলেও তা এখন বেড়ে হয়ে গেছে ১৩১ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ কেজিপ্রতি প্রায় ৪৬ টাকা বেশি শুল্ক দিতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি, সামুদ্রিক মাছ ও রুই মাছের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে শুল্ক ৪৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৬ টাকা ১০ পয়সা, যা কেজিপ্রতি প্রায় ২৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজেট ঘোষণার পরের দিন থেকে নতুন মূল্যে কর আদায় শুরু করেছে কাস্টমস।

মাছ আমদানিকারক ব্যবসায়ী রহমত আলী জানিয়েছেন, ভারতীয় মাছের দেশে ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত শুল্কের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে গিয়ে তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এর ফলে বাজারে মাছের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম আরও বাড়তে পারে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে পিছিয়ে রয়েছে কাস্টমস। নতুন অর্থবছরে উচ্চ শুল্ক আরোপের ফলে আমদানি কমে গেলে রাজস্ব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, মাছ আমদানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় বন্দরে পণ্য খালাস কার্যক্রমেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এক বন্দর শ্রমিক জানিয়েছেন, দুই দিন ধরে অপেক্ষা করেও মাছবোঝাই কোনো ট্রাক তিনি লোড করতে পারেননি। একইভাবে ট্রাকচালকরাও মাছের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির পুনর্বিবেচনার দাবি করেছেন।

বেনাপোল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, ট্রাকে থাকা পণ্যের ওজনের পরিবর্তে ট্রাকের চাকার সংখ্যার উপর শুল্ককর নির্ধারণের কারণে এমনিতেই মাছ আমদানি কমেছে। নতুন বাজেটে মাছের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি পাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা আমদানি আরও কমিয়ে দিয়েছেন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাজস্ব আদায় উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শুল্কহার পুনর্বিবেচনা না হলে আমদানি আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর প্রভাব বাজার, ব্যবসা ও সরকারের রাজস্ব আয়ে স্পষ্টভাবে পড়বে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের মৎস্য নিয়ন্ত্রণ ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পরিদর্শক আসাওয়াদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাজেট ঘোষণার আগে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের মাছ আমদানি হলেও বাজেটের পর মাছ আমদানি কমে গেছে। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় এক হাজার মেট্রিক টন মাছ কম আমদানি হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%