০৪:২৬ পি.এম
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বি আর এ কে এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি দিতে দেরি হওয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী রাফিন হোসেনকে হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠেছে। এই ঘটনার কারণে ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং সে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে তার পরিবার জানিয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এবং পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাফিন গত ৯ জুলাই ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে গিয়েছিল। পরীক্ষা চলাকালীন সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন তার কাছে পরীক্ষার ফি চান। রাফিন তখন পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়ে কয়েক দিন পর ফি পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু শিক্ষিকা তাকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
রাফিন জানায়, প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কাছে গিয়ে সে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অনুনয়-বিনয় করে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানিয়ে দেন, ফি ছাড়া কোনোভাবেই পরীক্ষা দেওয়া যাবে না এবং তাকে অবিলম্বে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে বলেন। শেষে, পরীক্ষা না দিয়েই কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে রাফিন।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪
রাফিনের বাবা চঞ্চল হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের বেতন দিতে দেরি হয়েছিল পারিবারিক ঝামেলার কারণে। কয়েক দিন পরেই তারা বেতন দেন, সে কথা সহকারী শিক্ষিকাকেও জানানো হয়েছিল। তবুও তার ছেলেকে পরীক্ষা দিতে না দিয়ে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এর অভিমানে ছেলেটা দুই দিন ধরে কিছুই খাচ্ছে না।
এ বিষয়ে বি আর এ কে এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন