ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু


মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু

রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় সজীব ব্যাপারীসহ ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে ঢাকার একটি আদালত।

অভিযোগ গঠনের পর মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

রোববার, ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি গঠন করেছেন। একইসাথে, মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জুলাই একটি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আদালত কর্তৃক।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, খোলা আকাশের নিচে দুই পরিবার

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলী বাসস’কে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায় যে, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে, মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ব্যবসায়ী লাল চাঁদ উরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

ওই ঘটনায়, পরবর্তী দিনে ১০ জুলাই, নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আরও ১৫-২০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

নিহত সোহাগ ছিল কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘকাল ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

আরও পড়ুন: চীনে পাচারের চেষ্টা, ১২ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী উদ্ধার

মামলাটি তদন্ত শেষে, একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর, সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান।

২১ আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে আটক আছে, তিন জন জামিনে রয়েছে এবং বাকি আট জন শুরু থেকেই পলাতক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর জোর: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর জোর: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ কথা বলেছেন যে, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে।

এই ব্যবস্থায় শুধু পাঠ্যবই নয়, প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে থাকবে শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড এবং ভিডিও লেসন।

যাতে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে সমানভাবে শেখার সুযোগ পায়।

আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে নতুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ২০২৮ সালের জন্য একটি যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে।

বর্তমানে যে পাঠ্যবইগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে, সেগুলো'avenir'র পূর্ণাঙ্গ কারিকুলামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বের করে এনে দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, নেতৃত্ব, দলগত কাজ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে তাত্ত্বিক শিক্ষার তুলনায় ব্যবহারিক শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বাস্তব জীবনের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরো শক্তিশালী করা হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সংস্কৃতি শিক্ষা ও ক্রীড়া শিক্ষা নতুন প্রজন্মের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংস্কৃতি শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, জাতীয় পরিচয় এবং সৃজনশীল প্রকাশের সুযোগ পাবে।

অন্যদিকে ক্রীড়া শিক্ষার মাধ্যমে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা, দলগত কাজ এবং সুস্থ জীবনাচারের চর্চা গড়ে উঠবে।

ববি হাজ্জাজ আরো বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এমন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে, যা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মওলা।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় সরকার কঠোর: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় সরকার কঠোর: অর্থমন্ত্রী

সংসদে দেশের রাজস্ব ঘাটতি পূরণ এবং চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়টি জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, 'ধনী ও করপোরেটদের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি।' একই সাথে, নিত্যপণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি করে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে কাজ করছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। এদিন অধিবেশনের বৈঠক বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সভাপতিত্ব করেন।

নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'সাধারণ জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে নয়, বরং বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও ধনীদের কর ফাঁকি বন্ধ করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।' তিনি উল্লেখ করেন, 'কর আদায়ের প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বচ্ছ করতে করপোরেট করদাতাদের জন্য খুব শিগগিরই ই-রিটার্ন ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।'

এছাড়া, করদাতাদের তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে এপিআই সংযোগের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ চলছে। কোন খাত থেকে কী পরিমাণ কর আসা উচিত, তা যাচাই করতে বিভিন্ন শিল্প খাতভিত্তিক গড় সূচক ব্যবহার করে ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাবলিক সেক্টরে অনলাইনে উৎসে কর কর্তন ব্যবস্থাপনার পরিধি বাড়ানো হয়েছে এবং যারা ইচ্ছাকৃতভাবে কর ফাঁকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী এদিন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নেরও উত্তর দেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, 'বিগত ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে দেশের অর্থনীতিতে যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছিল, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে তা ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কমতে শুরু করেছিল।' ধারাবাহিক পতনের পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে পয়েন্ট টু পয়েন্টভিত্তিক হেডলাইন মূল্যস্ফীতি ৮.১৭ শতাংশে নেমে আসে। তবে পরবর্তীতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন অভিঘাতের ফলস্বরূপ মূল্যস্ফীতি কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ২০২৬ সালের মে মাসে ৯.৪২ শতাংশে দাঁড়ায়।

বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'বাজারে অতিরিক্ত চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে নীতি সুদহার (রেপো রেট) ১০ শতাংশের মতো উচ্চ স্তরে বহাল রেখেই চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে।' তিনি আরো জানান, দেশের বর্তমান মূল্যস্ফীতি কেবল চাহিদার কারণে নয়, বরং পণ্যের জোগান কমে যাওয়ার কারণেও হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কম হওয়া এবং বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় বাজারের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়েছে। এই জোগান সংকট কাটাতে এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই প্যাকেজটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী বলেন, 'এই প্রণোদনা প্যাকেজের কারণে বাজারে নতুন করে চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি বা টাকার অবমূল্যায়ন ঘটবে না। ৬০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকাই আসবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে থাকা অতিরিক্ত তারল্য থেকে। আর বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করবে।' তিনি আরো বলেন, 'আন্তর্জাতিক বাজারের ধাক্কা সামলাতে এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক নমনীয় ও বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছে, যা দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যান্সারকে হারিয়ে সুস্থতার পথে ইবরার টিপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


ক্যান্সারকে হারিয়ে সুস্থতার পথে ইবরার টিপু

দেশের জনপ্রিয় সুরকার, সংগীত পরিচালক এবং শিল্পী ইবরার টিপুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দেয়। ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাকে দেখে অনেক ভক্ত বিস্মিত হয়ে যান।

এরপর তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে শুরু হয় নানা আলোচনা। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী ও সংগীতশিল্পী বিন্দু কণা।

ইবরার টিপুর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে বিন্দু কণা জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ইবরার টিপুর কিডনিতে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর তাকে একটি জটিল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা-পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

বিন্দু কণা বলেন, 'ইবরার টিপুর বড় একটি সার্জারি হয়েছে। তাই এখনো কথা বলতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ধীরে ধীরে সেরে উঠবেন। সম্প্রতি একটি ভিডিও দেখার পর অনেকেই চিন্তিত হয়েছেন, ফোন করেছেন, জানতে চেয়েছেন কী হয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে সবার সঙ্গে কথা বলা তার পক্ষে সম্ভব নয়। আরেকটু সুস্থ হলে টিপু সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।'

তিনি আরো বলেন, 'দুই বছর আগে ইবরার টিপুর কিডনি ক্যান্সার ধরা পড়ে। দীর্ঘ চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের একটি কঠিন যাত্রা পার করতে হয়েছে। এখন সুস্থতার দিকেই এগোচ্ছেন। আমরা আসলে বিষয়টি কাউকে জানাতে চাইনি। কিন্তু সম্প্রতি ফেসবুকে টিপুর বর্তমান চেহারা দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। তাই বিষয়টি জানানো প্রয়োজন মনে করেছি। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।'

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ইবরার টিপুও নিজের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত থেরাপি নিচ্ছেন। একই সঙ্গে মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে নিজেকে সংগীতচর্চায় ব্যস্ত রেখেছেন। নতুন গান তৈরির কাজই তাকে কঠিন সময় পার করার শক্তি জুগিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে কাজ করে আসছেন ইবরার টিপু। তার সুর ও সংগীতে দেশের বহু জনপ্রিয় শিল্পী গান গেয়েছেন। বিভিন্ন রিয়ালিটি শোর শিরোনাম সংগীত নির্মাণের পাশাপাশি ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে নির্মিত বহুল জনপ্রিয় স্বাগত সংগীত 'ও পৃথিবী এবার এসে বাংলাদেশ নাও চিনে' তাকে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।

বর্তমানে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ইবরার টিপু। দীর্ঘ চিকিৎসা এবং সফল অস্ত্রোপচারের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবার ক্ষমতায় এসে গ্রামীণ উন্নয়ন করেছে বিএনপি: এমপি চাঁদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


প্রতিবার ক্ষমতায় এসে গ্রামীণ উন্নয়ন করেছে বিএনপি: এমপি চাঁদ

রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি প্রতি বার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে গ্রামের উন্নয়ন করেছে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও চরের মানুষ নিরাপত্তায় বসবাস করার সুযোগ কখনোই পায়নি।

রবিবার (১২ জুলাই) সকালে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলে পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আবু সাইদ চাঁদ আরও বলেন, অতীতের ঘটনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া গোলাগুলি, ডাকাতি ও নাশকতার ঘটনাগুলির কারণে চরাঞ্চলের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিল। পুলিশ ফাঁড়ির স্থাপনের মাধ্যমে চরাঞ্চলে আর কোনো সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ, মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও দখলবাজি থাকবে না। সকলের সহযোগিতায় চর হিসেবে পরিচিত হবে সন্ত্রাসমুক্ত, শান্তির আবাসভূমি।

ওই সংসদ সদস্য আরও বলেন, এই অর্থবছরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে ব্রিজ নির্মাণ করা হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজ হয়। আজকের পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধনে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তারা শান্তি ও শৃঙ্খলা স্থাপনের জন্য এগিয়ে এসেছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে কাউকে আর অতীতের মতো কষ্ট করতে হবে না।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী। তিনি বলেন, গত ২৭ মে এমপির সঙ্গে পরিদর্শনে এসে চরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এক মাসের মধ্যে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছিলাম। এটি বাস্তবায়ন করতে পেরে ভাল লাগছে। কিন্তু আপনি যদি মতামত, জায়গা ও টাকা-পয়সা দিয়ে সহযোগিতা না করেন, তাহলে সরকারি বরাদ্দ নিয়ে এত দ্রুত পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ করা কঠিন হবে।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ডিআইজি শামীম হোসেন, রাজশাহীর পুলিশ সুপার নাইমুল হাসান, চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার, বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাসে রাজশাহীর বাঘা, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর, পাবনার ঈশ্বরদী ও নাটোরের লালপুর সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন ঘটনায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে ৭ জন নিহত হয়েছেন। গত ১৮ মে চকরাজাপুর ইউনিয়নের কালিদাসখালী চরে গোলাগুলির পর কালিদাসখালী গ্রামের সিদ্দিক ব্যাপারীর ছেলে নিখোঁজ স্বপন ব্যাপারীর সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%