০৩:০২ পি.এম
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুরের শিবচরে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে শুক্রবার বেলা ১২ টার দিক পৌরসভার আম্বিয়া হাকিমীয়া দারুল উলূম এতিমখানা মাদরাসা মাঠে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া ও প্রধান বক্তা হিসেবে জেলা বিএনপির আহব্বায়ক এডভোকেট জাফর আলী মিয়া উপস্থিত ছিলেন। শিবচর উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক শাহাদাত হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সোহেল রানার সঞ্চালনায় এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ন আহব্বায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থী নাদিরা আক্তার, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপির সদস্য মোতাহার হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপির আহব্বায়ক আবুল কালাম মল্লিক, সিনিয়র যুগ্ন আহব্বায়ক হেমায়েত হোসেন খান, সদস্য সচিব আজমল হোসেন খান সেলিম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাদারীপুর-২ আসনের সদস্য সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, জিয়াউর রহমান এদেশের গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন। যখন এদেশে একনায়কতন্ত্র গঠন করে বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। তখন সেই গোষ্ঠির হাতে বহু লোক নিহত হয়েছিল। অথচ তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বলে খুনি। একথার কোন বাস্তবতা ও ইতিহাস নেই। আমরা মনে করি জিয়াউর রহমান না হলে এই বাংলাদেশই হতো না। যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে বিগত কয়েক বছরে মানুষকে ধোকা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করেছেন। আজকে আপনি জুলাই-আগষ্টে পাঁচ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের রেখে পালালেন। যদি পালাবেনই তবে এতগুলো মানুষ হত্যার কি দরকার ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের যদি ধূলিৎসাতই করবেন তবে ১৯৭২ থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি বলে এদেশের মানুষের ভোট কেড়ে নিয়েছেন। আমরা মনে করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন। সেদিন জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষনা না দিতেন তবে আজো বাংলাদেশ স্বাধীন হতো কিনা সন্দেহ রয়েছে। জিয়াউর রহমান এর জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো কিনা সেটাও সন্দেহ ছিল।
এসময় তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর কোন সরকারই সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারেনা। একমাত্র আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তা করে দেখিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে ফ্যামেলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেছেন। শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস প্রদান করছেন। পানির স্তর সঠিকভাবে রেখে সেচসহ সকল ক্ষেত্রে পানির চাহিদা পূরনে খাল খনন কর্মসূচী গ্রহন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন