ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদের ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের দাবী


নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদের ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের দাবী

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায়, বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড চর রহমানের কুটি এলাকায় দুধকুমার নদের তীরে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে মানববন্ধন করে। এই মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব, সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ময়নাল হক, আজাদ হোসেন, রফিকুল মিয়া, হাসেন খাঁ, সুরত আলী প্রমুখ।

তারা জানান, দুধকুমার নদ প্রতিবছর তার তান্ডব চালিয়ে স্থানীয় এলাকার বহু বসতভিটা, স্থায়ী স্থাপনা, বাগান এবং ফসলী জমি গিলে খায়। এ কারণে এই অঞ্চলটির মানুষ প্রতিনিয়ত কিছু হারিয়ে দরিদ্রতার শিকার হচ্ছে। শুধু তাই নয়, গত কয়েক বছরে নদের ভাঙ্গনে বদলে গেছে ইউনিয়নটির মানচিত্র। যদিও সরকারীভাবে কিছু জিও ব্যাগ ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় ফেলা হয়েছে, তবুও দুধকুমারের আগ্রাসন থামানো সম্ভব হয়নি। তাই তারা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবী জানাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: স্বামীর হয়রানি থেকে মুক্তি ও নিরাপত্তার দাবিতে স্ত্রী ফারহানা ইসলাম শারমিনের সংবাদ সম্মেলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমপ্রসারণে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমপ্রসারণে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমপ্রসারণের লক্ষ্যে ‍‍পার্টনার কংগ্রেস‍‍ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‍‍প্রোগাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ‍‍ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপামনি দেবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে খামারবাড়ী পঞ্চগড়ের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোস্তাক আহমেদ। কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্প দিনাজপুর অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোঃ ফরহাদ হোসেন, উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ ফারুক হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ জেড এম বজলুর রহমান জাহেদ, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম দুলাল, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মোঃ বাবুল ইসলাম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং বিএনপি নেতা মোঃ শাহজাহান।

কংগ্রেসে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ প্রান্তিক কৃষক-কৃষাণী ও কৃষি সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সমপ্রসারণ এবং উত্তম কৃষি চর্চার ধাপসমূহ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পার্টনার প্রকল্প দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের কার্যকরী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। আধুনিক ও সমৃদ্ধ কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানস্থল চত্বরে পার্টনার প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দিতে কয়েকটি স্টল নিয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল

রাজশাহীর পবা উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মিছিলটি মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর ৬টার দিকে পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার পুঠিয়াপাড়া এলাকায় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে বের করা হয়। কয়েক মিনিট স্থায়ী এই মিছিলের পর অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। মিছিলের ব্যানারে লেখা ছিল ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এবং ‘অবৈধ নিষেধাজ্ঞা মানি না, মানব না, অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে’। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানও দিতে দেখা গেছে নেতাকর্মীদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে প্রায় ২০ জন নেতাকর্মীকে মিছিলে অংশ নিতে দেখা গেছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুঠিয়াপাড়া এলাকায় হঠাৎ করেই মিছিলটি বের হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেষ করে নেতাকর্মীরা চলে যান। মিছিলে অংশ নেওয়া অধিকাংশ নেতাকর্মীর মুখে মাস্ক ছিল। এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, মিছিলের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় এ ধরনের কর্মসূচি পালন করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একই দেশের প্রায় ৬ হাজার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীকে আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


একই দেশের প্রায় ৬ হাজার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীকে আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র

চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র শরণার্থী হিসেবে মোট ৫ হাজার ৯৪৮ জনকে গ্রহণ করেছে। শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় সবকেই দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক ভাবা হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের জনসংখ্যা, শরণার্থী এবং অভিবাসন বিষয়ক ব্যুরো থেকে সদ্য প্রকাশিত পরিসংখ্যানের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি প্রেসিডেন্সিয়াল মেমোর প্রেক্ষিতে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্প ওই মেমোতে জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক শরণার্থী গ্রহণের সংখ্যা কমিয়ে ৭ হাজার ৫০০ জনে নামিয়ে আনতে চান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গদের অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

মেমোতে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের সেক্রেটারিরা এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪২০৪ অনুযায়ী, শরণার্থী কোটা প্রধানত দক্ষিণ আফ্রিকার আফ্রিকানারদের জন্য বরাদ্দ করা হবে। এছাড়া, দেশগুলিতে বৈষম্যের শিকার অন্যান্য ভুক্তভোগীদেরও অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বার্ষিক শরণার্থী গ্রহণের এই কাটছাঁট যথার্থভাবে কার্যকর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদের শেষ বছর ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ১ লাখ ৬০ জন শরণার্থীকে গ্রহণ করেছিল, যা সেই সময়ের ১ লাখ ২৫ হাজার জনের সর্বোচ্চ সীমা থেকে অনেক কম।

গত অক্টোবর পর্যন্ত তথ্য অনুসারে, ২০২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে মোট ৬ হাজার ৬৬৮ জন শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের মধ্যে তিনজন ছাড়া বাকি সবাই দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক।

গত নভেম্বরে কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে তিন আফগান শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। এই এক্সেপশনটি বাদ দিলে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীদের আধিপত্য واضح।

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে, যে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গরা— ইউরোপীয় বসতি স্থাপনকারীদের বংশধর—দেশটির কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের হাতে 'অন্যায় বর্ণবৈষম্য' এবং 'গণহত্যার' শিকার হচ্ছে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট বারবার এই দাবি খণ্ডন করেছেন।

বিশ্বের প্রধান ধনী ও ট্রাম্পের সাবেক সহযোগী ইলন মাস্কও একই ধরনের যুক্তি পরিবেশন করেছেন। মাস্কের জন্ম ও বেড়ে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়াতে।

ট্রাম্পের ডেপুটি চিফ অভ স্টাফ ফর পলিসি স্টিফেন মিলার গত মে মাসে বলেন, 'দক্ষিণ আফ্রিকায় যা হচ্ছে, তা শরণার্থী কর্মসূচির উদ্দেশ্যবোধক সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি খাপ খায়। এটি একটি সুরক্ষিত বৈশিষ্ট্য-ভিত্তিক নিপীড়ন, যা জাতিগত পরিচয়ের সাথে সম্পর্কিত।'

শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের প্রথম দলটি যখন ওয়াশিংটন ডুলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল, তার পরপরই ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে তাদের দুর্দশার উপেক্ষা করার জন্য নিন্দা করেন। তিনি বলেন, সেখানে গণহত্যা চলছে, যা নিয়ে আপনারা আলোচনায় আসতে চান না। এটি একটি ভয়ংকর ঘটনা। দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে।

গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ট্রাম্পের এই সমস্ত দাবিগুলোর খণ্ডন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এটি মিথ্যা। ট্রাম্প যখন তাকে এই নৃশংসতার ছবি ও ভিডিও 'প্রমাণ' হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন, তখনও রামাফোসা তা নাকচ করেন।

রামাফোসার মুখপাত্র ভিনসেন্ট মাগোনিয়া এনপিআর-এ বলেন, এই শ্বেতাঙ্গদের দক্ষিণ আফ্রিকা ত্যাগ করা থামানো হবে না, যদিও তাদের দাবি ভুল। এই পদক্ষেপের কোনো আইনগত বা বাস্তব ভিত্তি নেই।

দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্রিসপিন ফিরি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে বলেন, শরণার্থী হওয়ার ভান করে যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করার চেষ্টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর উদ্দেশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার সাংবিধানিক গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।

এরপর নভেম্বরের ৪০ জনেরও বেশি শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান ট্রাম্পের এই দাবির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তাদের খোল চিঠিতে তারা ট্রাম্পকে বলেন, তারা আমেরিকার সংস্কৃতি যুদ্ধের দাবার ঘুঁটি নয়।

রয়টার্সের তথ্যমতে, ২১ মে-র এক প্রেসিডেন্সিয়াল ডিটারমিনেশন অনুযায়ী, ট্রাম্প এই বছর শরণার্থী গ্রহণের সীমা ১০ হাজার করার পরিকল্পনা করেছেন, যাতে আরও বেশি সংখ্যক শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারে।

তথ্যসূত্র : ইন্ডিপেনডেন্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে নকশা প্রণয়ণ করলো সকক বিভাগ, বাতিলের দাবী ভুক্তভোগীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


কুড়িগ্রামে নকশা প্রণয়ণ করলো সকক বিভাগ, বাতিলের দাবী ভুক্তভোগীদের

কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়কের নকশা অনুমোদনে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা বাতিল করার দাবি উঠেছে। এর পাশাপাশি নতুনভাবে নকশা প্রণয়নের দাবি নিয়ে কুড়িগ্রামে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কে এক ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এই মানববন্ধন ‘উলিপুরের ভুক্তভোগী জনগণ’-এর ব্যানারে করা হয় এবং এর শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গেছেন গওছল আজম মিঠু, আব্দুর রহমান, মোজাম্মেল হক, শামছুল ইসলাম, সাইফুল আখতার, হাফিজুর রহমান, সেলিম, কামাল ইদ্রিস, আলমগীর হোসেনসহ অনেকে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বাইপাস সড়কের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ সেটি অবহেলা করে গোপনে প্রস্তাবনা পাঠিয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, বিগত সময়ে একটি সিন্ডিকেট সরকারি অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য বাইপাস রুট ধরে বিভিন্ন স্থানে জমি কিনে নিম্নমানের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে অর্থলোপাটের পায়তারা করছে।

বক্তারা বলেন, সেসব স্থাপনার সঙ্গে কোনো সড়ক সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পিতভাবে বাইপাস সড়ককে ওই স্থাপনাগুলোর পাশ দিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ কাজের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সুবিধা পাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হচ্ছে।

তারা উল্লেখ করেন, সাধারণত বাইপাস সড়কের সংযোগস্থল বাজার থেকে দূরে রাখা হয়, কিন্তু উলিপুরের আমিন মোড় সংযোগটি বাজারের খুব কাছাকাছি নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি ভবিষ্যতে যানজট এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ওই এলাকায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শতাধিক দোকানপাট এবং প্রায় ৭০টির বেশি বসতবাড়ি রয়েছে।

বক্তারা আরও দাবি করেন, সামান্য নকশা পরিবর্তনের মাধ্যমে এ ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হলেও সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের কারণে এটি করা হচ্ছে না। তারা দ্রুত তদন্ত করে জনস্বার্থে নতুন নকশা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় বক্তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%