ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দাফনের মাটি ‘না পেয়ে’ মরদেহ ভেলায় ভাসছে, ভিডিও ভাইরাল!


দাফনের মাটি ‘না পেয়ে’ মরদেহ ভেলায় ভাসছে, ভিডিও ভাইরাল!

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় বন্যার পানির মধ্যে ভেলায় একটি মরদেহ ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মৃত ব্যক্তি হলেন কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ফোরকান (ড্রাইভার)।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি কলাগাছের তৈরি একটি অস্থায়ী ভেলায় সাদা কাফনে জড়ানো একটি মরদেহ বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং সেটিকে বন্যাকবলিত এলাকায় দাফনের সংকটের চিত্র হিসেবে প্রচার করা শুরু হয়।

তবে স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে, ভেলায় মরদেহ বহনের ঘটনাটি সত্য হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

স্থানীয়দের তথ্যমতে, গত শুক্রবার ভোরে মোহাম্মদ ফোরকানের মৃত্যু হয়। তার স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর পর মরদেহ দাফন করাই তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বাড়ির চারপাশসহ পুরো এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত থাকায় কবরস্থানে মরদেহ নেওয়ার জন্য স্বাভাবিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

আশপাশে দাফনের উপযোগী শুকনো জায়গাও পাওয়া যায়নি। পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় কয়েকটি কলাগাছ দিয়ে একটি অস্থায়ী ভেলা তৈরি করা হয়। সেই ভেলায় মরদেহটি কবরস্থানে নেওয়া হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনা সত্য, তবে ভিডিওটি ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে প্রচার করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি মাছ ধরতে গিয়ে স্ট্রোক করে মারা যান। তখন সেখানে কোনো নৌকা ছিল না। তারা যে ভেলায় মাছ ধরছিলেন, সেই ভেলাতেই মরদেহটি বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীতে জানাজা শেষে স্বাভাবিক নিয়মে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

ইউএনও জানান, ভিডিওটি এমনভাবে প্রচার করা হয়েছে যেন বন্যার কারণে মাটি না পেয়ে মরদেহ ভেলায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বা প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে এমন কিছু ঘটেনি। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে "ভিউ ব্যবসা" বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে 'ম্যাংগো পিল টি'

তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি অলরেডি ফ্যাক্ট-চেক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো তথ্য প্রচারের আগে যাচাই-বাছাই করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, সাতকানিয়ায় বন্যাকে কেন্দ্র করে আরও তিনটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। ইউএনও জানান, উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি কবরস্থানের কয়েকটি কবর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেখান থেকে সরে যাওয়া তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা অন্য একটি নিরাপদ কবরস্থানে পুনরায় দাফন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে জোর করে পুত্রবধূকে গোমূত্র পান করালেন সাবেক এমপি 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


ভারতে জোর করে পুত্রবধূকে গোমূত্র পান করালেন সাবেক এমপি 

ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।

সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।

এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।

পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের

 সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী একটি শোকবার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন দেশের একজন বর্ষীয়ান, প্রাজ্ঞ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী রাজনীতিবিদ। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে, তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনকল্যাণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

মন্ত্রী বলেন, তাঁর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি, মন্ত্রী গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতি জ্ঞাপন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজস্ব সুরক্ষা ও অবৈধ তামাক বাণিজ্য দমনে প্রযুক্তিনির্ভর ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


রাজস্ব সুরক্ষা ও অবৈধ তামাক বাণিজ্য দমনে প্রযুক্তিনির্ভর ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ

 সরকার অবৈধ তামাক বাণিজ্য নির্মূল, কর ফাঁকি প্রতিরোধ এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় একটি প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এফওয়াই-২৭) জাতীয় বাজেটে প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল যাচাইকরণ, রিয়েল-টাইম নজরদারি এবং জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ের মাধ্যমে তামাক খাতে কর ফাঁকি রোধ করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তামাকের ওপর কর আরোপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং রাজস্ব আহরণের জন্য অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার।

তিনি বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি রাজস্ব আহরণে তামাক কর একটি কার্যকর মাধ্যম। প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো আধুনিক, ন্যায্য, বিনিয়োগবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ভ্যাট ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করবে, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করবে, দেশীয় শিল্পকে সহায়তা করবে এবং টেকসই রাজস্ব আহরণে ভূমিকা রাখবে।’

এ উদ্যোগের মৌলিক উপাদান হচ্ছে সমন্বিত 'ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস' ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তামাকপণ্যের অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে এবং উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে কর আদায় নিশ্চিত হবে।

এ লক্ষ্যে, তামাক উৎপাদনকারী কারখানায় এআই-সক্ষম ক্যামেরা ও স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র স্থাপন করে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর রিয়েল-টাইম নজরদারি চালানো হবে।

এছাড়া, সিগারেটের কর স্ট্যাম্পে কিউআর কোড বা এআর কোড সংযুক্ত করা হবে। এর ফলে উৎপাদন থেকে বিক্রয় পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে পণ্যের সত্যতা সহজেই যাচাই করা যাবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তামাকজাত পণ্যের অবৈধ বাণিজ্য প্রতিরোধ এবং রাজস্ব সুরক্ষা জোরদারে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার রিয়েল-টাইম নজরদারি চালানো হবে, উৎপাদন কারখানায় এআই-সক্ষম ক্যামেরা ও স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র স্থাপন করা হবে এবং সিগারেটের কর স্ট্যাম্পে কিউআর বা এআর কোড সংযোজনের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা চালু হবে।’

অবৈধ তামাকজাত পণ্যের বিরুদ্ধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা অবৈধ তামাকপণ্যের তথ্য সরাসরি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জানাতে পারবেন।

এছাড়া, তামাকপণ্য চোরাচালান ও অবৈধ উৎপাদন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিলে পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অননুমোদিতভাবে সিগারেট উৎপাদন ঠেকাতে সিগারেট ও বিড়ি তৈরির কাগজ আমদানি ও বিক্রির অনুমতি বরাবর অনুমোদিত উৎপাদনকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে তামাকপণ্যের কাঁচামাল এবং নতুন ধরনের নিকোটিনজাত পণ্যের ওপরও সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সাথে তামাক সেবনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় সিগারেটের ফিল্টার তৈরিতে ব্যবহৃত অ্যাসিটেট টো ও ফিল্টার রডের ওপর ৩০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, নিকোটিন গ্র্যানিউলস ও নিকোটিন পাউচ আমদানির ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে এসব পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা যায়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তামাক সেবনের গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় অ্যাসিটেট টো ও ফিল্টার রডের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিন গ্র্যানিউলস ও নিকোটিন পাউচের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করছি।’

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য পুনর্নিধারণ করা হয়েছে।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরের ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের জন্য ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, প্রতি ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণের পাশাপাশি ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রতি ১০ শলাকা হিটেড টোব্যাকো পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২১০ টাকা এবং এর ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তি, কঠোর নজরদারি, জনসম্পৃক্ততা এবং রাজস্বনীতির সমন্বয়ে অবৈধ তামাক বাণিজ্য দমন, সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

সম্প্রতি ‘টোব্যাকো কন্ট্রোল’ সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি স্বাধীন প্যাক অ্যানালাইসিসে দেখা গেছে, বাংলাদেশে অবৈধ তামাকজাত পণ্যের বাজারের অংশ প্রায় ৫.৬ শতাংশ। তবে তামাক শিল্পখাতের হিসাবে এ হার ১৮ শতাংশেরও বেশি।

এছাড়া, ‘কমব্যাটিং ইলিসিট সিগারেট ট্রেড টু প্রটেক্ট পাবলিক রেভিনিউ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশে অবৈধ সিগারেটের বাজারের দ্রুত সম্প্রসারণের কারণে সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

এছাড়া 'বাংলাদেশে সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় অবৈধ সিগারেট বাণিজ্য দমন' শীর্ষক সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেশের অবৈধ তামাক বাজারের দ্রুত সম্প্রসারণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বলে গবেষকরা সতর্ক করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজে ইরানি হামলার পর নিখোঁজ ভারতীয় নাবিক, উদ্ধার ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


হরমুজে ইরানি হামলার পর নিখোঁজ ভারতীয় নাবিক, উদ্ধার ১০

ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালিতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর একজন ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। এই হামলার পর 'জিএফএস গ্যালাক্সি' নামের জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাহাজের নাবিকরা সেটি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে ১০ জনকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে একজন ভারতীয় নাবিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছাকাছি বাণিজ্যিক জাহাজ জিএফএস গ্যালাক্সির ওপর হওয়া হামলার নিন্দা জানিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে একজন ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%