ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিন বছরে ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী


তিন বছরে ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎটি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো বেগবান ও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন। উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উন্নত পেশাগত প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

আধুনিক সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দুই দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে, এ বিষয়ে উভয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন। তিনি ভবিষ্যতে চীনের সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠককালে চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নে অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরের মধ্যে দেশে ৪০০টির বেশি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সদস্য ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ১২৩টি কারখানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রদান করেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন জানতে চেয়েছিলেন, বর্তমানে দেশে কতগুলো তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে, সেগুলোর নামের তালিকা কী, বন্ধ হওয়ার কারণ কী এবং তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জবাবে বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বিজিএমইএর ২৮২টি এবং বিকেএমইএর ১২৩টি সদস্য কারখানাসহ মোট ৪০০টির বেশি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। বন্ধ কারখানাগুলোর নামের তালিকা সংগ্রহের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক মন্দা পরিস্থিতি, দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থপাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং বিদেশি ক্রেতাদের ছোট ও মাঝারি কারখানায় রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহ।

মন্ত্রী তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বাজার ধরে রাখতে রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রখাতের রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ১ দশমিক ৫০ শতাংশের অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের (নিট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত ৩ শতাংশ সুবিধা এবং তৈরি পোশাক খাতে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী বাজার অভিযান চালানো হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাজারে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মজুদদারি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জরিমানা ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাজারে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের মাধ্যমে সিন্ডিকেট, কার্টেল ও যোগসাজশমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জনস্বার্থে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং, তদারকি ও আইনানুগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত ও আরো জোরদার করা হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় অবৈধ কয়লা তৈরির ৩০ টি চুল্লি ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


গাইবান্ধায় অবৈধ কয়লা তৈরির ৩০ টি চুল্লি ধ্বংস

গাইবান্ধা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ৩০টি চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপন করা এ কয়লা তৈরির চুল্লিগুলো ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কামালেরপাড়া এলাকায় গাছের কাঠ পুড়িয়ে অবৈধভাবে কয়লা তৈরি করা হচ্ছিল। এতে একদিকে যেমন বনজ সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে চুল্লির ধোঁয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রী রতন কুমার দত্ত, গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আজাহারুল ইসলাম, পরিদর্শক শের আলমসহ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শের আলম বাসসকে বলেন, পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে কয়লা তৈরির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পুনরায় কয়লা তৈরির চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে অবৈধভাবে চুল্লি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিতাসে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


তিতাসে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১

সংস্কারের পর, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঢালে তরতর করে বেড়ে উঠছে লাউডগা। মাচার নিচে দুলছে শত শত লাউ। মাচা যেন দিগন্ত ছাড়িয়ে গেছে। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ মাচার শেষ প্রান্ত দেখা যাচ্ছে না। চরের বালুমাটিতে সবুজের সমারোহ সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে।এমন একটি দৃশ্য এখন ধরলার চরে দেখা যাচ্ছে। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সারডোব থেকে ফুলবাড়ী উপজেলার খোঁচাবাড়ি বাজার পর্যন্ত প্রায় দু কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঁধের ঢালে এই অভিনব চাষ সাড়া ফেলেছে এলাকায়। বাঁধের মাটির ক্ষয়রোধ ও অব্যবহৃত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন চরবাসী ও কৃষিবিভাগ।স্থানীয়দের মতে, ২০১৭ সালের বন্যায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি ভেঙে যায়। গত বছর ভাঙা অংশ মেরামত করে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধটি সংস্কার করেছে। এরপর থেকেই বাঁধের ঢালে চাষাবাদ শুরু করেছেন স্থানীয়রা।বৃহস্পতিবার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঢালের কোথাও লাউ, কোথাও বাঁশ; কোথাও কলাগাছ কিংবা অন্যান্য সবজি রয়েছে। এতে বৃষ্টিতে ভাঙনের হাত থেকে বাঁধের ঢাল রক্ষা পাচ্ছে এবং চরবাসী লাভবান হচ্ছে। কেউ কেউ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি চাষ করছেন।বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করছেন এমন কয়েকজনের দেখা মেলে সরেজমিন গিয়ে। জিয়াউল হক জিয়া, আব্দুল হাকিম ও আলতাফ হোসেন তাদের মধ্যে রয়েছেন। হলোখানা ও রাঙামাটি গ্রামে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঁধের দুই পাশের ঢালে তারা যৌথভাবে মাচায় লাউ চাষ করেছেন।জিয়াউল হক জানান, গতবছর সীমিত পরিসরে বাঁধের ঢালে লাউচাষ করেন। সাফল্য দেখে উৎসাহিত হয়ে এবছর বড় পরিসরে চাষ করছেন। এক মাস আগে গর্তে গোবর দিয়ে উচ্চ ফলনশীল জাতের লাউচারা রোপণ করেছেন। এরপর জিআই তার ও বাঁশ দিয়ে দীর্ঘ মাচা তৈরি করেছেন। নিয়মিত সেচ ও পরিচর্যা করে স্বপ্নকে হাতের মুঠোয় নিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।সরেজমিন দেখা যায়, পানি সেচের জন্য নলকূপ স্থাপনে ব্যস্ত তারা। স্থানীয়রা জানান, চরে তাপপ্রবাহ বেশি। তার ওপর এবছর অনাবৃষ্টির দাপট রয়েছে। খরার কারণে সেচ দিতে হচ্ছে বেশি। পাশের বিল থেকে নিয়মিত সেচ দেওয়ায় অনাবৃষ্টি ক্ষতি করতে পারেনি চারার। গর্তে দেওয়া হয়েছে নানা ধরনের রাসায়নিক সার। পরিচর্যা তো চলছেই।মাচায় দুলতে থাকা শত শত লাউ দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। ইতিমধ্যে কিছু লাউ বাজারে বিক্রি করেছেন। প্রতিটি লাউ ৩০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এবছর তারা লাউ ও লাউ শাক বিক্রি করে তিন লাখ টাকা আয় করার স্বপ্ন দেখছেন। আবাদে খরচ পড়বে এক লাখ টাকা।ঢালের মাচা থেকে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও বড়বাড়িতে পিকআপ বোঝাই করে আড়তে নেওয়া হচ্ছে লাউ। সেখানে বিক্রি হচ্ছে প্রায় হাজার খানেক লাউ, প্রতিটির দাম ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা।জিয়াউলদের পাশেই রাঙামাটি গ্রামের আশরাফুল, মফিজুল ও সোহাগের লাউয়ের মাচা রয়েছে। প্রায় আধা কিলোমিটার অংশজুড়ে তাদের মাচার বিস্তৃতি। তারা সবাই ক্ষুদ্র কৃষক। লাউ চাষের পর তারা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।পশ্চিমে হলোখানা গ্রামের আকবর আলী সিরাজুল ইসলাম লাউয়ের পাশাপাশি কলা, বাঁশ ও করলাসহ নানা সবজি চাষ করেছেন।এলাকাবাসী জানাচ্ছেন, বাঁধের ঢালে সবজির ব্যাপক চাষ কৃষকদের মধ্যে আশা জাগিয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমিহীনরাও চাষের জন্য জমির ঠিকানা পেয়েছে।সারডোব গ্রামের বাসিন্দা এনামুল হক জানান, গত বছর থেকে বাঁধের ঢালে সবজি চাষ করা হচ্ছে। এবছর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কয়েকজন লাউসহ সবজি চাষ করেছেন। সাফল্য দেখে অনেকেই এই অপ্রচলিত চাষ করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এর মাধ্যমে শুধু উদ্যোক্তারা লাভবান হননি, এলাকায় সবজির চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থান হয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্না হক জানান, বাঁধের সুরক্ষার জন্য এধরনের চাষবাস বেশ উপকারী। তাই তারা চাষে বাঁধা দেননি। এর মাধ্যমে বাড়তি উৎপাদন করে লাভবান হচ্ছে কৃষক।কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বাঁধ ও সড়কের ঢালে সবজি চাষের দিকে ইদানিং অনেক কৃষক ঝুঁকে পড়েছে। বিশেষ করে ভূমিহীন কৃষকরা বাঁধের ঢালে চাষ করে লাভবান হচ্ছে। কৃষি বিভাগ এ ব্যাপারে সব সময় কৃষকদের উৎসাহিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাতে মিলল রওশনের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


রাজবাড়ীতে বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাতে মিলল রওশনের মরদেহ

‎রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর দৌলতদিয়া এলাকার আইনউদ্দিন মৃধার পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রওশন (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
‎
‎বুধবার রাতে স্থানীয়রা আখক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
‎নিহত রওশন ওই এলাকার রহিম শেখের স্ত্রী এবং রাসেল শেখের মা।
‎
‎পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে রওশন বাড়ি থেকে বের হয়ে তাদের ধানক্ষেতে যান। জমিতে পড়ে থাকা কিছু ধান গুছিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ধানক্ষেতে প্রবেশ করেন। এরপর কোনো একসময় তিনি পাশের রফিকুল মুন্সার আখক্ষেতের দিকে যান।
‎
‎স্থানীয়দের দাবি, আখক্ষেতের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ লাইনের একটি শট দেওয়া বা ত্রুটিপূর্ণ তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে বুধবার রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে স্থানীয়রা আখক্ষেত থেকে তাকে উদ্ধার করেন।
‎
‎উদ্ধারের পর স্থানীয়ভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে গোয়ালন্দ মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রওশনকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎রাজবাড়ী জেলার পু‌লিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর‌শেদ ব‌লেন, দৌলত‌দিয়া‌র ধান‌ক্ষেত থে‌কে নারীর উদ্ধার হওয়া মর/দেহ ময়নাদত‌ন্তের জন‌্য ম‌র্গে প্রেরণ করা হ‌য়ে‌ছে।
‎তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও বিদ্যুৎ লাইনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে।
‎
‎এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কীভাবে বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে এবং লাইনে ত্রুটি বা অবৈধ সংযোগ ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%