০১:০৩ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম সায়মন, যিনি স্ট্রোকের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তার চিকিৎসার জন্য রোববার (৯ আগস্ট) সকালে সাড়ে ১০টার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের হোস্টেলসংলগ্ন খেলার মাঠ থেকে ঢাকার উদ্দেশে তাকে পাঠানো হয়। জরুরি অবস্থার কারণে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
জানা গেছে, শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে সায়মন ছাত্রাবাসে অবস্থানকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যখন তার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে, তখন উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
আরও পড়ুন: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন
সায়মনের সহপাঠী সৌরভ আরটিভিকে জানিয়েছেন, ‘আমার বন্ধু জাহিদুল ইসলাম সায়মন সকালে ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ ঘুমের মধ্যে সে খাট থেকে পড়ে যায়। প্রথমে আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। পরে দেখলাম তার শরীর শক্ত হয়ে গেছে। তখন দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করি। প্রথমদিকে তার সমস্যার বিষয়ে আমরা কিছু বুঝতে পারছিলাম না।
পরে আমরা সিনিয়র ভাই ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা এসে জানান যে, সে স্ট্রোক করেছে। তার আগে সে দুটি স্ট্রোকের সম্মুখীন হয়েছিল। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। যেহেতু এখানে তার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অপারেশন সম্ভব ছিল না, তাই আজ তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।’
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম আরটিভিকে বলেন, পরিস্থিতির অবগতির পর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউর ব্যবস্থা করি। চিকিৎসকরা তার দেখাশোনা করেছেন। তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান যে, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় স্থানান্তর করা প্রয়োজন। রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। সড়কপথে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় স্থানান্তরের। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বলব, তার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন সে সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।
আরও পড়ুন: চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন