বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০২:৪৫ পি.এম
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয় পেশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বৃহস্পতিবার সকাল বেলায় বঙ্গভবনে গিয়ে এই পরিচয় পেশ করেন।
গত এপ্রিলে ভারত সরকার তাদের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় নিয়োগ দেয়। নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে দীনেশ ত্রিবেদী ৫ জুন পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
এদিকে, হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে ইউনিয়ন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে। গত ২৪ জুন ভারত সরকারের জারি করা একটি অফিস স্মারকে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত দিনেশ ত্রিবেদীকে আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের ক্ষেত্রে টেবিল অব প্রিসিডেন্সে ইউনিয়ন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমপর্যায়ের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
এই মর্যাদা শুধু আনুষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দিনেশ ত্রিবেদীর ব্যক্তিগত মর্যাদা হিসেবে গণ্য হবে। তবে স্মারকে উল্লেখ আছে যে, ভারতের টেবিল অব প্রিসিডেন্সে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের নৌপথের নাব্যতা সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে প্রতিবছর নিয়মিত সংরক্ষণ ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানের ফলস্বরূপ, শুষ্ক মৌসুমে নাব্য নৌপথের দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ২শ’ কিলোমিটার এবং বর্ষা মৌসুমে ৮ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছেছে।
আজ সংসদে, জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নৌপথের উন্নয়ন, নাব্যতা বৃদ্ধি এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পুনর্ভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প। এছাড়া মিঠামইন উপজেলার ঘোড়াউতরা ও বোলাই-শ্রীগাং নদীর অংশবিশেষ, ইটনা উপজেলার ধনু ও নামাকুড়া নদী এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর অংশবিশেষের নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধার, শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথ উন্নয়ন এবং বন্যা ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্পও চলমান রয়েছে।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে এবং নাব্যতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৭০ কিলোমিটার নৌপথ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকার হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে কার্যক্রম করছে এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রী জানান, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সকল শিশুকে টিকার আওতায় এনে একটি শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক বলয়ের সৃষ্টি করা।
আজ সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তারের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বলেছেন, বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। তবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, রোগটির বিস্তারে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান, জনসচেতনতার ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতাও ভূমিকা রাখছে।
ফলে প্রাদুর্ভাবের জন্য দায় নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্ত ও প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল।
মন্ত্রী জানান, হামের প্রাদুর্ভাব ও এ-সংক্রান্ত মৃত্যুর জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দায়ী হলে বিষয়টি তদন্ত ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। যদি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা কর্তব্যে অবজ্ঞার প্রমাণ মেলে, তবে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়ে থাকে।
টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।
পর্যালোচনায় যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মেলে, তবে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ, টিকা মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় আরো সুদৃঢ় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এছাড়া, দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সঙ্গীত, চারুকলা ও নাট্যকলাসহ বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী গ্র্যাজুয়েটদের জন্য দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ প্রয়োজন। আর এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালয়।
আজ সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ আয়োজিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নিয়ে সৃষ্ট আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো বিতর্কের বিষয় নয়, বরং এটি শিশুদের সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, আত্মপ্রকাশ ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
তিনি আরো বলেন, সঙ্গীত, সাহিত্য, আবৃত্তি, নাটক, চিত্রকলা কিংবা কেরাত সবই শিশুদের আত্মপ্রকাশের সমান সুযোগ তৈরি করে। কোনো শিক্ষার্থী কোন মাধ্যমে নিজেকে বিকশিত করবে, সেটি সম্পূর্ণ তার ও তার পরিবারের পছন্দের বিষয়।
ববি হাজ্জাজ জানান, প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলামে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই শিক্ষার আওতায় শিক্ষার্থীরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সরাসরি সুযোগ পাবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা চাই সঙ্গীত, নাটক ও চারুকলার শিক্ষার্থীরাও ভবিষ্যতে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে শিশুদের এই মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখুক।’
তিনি এ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি না করে, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশের স্বার্থে সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় শক্তিশালী দু’টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের মধ্যে হওয়া এই দুই ভূমিকম্পের কারণে ধসে পড়েছে বহু ভবন। বর্তমানে আশঙ্কা করা হচ্ছে বহু মানুষের প্রাণহানিরও। জানা গেছে, ভূমিকম্পটির আঘাত হানার পর ভেনেজুয়েলায় ২০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিবিসিতে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল, যেখানে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফ্যালকন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জানা যায়, প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর, আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প ঘটে, যার মাত্রা ৭ দশমিক ৫ ছিল, বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী কারাকাসসহ অন্যান্য শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।
ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন। এই অবস্থার মোকাবিলা করার জন্য, কর্তৃপক্ষ রাজধানী কারাকাসের প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস স্থগিত করেছে এবং জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের মোতায়েন করেছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে বলেছে, 'ভূমিকম্পের ঘটনায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।' মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা 'ভয়াবহ'।
১৮২১ সালের কারাবোবোর যুদ্ধের স্মরণে জাতীয় ছুটি উদযাপনের সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬:০৪ মিনিটে ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানে।
পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ভেনেজুয়েলার সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে দেশটির অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আহতদের চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য অবিলম্বে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিবেশী কলম্বিয়ার বোগোটা থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা তেরেসা বো জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কারাকাসে, বিশেষ করে আলতামিরা জেলায়। এখানে জরুরি সেবাকর্মীরা একটি ২২তলা ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধার করেছেন। কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির মোট পরিমাণ এখনও মূল্যায়ন করছে বলে জানিয়েছে।
রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ এখনও নিহত ও আহতদের বয়স, লিঙ্গ বা অবস্থান ভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকার কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।
কারাকাসের আলতামিরা ও এল প্যারাইসো এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া লা গুইরা এবং মধ্য ভেনেজুয়েলার অন্যান্য এলাকাতেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
ইউএসজিএস জানিয়েছে যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অনেক ভবনই অপরিবর্ধিত ইটের গাঁথুনি ও অ্যাডোবি (কাদামাটি ও খড়ের মিশ্রণে তৈরি) উপকরণ দিয়ে নির্মিত, যা শক্তিশালী ভূমিকম্পে সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
সংস্থাটির সবশেষ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার থেকে ১০ হাজারে পৌঁছানোর আশঙ্কা ৩৯ শতাংশ এবং ১০ হাজার থেকে ১ লাখে পৌঁছানোর আশঙ্কা ৩৭ শতাংশ। তবে এগুলো জরুরি পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির জন্য ব্যবহৃত পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাস, নিশ্চিত হতাহতের সংখ্যা নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ