বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৩:০৯ এম
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)।
বুধবার (২৪ জুন) যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান টাইমস হায়ার এডুকেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ‘সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৪’ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।
ইতিমধ্যে এতে নোবিপ্রবি উল্লেখযোগ্যভাবে বিশ্বব্যাপী ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে।
প্রকাশিত র্যাংকিং অনুযায়ী, বিশ্বের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নোবিপ্রবি এই গৌরবময় অবস্থান অর্জন করেছে। একই সাথে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি সমন্বিত ভাবে তৃতীয় স্থান এবং দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
এবারের সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংসে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, যা বৈশ্বিক তালিকায় ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে।
প্রতিবছর টাইমস হায়ার এডুকেশন জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষাদান কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এবং এই র্যাংকিং প্রকাশ করে। এবারের সংস্করণে বিশ্বের ১১৬টি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়।
বিশ্বমঞ্চে নোবিপ্রবির এমন ঐতিহ্যবাহী সাফল্যে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার দুপুরে উপাচার্যের প্রেস কনফারেন্স রুমে এসডিজি র্যাংকিং এর বিষয়টি তুলে ধরেন র্যাংকিং অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট সেল।
সেলের অতিরিক্ত পরিচালক ও নোবিপ্রবি সাস্টেইনঅ্যাবিলিটি কমিটির সদস্য সচিব ড. ফাহদ হুসাইন বলেন, "টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) ইমপ্যাক্ট র্যাংকিংয়ে এই অর্জন নোবিপ্রবির টেকসই উন্নয়ন ও প্ল্যানেটারি হেলথের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। শিক্ষা, গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সমাজকল্যাণে আমাদের বহুমাত্রিক উদ্যোগ এই সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। টিম লিড হিসেবে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।"
নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য ও র্যাংকিং সেলের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, "এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সকলের। আমি চাই এই অর্জনের আনন্দ সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক।"
নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, "আমি রিসার্চ সেলকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা এসডিজির প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছি। বাংলাদেশে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আমরা সম্মানজনক অবস্থান করতে পেরেছি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইসলামী দেশগুলোর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে একটি শক্তিশালী মুসলিম জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইসলামাবাদে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান ইসলামী বিশ্বের ঐক্য জোরদার এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান সরকার, জনগণ, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং দেশটির সামরিক নেতৃত্বকে আঞ্চলিক বিষয়ে শান্তি সমর্থন ও মধ্যস্থতাকে উৎসাহিত করার গঠনমূলক উদ্যোগের জন্য প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, শান্তি সমর্থনে এই ভ্রাতৃপ্রতিম ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের প্রচেষ্টা প্রশংসার যোগ্য। সম্প্রতি মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের প্রতি ইরানের প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইরান সরকার, জনগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ ছিল এবং শত্রুদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের সক্রিয় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে, তারা মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের গুরুত্বে বিশ্বাস করে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তেহরান ও ইসলামাবাদের সম্পর্ক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষেত্রে নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইসলামি বিশ্বে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদগত বিশাল সক্ষমতা রয়েছে এবং দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়লে আঞ্চলিক সংকট সমাধান ও সম্মিলিত স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পাবে।
অন্য দিকে, আসিম মুনির ইরানের প্রেসিডেন্টকে সাম্প্রতিক আলোচনা ও একটি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে অবহিত করেন এবং বিশেষ করে পেজেশকিয়ানসহ ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, বহিরাগত চাপ সত্ত্বেও পাকিস্তান বিশ্বাস করে কোনো মুসলিম দেশকে কষ্টের মুখে পড়তে দেয়া উচিত নয়। ইসলামী বিশ্বে শান্তি, সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
পাকিস্তানের সামরিক প্রধান আরও বলেন, দৃঢ়তা ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইসরায়েলি শাসনের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে এবং নিজের অধিকার রক্ষায় সফল হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের বি-গ্রুপের মধ্যে সুইজারল্যান্ড ও স্বাগতিক কানাডার ম্যাচটি জমে উঠেছে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে স্বাগতিকরা দুটো গোল হজম করে। তবুও পিছিয়ে পড়ার পর, ৭৬ মিনিটে গোলটি করেন কানাডার ডেভিড। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে নাথান সালিবারের পাস থেকে গোলটি এসেছে। তবুও তখন ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বসনিয়া।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার জন্য চারজনকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই তথ্য জানানো হয়েছে সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন শফিকুল ইসলাম, খায়রুল আলম রাসেল, আবুল কালাম এবং মামুন হোসেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বুধবার (২৪ জুন) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার ধানমণ্ডি জোনের উদ্যোগে একটি ফ্যাসিবাদবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল আয়োজিত হয়েছিল। মিছিল শেষে সাংবাদিকদের উপস্থিতির মধ্যে একটি দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, যা বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘটে।
ঘটনার ঘটনার পরপরই ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের জামায়াতে ইসলামী নেতারা আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের বাসায় যান এবং তার খোঁজ খবর রাখেন। এর পাশাপাশি কেন্দ্র ও মহানগরীর পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’-এর একটি হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে, হেরে গেলেও প্রথমবারের মতো নকআউট জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।
প্রথমার্ধে দুই দলই সমানতালে পাল্লা দিলেও গোলের দেখা পায়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৫ সেকেন্ডের মধ্যে দৃশ্যপট বদলে যায়। দ্রুত গোল আদায় করে সুইসরা। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে মোট ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে সুইসরা। আর হেরে গেলেও কানাডার জন্য সমস্যা হয়নি শেষ ৩২-তে টিকিট পেতে। তারা তিন ম্যাচ থেকে একটি জয়, একটি পরাজয় ও একটি ড্র নিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের রানার্স-আপ হয়েছে।
কানাডার সমান ৪ পয়েন্ট রয়েছে বসনিয়ারও। দুই দলের হেড টু হেডে ড্র হওয়ায় গোল পার্থক্য বিবেচনায় আসে। গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকার ভিত্তিতে কানাডা নকআউট নিশ্চিত করে। ফলে আপাতত বসনিয়া অপেক্ষায় রয়েছে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে যাওয়ার.
এদিকে, স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থনে কানাডাই প্রথমার্ধে বেশকিছু সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে তারা গোলের সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি। সুইজারল্যান্ডও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে, তবে কানাডার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের দক্ষতায় প্রথমার্ধটি গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়। বিরতির পর যেন এক নতুন সুইজারল্যান্ডকে উপভোগ করেন দর্শকরা।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার ৬০ সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে রুবেন ভারগাসের অসাধারণ গোলে লিড নেয় সুইজারল্যান্ড। এই গোলটি ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়। এরপর ৫৭ মিনিটে ইয়োহান মানজাম্বির গোলের মাধ্যমে সুইজারল্যান্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করে ২-০ তে পৌঁছে যায়।
পরে ৫৮ মিনিটে মানজাম্বি নিজেও জালের দেখা পান। ডি-বক্সের মুখের ডিফেন্ডারের সঙ্গে বল কাড়াকাড়ির পর তিনি ব্রিল এমবলোকে ডান পাশে পেয়েছিলেন। অনেকটা পথ দৌড়ে এসে দুর্দান্ত শটে গোল করেন মানজাম্বি। দুই গোলের পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন বিরতির সময় বদলি হিসেবে নামানো হয় প্রমিস ডেভিডকে। খেলা শুরু হওয়ার পর প্রথম ছোঁয়াতেই কানাডার প্রথম গোল করেন প্রমিস।
এই গোলের পেছনে নাথান-ডিলান সালিবার অবদান ছিল অনেক বেশি। নিজেদের অর্ধ থেকে উড়ে আসা লং বলটির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারার কারণে, অ্যাক্রোবেটিক ভঙ্গিতে সালিবা ডি-বক্সের ভেতরে ক্রস দেন। ফাঁকায় পেয়ে অসাধারণ ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে প্রমিস বলটি জালে জড়ান।
এক গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরানোর জন্য একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্বাগতিকরা। বিশেষ করে ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সে তারা বারবার ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু একাধিক হেডার ঠেকিয়ে দেন কোবেল। একদম শেষ মুহূর্তে কাছ থেকে আসা শটটি ঠেকিয়ে সুইজারল্যান্ডের পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন গোলকিপার। গ্রুপসেরা হওয়ার ফলে নকআউট পর্বে সুইসরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে যাত্রা শুরু করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ