প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’-এর একটি হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে, হেরে গেলেও প্রথমবারের মতো নকআউট জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।
প্রথমার্ধে দুই দলই সমানতালে পাল্লা দিলেও গোলের দেখা পায়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৫ সেকেন্ডের মধ্যে দৃশ্যপট বদলে যায়। দ্রুত গোল আদায় করে সুইসরা। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে মোট ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে সুইসরা। আর হেরে গেলেও কানাডার জন্য সমস্যা হয়নি শেষ ৩২-তে টিকিট পেতে। তারা তিন ম্যাচ থেকে একটি জয়, একটি পরাজয় ও একটি ড্র নিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের রানার্স-আপ হয়েছে।
কানাডার সমান ৪ পয়েন্ট রয়েছে বসনিয়ারও। দুই দলের হেড টু হেডে ড্র হওয়ায় গোল পার্থক্য বিবেচনায় আসে। গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকার ভিত্তিতে কানাডা নকআউট নিশ্চিত করে। ফলে আপাতত বসনিয়া অপেক্ষায় রয়েছে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে যাওয়ার.
এদিকে, স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থনে কানাডাই প্রথমার্ধে বেশকিছু সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে তারা গোলের সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি। সুইজারল্যান্ডও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে, তবে কানাডার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের দক্ষতায় প্রথমার্ধটি গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়। বিরতির পর যেন এক নতুন সুইজারল্যান্ডকে উপভোগ করেন দর্শকরা।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার ৬০ সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে রুবেন ভারগাসের অসাধারণ গোলে লিড নেয় সুইজারল্যান্ড। এই গোলটি ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়। এরপর ৫৭ মিনিটে ইয়োহান মানজাম্বির গোলের মাধ্যমে সুইজারল্যান্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করে ২-০ তে পৌঁছে যায়।
পরে ৫৮ মিনিটে মানজাম্বি নিজেও জালের দেখা পান। ডি-বক্সের মুখের ডিফেন্ডারের সঙ্গে বল কাড়াকাড়ির পর তিনি ব্রিল এমবলোকে ডান পাশে পেয়েছিলেন। অনেকটা পথ দৌড়ে এসে দুর্দান্ত শটে গোল করেন মানজাম্বি। দুই গোলের পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন বিরতির সময় বদলি হিসেবে নামানো হয় প্রমিস ডেভিডকে। খেলা শুরু হওয়ার পর প্রথম ছোঁয়াতেই কানাডার প্রথম গোল করেন প্রমিস।
এই গোলের পেছনে নাথান-ডিলান সালিবার অবদান ছিল অনেক বেশি। নিজেদের অর্ধ থেকে উড়ে আসা লং বলটির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারার কারণে, অ্যাক্রোবেটিক ভঙ্গিতে সালিবা ডি-বক্সের ভেতরে ক্রস দেন। ফাঁকায় পেয়ে অসাধারণ ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে প্রমিস বলটি জালে জড়ান।
এক গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরানোর জন্য একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে স্বাগতিকরা। বিশেষ করে ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সে তারা বারবার ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু একাধিক হেডার ঠেকিয়ে দেন কোবেল। একদম শেষ মুহূর্তে কাছ থেকে আসা শটটি ঠেকিয়ে সুইজারল্যান্ডের পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন গোলকিপার। গ্রুপসেরা হওয়ার ফলে নকআউট পর্বে সুইসরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে যাত্রা শুরু করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন