মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের ওপর পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে, একইসঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে দেন যে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ওই প্রশ্নকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে ইরান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং সামরিক নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
যদিও পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করেছেন, তবুও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট। ট্রাম্পের বক্তব্য, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সোমবার, মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর পর ইরান জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে।
হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। সর্বশেষ পাল্টাপাল্টি হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও এলএনজি পরিবহনপথ হওয়ায়, সেখানে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে।
ট্রাম্পের অবস্থান এখন পরিষ্কার, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতেও দেওয়া হবে না।
সূত্র: গালফ নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারকের খাস কামরায় ডেকে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার এসআই (উপপরিদর্শক) মোহাম্মদ আলী।
ঘটনার পর তিনি ন্যায়বিচার চেয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা রেলওয়ে থানার আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ ও পদ্মা সেতুগামী শহরতলী রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে দায়িত্ব পালনকালে এএসআই (নি.) মৌসুমী আক্তারসহ সঙ্গীয় ফোর্স যাত্রীদের ব্যাগ চেক করছিলেন।
এ সময় সাকিব আল হাসান (২৯) নামে এক আদালতের কর্মচারী ব্যাগ চেক না করানো নিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন যে পুলিশ সদস্যদের চেকিং করার অধিকার নেই।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাকিব রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে পরে তিনি নিজেকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর পিয়ন পদমর্যাদার কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন।
সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তখন নিষ্পত্তি করা হয়। তবে থানা থেকে বের হওয়ার সময় সাকিব ‘কোর্টে হলে দেখে নিতেন’ বলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন এসআই মোহাম্মদ আলী। পরে ঢাকা রেলওয়ে থানার জিডিতে বিষয়টি লিপিবদ্ধ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোহাম্মদ আলী। পরে তাকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়।
মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিচারকের খাস কামরায় যান এসআই মোহাম্মদ আলী। তবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে তাদের বাইরে রেখে তাকে একাই ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, খাস কামরায় আগে থেকেই বিচারকের কর্মচারী সাকিব আল হাসানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন। মোহাম্মদ আলী ভেতরে প্রবেশের পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে একজন ব্যক্তি পেছন থেকে তাকে সজোরে আঘাত করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আত্মরক্ষার্থে তিনি ওই ব্যক্তির হাত ধরে ফেলেন। এ সময় বিচারকের দিকে তাকিয়ে ‘স্যার, এটা কী হচ্ছে?’ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি দরজার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলেন, ‘বুঝছস, আমরা কারা?’
পুরো ঘটনাটি খাস কামরায় থাকা এক ব্যক্তি মোবাইলফোনে ধারণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ও তার ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এসআই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার কোনো অপরাধ থাকলে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা যেত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিকভাবে হয়রানি করার কোনো কারণ দেখি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জজ স্যারকে বলেছি, আমার কোনো অপরাধ হয়ে থাকলে আমি দুঃখিত, আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু এভাবে আমাকে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার কারণ কী?’
মোহাম্মদ আলী আরো বলেন, ‘পরে আমাকে হাত ধরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাতে বাধ্য করা হয়। এরপর আমি সেখান থেকে বের হয়ে আসি।’
ঘটনার পর তিনি মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান।
অভিযোগে ওই হামলাকারীকে আদালতের উমেদার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তার নাম জানা যায়নি। তবে তাকে দেখলে শনাক্ত করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন এসআই মোহাম্মদ আলী।
অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বাইরুল চেয়ারম্যানের চাতালে এক আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভার বিবরণ
সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বতীপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম (চাইনিজ) প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম টিপু, গোমস্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন আলীম, গোমস্তাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সেন্টু, রহনপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এনায়েত করিম তোকি, রহনপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তারিক আহমেদ, গোমস্তাপুর উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান (সোহরাব) এবং গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাইয়ান।
অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালি
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার পূর্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে চত্বরকে মুখরিত করে তোলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, ‘যতবার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, ততবারই বিএনপি গণতন্ত্রকে তুলে ধরেছে এবং প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, বিএনপি কখনো গণতন্ত্রের বিপক্ষে যায়নি।’
তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯ বছর আন্দোলন করেছেন, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তার আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আজকের সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৫-এর বিপ্লব থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আন্দোলন—প্রতিটি গণতন্ত্রকামী আন্দোলনে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে।
বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিএনপিকে কেউ রাজাকার বলতে পারে না। কারণ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া দল হচ্ছে বিএনপি। বিএনপিকে কেউ ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরাচারও বলতে পারে না।
কারণ বিএনপির নেতৃত্বেই ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, স্বৈরাচারের পতন হয়েছে এবং বিএনপির হাত ধরেই গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।’
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। এই ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচনী যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার প্রতিটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা, খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ ও পোশাক দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, অনেকে অনেক রকম কথা বলছেন।
কিন্তু বিএনপি কখনোই জনগণের বিপক্ষে যায়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেশের মানুষের জন্য কাজ করছেন। এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করা যায় এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা যায়, সে ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কোনোভাবেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি যাতে আর ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় জনসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলী ইমাম তপন, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদসহ জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ