ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে ৩০ নিহত, নিখোঁজ বহু


কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে ৩০ নিহত, নিখোঁজ বহু

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) কঙ্গো নদীতে সংঘর্ষের ফলে দুই নৌকার মধ্যে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আরও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইকুয়েটর প্রদেশের এনগোম্বে-লুকোলেলা এলাকার নিকটবর্তী স্থানে নৌকা দুটি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন যাত্রী পানিতে ডুবে মারা যান। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইকুয়েটর প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুতু জানিয়েছেন, ‘দিয়ু সে কাশে’ নামের একটি ধাতব নৌকা রাজধানী কিনশাসা থেকে আসার সময় ‘এইচবি সুপার ভিক্টোর’ নামের কাঠের নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। দ্বিতীয় নৌকাটি বাসিঙ্গা থেকে আসছিল।

আরও পড়ুন: সার্বিয়ায় রেলস্টেশন দুর্ঘটনার দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ছাত্র আন্দোলনের স্মরণসভা

সংঘর্ষের পর অধিকাংশ যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়ে যায় এবং একটি নৌকা ডুবে যায়। নিহতদের ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, রাতে নৌযান চলাচলের সময় দেশে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক নিরাপত্তাকর্মী জানিয়েছেন, কিনশাসা থেকে আসা নৌকাটিতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ছিল।

ডিআর কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা ঘটে নিয়মিত। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, রাতে নৌযাত্রা, দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রত্যন্ত এলাকায় পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এর আগে জুলাই মাসে কাসাই প্রদেশে সরকারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু ঘটে।

আরও পড়ুন: মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, ৩০ হাজার টাকার বেতন দাবিতে বিক্ষোভ

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাকলমোরের ‘হিন্দ রাজাব’ জার্সি পরে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


ম্যাকলমোরের ‘হিন্দ রাজাব’ জার্সি পরে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন

মার্কিন র‍্যাপার ম্যাকলমোর আবারও ফিলিস্তিনের প্রতি তার সমর্থন স্পষ্ট করেছেন। গিলেট স্টেডিয়ামে তার সাম্প্রতিক পরিবেশনার একটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি প্রকাশ করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তার পরনে ‘হিন্দ রাজাব’ লেখা ৫ নম্বর জার্সি রয়েছে। দর্শকদের সামনে হাজারো মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দৃশ্যটি আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

ম্যাকলমোর পোস্টের সঙ্গে লিখেছেন, “একজন শিল্পীর দায়িত্ব, আমার দৃষ্টিতে, সময়কে প্রতিফলিত করা।” এই বক্তব্যের সঙ্গে তিনি সংগীতশিল্পী নিনা সিমোনের নাম উল্লেখ করেছেন। পোস্টে লাল হৃদয়, ঝলমলে আলো এবং ফিলিস্তিনের পতাকার প্রতীকও ব্যবহার করেছেন তিনি।

‘হিন্দ রাজাব’ নামটি ফিলিস্তিনের পাঁচ বছর বয়সী শিশু হিন্দ রাজাবকে স্মরণ করে ব্যবহৃত হচ্ছে। ২০২৪ সালে গাজায় নিহত এই শিশুর নামেই ম্যাকলমোর তার প্রতিবাদী গান ‘হিন্দস হল’-এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন।

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ম্যাকলমোরের অবস্থান নতুন নয়। এর আগে বিভিন্ন মঞ্চ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি গাজায় চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। এ কারণে সংগীতাঙ্গনে তাকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।

তবে সমালোচনা সত্ত্বেও ম্যাকলমোর নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। বরং ‘হিন্দ রাজাব’ লেখা জার্সি পরে মঞ্চে ওঠার মাধ্যমে তিনি আবারও বোঝালেন, তার কাছে সংগীত শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানবিক বার্তা ও প্রতিবাদের ভাষাও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন, সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অগ্রগতি নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন, সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অগ্রগতি নেই

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অবশেষে দশম গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রাপ্তির সুযোগ পাচ্ছেন। প্রধান শিক্ষক পদটি দশম গ্রেডে উন্নীত করার জন্য প্রায় ১০ মাস পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত বেতন নির্ধারণ পদ্ধতি কার্যকর করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-২ অনুবিভাগ থেকে এ আদেশটি জারি করা হয়। সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতেমাতুজ জোহরা এ আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১তম গ্রেডভুক্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে নির্ধারণের পদ্ধতি আইবাস++ সফটওয়্যারে সংযুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বকেয়া বেতন নিয়ে যা বলা হয়েছে

প্রধান শিক্ষকরা গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে দশম গ্রেড অনুযায়ী বর্ধিত বেতন পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তবে নতুন আদেশে বকেয়া বেতন সম্পর্কিত স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি আদেশ (জিও) জারির তারিখের আগে কোনো আর্থিক বকেয়া প্রধান শিক্ষকরা পাবেন না। অর্থাৎ জিও জারির পূর্ব থেকে দশম গ্রেড কার্যকর ধরে যে বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে, তা পাওয়ার সুযোগ থাকছে না।

২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর আদালতের রায়ের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১০ম করার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। কিন্তু বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতার কারণে এতদিন নতুন গ্রেড অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী দশম গ্রেডে প্রধান শিক্ষকদের মূল বেতন ৩২ হাজার টাকা থেকে শুরু হবে। এ গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে দশম গ্রেডে মূল বেতন শুরু হতো ১৬ হাজার টাকা থেকে এবং সর্বোচ্চ ধাপ ছিল ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

দশম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার পূর্বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের পদ ছিল ১১তম ও ১২তম গ্রেডের মধ্যে। পুরোনো বেতন কাঠামো অনুযায়ী ১১তম গ্রেডে মূল বেতন শুরু হতো ১২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১২তম গ্রেডে ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে।

নতুন বেতন স্কেলে ১১তম গ্রেডের মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১২তম গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বর্তমানে তারা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে অবস্থান করছেন। নতুন বেতন স্কেলে এ গ্রেডে মূল বেতন ২৪ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সহকারী শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বেতন গ্রেড ১৩তম থেকে ১১তম করার প্রস্তাব জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। তবে এ বিষয়ে বেতন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া কমিশনের কার্যপরিধির মধ্যে পড়ে না।

এছাড়া, সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম করার প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অর্থ বিভাগেও পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে কর্মরত সহকারী শিক্ষকদের বর্ধিত গ্রেডে বেতন দিতে সরকারের বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৮৩১ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয় হবে।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

বর্তমানে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ৩ লাখ ৬৯ হাজারের কিছু বেশি। বর্তমানে কর্মরত আছেন সাড়ে ৩ লাখের বেশি শিক্ষক। এর বাইরে সম্প্রতি প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন। তাদেরও আগামী ১১ অক্টোবর পদায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযানে দুই দালালের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


মিরপুরে বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযানে দুই দালালের কারাদণ্ড

ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযানে তিনজন দালালকে আটক করা হয়েছে।

এই তিনজনের মধ্যে দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এবং একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেল, মিরপুর-১৩ কার্যালয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে আদালত-৩-এর অধীনে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালায়।

অভিযান চলাকালে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেলের ক্যাম্পাস থেকে তিনজন দালালকে আটক করা হয়। পরে তাদের মধ্যে মো. মিলনকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং মো. রাজীবকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধ করা এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এই প্রতারক চক্রটি বিআরটিএতে আগত সেবাগ্রহীতাদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাগজপত্র ও টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যেত বলে আমাদের কাছে অসংখ্য অভিযোগ ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে এবং বিআরটিএকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান আছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন ট্রাম্পের

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো মার্কিন সেনাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন পেন্টাগন প্রদান করেছে। সাবেক মার্কিন মেজর ও চিকিৎসক নিডাল মালিক হাসানকে ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জন নিরস্ত্র মার্কিন সৈন্যকে হত্যা এবং ৩২ জনকে আহত করার অভিযোগে দণ্ডিত করা হয়। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, গত সোমবার পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ নিডাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করার সুপারিশ করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সুপারিশে সম্মতি প্রদান করেছেন।

তবে, মৃত্যুদণ্ডের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ৫৬ বছর বয়সী নিডাল হাসান ১৯৪৫ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখোমুখি হওয়া প্রথম ব্যক্তি হবেন। এটি ১৯৬১ সালের পর যেকোনো পদ্ধতিতে কার্যকর হওয়া প্রথম সামরিক মৃত্যুদণ্ডও হবে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল স্যোশাল প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, সেনাবাহিনীর সচিব এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন। অবশেষে হাসানের বিচারের চূড়ান্ত দিন এসে গেছে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত হাসান ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুড ঘাঁটির একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে হামলা চালান। হামলার ফলে ১২ জন কর্মরত নিরস্ত্র সৈন্য এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত হন, এবং ৩২ জন আহত হন। টেক্সাসের ওই সামরিক ঘাঁটিতে লেজার-সাইটযুক্ত হ্যান্ডগান দিয়ে হামলার দায়ে ৪৫টি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের জন্য ২০১৩ সালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

এটি ছিল কোনো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যুদ্ধছাড়া প্রাণঘাতী হামলা। সামরিক আইন অনুযায়ী, কোনো সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। নিডাল হাসান মার্কিন সামরিক বাহিনীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন বন্দীর মধ্যে একজন।

যুক্তরাষ্ট্রে বেশিরভাগ মৃত্যুদণ্ড রাজ্য পর্যায়ে কার্যকর হলেও বর্তমানে ২৭টি রাজ্য, সামরিক বাহিনী এবং ফেডারেল সরকারের অধীনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল রয়েছে। তবে, ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডের বিধান পুনরুজ্জীবিত করেন, যা জো বাইডেন প্রশাসনের সময়ে স্থগিত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%