জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১০:১৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ জুন, ২০২৬, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শনে যান বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টায় এই উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম আমের হাটে উপস্থিত হন। সেই সময়ে তিনি বিভিন্ন আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন এবং আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে আলাপ করেন।
রাষ্ট্রদূতের সফরের সময় মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড এবং দূতাবাসের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তার সঙ্গ acompanh kaldırtt। হাটে ঘুরে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কিছু জাতের আমের স্বাদও গ্রহণ করার সুযোগ পান।
ব্যবসায়ী ও চাষিরা রাষ্ট্রদূতকে রাজশাহীর আম উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানির সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন। ব্যবসায়ীদের কথা ছিল, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই ধরনের সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো বেশি পরিচিত করতে সাহায্য করবে। স্থানীয় কৃষকেরা জানায়, রাজশাহীর আমের স্বাদ ও গুণগত মান দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও সুপরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের এ ধরনের আগ্রহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে।
পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। এর আগে আমি ২০২০ সালের একবার এসেছিলাম। কিন্তু এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি, কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। এখানে আসতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত।” রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছেন। তাঁর ভাষ্য, কোনো পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয়, সেখানে গিয়ে সেটি দেখা ও স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতার তুলনা করা যায় না। সেখানে সবচেয়ে তাজা, বৈচিত্র্যময় ও সেরা পণ্য দেখার সুযোগ ঘটে।
বাংলাদেশের আম রপ্তানি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত হিমায়িত আম বেশি পাওয়া যায়, যা শেক তৈরিতে ব্যবহার হয়। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া গেলেও রাজশাহীর মতো এত তাজা আম পাওয়া কঠিন। আম রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে বাংলাদেশে কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি বলে মন্তব্য করেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, সারা বছর আম সহজলভ্য রাখতে এবং হিমায়িত আমের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য উন্নত কোল্ড চেইন ব্যবস্থা প্রয়োজন। এতে বাংলাদেশের আম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশ ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে একটি যুবককে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন মিনি স্টেডিয়াম এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
আটক যুবকের নাম সোহেল রানা (৩০), যিনি উপজেলার মতিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা হিসেবেও পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৭ জুন) তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্তুতি চলছে। এই সময়ে মিনি স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে সোহেল রানা হঠাৎ ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে শুরু করেন।
এরপর সেখানে উপস্থিত লোকজন তার আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে মারধর করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সোহেল রানাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শ্রীমঙ্গল থানার উপপরিদর্শক হারুন জানিয়েছেন, মাঠের পাশের মিনি স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে সোহেল রানা ওই স্লোগান দিচ্ছিলেন। লোকজনের মারধরের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে।
বর্তমানে সোহেল রানা থানায় আছেন।
তবে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, আগামীকাল বুধবার তারেক রহমান শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার জেলা সদরে আসার কথা রয়েছে, যা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত। তার সফরকে ঘিরে প্রশাসন ও আয়োজকদের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পোল্যান্ডে রাশিয়ান একজন শিল্পীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শিল্পীর নাম রবার্ট কে।
তিনি ‘সেমিওন স্ক্রেপেতস্কি’ ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একজন কট্টর সমালোচক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয় সময় সোমবার সকালে বেলারুশ সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে পোল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় শহর বিআলা পোদলাসকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
পোলিশ প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ বছর বয়সী এই শিল্পীকে একটি গাড়ি পার্কিং এলাকায় লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।
ঘটনাস্থলটি বেলারুশ কনস্যুলেট থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে অবস্থিত।
জেলা প্রসিকিউটর কার্যালয়ের মুখপাত্র মারচিন কোজাক বিবিসিকে জানান, অজ্ঞাত বন্দুকধারী শিল্পীর কাছে গিয়ে প্রথমে দুটি গুলি করে। শিল্পী মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারী আরো কাছে গিয়ে তিনটি গুলি চালায় এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
কোজাক আরো বলেন, ‘মোট পাঁচটি গুলি তার মাথা, বুকে ও পিঠে লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি গুলির খোসা এবং একটি ৯ মিলিমিটার গেকো লুগার বুলেট উদ্ধার করেছে। বুধবার তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ বেলারুশ কনস্যুলেটের কাছ থেকে ৩৩ ও ৩৭ বছর বয়সী দুই বেলারুশীয় নাগরিককে আটক করেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা এখনো তদন্তাধীন।
ব্যঙ্গচিত্র ও সমালোচনা
রবার্ট কুজভকভ ‘সেমিওন স্ক্রেপেতস্কি’ নাম ধারণ করে শিল্পচর্চা করতেন। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এবং চেচেন নেতা রমজান কাদিরভকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন ও চিত্রকর্মের জন্য পরিচিত ছিলেন।
প্রসিকিউটর কোজাক বলেন, ভুক্তভোগী প্রকাশ্যে শিল্পচর্চা করতেন এবং ‘সেমিওন স্ক্রেপেতস্কি’ ছদ্মনামে রুশ সরকারের বর্তমান নীতির সমালোচনা করতেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২১ সালে বিআলা পোদলাসকায় বসবাস শুরু করেন।
পুতিনবিরোধী বিক্ষোভ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গত ১২ জুন জার্মানির বার্লিনে রুশ দূতাবাসের সামনে অনুষ্ঠিত ‘রাশিয়া ডে’ বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন স্ক্রেপেতস্কি।
সেখানে তার হাতে ছিল পুতিন ও সাবেক সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিনকে ব্যঙ্গ করে আঁকা একটি চিত্রকর্ম। এ ছাড়া তার ট্রাউজারের সঙ্গে বাঁধা একটি রুশ পতাকাও মাটিতে টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়, যা ছিল প্রতীকী প্রতিবাদের অংশ।
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ জুন, ২০২৬,পাবনার চাটমোহর থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আরো ১১ জন মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। এইভাবে গত দেড় মাসে এই উপজেলায় মোট ৩১ জন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে, এর মধ্যে রয়েছে গাঁজা, হেরোইন এবং ইয়াবা ট্যাবলেট।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী সার্কেলের একটি দলে চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। পরে আটককৃতদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন, উপজেলার ভাদড়া গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে শামীম হোসেন (৪০), উথুলী গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে বাবু হোসেন (৪২), মথুরাপুর গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে মানিক হোসেন (৪৫), ধরইল গ্রামের জফির উদ্দিনের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৫০) এবং সাড়রা গ্রামের ওমর আলীর স্ত্রী বিনা খাতুন (৩৫)। তাদের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেকে একশত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
এদিকে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায়, পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন মাদকসেবীকে আটক করে। পরে তাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার ভাদড়া গ্রামের মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে আতিক হোসেন (৩৫), সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার হামকুড়িয়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪২) এবং চাটমোহর উপজেলার জগতলা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে বাঁধন হোসেন (২০)। আতিক হোসেন এবং আনোয়ার হোসেনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং বাঁধন হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে একশত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
চাটমোহর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য সেবন, বিক্রি এবং ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের শাস্তি প্রদান করেন।
অপরদিকে রোববার (১৪ জুন) রাতে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী আরো ৩ জন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিল উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের কুবিরদিয়া গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে বাধন হোসেন (২৩), অমৃতকুন্ডা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে সাজু হোসেন (৩০) এবং বুধপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেন (২২)। এদের প্রত্যেককে এক মানের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। চাটমোহর থানা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে রোববার সন্ধ্যায় এই তিন মাদকসেবীকে আটক করে।
এদিকে প্রতিদিনই পুলিশ মাদকসেবীদের আটক করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হচ্ছে। মাদকসেবীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হলেও মাদক ব্যবসায়ীরা বসে নেই। নির্বিঘ্নেই মাদকদ্রব্য বিক্রি চলছে। মাদকদ্রব্য বিক্রেতাদের গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। মাদকদ্রব্য বিক্রেতাদের গ্রেফতারের দাবিতে উপজেলার চরপাড়া এবং কুমারগাড়া গ্রামে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ