ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সব ক্ষেত্রেই দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান


সব ক্ষেত্রেই দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান

সরকারি চাকরি থেকে শুরু করে উদ্যোক্তা হওয়া, সব ক্ষেত্রেই দক্ষ জনশক্তির চাহিদা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন তরুণদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) দিকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, দক্ষতা অর্জন করলে একজন ব্যক্তি কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করতে সক্ষম হবেন, পাশাপাশি স্বল্প পুঁজিতেও নিজস্ব উদ্যোগ গড়ে তোলার সামর্থ্য অর্জন করতে পারেন।

আজ শুক্রবার সকালে খুলনা মহিলা কলেজের সেমিনার হলে আয়োজিত কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) এর সুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভর্তির প্রচারণা বিষয়ক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

সেমিনারে অন্যতম সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আনিস আর রেজা। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন খুলনা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী অনিমেষ পাল, খুলনা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ কাজী নেয়ামুল শাহীন এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, খুলনার পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুশান্ত কুমার সাহা।

এদিকে, সেমিনারে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, দেশে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ শুরু হলেও তা এখনও প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে টেকনিক্যাল ও পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগে নতুন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ চালুর উদ্যোগও চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষার বড় শক্তি হচ্ছে এখানে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পান। একই সাথে তারা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ শুরু করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন।

উদাহরণস্বরূপ তিনি জানান, মোবাইল সার্ভিসিং, কম্পিউটারভিত্তিক অনলাইন সেবা, ইলেকট্রিক্যাল কাজ, ওয়েল্ডিং, নির্মাণকাজ, কাঠশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে অল্প পুঁজিতে আয়মুখী উদ্যোগ গড়ে তোলা সম্ভব হয়ে উঠছে। বর্তমান সময়ে অনলাইন আবেদন, সেবা প্রদান এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাজের সুযোগও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী শুধু আয়মুখী দক্ষতা অর্জন করে না, বরং উচ্চশিক্ষার পথও তার জন্য উন্মুক্ত থাকে। দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও কারিগরি শিক্ষার্থীদের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রায় ৪০০টি কলেজের প্রধান শিক্ষক এবং ইমামগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় সন্তানকে হারালেন জুয়েল, গুরুতর আহত স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় সন্তানকে হারালেন জুয়েল, গুরুতর আহত স্ত্রী

গাজীপুরের চামুড্ডা এলাকায় দুর্ঘটনার ফলে মোটরসাইকেল আরোহী শিশুসন্তান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার বাবা-মা গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ঢাকা বাইপাস মহাসড়কের পূবাইলের চামুড্ডা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুর নাম ফোয়ান হোসেন (৩)। আহত হয়েছেন তার বাবা মো. জুয়েল রানা (৩৬) এবং মা সুরাইয়া আক্তার রুপা (৩০)। তাদের আবাস বগুড়া জেলার শেরপুর থানার বাংড়া এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মো. জুয়েল রানা মোটরসাইকেলে তার স্ত্রী এবং সন্তানকে নিয়ে বগুড়ার নিজ বাড়ি থেকে চট্টগ্রামে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। যাতায়াতের পথেই তারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।

পূবাইলের চামুড্ডা এলাকায় ঢাকা বাইপাস মহাসড়কে পৌঁছালে তাদের মোটরসাইকেলের সঙ্গে একটি ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। ফলে মোটরসাইকেল আরোহীরা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তাদের ছেলে সাফোয়ান হোসেন নিহত হয়ে যায়।

আহত জুয়েল রানা এবং সুরাইয়া আক্তার রুপাকে উদ্ধার করে দ্রুত গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের সেখানে চিকিৎসা চলমান রয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় ইয়াবাসহ চার যুবক গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


কলাপাড়ায় ইয়াবাসহ চার যুবক গ্রেফতার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চার যুবককে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধানখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ধানখালী গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত যুবকেরা হলো মো. মুসফিকুর রহমান শান্ত (১৯), মো. শাকিল খান (৩৯), মো. বাইজিদ গাজী (২৮) এবং মো. জাকারিয়া (৩০)। এই যুবকরা পার্শ্ববর্তী চম্পাপুর ও বালিয়াতলী ইউনিয়নের বাসিন্দা।

কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় গণমাধ্যমকর্মীদের মাল্টিমিডিয়া ও ফ্যাক্ট-চেক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় গণমাধ্যমকর্মীদের মাল্টিমিডিয়া ও ফ্যাক্ট-চেক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

চুয়াডাঙ্গায় গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা, ফ্যাক্ট-চেকিং, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মশালার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে যেখানে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।

এ সময় পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন সমন্বয়কারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে তথ্য যাচাই, গুজব প্রতিরোধ এবং মাল্টিমিডিয়া দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গত বুধবার শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি, তথ্য যাচাইয়ের কৌশল, গুজব শনাক্তকরণ এবং অপতথ্য মোকাবিলা বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রচলিত নিয়ম অদৃশ্য: মান্দায় ধানের হাটে ‘৪১ কেজিতে মণ’, কৃষকরা জিম্মি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


প্রচলিত নিয়ম অদৃশ্য: মান্দায় ধানের হাটে ‘৪১ কেজিতে মণ’, কৃষকরা জিম্মি

দেশে প্রচলিত ওজন পরিমাপের নিয়ম অনুযায়ী, ৪০ কেজিতে এক মণ ধান হওয়ার কথা। কিন্তু নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিভিন্ন ধানের হাটে এই নিয়ম যেন শুধুমাত্র কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ঐতিহাসিক পাঁজরভাঙ্গা হাটসহ বাকী বাজারগুলোতেও কৃষকদের প্রতি মণে ৪১ কেজি ধান দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এর ফলে বছরজুড়ে ওজনে অতিরিক্ত ধান দিয়ে লোকসানের মুখে পড়ছেন হাজার হাজার কৃষক।

সরেজমিনে শুক্রবার (১৯ জুন) উপজেলার ঐতিহাসিক পাঁজরভাঙ্গা হাট ঘুরে দেখা যায়, সকালে দূর-দূরান্ত থেকে ভ্যান, ভটভটি ও সাইকেলে করে ধান নিয়ে আসছেন কৃষকেরা। হাটে ধানের ব্যাপক জোগান থাকলেও বিক্রির সময় কৃষকদের এক অঘোষিত নিয়মের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ৪০ কেজির পরিবর্তে ৪১ কেজি মণ হিসেবে ধান কিনছেন। শুধু পাঁজরভাঙ্গা নয়, উপজেলার জোতবাজার ও জোকাহাটে একই ছবি দেখা যাচ্ছে।

বর্তমানে হাটে বিভিন্ন ধরনের ধান বিক্রি হচ্ছে। জিরা ধানের প্রতি মণ ১ হাজার ৪০০ টাকা, সুবলতা ১ হাজার ৩৪০ টাকা, কাটারি ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু বাজারে ধানের মূল্য কম হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন দেওয়ার কারণে কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমবর্ধমান।

স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করছেন যে, একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই অনিয়ম চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে সবাই খোঁজখবর জানলেও কার্যকর নজরদারি না থাকায় কৃষকদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ধান দিতে হচ্ছে। ফলে কৃষকরা প্রতি মণে ১ কেজি করে বেশি ধান দিয়ে বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এই প্রকাশ্য ওজন জালিয়াতি বন্ধ করতে এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

হাটে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক মো. জহুরুল বলেন, "আমি ১২ মণ ধান নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ৪১ কেজিতে মণ ধরায় ১২ কেজি ধান বেশি চলে গেছে। আমরা অনেক কষ্ট করে ধান উৎপাদন করি। হাটে আনলে ব্যবসায়ীরা বলে ৪০ কেজিতে ধান নেবে না, ৪১ কেজি দিতে হবে। বাধ্য হয়ে আমরা ধান বিক্রি করি।" অন্যদিকে, আরেক কৃষক মো. আজিজার জানান, "৫ মণ ধান নিয়ে এসেছিলাম। ধানের দামও কম, আবার প্রতি মণে ১ কেজি বেশি দিতে হয়েছে। প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনো নজরদারি নেই। আমরা সব দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।"

ওজনে অতিরিক্ত ধান নেওয়ার এই প্রকাশ্য অনিয়মের বিষয়ে কিছু ধান ব্যবসায়ী বলছেন যে, এটি অনিয়ম, তবে তারা দায় চাপাচ্ছেন দীর্ঘদিনের অভ্যাসের ওপর। ধান ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মেস্তাক জানাচ্ছেন, "এই হাটে অনেক আগে থেকেই ৪১ কেজিতে মণ নেওয়া হয়। সবাই এভাবেই নিচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজি হলেও, বাজারে দীর্ঘদিন ধরে এই পদ্ধতি চলে আসছে।"

এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, "হাট-বাজারে ওজন সংক্রান্ত অনিয়ম এবং কৃষক ও ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নিয়মিত তদারকির উদ্যোগ নেওয়া হবে।"

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, "সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, যে কোনো কৃষিপণ্য বা ফলের ক্ষেত্রে ৪০ কেজি মানে ৪০ কেজি। আইনত বাড়তি বা ‘ঢলন’ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কৃষকেরা সচেতন হলে এবং প্রশাসন নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলে এ ধরনের অনিয়ম দ্রুত বন্ধ করা সম্ভব। বাজারমূল্য ওঠানামা করলেও পণ্যের ওজন অবশ্যই সঠিক থাকতে হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%