ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের চলচ্চিত্র জগৎ পুনর্গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর


দেশের চলচ্চিত্র জগৎ পুনর্গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের চলচ্চিত্র জগৎকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে এবং সার্বিক মানোন্নয়নের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্য নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা শুরুতে সভা আয়োজনের গুরুত্ব নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন: পুরাতন রমনা থানার সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে দক্ষ পরিচালক, প্রযোজক ও শিল্পী গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আগামী ২০, ৩০ বা ৪০ বছর পর যেন তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকে, সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের এখন থেকেই কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্রকে শুধু এফডিসি কেন্দ্রিক না রেখে, আমরা সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের টেকসই উন্নয়ন চাই। শালীনতা বজায় রেখে এমন সুস্থধারার সিনেমা নির্মাণ করতে হবে, যা পরিবার-পরিজন নিয়ে একসঙ্গে বসে দেখা যায় এবং সাধারণ দর্শক যেন কাজগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’র মতো কালজয়ী চলচ্চিত্রের দৃষ্টান্ত টেনে তিনি দেশীয় স্ক্রিপ্ট রাইটারদের দক্ষতা ও মান বৃদ্ধিতে বিশেষ জোর দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার চলচ্চিত্র খাতের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই খাতের একটি দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করতে চায়। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসা ও পূর্ণ সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চলচ্চিত্র ও বিনোদন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ছুটির দিনে সড়কে ঝরল ১২ জনের প্রাণ

এসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক কাজী জেসিন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এ এস এম জাহিদ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (এফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চলচ্চিত্র খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, প্রযোজক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ সভায় অংশ নিয়ে মতামত প্রদান করেন। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চলচ্চিত্র পরিচালক ও চরকীর সিইও রেদোয়ান রনি, চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ আহমেদ শাওকী, অমিতাভ রেজা চৌধুরী, হিমেল আশরাফ, রায়হান রাফি, রুবায়েত মাহমুদ, সরদার সানিয়াত হোসেন, প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, মীর মোকাররম হোসাইন (শুভ) ও সহযোগী প্রযোজক শাকিব হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক পরিবেশক সৈকত সালাহউদ্দিন, বিসিএপিবিএস-এর সদস্য শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহিন সুমন ও সাধারণ সম্পাদক শাহিন কবির টুটুল, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল এবং বিশিষ্ট অভিনেতা ও অভিনেত্রী হেলাল খান, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, আজমেরী হক বাঁধন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিআইও কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহকারীর বাসায় মিলল সরকারি ত্রাণসামগ্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


পিআইও কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহকারীর বাসায় মিলল সরকারি ত্রাণসামগ্রী

ফেনীর ফুলগাজীর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহকারী আবদুল বাকের হোসেনের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণের মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে ফুলগাজী যুব উন্নয়ন কার্যালয় সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসার নিচতলায় থেকে এসব মালামালগুলো উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আবদুল বাকেরের তিন ছেলে ও দুই মেয়ে ফুলগাজীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করে, তাই তিনি বাসা পরিবর্তন করেননি। অভিযুক্ত আবদুল বাকের (৪৫) নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ানই ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আমিনউল্লাহর ছেলে।

উপজেলা প্রশাসনের তথ্য থেকে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া বাসা থেকে ১০ বস্তা ত্রাণসামগ্রী এবং তিন বস্তা শুকনা খাবারের প্যাকেট জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মালামালগুলোর মধ্যে ৩০০ কেজি চাল, ৩২ লিটার সয়াবিন তেল, ৩০ কেজি লবণ, ৩০ কেজি চিনি, ৩৩ কেজি মসুর ডাল, ৩০ প্যাকেট (প্রতি প্যাকেট ২০০ গ্রাম) হলুদের গুঁড়া, ৩২ প্যাকেট (প্রতি প্যাকেট ১০০ গ্রাম) মরিচের গুঁড়া এবং ৩১ প্যাকেট (প্রতি প্যাকেট ১০০ গ্রাম) ধনিয়ার গুঁড়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এসব ত্রাণসামগ্রী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা গরিব ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত ছিল। উদ্ধার হওয়া ত্রাণের প্যাকেটের গায়ে '২০২৪-২৫ অর্থবছর' লেখা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবদুল বাকের গত বছরের ১০ জুলাই ফুলগাজী উপজেলায় যোগদান করেন। পরে চলতি বছরের ২২ জুলাই তিনি ফুলগাজী থেকে চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলায় বদলি হন। বদলির পরও তিনি ফুলগাজীর ভাড়া বাসাটি পরিবর্তন করেননি বলেই জানা গেছে।

এদিকে, ২০২৫ সালে ফুলগাজীতে ভয়াবহ বন্যার সময় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এসব ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের। সরকারি ত্রাণের মালামাল একজন কর্মচারীর ভাড়া বাসায় কীভাবে এলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে তারা।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবদুল বাকেরকে একাধিকবার কল করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

ফুলগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অ. দা.) রাজীব আহমেদ বলেন, 'বাকের বর্তমানে সন্দ্বীপে কর্মরত। সন্তানদের পড়ালেখার কারণে বদলির পরও তিনি ফুলগাজীর বাসা পরিবর্তন করেননি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।'

ফুলগাজী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, 'জব্দ হওয়া মালামাল থানা হেফাজতে রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন।'

এ ব্যাপারে ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কাউছার হামিদ বলেন, 'স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়েছে। উদ্ধার মালামালের প্যাকেটে থাকা লেখা অনুযায়ী, এগুলো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সরকারি ত্রাণ। ওই ব্যক্তি ফুলগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী (কাম কম্পিউটার অপারেটর) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত মাসে বদলি হয়ে বর্তমানে নোয়াখালীর সন্দ্বীপ উপজেলায় কর্মরত বলে জানতে পেরেছি।'

তিনি আরও বলেন, 'উদ্ধার করা মালামালগুলো বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আকতার হোসেনের চুক্তি বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আকতার হোসেনের চুক্তি বাতিল

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ আকতার হোসেনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাতিল করেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) মানবসম্পদ বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক অফিস নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ড. আকতার হোসেনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে মেয়াদ পূর্তির আগেই এই চুক্তি বাতিলের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নথিতে উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে নিয়োগ পান ড. আকতার হোসেন। ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। ফলে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রায় ৯ মাস আগেই তার চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দেশের রিজার্ভ এখন ৩৭ বিলিয়ন ডলার। ড. আকতার হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার আগে এ পদে ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ডেপুটি গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় দেড় বছর ধরে প্রধান অর্থনীতিবিদের পদটি শূন্য ছিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ড. আকতার হোসেনকে এই পদে আনেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে ড. আকতার হোসেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি প্রণয়ন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিষয়ের বিশ্লেষণ এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটির সদস্যের পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মুদ্রানীতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্সেলোনার সোনালি যুগের সেই গোলরক্ষক, এখন কোথায় তিনি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


বার্সেলোনার সোনালি যুগের সেই গোলরক্ষক, এখন কোথায় তিনি?

বার্সেলোনার সর্বজয়ী গোলরক্ষক ভিক্তর ভালদেস। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি যখন অবসর নেব, তখন আমি হারিয়ে যাব। এমন কোথাও চলে যাব, যেখানে কেউ আমাকে খুঁজে পাবে না’—বছর কয়েক আগে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ভিক্তর ভালদেস।

পরে, সত্যিই অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান বার্সেলোনার কিংবদন্তি এই গোলরক্ষক।

পেপ গার্দিওলার কোচিংয়ের সময়কালকে বার্সেলোনার সোনালি যুগ মনে করা হয়। সেই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন ভালদেস। ২০০২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কাতালান ক্লাবটির হয়ে ৫৩৯টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

জিতেছেন ছয়টি লা লিগা, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগসহ অনেক শিরোপা। স্পেনের হয়ে ২০১০ বিশ্বকাপও জিতেছেন।

কিন্তু ক্যারিয়ারের শেষটা ছিল কঠিন। ২০১৪ সালে সেলতা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচে হাঁটুতে গুরুতর চোট পান ভালদেস।

পরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজ ও মিডলসব্রোর হয়ে খেললেও বার্সেলোনার সময়ের সেই ছন্দ আর ফিরে পাননি। ২০১৭ সালে মিডলসব্রো-এর সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর আর কোনো ক্লাবে যোগ দেননি। এরপর আসে তার সবচেয়ে আলোচিত বিদায়।

২০১৫ সালে কলম্বিয়ার টেলিভিশন চ্যানেল আরসিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভালদেস ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, অবসরের পর তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তিনি বলেছিলেন, ‘একদিন তো আলো নিভবেই।

আলো নিভে গেলে আমি সন্তানদের সঙ্গে থাকব। তাদের শেখাব, আলো জ্বলে উঠলে কী হতে পারে। কিন্তু আমি তখন আর সেখানে থাকব না। আশা করি, আলো নিভে গেলে আমাকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।’

২০১৮ সালের শুরুতে সেই কথারই যেন বাস্তব রূপ দেন ভালদেস। ‘সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ’ লিখে ইন্সটাগ্রামের সব ছবি মুছে দেন। বন্ধ করে দেন টুইটার (বর্তমানে এক্স) ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টও। কোনো জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠান কিংবা দীর্ঘ বক্তব্য ছিল না।

তবে ভালদেস পুরোপুরি ফুটবল থেকে হারিয়ে যাননি। ২০১৯ সালে বার্সেলোনা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হয়ে ক্লাবে ফিরেছিলেন। কিন্তু কয়েক মাস পরেই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বার্সেলোনা ছাড়ার পর ভালদেস মোরাতালাজের যুব দল এবং পরে ইউএ হোর্তার দায়িত্ব নেন। ২০২১ সালের শুরুতে ইউএ হোর্তা ছাড়ার পর দীর্ঘ সময় তাকে কোচিংয়ে দেখা যায়নি।

কিছু সময়ের জন্য কোচিংয়ে ফিরলেও আবার লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেছেন ভিক্তর ভালদেস। ছবি: সংগৃহীত

এরপর হঠাৎ করেই ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে আবার ফুটবলে ফেরেন ভালদেস। স্পেনের চতুর্থ স্তরের ক্লাব রিয়াল আভিলা তাকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু দেড় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে তিনি রিয়াল আভিলা ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে আবারো উধাও ভালদেস।

ভিক্টর ভালদেস এখন কোথায়? এটাই সবচেয়ে রহস্যময় বিষয়। তিনি কয়েক বছরের জন্য কোথায় হারিয়ে যান, তা কেউ বলতে পারেন না। না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, না সংবাদমাধ্যম—কোথাও তার সন্ধান মেলে না।

সাম্প্রতি স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোও ভালদেসকে এমন একজন হিসেবে বর্ণনা করেছে, যাকে জনসমক্ষে খুব কমই দেখা যায় এবং যিনি হঠাৎ ফুটবলে ফিরে আসেন।

ভালদেস কোথায় থাকেন-কী করেন, তা কেউ জানে না। কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তিনি হোয়াটসঅ্যাপও মুছে ফেলেছেন।

ভিক্টর ভালদেসের জীবনের গল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকই হলো তিনি কখনো আলোচনায় থাকতে চাননি। একসময় তিনি ছিলেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় গোলরক্ষক। বার্সেলোনার গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে মেসি, জাভি, ইনিয়েস্তা, পুয়োলদের সঙ্গে ইতিহাস গড়েছেন।

কিন্তু অবসরের পর ভালদেসের চাওয়া ছিল একেবারেই ভিন্ন। খ্যাতির আলো নয়, চেয়েছিলেন সাধারণ জীবন।

সত্যিই, আলো নিভে গেলে কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিনই হয়!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার

কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত ও গভীর করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেয়ার অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও জাপান।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ৭ম পররাষ্ট্র দফতর পর্যায়ের পরামর্শ সভায় উভয়পক্ষ এই অঙ্গীকার করে। এতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম এবং জাপানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাপানের সিনিয়র ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী নামাজু হিরোইউকি।

পরামর্শ সভায় উভয় পক্ষ বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত ও গভীর করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেয়ার অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পুরো পরিসর নিয়ে ব্যাপক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী আলোচনা হয়।

এর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ জ্বালানি, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি উদ্যোগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এছাড়া জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় এবং জাতিসংঘসহ বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%