রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫২ পি.এম
নড়াইল আদালতে মামলার হাজিরা দিতে এসে পুলিশ ১১ জনকে আটক করেছে, যাদের কাছে দেশীয় অস্ত্র ছিল। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বার থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃতদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতি ও দা উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রয়েছেন, এস্কেন্দার শেখ (৪৫), আমিনুর শিকদার (৫৬), হাফেজ শেখ (২৫), তৈয়েবুর রহমান (৫৫), সেকেন্দার আলী (৫৮), হাসানুর রহমান (৫৫), রিয়াজুল শিকদার (২৭), আরিফুল শেখ (২২), তারেক শেখ (৩২), জুলফিকার রহমান (৪০) এবং শরিফুল মোল্যা (৪০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারা একটি মামলায় হাজিরা দিতে নড়াইল আদালতে এসেছিলেন। পরে আদালত চত্বরের আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করার সময় সদর থানা-পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় তাদের আটক করা হয় এবং পরে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
নড়াইল সদর থানার ওসি মো. রাসেল সারোয়ার জানিয়েছেন, "নড়াইল আদালতের এক আইনজীবীর চেম্বার থেকে ১২টি দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ চীন সাগরে একটি ফিলিপাইনের নৌযানকে ধাক্কা দিয়েছে চীনের কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ, যা জ্বালানি সরবরাহের মিশনে ছিল। ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড (পিসিজি) জানায়, এই ঘটনায় নৌযানটির রেলিং ও ডেকের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে এতে কোনো আহতের খবর নেই।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ফিলিপাইনের মৎস্য ও জলজ সম্পদ ব্যুরোর (বিএফএআর) ‘বিআরপি দাতু মাগাত সালামাত’ নামের নৌযানটি দেশটির পালাওয়ান প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ৫৪ নটিক্যাল মাইল দূরে ফিলিপিনো জেলেদের মধ্যে জ্বালানি বিতরণের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। এ সময় একটি চীনা কোস্ট গার্ড জাহাজ কয়েক দফায় কৌশলীভাবে গতিপথ পরিবর্তন করে ফিলিপাইনের জাহাজটির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়, এমনটাই জানিয়েছে পিসিজি।
পিসিজি এক বিবৃতিতে এই ঘটনাটিকে ‘মানবিক ও জীবিকাসংক্রান্ত মিশনে থাকা বেসামরিক সরকারি নৌযানকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা’ বলে উল্লেখ করেছে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, সংঘর্ষের আগে নাবিকরা ‘সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুত হও’ বলে চিৎকার করছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১১টা ১৩ মিনিটে সংঘর্ষটি ঘটে।
অন্যদিকে, চীনের কোস্ট গার্ড দাবি করেছে যে, সাবিনা শোলের কাছে তারা আইন প্রয়োগের অভিযান চালানোর সময় ফিলিপাইনের নৌযানটি বারবার সতর্কতা উপেক্ষা করে হঠাৎ গতিপথ পরিবর্তন ও গতি বাড়িয়ে তাদের জাহাজের সামনে দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাদের বক্তব্য, চীনা নৌযানটি পেশাদারভাবে দায়িত্ব পালন করেছে এবং সংঘর্ষের জন্য ফিলিপাইনই দায়ী।
ফিলিপিনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লি লিপটন এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি চীনা কোস্ট গার্ডের ‘ইচ্ছাকৃত ধাক্কার’ বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এর জবাবে, ফিলিপিনে চীনা দূতাবাস মার্কিন দূতাবাসের অবস্থানের সমালোচনা করেছে এবং সাবিনা শোলের কাছে ফিলিপাইনের ‘লঙ্ঘন ও উসকানি’র প্রতি সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলসীমায় সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। জুলাই মাসে ফিলিপাইন অভিযোগ করেছিল যে, স্কারবরো শোলের কাছে তাদের সরকারি নৌযান লক্ষ্য করে চীনা কোস্ট গার্ড জলকামান ব্যবহার করেছে। একই মাসে, সেকেন্ড থমাস শোলের কাছে সংঘর্ষের সময় চীনা কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ফিলিপাইনের এক নৌসেনাকে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেছিল ম্যানিলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পল্লবী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর ঢাকার আদালতে জামিননামা দাখিল করেছেন। আজ রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে তিনি উপস্থিত থেকে এ জামিননামা জমা দেন।
অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২১ জুলাই গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত ১০ আগস্ট ৮ সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম।
মামলার আসামিরা হলেন গাজী নজরুল ইসলাম (৭৪), আমিনুর রহমান (৫৫), মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোতাসসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মামলার বাদী ওবায়দুর রহমান পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজ গার্ডেন টাওয়ার’-এ তার বোনের বাসায় বসবাস করতেন। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগ্নির অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র নজরুল ইসলাম ও তার ভাগ্নির কিছু ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সংগ্রহ করে নজরুলকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে।
নজরুল ইসলামের ধারণা হয়, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও ওই চক্রের হাতে তুলে দিয়েছে। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। ওই দিন সকাল ১১টার দিকে আসামি আমিনুর রহমান তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন তার মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম এগিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরবর্তী সময়ে আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিতে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটেছে আয়াতুল ইসলাম সাইহান (১২) নামের এক মাদরাসাছাত্রের।
এই ঘটনা রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ এলাকায় ঘটে।
মৃত সাইহান শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব জ্যৈষ্ঠপুরা গুচ্ছ গ্রামের মকগুল সওদাগরের প্রবাসী মমতাজ আলীর ছেলে। সাইহান ছিল দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে ছোট।
সাইহান ফতেয়ারখীল আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ বজলুর রহমান (রহ.) সুন্নি নূরানী ইবতেদায়ি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
প্যানেল চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে আয়াতুল ইসলাম সাইহানের মৃত্যু হয়েছে।"
বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কান্তা অধিকারী জানান, দুপুর ১টার পর পুকুরে ডুবে যাওয়া এক শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের বিআরটিএর জেলা কার্যালয়ে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল নড়ছে না বলেই অভিযোগ উঠেছে। লাইসেন্স সংক্রান্ত সেবাসহ যেকোনো কাজের জন্য সেবাগ্রহীতাদের মোটা অঙ্কের অর্থ দিতে হচ্ছে। যানবাহনের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে দালালচক্রের প্রভাব এবং গ্রাহক হয়রানি সহ নানা অনিয়মে ভুক্তভোগীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ওই কার্যালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা অবৈধভাবে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, বিআরটিএর কার্যালয়ে ঘুষ ছাড়া তাদের কিছুই করা সম্ভব নয়। কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে প্রতিটি ধাপে দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নের ক্ষেত্রে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
তাদের অভিযোগ, ঘুষ না দিলে কিংবা দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে গ্রাহকদের পদে পদে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড (মাঠ) টেস্ট পরীক্ষায় পাস করার পর নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য সরাসরি ছবি তোলা ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার সিরিয়াল পেতেও বাড়তি টাকা দিতে হয়।
জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য তিন হাজার ২৪ টাকা ও শিক্ষানবিশদের ক্ষেত্রে ৮৫০ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে লাইসেন্স পেতে গুনতে হয় অতিরিক্ত আরো কয়েক হাজার টাকা।
ভুক্তভোগী শামসুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। তাদের দাবি করা ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না করে তালবাহানা শুরু করে।
অন্য এক ভুক্তভোগী আব্দুল আউয়াল জানিয়েছেন, ওই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান ও মোটরযান পরিদর্শক ওসমানগনি ও সাখওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা।
২০২৫ সালের ৭ মে নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএ গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও লাইসেন্স প্রদান সংক্রান্ত নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ দুদক কার্যালয় সহকারী পরিচালক তুষার আহমেদের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক।
অভিযানকালে দুদক টিম ছদ্মবেশে সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে একজনকে দালাল সন্দেহে আটক করে বিআরটিএ, নারায়ণগঞ্জের অফিস প্রধানের কক্ষে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নিকট কোনো সন্দেহজনক কাগজপত্র না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদেরকে সতর্ক করে। পরবর্তীকালে বিআরটিএ অফিসে বিনা প্রয়োজনে ঘোরাঘুরি করতে নিষেধ করে মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধে তদারকি নিশ্চিতকরণ এবং সেবা প্রদানে সিটিজেন চার্টার যথাযথভাবে অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানকে দুদক টিম কর্তৃক পরামর্শ প্রদান করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএ সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, তাদের কার্যালয়ে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘অনলাইনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি আবেদন করার পর কাগজপত্র সঠিক থাকলে খুব সহজেই লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু যথা সময়ে পেয়ে যান ওই ব্যক্তি।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ওই কার্যালয়ে বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করলে সেটাও খতিয়ে দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ