০৪:০৯ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘গণতন্ত্রের মা’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নেতৃত্ব দিতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
আমির খসরু বলেন, রাজনীতিতে কঠিন সময় এসে থাকে। যারা সেই কঠিন সময় পার হতে পারেন, চাপ সহ্য করতে পারেন এবং নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যেও টিকে থাকতে পারেন, তারা হলেন বাংলাদেশের মানুষের সত্যিকারের হৃদয়ের নেতা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের সত্যিকারের হৃদয়ের নেতা।
তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া কেন ‘আপসহীন নেত্রী’ হয়ে উঠেছেন, তার কারণ তার আপসহীন অবস্থান। তার জীবনে বিভিন্ন সময়ে অনেক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সেই চাপের মুখে অনেকেই ভেঙে পড়েছেন এবং নতি স্বীকার করেছেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া কোনো চাপের মুখে নতি স্বীকার করেননি। ‘উনার নতি স্বীকার না করার কারণে আমরা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পেরেছিলাম। উনি যদি নতি স্বীকার করতেন, আমরা তো দাঁড়াতে পারতাম না।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শক্ত ও আপসহীন অবস্থান বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার আন্দোলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছে। দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের রাজনীতির পেছনে তিনি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে গেছেন।
আমির খসরু এমনকি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ধ্বংস ও জীবননাশের জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চলিয়ে গেলেও তিনি সবকিছু অতিক্রম করে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে টিকে ছিলেন। মৃত্যুর আগে ও পরে বাংলাদেশের মানুষ তাকে যে স্বীকৃতি দিয়েছে, সেই স্বীকৃতির মাধ্যমে তিনি বিদায় নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
তিনি বলেন, দল ক্ষমতায় আসছে বলে সবকিছু সহজ হয়ে গেছে-এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। অতীতের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিষয়টি মনে রাখতে এবং ধারণ করতে হবে।
আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা এনে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা সবাই মিলে বাস্তবায়ন করতে পারলে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও তার আত্মত্যাগ সার্থক হবে।
বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঞ্চালনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এবং দলের সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খান।
আরও পড়ুন: শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন