আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৭ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইংরেজি মাসের জোড় তারিখে লাল রঙের এবং বিজোড় তারিখে সবুজ রঙের অটোরিকশা চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলামের উদ্যোগে যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আলোচনায় মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইংরেজি মাসের জোড় তারিখে শুধু লাল রঙের অটোরিকশা এবং বিজোড় তারিখে সবুজ রঙের অটোরিকশা চলাচল করবে। নির্ধারিত নিয়ম অমান্য করে অটোরিকশা চালালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পৌর শহরের বিভিন্ন সড়কে অটোরিকশার চাপ কমানো, যান চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। নতুন এ নিয়ম বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহরের যানজট পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত নিয়ম মেনে অটোরিকশা চলাচল নিশ্চিত করতে চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আদেশ অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার রিপাবলিকান পার্টির প্রতি সমর্থন হারাচ্ছেন দেশটির তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশ। অর্থনৈতিক সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়, যুদ্ধ এবং নারীদের প্রতি প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অসন্তোষের কারণে অনেক তরুণ এখন ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন দেওয়ার কথা ভাবছেন। কিছু তরুণ ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিচ্ছেন।
দুই বছর আগে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া বেশ কয়েকজন তরুণ-তরুণী এখন নিজেদের সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত। তাদের মতে, নির্বাচনের আগে ট্রাম্প যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এসে তার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি।
নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনমত জরিপের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী পুরুষ ভোটারদের ৫৫ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। তরুণদের মধ্যে রিপাবলিকানদের এই সাফল্য ছিল আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। তবে সাম্প্রতিক চিত্রে সেই সমর্থনে ভাটা পড়েছে। বর্তমানে তরুণ পুরুষ ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা এক শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। এদিকে ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে সমর্থন করা তরুণীদের মধ্যে রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থন ৩১ শতাংশ থেকে কমে ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে।
অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ক্ষোভ
আইওয়ার ডেস মইনসের ২৬ বছর বয়সী বিক্রয় প্রতিনিধি মাইকেল জনসন ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু এখন তার অবস্থান পাল্টেছে। তিনি জানান, জ্বালানি ও আবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
লাইবেরিয়ায় জন্ম নেওয়া জনসন ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। নির্বাচনের আগে নারীদের খেলাধুলায় পুরুষদের অংশগ্রহণ নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান তাকে ট্রাম্পের দিকে আকৃষ্ট করেছিল। এমনকি পরিবারের ১৫ জন সদস্যকেও ট্রাম্পকে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছিলেন তিনি।
কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকরণ প্রতিষ্ঠানটিতে দিনের বেলায় কাজ করার পাশাপাশি রাতে হোল ফুডসে কাজ করছেন জনসন। তার সাতজন বন্ধুকেও বাড়তি আয়ের জন্য দ্বিতীয় চাকরি নিতে হয়েছে। একই সঙ্গে তার মায়ের আফ্রিকান পণ্যের দোকানের ভাড়া বাড়ছে এবং জ্বালানির মূল্যও চাপ তৈরি করছে। জনসনের ভাষায়, "আমি আর রিপাবলিকানদের ভোট দিতে পারব না।"
ক্যালিফোর্নিয়ার ওকভিলের ২১ বছর বয়সী মারকোস জিমেনেজও অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতির আশায় ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু তার অভিযোগ, দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের বদলে ট্রাম্প বিদেশের যুদ্ধ ও অন্যান্য বিষয়ে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেড়েছে।
আসন্ন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জিমেনেজ বলেন, "ডেমোক্র্যাটরা সাধারণ মানুষের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেয় বলে তার মনে হয়।"
অভিবাসীদের ধরপাকড়ে হতাশ ট্রাম্প-সমর্থক
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিও তার সমর্থন হারানোর অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিম কানসাসের গার্ডেন সিটির বাসিন্দা ৪৪ বছর বয়সী রেমি মার্টিনেজ ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। ডেমোক্র্যাটদের তথাকথিত অতিরিক্ত উদারপন্থী অবস্থানে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি রিপাবলিকানদের দিকে ঝুঁকেছিলেন।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক অভিবাসীবিরোধী অভিযানে এখন হতাশ তিনি। হিস্পানিক বংশোদ্ভূত মার্টিনেজ বলেন, "অপরাধীদের বহিষ্কারের বিরোধিতা আমি করি না। কিন্তু বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী পরিশ্রমী মানুষদেরও এসব অভিযানে আটক করা হচ্ছে।"
মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য পরিচিত এবং বিপুল হিস্পানিক জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল গার্ডেন সিটিতে বহু মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় শহরটির স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
মার্টিনেজ বলেন, "তারা সবার পেছনেই লেগেছিল। গাড়ি থামিয়ে সবাইকে আটক করছিল।" এখন কানসাসের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটনকে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। পাশাপাশি টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোকে সমর্থন দিতে নিজের বিশের কোঠায় থাকা মেয়েকেও উৎসাহিত করছেন। মার্টিনেজের মতে, সরকারের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
নারীদের অধিকার ও এপস্টেইন নথি নিয়েও অসন্তোষ
তরুণীদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। টেক্সাসের ২২ বছর বয়সী সুজানা ব্রিজেস ২০২৪ সালে প্রথমবার ভোট দিয়েছিলেন এবং ট্রাম্পকে বেছে নিয়েছিলেন। ক্যাথলিক রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা ব্রিজেস ট্রান্সজেন্ডার তরুণদের বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান পছন্দ করতেন না।
কিন্তু বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে হতাশ তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে ট্রাম্পের আচরণ, বিদেশি সহায়তা কমানো এবং হোয়াইট হাউস থেকে সংবাদমাধ্যমকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
বিশেষ করে জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি নিয়ে ট্রাম্পের আচরণ এবং নারীদের অধিকারের ক্ষেত্রে প্রশাসনের অবস্থান তাকে ক্ষুব্ধ করেছে। ব্রিজেসের অভিযোগ, প্রশাসন এমন এক অতিরিক্ত পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে, যেখানে নারীদের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হয় না। তিনি বলেন, "আমি একজন ক্যাথলিক রক্ষণশীল, খ্রিষ্টীয় জাতীয়তাবাদী নই। আমরা নারীদের সম্মান করি।"
তবে ডেমোক্র্যাটদের প্রতিও তার আস্থা নেই। ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিষয়ে জেমস টালারিকোর অবস্থান পরিবর্তন এবং ধর্ম ও রাজনীতির মিশ্রণ নিয়ে আপত্তি রয়েছে তার। তাই আসন্ন নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
তরুণদের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির আকর্ষণ
রিপাবলিকানদের প্রতি হতাশার পাশাপাশি তরুণদের একাংশ ডেমোক্র্যাটদের প্রচলিত রাজনীতির বাইরেও বিকল্প খুঁজছেন। তাদের কাছে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা এখন প্রধান অগ্রাধিকার।
নিউ হ্যাম্পশায়ারের ২৬ বছর বয়সী লিয়াম হাওয়ার্ড এর একটি উদাহরণ। রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা হাওয়ার্ড প্রথম দিকে নিজেকে স্বাধীনতাবাদী মনে করতেন এবং রিপাবলিকানদের ভোট দিতেন। কিন্তু কলেজে পড়ার সময় তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।
বর্তমানে যানবাহনের জন্য জরুরি সতর্কবাতি তৈরি করেন তিনি। সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কারখানায় কাজ করেও দক্ষিণ নিউ হ্যাম্পশায়ারে একটি ছোট স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্ট কেনা বা ভাড়া নেওয়ার সামর্থ্য তার নেই। এ কারণে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে তাকে। হাওয়ার্ডের মতে, "কয়েক দশক আগে তার এই চাকরি দিয়ে একটি বাড়ি কেনা সম্ভব হতো। অথচ এখন মৌলিক আবাসন ব্যয় মেটানোই কঠিন।"
এই অভিজ্ঞতা তাকে নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ এবং ভারমন্টের স্বতন্ত্র সমাজতন্ত্রী সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের মতো নেতাদের প্রতি আকৃষ্ট করেছে।
নিউইয়র্ক টাইমস-সিয়েনার জরিপ অনুযায়ী, তরুণ ভোটারদের প্রায় ৩০ শতাংশ গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী নেতাদের পছন্দ করেন। অন্য যেকোনো বয়সী গোষ্ঠীর তুলনায় এই প্রবণতা তরুণদের মধ্যে বেশি।
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট না দিলেও এবার সমাজতান্ত্রিক ধারার প্রার্থীদের সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে ভোট দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে হাওয়ার্ডের।
দুই দলেই আস্থা হারাচ্ছেন অনেকে
তবে তরুণ ভোটারদের সবাই যে রিপাবলিকানদের ছেড়ে ডেমোক্র্যাটদের দিকে যাচ্ছেন, তা নয়। এখনও তরুণ পুরুষদের প্রায় ৪৪ শতাংশ আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পছন্দ করেন।
অ্যারিজোনার ফিনিক্সের ২৮ বছর বয়সী তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ী কনার ফ্রেডরিকসন মনে করেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী ও স্বনির্ভর করার চেষ্টা করছেন। তার মতে, ট্রাম্পের সব সিদ্ধান্ত সঠিক না হলেও কোনো নেতাই সব ক্ষেত্রে নিখুঁত হতে পারেন না।
অন্যদিকে কানসাস সিটির ২৫ বছর বয়সী রিপাবলিকান সমর্থক রায়ান গেলিংস মনে করেন, রিপাবলিকান নেতারা ট্রাম্পের প্রতি অতিরিক্ত অনুগত হয়ে পড়েছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ দেখানো নেতাদের প্রতি তার আকর্ষণ বাড়ছে—তারা ডেমোক্র্যাট, সমাজতন্ত্রী কিংবা ভিন্নমতাবলম্বী রিপাবলিকান যে দলেরই হোন না কেন।
গেলিংসের মতে, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, বার্নি স্যান্ডার্স, আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ এবং রিপাবলিকান প্রতিনিধি থমাস ম্যাসির মতো নেতারা সাধারণ মানুষের ব্যয়সংকট নিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি আন্তরিক। তিনি বলেন, "মানুষের কল্যাণে অর্থ ব্যয় হলে তার আপত্তি নেই; বরং অপচয় হওয়ার চেয়ে সেই অর্থ সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোই ভালো।"
জরিপে দেখা গেছে, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটারদের এক-তৃতীয়াংশ মনে করেন, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের কোনোটিই সঠিক বিষয়গুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না। অন্য সব বয়সী গোষ্ঠীর তুলনায় তরুণদের মধ্যে এই ধারণা সবচেয়ে বেশি।
ভোটের মাঠে অনিশ্চিত তরুণরা
যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ ভোটারদের রাজনৈতিক অবস্থান এখনও পরিবর্তনশীল। বয়স্ক ভোটারদের মতো তারা কোনো একটি দলের প্রতি স্থায়ীভাবে অনুগত নন। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সামাজিক ইস্যু এবং প্রার্থীদের অবস্থানের ভিত্তিতে তাদের সিদ্ধান্ত বদলাচ্ছে।
তবে অসন্তোষ থাকলেও সেই ক্ষোভ যে ভোটের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে, তা নিশ্চিত নয়। ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৩০ বছরের কম বয়সী ভোটারদের মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন। বিপরীতে, ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে ভোট দেওয়ার হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।
তরুণদের একটি অংশ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন দিতে আগ্রহী হলেও অন্যরা এখনও সিদ্ধান্তহীন। কেউ কেউ দুই দলের প্রতিই বিরক্ত হয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার কথা ভাবছেন।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ ভোটারদের কাছে এখন দলীয় আনুগত্যের চেয়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী জীবনযাপন এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তন আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামে এক বাক্প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে করিম মন্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার করিম মন্ডল ঘোড়ামারা গ্রামের মৃত আহমদ আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী বাক্ প্রতিবন্ধী নারী একই গ্রামের আজিজ মোল্লার মেয়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে বাক্ প্রতিবন্ধী নারী বাড়ির পাশের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গেলে সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরপর থেকে বাক্ প্রতিবন্ধী নারী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছিলেন। ইশারা ভাষায় পরিবারের সদস্যদের পেটব্যথার কথা জানান তিনি। পরিবারের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ওষুধ খাওয়ানো হলেও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না।
একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবারের সদস্যরা তাকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।
পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যরা ইশারা ভাষায় ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বাক্ প্রতিবন্ধী নারী একই গ্রামের করিম মন্ডলকে ইঙ্গিত করেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবারই পরিবারের সদস্যরা বালিয়াকান্দি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত করিম মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে।
এবিষয়ে বালিয়াকান্দি থানার ওসি কাজী জিল্লুর রহমান মোস্তফা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী নারীর সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
আজ শুক্রবার, মেয়র জেএম সেন হল পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জেএম সেন হলের দুর্গাপূজা পরিদর্শন করবেন।
পরিদর্শনের সময়, মেয়র অনুষ্ঠানস্থলের পরিবেশ, বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা এবং আয়োজনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে প্রস্তুতির অগ্রগতির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, "এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এ উপলক্ষে চসিক সড়ক মেরামত, পুনঃপিচঢালাই, সড়কে মার্কিং, বৃক্ষরোপণ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা মহানগরীতে সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমের দুই হাতের কবজিতে চাপাতি দিয়ে গুরুতর আঘাত করে। ৯ অক্টোবর খুলনা জেলার সদর থানাধীন কলেজিয়েট স্কুলের সামনে রিকশায় পুলিশ ক্লাবে যাওয়ার সময় তিনি ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। গতকাল শুক্রবার কুমিল্লায় সালিশে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা যুবদল নেতা আবু কাউসারকে কুপিয়ে হত্যা করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে তার বাড়ির মাত্র ৫০ গজ দূরে চায়ের দোকানে ঢুকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
সারাদেশে একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। পুলিশ, সরকারি দলের নেতা-কর্মী, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ আজ টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হচ্ছেন। খুনের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড, প্রকাশ্যে অস্ত্রের ব্যবহার, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত এবং নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতার কারণে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের পরও পরিস্থিতির উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। বরং সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনে সহিংসতা এবং নিরাপত্তাহীনতার উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। হত্যাসহ বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-পুলিশ সদর দফতরের পদক্ষেপ নেই বললেই চলে। শীর্ষ কর্মকর্তারা যেন ঘুমের মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা, গোয়েন্দা তৎপরতা ও আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
চলতি বছরের অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৫ জনেরও বেশি মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। মানবাধিকার সংস্থা ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা, গণপিটুনির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক কোন্দল এবং পারিবারিক অস্থিরতার কারণে এ ধরনের নৃশংস খুনের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
যদিও বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির পঞ্চম বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বৈঠকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের তুলনামূলক পরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ করা হয়। পরিসংখ্যানে ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, দাঙ্গা, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, অপহরণ, চুরি, পুলিশের ওপর হামলা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে অপরাধ, মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধের তথ্য ছিল। বৈঠকে সারা দেশে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়। অপরাধ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সময়োপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহারের সুপারিশ করেন কমিটির সদস্যরা।
গত ১৩ অক্টোবর সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। নিহতের ভাই আব্দুল জলিল সানা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথিত ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগ’ তুলে গণপিটুনি বা মব জাস্টিসের মাধ্যমে শামীমকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। চলতি মাসে সবচেয়ে আলোচিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কুমিল্লায় জান্নাতুল তাজমীন (১৩) হত্যাকাণ্ড। ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাজমীনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে অটোরিকশাটির চালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে। ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের হাতাহাতির জের ধরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে আব্বাস ও তার চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে ডেকে নেয়া হয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আব্বাসকে আটকে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ৯ অক্টোবর রাতে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে শিরিন বেগমের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীর চার টুকরা করে রাখা হয়েছিল।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে সহিংসতার ব্যাপক চিত্র উঠে এসেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, তিন মাসে ১৮৩টি রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৭ জন নিহত এবং ১ হাজার ২২৭ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ৬৯টি ঘটনায় ৯ জন নিহত ও অন্তত ৫৪০ জন আহত হওয়ার তথ্য রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ৩১টি ঘটনায় একজন এবং বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সংঘর্ষের ১৬টি ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।
১৩ অক্টোবর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও মনোবল এখনও পুরোপুরি কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বিগত শাসনামলে পুলিশের ব্যবহার এবং তা নিয়ে জনঅসন্তোষ বাহিনীর ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও সংকট পুরোপুরি কাটেনি। কার্যকর পুলিশিংয়ে ফেরাতে আরও সময় প্রয়োজন। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চলছে। অনেক অপরাধী পালিয়ে বা আত্মগোপনে থাকলেও তাদের ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা প্রভাব প্রতিপত্তি বিবেচনায় না নিয়ে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রভাবশালী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা বাধার মুখে পড়ে। কোনও ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাবের কারণে অন্য ঘটনায় শিথিলতা দেখানো হলে আইনের শাসনের ওপর আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অপরাধী যেই হোক, তদন্ত, অভিযোগপত্র ও বিচার প্রক্রিয়ায় সমান মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। বৈষম্যমূলক আইন প্রয়োগ চলতে থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ