ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিয়াউর রহমানের আদর্শই গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী


জিয়াউর রহমানের আদর্শই গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়, এ কথা মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোর সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জাতির সংকটময় সময়ে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বিচার বিভাগের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে কাজ করেন।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আইনমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার ভূমিকা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন একদিনে গড়ে ওঠে না। এই আন্দোলনের পেছনে থাকে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন এবং অসংখ্য মানুষের আত্মদান।

তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এসব ত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভূমিকা রেখেছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে একই ধারার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত। কোনো আন্দোলন বা সংগ্রামের অবদানকে খাটো করার সুযোগ নেই। ইতিহাসকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তিনি এও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের রূপরেখা প্রণয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের স্বার্থে তার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলেন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলতুতমিশ সওদাগর এ্যানির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ ঢাকা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলার শ্রেষ্ঠ নকলার ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের পক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


জেলার শ্রেষ্ঠ নকলার ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের পক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা

প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এ, শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগড়িতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের তালিকা বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরসহ বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে, উপজেলা এনজিও কমিটির পক্ষ থেকে ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ)-এর নির্বাহী পরিচালক লূৎফর রহমান, নকলা অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্রাম হোসেন এবং আব্দুল করিম সরকার হেলথ সেন্টারের ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে, জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর আগে, উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অফিসার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ এবং নকলা পৌরসভায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলাদা ভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক/শিক্ষিকা, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জেলা বাছাই কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন এবং সদস্য সচিব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সায়েদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত তালিকা থেকে জানা গেছে, জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রেষ্ঠ ইন্সট্রাক্টর (পিটিআই), শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক ও কাব শিক্ষিকা এবং শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও শ্রেষ্ঠ কর্মচারী এই দশটি ক্যাটাগড়িতে জেলার শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীরা হলেন, নকলা উপজেলার ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং জালালাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শেরপুর সদর উপজেলার শেরপুর পিটিআই’র ইন্সট্রাক্টর মোহাম্মদ নোমান সাঈদ, প্রধান শিক্ষিকা মোছা. সাহানাজ পারভীন এবং জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী শেখ আহম্মেদ মুরাদ। নালিতাবাড়ীর সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সাঈদ ও কাব শিক্ষক মুহাম্মদ ছামেদুল ইসলাম। শ্রীবরদী উপজেলার প্রধান শিক্ষক মো. ফরাশ উদ্দিন ও কাব শিক্ষিকা সীমা রাণী ঘোষ এবং ঝিনাগাতীর সহকারী শিক্ষিকা শামীমা আক্তার।

উল্লেখ্য, মো. জাহাঙ্গীর আলম ২০১৮ সালে ৩৬তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের ২ তারিখে তাকে শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয় এবং ৭ তারিখে তিনি নকলায় যোগদান করেন। এক বছরের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডসহ জনসেবার মানোন্নয়ন মূল্যায়নের ভিত্তিতে নকলার ইউএনও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে নির্বাচিত হলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন ভাণ্ডারিয়ার মনিরুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন ভাণ্ডারিয়ার মনিরুল ইসলাম

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার পশারিবুনিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। নবগঠিত এ কমিটিতে ৩ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্থান পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ।

তাঁর এ মনোনয়নের খবরে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ও পিরোজপুর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসী তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক জীবনে অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্র ও যুবরাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস.এম. হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং স্কুল কমিটি (১৯৯৩-৯৪)-এর সভাপতির দায়িত্বও সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন।

বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা ইউনিটের বিশেষ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, নেতৃত্বগুণ এবং দলের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আমি দলের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে যুবসমাজকে যুগোপযোগী ও সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। দেশ, জনগণ ও দলের স্বার্থে যুবদলকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল এবং মাদকমুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্বে অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী যুবদলকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। একই সঙ্গে তাঁর এই সাফল্য ভাণ্ডারিয়া ও পিরোজপুরের তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বজ্রপাতে শিক্ষকসহ দুজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


বজ্রপাতে শিক্ষকসহ দুজনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন শিক্ষকও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মুক্তাগাছা উপজেলার বড়গ্রাম ইউনিয়নের রৌহারচর গ্রামে এবং একই দিনে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন পাঁচভাগ ইউনিয়নের মধ্য লামকাইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

মৃতদের মধ্যে একজন হলেন মুক্তাগাছা উপজেলার রৌয়ারচর গ্রামের মৃত ইছব আলীর ছেলে খালেকুল আজাদ (৬০), যিনি স্থানীয় গাবতলী ডিগ্রী কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। অপরজন গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন পাঁচভাগ ইউনিয়নের মধ্য লামকাইন গ্রামের মৃত রুকন উদ্দিনের ছেলে সিয়াম খান (২৮)।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, শিক্ষক খালেকুল আজাদ মুক্তাগাছা পৌর শহরের হৃদয়মোড়ে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তিনি গ্রামের বাড়ি রৌহারচরে ছিলেন। হাঁটাহাঁটি করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে সকালে গফরগাঁওয়ের লামকাইন গ্রামে সিয়াম বাড়ীর আঙিনায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। হঠাৎ বজ্রপাতে সিয়াম গুরুতর আহত হন। তখন পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামও একই ধরনের মন্তব্য করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

“সৃষ্টির সেবাই সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত”—এই মানবিক দর্শনকে সামনে রেখে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। এর প্রতিষ্ঠাতা কাজী জাহিদুল ইসলাম অভি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার খেতাছিরা গ্রামের সন্তান কাজী জাহিদুল ইসলাম অভি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন ২০২৬) বিকেল ৪টায় তাফালবাড়িয়া ৯৯ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সহস্রাধিক নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী জাহিদুল ইসলাম অভি বলেন, “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকাই আমার অঙ্গীকার। মানুষের জন্য আমার সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু বিলিয়ে দিতে আমি প্রস্তুত।”

তিনি আরও বলেন, সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় অতীতেও বিভিন্ন সময় লক্ষাধিক টাকার সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি শীতবস্ত্র বিতরণ, ইফতার সামগ্রী, ঈদ উপহারসহ নানা সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সভায় উপস্থিত বক্তারা কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%