ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিজয়ী আবদুল আল-সাইয়েদ ট্রাম্পের কটাক্ষের জবাব দিলেন


বিজয়ী আবদুল আল-সাইয়েদ ট্রাম্পের কটাক্ষের জবাব দিলেন

নির্বাচনি প্রচারণার সময় ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান দলের পক্ষ থেকে একের পর এক কটাক্ষ ও বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হন ডেমোক্র্যাট রাজনীতিক ডা. আবদুল আল-সাইয়েদ। তবে মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের পর, ট্রাম্প ও তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে তিনি একটি শক্তিশালী জবাব দিয়েছেন, যিনি দেশের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম-আমেরিকান সিনেটর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

বুধবার মিশিগানে নিজের বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর উল্লাসিত সমর্থকদের সামনে বক্তব্য প্রদানকালে, আল-সাইয়েদ ট্রাম্প এবং ভ্যান্সকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, এখন থেকে তাদের তাকে ‘সিনেটর’ বলেই সম্বোধন করতে হবে।

প্রচারণার সময়, ট্রাম্প আল-সাইয়েদের মুসলিম নাম নিয়ে প্রকাশ্যে উপহাস করেছিলেন এবং দাবি করেছিলেন—প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি এই চিকিৎসককে যা খুশি তা-ই ডাকার অধিকার রাখেন। ট্রাম্প তাকে ‘জিহাদি’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন, আর তার ভাইস প্রেসিডেন্ট রানিংমেট জেডি ভ্যান্স তাকে ‘সাইকোপ্যাথ’ বা অপ্রকৃতিস্থ বলে সম্বোধন করেছিলেন।

আরও পড়ুন: ডিজেল নেই, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনও নেই ভারতের হাইড্রোজেন ট্রেনের কার্যপ্রণালী

ভোটের ফল ঘোষণার পর, ট্রাম্পের সেই কটূক্তির প্রতি সরাসরি জবাব দিয়ে আল-সাইয়েদ বলেন, ‘জেডি, হাবিবি [স্নেহসূচক আরবি শব্দ], এটি নিয়তির চরম পরিহাস—সংবিধান অনুযায়ী আগামী জানুয়ারিতে আমাকে শপথ পাঠ করাতে আপনি বাধ্য।’

এরপর ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘ডোনাল্ড, আমি জানি আমার নাম উচ্চারণ করতে আপনার বেশ কষ্ট হয়। তাই জেডি যখন আমাকে শপথ পাঠ করাবেন, তখন থেকে আপনি আমাকে ‘সিনেটর’ বলে ডাকতে পারেন। আমরা যেন মিশিগানে আপনার মতো মানুষকে আর কখনো দেখতে না পাই।’

বিজয়ী ভাষণে আবেগাপ্লুত আল-সাইয়েদ অভিবাসী মা-বাবাদের সাহস জুগিয়ে বলেন, ‘যেসব বাবা-মা তাদের সন্তানদের বোঝাতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন—প্রেসিডেন্ট কেন কারও নাম বা কীভাবে সে প্রার্থনা করে তা নিয়ে জনসমক্ষে উপহাস করেন; আগামীকাল সন্তানদের জানিয়ে দিন যে সেই খারাপ লোকেরাই নির্বাচনে হেরে গেছে।’

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেন ডেমোক্র্যাট নেতা শুমার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাহুল গান্ধী মোদির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিতর্কের আহ্বান জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


রাহুল গান্ধী মোদির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিতর্কের আহ্বান জানালেন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রকাশ্যে বিতর্কের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বিতর্কের বিচারক কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নিজেই নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কংগ্রেস নেতা মোহন ভাগবতকে বিচারক হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওবার্তায় রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীকে আবারও প্রকাশ্যে বিতর্কে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

রাহুল গান্ধীর প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি টেবিলের দুই পাশে মুখোমুখি বসবেন প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এবং দেশের তরুণ প্রজন্ম উপস্থিত থাকবেন। বিতর্কের বিচারক কে হবেন, তা প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঠিক করতে পারবেন।

রাহুল বলেন, টেবিলের একপাশে প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং অন্যপাশে তিনি নিজে। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে যাকে বিচারক হিসেবে বেছে নিতে পারেন। এমনকি মোহন ভাগবতকেও এই দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

রাহুলের এই আহ্বানের পেছনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংঘাত রয়েছে। শাসক দলের পক্ষ থেকে বিরোধীদের দেশবিরোধী এবং বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। কংগ্রেস নেতা প্রকাশ্যে বিতর্কের মাধ্যমে সেই অভিযোগের জবাব দিতে চান।

রাহুলের দাবি, বিতর্কে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি, শিল্পপতি গৌতম আদানির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে বিতর্কের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

রাহুলের প্রস্তাবের পর বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। একদিকে রাহুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিতে চাইছেন, অন্যদিকে বিজেপি নেতারা সংসদীয় পরিসরকে বিতর্কের উপযুক্ত মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি রাহুলের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে প্রকাশ্যে বিতর্কে অংশ নেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় অবস্থান গড়ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় অবস্থান গড়ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলছে, বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারকে ছাপিয়ে। এই তথ্য জানিয়েছেন সামরিক বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের পলাতক দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার একটি কথিত অডিও-ভিডিও বার্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে। বিশেষ করে ‘নিউ ইয়র্ক বাংলা লাইফ’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ওই বার্তায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার অসত্য দাবি করা হয়েছে, এবং ‘প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসাব নেওয়ার’ মতো উসকানিমূলক হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর দায় এড়াতে এবং প্রবাসীদের আবেগকে পুঁজি করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা থেকেই এমন রাজনৈতিক কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রকৃত তথ্য-উপাত্ত বলছে, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা ও দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়াকে অভ্যন্তরীণ বা কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। মূলত ২০১৮ সাল-পরবর্তী সময় থেকে বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং জাতিসংঘের প্রধান অর্থায়নকারী দেশগুলোর—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী মিশন সংকুচিত হচ্ছে।

নজিরবিহীন এই আর্থিক সংকটের কারণে জাতিসংঘ তাদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শান্তিরক্ষা বাজেট ১০ শতাংশেরও বেশি কমিয়ে মাত্র ৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে এনেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষীর সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে এবং মালির পর গত ১ নভেম্বর পশ্চিম সাহারার মতো ৩৫ বছরের পুরনো মিশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের এই সামগ্রিক মিশন হ্রাসের অনুপাতে সব দেশের সৈন্য সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে এই তীব্র বৈশ্বিক ছাঁটাইয়ের মধ্যেও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তাদের সুনাম অক্ষুণ্ন রেখে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের তালিকায় ১ম থেকে ৪র্থ অবস্থানের মধ্যে নিজেদের জায়গা সুদৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে।

কেবল জাতিসংঘ মিশনই নয়, এর বাইরেও বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি সদস্য বিভিন্ন দেশের দ্বিপক্ষীয় বা হাইব্রিড মিশনে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনে (ওকেপি) বর্তমানে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৭৬৮ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি বৈদেশিক মোতায়েন।

একইভাবে হাইতিতে গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোর্সের (জিএসএফ) আওতায় গত অক্টোবর থেকে আগামী জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে মোট ১ হাজার ৪০০ জন সদস্য সংযোজনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যার মধ্যে ২৩০ জনের একটি অগ্রগামী দল ইতিমধ্যে হাইতিতে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, বর্তমান সরকারের আমলে মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্কের এক নজিরবিহীন সম্প্রসারণ ঘটেছে, যা দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরো শক্তিশালী করছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বরের অফিশিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী, কাতারে কর্মরত বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টের (বিএমসি) মোট জনবল বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৭৬৭ জনে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়া কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্ট অ্যান্ড বর্ডার সিকিউরিটিতে (কিউসিবিএস) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৩৭ জন সদস্যের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আরো ২৪ জন সদস্য যোগ দিচ্ছেন, যার ফলে সেখানে নৌ সদস্যের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৬১ জনে।

পাশাপাশি কাতার সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য আরো ৫০০টি নতুন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোদমে চলমান রয়েছে, যা আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। কাতারের পাশাপাশি সৌদি আরবেও নতুন মেরিটাইম অ্যালায়েন্সের আওতায় দুটি ফ্রিগেট এবং একটি এয়ার ডিফেন্স (এডি) ব্যাটারিসহ মোট ১ হাজার নতুন সদস্য মোতায়েন হতে যাচ্ছে।

সামগ্রিক তথ্য-উপাত্ত ও বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা সংকটের যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জাতিসংঘের মিশন সংকোচনের মধ্যেও জাতিসংঘ এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও পরিধি বৃদ্ধি মূলত বর্তমান সরকারের অত্যন্ত অল্প সময়ের কূটনৈতিক বিজয়েরই সুস্পষ্ট প্রমাণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডে স্বামীর সঙ্গে সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করলেন মিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


থাইল্যান্ডে স্বামীর সঙ্গে সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করলেন মিম

ঢালিউডের অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম ২০০৭ সালে ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিনোদন জগতে প্রবেশ করেন। তার সিনেমায় অভিষেক ঘটে কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ‘আমার আছে জল’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর তিনি ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’ সিনেমার মতো ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে, তিনি প্রায় ছয় বছরের প্রেমের সম্পর্ক শেষে ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি ব্যাংক কর্মকর্তা সনি পোদ্দারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত সেই বর্ণাঢ্য বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্য ও বিনোদন অঙ্গনের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন।

বিয়ের পর থেকে নিজেদের কাজের ব্যস্ততার মাঝে প্রায়শই দেশ-বিদেশে একসঙ্গে ভ্রমণে বের হতে দেখা যায় এই দম্পতিকে। সম্প্রতি, বিদ্যা সিনহা মিম সামাজিক মাধ্যমে স্বামী সনি পোদ্দারের সঙ্গে থাইল্যান্ডের ওল্ড ফুকেটে কাটানো সুন্দর মুহূর্তের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, ফুরফুরে মেজাজে থাকা এই দম্পতির রোমান্টিক ও ভ্রমণমুখী ছবিটি অনুরাগী ও ভক্তদের মাঝে নজর কেড়েছে। ছবির ক্যাপশনে মিম তার মনের অনুভূতি প্রকাশ করে লিখেছেন—"একটু ভ্রমণ জীবনকে আরও সুন্দর করে তোলে।"

থাইল্যান্ডের ফুকেটের ঐতিহ্যবাহী ওল্ড ফুকেট শহরের একটি মনোরম রাস্তার মোড়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছেন মিম ও সনি। এসময় মিমের পরনে ছিল ঘিয়ে রঙের কলার শার্ট, ডেনিম শর্টস, মাথায় হ্যাট, চোখে রোদচশমা এবং হাতে একটি স্টাইলিশ হ্যান্ডব্যাগ। অন্যদিকে, সনি পোদ্দারকে দেখা যায় গ্রে পলো শার্ট, শর্টস, রোদচশমা এবং শোল্ডার ব্যাগ পরা ক্যাজুয়াল লুকে। তাদের পেছনের দেওয়ালে ফুকেটের বিখ্যাত ‘সয় রমণী’ রাস্তার সাইন বোর্ড ও একটি জনপ্রিয় থাই ডেসার্ট শপের আকর্ষণীয় পোস্টার দৃশ্যমান, যা পুরো পরিবেশটিকে প্রাণবন্ত ও নান্দনিক করে তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে এনসিপির মশাল মিছিল, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


চট্টগ্রামে এনসিপির মশাল মিছিল, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

শ্রমিক হত্যা, অযৌক্তিক তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, দেশব্যাপী অরাজকতা, শ্রমিক শক্তির নেতাদের ওপর হামলা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের বিরুদ্ধে কথিত মিডিয়াট্রায়ালের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যার পর নগরের আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে মশাল মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌমুহনী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশের স্থানেও অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত হন।

এ সময় তাঁরা শ্রমিক হত্যা, নির্যাতন, শ্রমিক নেতাদের ওপর হামলা এবং তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, "তেল-গ্যাসের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে এসব পণ্যের দাম কমাতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।"

বক্তারা আরও বলেন, "জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের বিরুদ্ধে কথিত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করতে হবে।" তাঁরা শ্রমিক হত্যার বিচার এবং শ্রমিক শক্তির নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানান বক্তারা। মশাল মিছিলের নেতৃত্ব দেন এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক মো. মাসুদ, যুবশক্তির নেতা বখতেয়ার হোসেন। এ সময় এনসিপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%