বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪১ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে, যা আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে এই ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন খেলোয়াড় আহত হন, যারা দুই বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেন।
তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে গড়ায়। ইতিহাস বিভাগ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। ম্যাচ শেষে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড়দের উদযাপনকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় জীম ও চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের তানভীর আহত হন।
ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় সানাউল্লাহ রাফসান জানান, "ম্যাচের শুরু থেকেই চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড়রা আক্রমণাত্মক আচরণ করছিলেন এবং বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছিলেন। তবে আমরা সেটাকে ম্যাচেরই একটি অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "ম্যাচ জেতার পর আমরা যখন উদযাপন করছিলাম, তখন তারা সেটা নিতে পারেনি। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় হৃদয় আমাদের এক খেলোয়াড়কে বুট দিয়ে আক্রমণ করেন। এতে আমাদের এক খেলোয়াড়ের মাথা ফেটে যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় তানভীর জামান বলেন, "ইতিহাস বিভাগ ম্যাচ জিতেছে, আমরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কিন্তু ম্যাচ জেতার পরই ইতিহাস বিভাগের গ্যালারি থেকে আমাদের গোলকিপারের ওপর ইট নিক্ষেপ করা হয়।" তিনি জানান, "ওই ইটটি আমাদের গোলকিপার ইতিহাস বিভাগের অধিনায়ককে দেখাতে গেলে তারা দাবি করে, আমাদের খেলোয়াড় নাকি ইট নিয়ে তাদের মারতে গিয়েছেন। তখন তাদের সব খেলোয়াড় মিলে আমাদের গোলকিপারের ওপর আক্রমণ করে। পরবর্তীতে আমরা ছুটে গেলে সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরাও গ্যালারি ভেঙে আমাদের দর্শকদের ওপর তেড়ে আসে। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করা হোক।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াস উদ্দীন আহমেদ বলেন, "খেলা শেষে মারামারির কথা শুনে আমরা দ্রুত স্টেডিয়ামে চলে আসি। খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। স্টেডিয়াম এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা মারামারির ঘটনায় জড়িত ছিল, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুর কারণে মোট প্রাণহানি বেড়ে ১৭৬ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫ জনের মধ্যে ৪ জন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। অন্যজন রংপুর বিভাগের। অপরদিকে, এক দিনে সর্বাধিক ২৫২ জন ডেঙ্গু রোগী খুলনা বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এছাড়া, এই সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৭ জন, বরিশাল বিভাগে ২১১, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৭, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯২, ঢাকা বিভাগে ১৯০, রাজশাহী বিভাগে ১০২, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৪, রংপুর বিভাগে ৩৫ এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চলতি মাসের শুরু থেকেই ডেঙ্গুর প্রভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা গিয়েছিলেন, কিন্তু চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনে ৭৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
বছরের শুরু থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট মৃত্যুর অর্ধেকের বেশি ঢাকা বিভাগে ঘটেছে। দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগে ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া খুলনা বিভাগে ৩২ জন, ময়মনসিংহে ১৮, চট্টগ্রামে ১৬, বরিশালে ১৩, রাজশাহীতে ৮, রংপুরে ৪ এবং সিলেট বিভাগে ১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতকে পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্যে গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের বাস্তবায়নে নতুন নির্দেশনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণের বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে সুদ প্রদান করবে। অন্যদিকে, গ্রাহক পর্যায়ে এই স্কিমের আওতায় ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ বা ‘ক্লোজড ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সার্ভিস সেক্টর ফ্যাসিলিটেশন প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম’-এর আওতায় ২০ হাজার কোটি টাকার একটি স্কিম গঠন করা হয়েছে। এর আগে গত ৪ জুন ও ৭ জুলাই পৃথক সার্কুলার ও সার্কুলারের মাধ্যমে এই স্কিম-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রদান করা হয়েছিল। এবার স্কিমটির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি নির্দেশনা সংশোধন ও সংযোজন করা হয়েছে।
বড় শিল্প নয়, ‘শিল্প’ হিসেবে বিবেচনা
সংশোধিত নির্দেশনায় প্রথমেই পরিভাষায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বের নির্দেশনার বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত ‘বৃহৎ শিল্প’ শব্দদ্বয়ের পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘শিল্প’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট নির্দেশনায় ‘বৃহৎ শিল্প’ উল্লেখ থাকার জায়গায় এখন ‘শিল্প’ শব্দটি প্রযোজ্য হবে।
ব্যাংক পর্যায়ে সুদ ৪ শতাংশ
স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণ করবে, তার বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে এ সুদ পরিশোধ শুরু হবে না। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাক-অর্থায়ন গ্রহণের ছয় মাস পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ প্রদান শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে। ফলে স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলোর প্রাক-অর্থায়নের ক্ষেত্রে ছয় মাসের একটি সময় সুবিধা রয়েছে।
গ্রাহক পর্যায়ে সুদ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ
গ্রাহক পর্যায়ে এই স্কিমের আওতায় ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো এই স্কিমের আওতায় গ্রাহকদের যে ঋণ দেবে, তার সুদের হার ৭ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়ার লক্ষ্যে ঋণ বিতরণের ছয় মাস পর থেকে সুদ আদায় শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও আদায়ের আওতায় থাকবে।
গ্রেস পিরিয়ড শেষে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধের জন্য ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধের ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাক-অর্থায়ন নিয়ে তা সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করার পর নির্ধারিত ছয় মাসের সময়সুবিধা পাবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে।
তিন বছরের মধ্যে আবেদন করার সুযোগ
নতুন নির্দেশনায় স্কিমের মেয়াদ ও প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের আবেদনের সময়সীমা সম্পর্কেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্কিমের আওতায় তহবিলের প্রাপ্যতা থাকা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদ কালীন অর্থাৎ তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে। ফলে স্কিম চালুর পর নির্দিষ্ট একটি স্বল্প সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা থাকছে না। তহবিলের প্রাপ্যতা এবং স্কিমের তিন বছরের মেয়াদের মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীরা এ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সংশ্লিষ্ট সার্কুলার ও সার্কুলার লেটারের মাধ্যমে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এখন স্কিমটির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সংশোধিত নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করেছে। সার্কুলার লেটারে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন নির্দেশনার ফলে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের জন্য গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিমে ব্যাংক ও গ্রাহক—উভয় পর্যায়ের সুদহার, সুদ আদায়ের সময় এবং আবেদন করার সময়সীমা আরও স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ এবং ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড নির্ধারণের ফলে স্কিমটির আওতায় ঋণ বিতরণের কাঠামো নির্দিষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে ধর্মহীনতার বিরুদ্ধে এবং ধর্ম ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএনপি বামের ডানে এবং ডানের বামে মধ্যম পন্থার একটি রাজনৈতিক দল। এটি লাল সবুজের পতাকা ও সবুজ পাসপোর্টের ধারক এবং মূল্যায়ন করতে সবসময় বদ্ধপরিকর।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি কর্তৃক আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। ধর্ম আমার বিশ্বাসের জায়গা, ধর্ম আমার শ্রদ্ধার জায়গা, ধর্ম আমার ইহকাল-পরকালের জায়গা। কিন্তু সেই ধর্ম রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত আমরা ঘটাতে চাই না।”
আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা (আইনজীবীরা) এখানে অনেক মুসলিম সমাজের আইনজীবী আছেন, হিন্দু সমাজের আইনজীবী আছেন, কেউ কেউ খ্রিস্টান সমাজের আইনজীবী আছেন। কিন্তু যখন আপনি আদালতের সামনে দাঁড়ান, তখন আপনার পরিচয় কিন্তু মুসলিম কিংবা খ্রিস্টান কিংবা হিন্দু নয়। তখন আপনি কালো কোর্ট পরা একজন আইনজীবী।”
তিনি আরো বলেন, “একটি সাম্প্রদায়িকতাহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষেত্রমতো যেখানে যেরকম আচরণ করা প্রয়োজন আমরা সে ধরনের আচরণ করব।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, “সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের ভিত্তিতে যে ধরনের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আমরা সেটি নিয়ে এগিয়ে যাব। যে বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ভূমি হিসেবে গড়ে যেতে পারব।”
অনুষ্ঠানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহবুবুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বীর উত্তম, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎকালে কাদের সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তারা একে অপরের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ