ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০২:৩৪ পি.এম
শিশু-কিশোরদেও ক্রীড়া প্রতীভা বিকাশে নতুনকুড়িঁ -২০২৬ কর্মসূচির রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভাসহ আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক রেজিষ্ট্রেশন বুথ স্খাপনের নিদের্শনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রশাসনের এ সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব রেজিষ্ট্রেশন বুথ স্থাপন করে যথারীতি কার্যক্রম শুরু করেছে। এসব রেজিষ্ট্রেশনে বুথে সংগ্রহিত আবেদন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরে জমা দেওয়া হবে।
জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া বিহারী লাল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভাণ্ডারিয়া বন্দর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসা, ভাণ্ডারিয়া মজিদা বেগম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বড় কানুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় , শিয়ালকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ শিয়ালকাঠি আলিম মাদ্রাসায় এ রেজিষ্ট্রশন বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, দাবা, সাঁতার, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
মোট ১০টি ইভেন্টে বালক ও বালিকাদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তবে একজন প্রতিযোগি দুইটি ইভেন্টে এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। আগামী ৩১ শে আগস্ট পর্যন্ত স্খাপনকৃত বুথে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।
এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান বলেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এর মাধ্যমে কিশোর কিশোরীদের খেলাধূলা আগ্রহী করার পাশাপাশি তাদের ক্রীড়ায় সুপ্ত বিকাশ ঘটবে। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করে এ কর্মসূচিকে সফল করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের প্রতিটি উপজেলায় নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে চোখের চিকিৎসার জন্য আলাদা আউটডোর, ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটার সুবিধা চালু করা হবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন। তিনি জানান, দেশে প্রায় ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ চলছে।
প্রায় ৫০০টি উপজেলায় চোখের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে তৃণমূলের মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে না হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তৃণমূলের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত আরো জানান, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে ‘প্রাইমারি আই কেয়ার’ বা প্রাথমিক চক্ষু সেবা একটি আবশ্যক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো সমন্বয় করে খুব দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও রিফ্রাকশন সেবা জোরদার করা হবে।
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এনআইওএইচ-এর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে।
একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের চক্ষু সেবার সাফল্য তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত জানান, বিগত ছয় মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চক্ষু সেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের তৎপরতায় বাংলাদেশ একটি গ্লোবাল সামিট আয়োজনের বড় প্রতিশ্রুতিও অর্জন করেছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে একটি যুগান্তকারী ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম এম কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় গত জুনের মাসে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৪৩৮ তে পৌঁছে গেছে। সর্বশেষ সরকারি হিসাবে এ তথ্য সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে।
দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানার প্রায় দুই মাস পরও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের সন্ধানের কাজ অব্যাহত রেখেছেন স্বজন এবং উদ্ধারকর্মীরা।
সংসদের স্পিকার হোর্হে রদ্রিগেজ সম্প্রতি মৃতের সংখ্যা ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মৃতদের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৩০১ জন। ২৪ জুন তারিখে ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
এ ভূমিকম্পের কারণে অন্তত ১৯০টি ভবন ধসে পড়ে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে অন্তত ৬০ হাজার বাড়ি কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ হাজার বাড়ি এমন পরিস্থিতিতে পড়েছে যা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে। বর্তমানে হাজার হাজার মানুষ অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।
এসব শিবিরে জীবনযাপনের পরিস্থিতি খুবই কঠিন।
এদিকে, সপ্তাহান্তে ক্যারাকাসে ভারী বৃষ্টির ফলে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকটি তাবু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নতুন বাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বছরের শেষ নাগাদ ৪ হাজার বাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও, এখন পর্যন্ত ৩৩৫টি বাড়ি প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বড়পর্দায় আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে বলিউডের বিখ্যাত দুই তারকা সালমান খান ও সঞ্জয় দত্তকে। তবে এবার তাদের দেখা যাবে কোনো ভারতীয় সিনেমায় নয়, বরং সৌদি আরবের অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘সেভেন ডগস’-এ অভিনয় করছেন তারা।
বলিউডলাইফ ডটকমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে সিনেমাটির প্রচারের জন্য কিছু ঝলক প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে সালমান ও সঞ্জয়ের চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, কিন্তু তাদের উপস্থিতি দেখে এটি স্পষ্ট হচ্ছে যে, সিনেমার গল্পে দুজনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
‘সেভেন ডগস’ পরিচালনা করেছেন আদিল এল আরবি ও বিলাল ফল্লাহ। সিনেমাটিতে প্রথমবার সৌদি আরবের কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চি। আরও অভিনয় করেছেন মিসরের অভিনেতা আহমেদ এজ ও করিম আবদেল আজিজ। অ্যাকশনধর্মী ‘বাডি-কপ’ ঘরানার সিনেমাটিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক তারকাদের নিয়ে একটি অপরাধী চক্রকে ঘিরে গল্প তৈরি হয়েছে।
সালমান খান ও সঞ্জয় দত্ত এর আগে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ‘সাজন’ (১৯৯১), ‘চল মেরে ভাই’ (২০০০) এবং ‘ইয়ে হ্যায় জলওয়া’ (২০০২) সিনেমায়। সর্বশেষ, গত বছর এপি ঢিল্লোঁর গান ‘ওল্ড মানি’র ভিডিওতেও একসঙ্গে দেখা যায় তাদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক সময় রাজশাহীর রেশম ছিল আভিজাত্য, সৌন্দর্য ও বাঙালির ঐতিহ্যের অন্যতম পরিচয়। তবে সময়ের সঙ্গে নানা সংকটে সেই শিল্পের জৌলুস অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমানে গবেষণা, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন উদ্যোগের ফলে রাজশাহীর রেশম আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে।
বিশেষ করে চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি রেশম রপ্তানির সম্ভাবনা এ শিল্পের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে রাজশাহীতে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে রেশম চাষ গবেষণা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। সম্মেলনের পূর্বে তিনি বাংলাদেশ রেশম কারখানা এবং রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন।
সম্মেলনে চীনের বাজারে রেশম রপ্তানির ব্যাপক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি এর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার মাঠপর্যায়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য রেশম চাষের পদ্ধতি উন্নয়ন, তুঁত চাষের প্রসার ও রেশম সুতার গুণগত মান বাড়ানোর ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাজশাহীর রেশম শুধু একটি শিল্প নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য ও গর্বের একটি অংশ। সরকার আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ শিল্পকারখানা পুনঃচালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা ছাড়াও বাজারের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য কৌশল নেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীর রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য মার্কেটিং পলিসির উন্নয়নের কাজও চলছে। চীনের বাজার বাংলাদেশের রেশম শিল্পের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
বিশ্বের অন্যতম বড় রেশম উৎপাদক ও ভোক্তা দেশ চীনের বাজারে বাংলাদেশের রেশমের আলাদা অবস্থান গড়ে তুলতে পারলে তার সুফল সরাসরি রাজশাহীর রেশম চাষি, তাঁতি ও উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছাবে। মানসম্মত রেশম সুতা ও কাপড় উৎপাদনের পাশাপাশি আধুনিক নকশা, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ও বিপণন কৌশল গ্রহণ করা গেলে ‘রাজশাহী সিল্ক’ আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। সম্মেলনে রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘রাজশাহী সিল্ক বোর্ড’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে এ শিল্পের বিকাশে নানান উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে রেশম শিল্পকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার লক্ষ্য গ্রহণ করেছে। রাজশাহীর রেশম শিল্পের উৎপাদনের চিত্রও আশার খবর দিচ্ছে।
২০১৮ সালে পুনরায় চালুর পর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কারখানায় উৎপাদিত মোট ৫৯ হাজার ৪৬৮ মিটার রেশম কাপড় তৈরি হয়েছে। কারখানার নিজস্ব শোরুমে ঐতিহ্যবাহী গরদ শাড়ি, প্রিন্টেড শাড়ি, পাঞ্জাবির কাপড় ও বলাকা সিল্কসহ বিভিন্ন উন্নতমানের রেশম পণ্য সরাসরি বিক্রি করা হচ্ছে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের এমপি আবু সাঈদ চাঁদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ঝেজিয়াং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ও ভাইস ডিন অধ্যাপক জু কিউজি এবং চীন-বাংলাদেশ রেশম গবেষণা কেন্দ্রের প্রকল্প উদ্যোক্তা ও প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক নুসরাত জাহান নিপা। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন। সম্মেলনটির আয়োজন করে চীন-বাংলাদেশ রেশম গবেষণা কেন্দ্র এবং সহযোগিতা করে বাংলাদেশ রেশম চাষ উন্নয়ন বোর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ