ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
মহাপরিচালকের ক্ষোভ প্রকাশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ সিএনজিচালক


জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ সিএনজিচালক

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে এক সিএনজিচালক আহত হয়েছেন।

বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ঘটে এই ককটেল বিস্ফোরণ। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান যুগান্তরকে জানান, দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যার মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরিত ককটেলটি সিএনজির উপর পড়ে, ফলে চালক আহত হন।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। আশপাশের ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ডিসি জানান, দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

রাত পৌনে ১১টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এক সিএনজিচালক আহত হন, তবে তার নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে ককটেল বিস্ফোরণের পেছনে কে বা কারা রয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

এ ঘটনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। যারা এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন, তারা মূলত জাদুঘরের কার্যক্রমকে ভয় পাচ্ছেন। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জাদুঘরের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ সহজেই বুঝতে পারছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরে কোনো গোষ্ঠী নাশকতা চালাতে পারে বা হামলা করতে পারে। গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি এ ধরনের কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আরও ঘৃণিত হবে। তবে আমরা বলতে চাই যে, জাদুঘরের বাইরে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব।’

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের সঙ্গে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের সঙ্গে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ

মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা পত্রিকার একটি প্রতিনিধি দল।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ২০২৬ সন্ধ্যায় মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পত্রিকাটির প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারকে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে চলমান কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় জেলার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে, যা অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়তা করবে। এরপর তিনি দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ২য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান”

সৌজন্য সাক্ষাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. কামরান হোসেন, দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার নির্বাহী সম্পাদক বর্ষন মোহাম্মদের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ প্রতিনিধি সালেহীন তুহিন, সিরাজদিখান প্রতিনিধি সিজান খান, হরগঙ্গা কলেজ প্রতিনিধি আবরার অনিক, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাইফ প্রমুখ।

আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে সকলে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন লাইনের যন্ত্রাংশসহ যুবক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল. মাদারীপুর প্রতিনিধি:

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৫ এম


মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন লাইনের যন্ত্রাংশসহ যুবক আটক

মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশসহ রুবেল হাওলাদার (২৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন।

আটক রুবেল হাওলাদার মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি এলাকার পুরাতন বাজারের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মিজান হাওলাদার।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে চুরির সন্দেহে রুবেলকে আটক করেন আনসার সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে হাসপাতালের অক্সিজেন লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।

পরে হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে উদ্ধার করা মালামালসহ তাকে থানার টহল দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।



তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সদর হাসপাতালে নানা সংকটে ব্যাহত ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি. শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


শেরপুর সদর হাসপাতালে নানা সংকটে ব্যাহত ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা,

শেরপুর সদর হাসপাতালে নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা। দেশের সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের ৫ উপজেলার প্রায় ১৬ লাখসহ কুড়িগ্রামের রৌমারীও রাজিবপুর, জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ এবং ময়মনসিংহের ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলা আরো প্রায় চার লক্ষাধিক সহ প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষ কেবলমাত্র কাগজে-কলমে ২৬৫ শয্যার এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।


উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে জেলা সদরের ১০০ শয্যা সদর হাসপাতালটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। কিন্তু উদ্বোধন ৭ বছর অতিবাহিত হলেও হাসপাতালটির শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, দালালদের দৌরাত্ম্য, যন্ত্রাদী বিকল, কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সেবা না দেয়ার মানসিকতাসহ নানাকারণে যথাযথ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই জেলাসহ আরো প্রায় তিনটি জেলার মানুষ।সরকারি আদেশ দেখুন

ফলে হাসপাতালে এসে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। সরকারি হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে অনেকেই ছুটছেন বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে।

শেরপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, হাসপাতালে ৮৬ জন চিকিৎসকের পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আছেন দুইজন। বাকি চিকিৎসকের পদই শূন্য। চিকিৎসকদের ৫৮ পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট ১০টির নয়টি শূন্য, জুনিয়র কনসালটেন্ট ১৩টির মধ্যে ৮টি, আর এস পদে একটির মধ্যে ১টি এবং অ্যানেসথেটিস্ট তিনটি পদের মধ্যে একটি শূন্য।

এছাড়া একটি রেডিওলজিস্ট পদের মধ্যে একটিই শূন্য, চারটি মেডিকেল অফিসার পদের মধ্যে একটি, রেজিস্ট্রার ৯টি পদের মধ্যে পাচটি পদই শূন্য রয়েছে।এদিকে ৮৭ জন নার্সের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৭৮ জন। বাকি পদগুলো দীর্ঘদিন ধরে শূন্য অবস্থায় আছে।

১৯৮৪ সালে সীমান্তবর্তী অঞ্চল শেরপুরকে জেলায় উন্নীত করা হয়। তখনও জেলা সদর হাসপাতালটি ছিল ৫০ শয্যার। দীর্ঘদিন পর তা ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও রাজস্ব খাতে ছিল ৫০ শয্যাই। পরে জেলার প্রায় ১৬ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে ১০০ শয্যার হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়

এরপর শহরের নারায়ণপুর এলাকায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন সরকারদলীয় হুইপ আতিউর রহমান আতিক এবং হাসপাতালের পাশে এক একর ১০ শতাংশ জমির উপর ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আট তলা ভবনের প্রকল্প হাতে নেয় গণপূর্ত বিভাগ। পরে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫০ শয্যায় উন্নীত করেন।

জনবলসহ নানা সুযোগ সুবিধা যুক্ত না করেই তড়িঘড়ি উদ্বোধনের পর থেকেই নানান জটিলতায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি চলছে ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে। আর এতেই ২৫০ শয্যার হাসপাতালটির আধুনিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ জেলার বাসিন্দারা। অথচ এই হাসপাতালে প্রতিদিন সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা নেয় এবং ভর্তি থাকে। হলে বেড তো দূরের কথা হাসপাতালের কক্ষ ও বারান্দাতেও ঠাই হয় না রোগীদের।

জানা গেছে যে, রোগীদের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। এছাড়া দুপুর ২টার পরে শুধু জরুরি বিভাগে মাত্র একজন চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোনো চিকিৎসকের দেখা মেলে কঠিন। রোগীর চাপে ওয়ার্ডে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিতে পারছেন না নার্সরা। যারাও দায়িত্ব পালন করছেন তাদের ব্যবহারও রোগীদের সাথে খুবই খারাপ ও অসন্তোষজনক এ অভিযোগ রোগি ও তাদের স্বজনদের।

অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য স্বল্প মূল্যে সরকারিভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালে তেমন কোনো পরীক্ষা করানো যায় না। তাই বাধ্য হয়েই দুই থেকে তিনগুণ বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয় রোগীদের। এতে বিড়ম্বনায় পড়েন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উন্নত চিকিৎসার আশায় আসা নালিতাবাড়ী উপজেলার বৃদ্ধ আব্দুল হক জানান, গত (১৩ অক্টোবর) বিকেলের দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আজ দুপুরে ওয়ার্ডে ডাক্তার আসছে। যদি ২৪ ঘণ্টা ডাক্তার পেতাম তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।

সদর উপজেলার কামারের চর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন জানান, আমাদের শেষ ভরসা শেরপুর সদর হাসপাতাল। ডাক্তার ঠিকমতো আসে না। এতে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। এছাড়া সবগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা যদি হাসপাতালেই করাতে পারতাম তাহলে আমাদের জন্য অনেক উপকার হতো। ডাক্তার ওয়ার্ডে এসে শুধু টেস্ট লিখে দিচ্ছেন। এখন প্রাইভেট ক্লিনিকে টেস্ট করতে হবে।

হাসপাতালে ভর্তি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রোগী জানান, হাসপাতালে চুরির ভয় দিন দিন বাড়তেছে। গেল দিনও আমার পাশের রোগীর মোবাইল চুরি হয়ে গেছে। সেই সাথে দালালরা হাসপাতালেও এসে পড়ে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সাজ্জাদ হোসেনকে ১৪ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তার চেম্বারে না পেয়ে বারবার ফোন করেও (০১৭০১২৪৮২২০) পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেরাচাপ্টি নদীর ব্রিজের দুই পাড়ের সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে জগদল ইউনিয়নের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১০ এম


হেরাচাপ্টি নদীর ব্রিজের দুই পাড়ের সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে জগদল ইউনিয়নের মানুষ

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭ নম্বর জগদল ইউনিয়নে হেরাচাপ্টি নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজের উত্তর ও দক্ষিণ পাড়ের সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে জগদল মহাবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের সড়কসহ ব্রিজের দুই পাড়ের চলাচলের পথ ভেঙে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় রোগী, কৃষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সড়কের ভাঙাচোরা অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছেন পথচারীরা।

বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় ভোগান্তি পোহাতে হয়। কৃষকদের উৎপাদিত ধান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে নানা প্রতিবন্ধকতা। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে যাতায়াতেও দুর্ভোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হেরাচাপ্টি নদীর ওপর ব্রিজ নির্মিত হলেও দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক চলাচলের উপযোগী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%