মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫১ পি.এম
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ মঙ্গলবার বিমান মন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রমুখ।
বিমান মন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর তারিখকে সম্ভাব্য বিবেচনায় নিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিংয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি সরেজমিন তদারকি করেন এবং উপস্থিত জাপানি কনসোর্টিয়াম এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগণকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, প্রথম দিনে চলাচল করবে ২০টি উড়োজাহাজ। তবে পুরোপুরি চালু হতে আরও সময়ের প্রয়োজন হবে। পরবর্তী ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যে পুরোপুরি চালু হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। বিগত সরকারের আমলে এই টার্মিনালের ভবন উদ্বোধন করা হলেও এটি চালুর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়নি। টার্মিনালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি এবং কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাও ছিল না।
ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে সেবার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন টার্মিনালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগ করা হবে। তাছাড়া নির্দিষ্ট সংখ্যক কি পারফরমেন্স ইনডিকেটর (কেপিআই)-এর মাধ্যমে সেবার মান মনিটরিং করা হবে। বর্তমানে প্রথম ব্যাগেজ ১৮ মিনিটে যাত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এই সময়কে আরো কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলমান। তাছাড়া টার্মিনালের এয়ারক্রাফট ল্যান্ডিংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হবে।
টার্মিনালের রেভিনিউ শেয়ারিং প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পূর্বে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী রাজস্বের ১৫ শতাংশ বাংলাদেশ এবং বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানির পাওয়ার কথা ছিল। তবে বর্তমান সরকার আলোচনার মাধ্যমে সেই অনুপাত পরিবর্তন করে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ ২৭ শতাংশে উন্নীত করেছে। আর গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
পরিদর্শনকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদসহ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেয়া হয়। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এই ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে এবং বাকি অর্থ ঋণ হিসেবে যোগান দিয়েছে জাপানি সংস্থা জাইকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সবুজবাগ ও লালবাগ থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে, বর্তমান দুই থানার ওসিকে অন্য বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক কার্যালয় আদেশে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
আদেশের আলোকে, গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে সবুজবাগ থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জামিল হোসেনকে লালবাগ থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
একই আদেশে, সবুজবাগ থানার বর্তমান ওসি মো. সাইফুল ইসলামকে ডিএমপির ক্রাইম বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, লালবাগ থানার ওসি মো. ইয়াছিন আলীকে ডিএমপির প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড ওয়ার্কশপ বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
উত্তরখান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ছামিউল হককে তেজগাঁও থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শিক্ষকদের ডিজিটাল ডিভাইস প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ উদ্যোগটি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান নিশ্চিত করতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ ধারণাটি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।’
আজ জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটির এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন ও অর্থায়ন হয়নি। ফলে ট্যাব বিতরণ শুরুর কোনো নির্দিষ্ট তারিখও সরকার নির্ধারণ করেনি।
তিনি বলেন, মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের শিক্ষায় প্রস্তাবিত এ উদ্যোগটি মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ‘শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা কর্মসূচি’, প্রস্তাবিত ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও স্মার্ট লার্নিং পরিবেশ’ প্রকল্প এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ‘নেক্সটজেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মসূচিসহ’ প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের ট্যাব দেওয়ার বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। প্রস্তাবিত পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রাথমিক পর্যায়ে ট্যাব ক্রয় ও বিতরণ শুরু হতে পারে।
ডিজিটাল ডিভাইসের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘লাইস’ প্রকল্পের আওতায় ৫৯ হাজার ১৭০ জন শিক্ষককে ব্লেন্ডেড লার্নিং প্রশিক্ষণ এবং ২৯ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ২১ হাজার ১১২ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত নেক্সটজেন কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসককে দেশে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ১৩১ জনকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আগে কয়েকটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকের সংখ্যা ও তাদের প্রয়োজন নিরূপণ, ডিভাইসের কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুত, ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যবহারকারী প্রশিক্ষণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা ও ডিভাইসের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা কর্মসূচির অনুমোদন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে পাইলট ভিত্তিতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, এসব পূর্বশর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার মন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি সাক্ষাৎকালে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারত ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, সহযোগিতা ও জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও ইতিবাচক ও ফলপ্রসূভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণ যাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সুফল পায়, সেই লক্ষ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এসময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে।
বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে সবসময় ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারত অত্যন্ত আগ্রহী এবং আন্তরিক। তিনি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ এবং উভয় দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
হাইকমিশনার সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক যোগাযোগ এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধনের বিষয়টি তুলে ধরেন। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন ভাদেসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় ঢাকাগামী ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ আন্ত নগর ট্রেনের মালবাহী বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৫ সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটি গঠন করে।
কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) আসিফ আহমেদ এবং আরও দুজন কর্মকর্তা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্ত নগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় পৌঁছানোর সময় ট্রেনের পেছনের মালবাহী বগিটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে ওই রুটে ঢাকা, উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও রাজশাহীর ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার করা হয়। এর ফলে সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তদন্ত কমিটি লাইনচ্যুতির কারণ, দায়-দায়িত্ব এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য করণীয় বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে।
সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন জানিয়েছেন, বগিটি কেন লাইনচ্যুত হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দিলে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ