শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ পি.এম
আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা এবং নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত বহুজাতি সামুদ্রিক জোট 'কম্বাইন্ড মেরিটাইম ফোর্সেস' (সিএমএফ)-এর চতুর্থ পরিকল্পনা বৈঠক সম্প্রতি সউদী আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে বিশ্বের ৪১টি দেশের ১৫৪ জন নৌবাহিনী প্রধান, সামরিক পরিকল্পনাকারী, রাষ্ট্রদূত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সউদী আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এই জোটটি তার প্রাথমিক 'প্রতিষ্ঠা পর্যায়' সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং এখন 'পূর্ণ সক্ষমতা ও কার্যকারিতা' অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, জোটটি বর্তমানে সক্ষমতার সমন্বয় ও কৌশলগত প্রস্তুতির পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। নির্দিষ্ট সামুদ্রিক এলাকায় সরাসরি অভিযান পরিচালনা এবং ভৌগোলিক উপস্থিতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বহরটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
সউদী বার্তা সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়, বিশ্বজুড়ে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ এবং স্ট্রেইট (জলপ্রণালী) রক্ষা করা কোন একক দেশের দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক স্বার্থের বিষয়। এজন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা, বৈচিত্র্যময় সামরিক সক্ষমতা এবং সুসংগঠিত যৌথ পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক আইন মেনে এই জোট সামুদ্রিক নিরাপত্তা সুসংহত করতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সউদী আরবের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের বিমান হামলায় ইতালির একটি ইউরোফাইটার (F-2000) যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, যা শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সউদী আরবের তায়েফ সামরিক ঘাঁটির একটি দূরবর্তী স্থানে পার্ক করা অবস্থায় ইউরোফাইটারটি হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়। তবে, ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গুইদো ক্রোসেতো জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মন্ত্রী আরও জানান, ইতালীয় বাহিনীর অন্যান্য যান বা সামরিক অবকাঠামোর ওপর কোনো ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
এছাড়া, একই অভিযানে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী তায়েফের অপর একটি সামরিক ঘাঁটি এবং একটি তেল স্থাপনাতেও হামলা চালায়। মধ্যপ্রাচ্যে ইতালি বেশ কয়েকটি সামরিক মিশনে অংশ নিয়ে তাদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে সউদী আরবের বিমানবাহিনী নিয়মিতভাবে হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে। সম্প্রতি, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো অঞ্চলের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে হুতিরা, যা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেটের ইতিহাসে হ্যাটট্রিক হওয়া বোলারদের জন্য একটি বিরল কৃতিত্ব হিসেবে বিবেচিত। যেখানে টানা তিন বলে তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরানো একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ, সেখানে টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই আন্তর্জাতিক ফরম্যাটে এই কীর্তি গড়া আরও বিশেষ একটি অর্জন। ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইজন বোলার এই কীর্তি গড়তে সক্ষম হয়েছেন। তারা হলেন পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম ও মোহাম্মদ সামি।
ওয়াসিম আকরাম
পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম ছিলেন দুই ফরম্যাটে হ্যাটট্রিক করার প্রথম বোলার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার হ্যাটট্রিকের সংখ্যা চারটি, যার মধ্যে টেস্টে দুটি এবং ওয়ানডেতে দুটি রয়েছে।
১৯৯৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লাহোরে তার প্রথম টেস্ট হ্যাটট্রিকটি আসে। পরবর্তী ম্যাচে ঢাকায় একই সিরিজের অংশ হিসেবে তিনি আবারও টানা তিন বলে তিন উইকেট নেন। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি টেস্ট হ্যাটট্রিক করে আকরাম একটি অনন্য নজির স্থাপন করেন।
ওয়ানডেতেও আকরামের হ্যাটট্রিকের সংখ্যা দুটি। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট চারটি হ্যাটট্রিক করার জন্য এই বাঁহাতি পেসার তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। তার চারটি হ্যাটট্রিকের মধ্যে দুটিই টেস্টে এবং দুটিই ওয়ানডেতে।
মোহাম্মদ সামি
ওয়াসিম আকরামের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব অর্জন করেন আরেক পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ সামি।
২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শারজায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করেন সামি। এরপর একই বছরের মার্চে লাহোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট হ্যাটট্রিকও করেন তিনি। সেই টেস্টে বুদ্ধিকা ফার্নান্দো, নুয়ান জয়সা ও মুত্তিয়া মুরালিধরনকে টানা তিন বলে ফিরিয়ে এই কীর্তি গড়েন সামি।
টেস্ট হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে তিনি ওয়াসিম আকরামের সঙ্গে যোগ দেন—দুই ফরম্যাটে হ্যাটট্রিক করা মাত্র দ্বিতীয় বোলার হিসেবে।
এই দুই পাকিস্তানি বোলারই আন্তর্জাতিক টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় ফরম্যাটে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। তবে সংখ্যার দিক থেকে আকরাম অনেক এগিয়ে রয়েছেন। তার চারটি আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিকের বিপরীতে সামির রয়েছে দুটি।
ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে এমন বিরল কীর্তির তালিকায় মাত্র দুইজনের নাম থাকা প্রমাণ করে, টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটে হ্যাটট্রিক করা কতটা কঠিন ও বিশেষ একটি অর্জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশনে ফেক আইডি দিয়ে অপপ্রচার ও ব্লাকমেইলের চেষ্টা সাইবার মামলায় সাবেক সেনা সদস্য গ্রেফতার।
ভুক্তভোগী শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের মোঃ মিজানুর রহমান রোমান বলেন।চরফ্যাশন পৌরসভা শরীফ পাড়া ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত ইউছুফ আলী মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান আমার ছবি ব্যবহার করে একটি আপত্তিকর ভিডিও তৈরি আমাকে দেখা করার জন্য বলেন।পরে আমি চরফ্যাশনে গিয়ে তার সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে ব্লাকমেইল করে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে রাজি না হলে তিনি আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে তার পরের দিন একাধিক ফেক আইডি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেন।আমি নিরুপায় হয়ে বরিশাল সাইবার আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত আমার মামলাটি আমলে নেন। যার মামলা নাম্বার সাইবার ক্রাম জি আর 126 /26
পরে মামলাটি ভোলা ডিবি পুলিশের সাইবার ইউনিটকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ডিবির সাইবার ইউনিট দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে আঃ মন্নান সনাক্ত করেন,পরে শশীভূষণ থানা পুলিশের সহযোগিতায় চরফ্যাশন পৌরসভা শরীফ পাড়া ৫ নং ওয়ার্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
এবিষয়ে ভোলা ডিবি পুলিশের সাইবার ইউনিটের এসআই আসিফ ইকবাল জানান আদালতের নির্দেশে আমরা দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ঘটনায় জড়িত কয়েকজন ফেক আইডি ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করে আঃ মন্নান নামের একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে, বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় পূর্ববিরোধের জের ধরে শেখ জায়েদুল মিয়া (২৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মন্দরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জায়েদুল মিয়া ওই গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের দাবি, মন্দরি গ্রামে মজিদ খান ও শেখ শামসু মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার সকালে হাওরে কৃষিকাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন জায়েদুল মিয়া। পথে মজিদ খানের বাড়ির কাছে পৌঁছালে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জায়েদুল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, মন্দরি গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শামসু মিয়ার গোষ্ঠী ও মজিদ খানের গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ