১০:৪০ পি.এম
ফটিকছড়িতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পুলিশ ফটিকছড়ি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. নুরুল আজম (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলায় অভিযোগ রয়েছে শত শত সশস্ত্র ব্যক্তি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে জানা যায়, গত বছরের ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী কর্মসূচিতে নুরুল আজম নেতৃত্ব, পরিকল্পনা, উসকানি ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত।
পুলিশের ভাষ্য অনুসারে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দাবিতে চলমান আন্দোলন দমনে হামলা চালানোর জন্য সশস্ত্র ব্যক্তিদের ব্যবহার করা হয়েছে। হামলার সময় আন্দোলনকারীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়, যার ফলে বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়।
আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে দোকানিকে অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ: দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি বিদ্যুতের
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখিত হয়েছে যে, ঘটনার পর নুরুল আজম আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ফটিকছড়ির বিবিরহাট বাজার এলাকা থেকে গত ২ আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে, সাক্ষীদের প্রভাবিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
এছাড়াও, অভিযুক্ত নুরুল আজমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে নাছির উদ্দিন ও কামাল উদ্দিনের দায়ের করা ৪ টি মামলা, তার আপন বড় ভাই নুরুল আলম নুরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি মামলা, শহীদুল্লাহ চৌধুরীর চেক প্রতারণার মামলা, বিবিরহাট বাজারে দোকান দখল সংক্রান্ত মামলা এবং নুসরাত জাহানের দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলা উল্লেখযোগ্য।
তবে নুরুল আজম বা তার আইনজীবীর পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারসংক্রান্ত মামলার অভিযোগ বিষয়ে কোনো মন্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন