বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:১৬ পি.এম
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক অভিযানে তিনটি বেকারি সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি মোট ৯৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড পেয়েছে।
২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমা পরিচালিত অভিযানে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ফকিরা বাজারের আর রহমান বেকারী, ঈদগাঁও ইউনিয়নের জাগির পাড়ার আনন্দ বেকারী এবং জালালাবাদ ইউনিয়নের সওদাগর পাড়ার নিউ ঢাকা বেকারীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, ঈদগাঁও বাজারে ফুটপাত দখলের দায়ে দুইজনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রধান সড়ক দখল করে ট্রাক পার্কিং ও মালামাল আনলোড করার দায়ে কামাল উদ্দিনের মুদির দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা হয়।
অভিযানে ঈদগাঁও থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যদের একটি দল সহযোগিতা করে। উপজেলা প্রশাসন জানায়, যানজট নিরসন, পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বায়ু ও শব্দদূষণ অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এজন্য নগরবাসী বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
ফিটনেসবিহীন যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া এবং উন্মুক্ত স্থানের ধূলার কারণে বায়ুদূষণ বছরের পর বছর ধরে নগরবাসীর মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ বাড়ছে।
একদিকে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের হাইড্রোলিক হর্ন, আবাসিক এলাকার আশপাশে অবস্থিত ওয়েল্ডিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে সৃষ্ট শব্দদূষণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
অন্যদিকে নগরীর বিভিন্ন অভিজাত আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ জেনারেটরের শব্দও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। এসব কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ শিশুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শব্দদূষণের মাত্রা প্রায় ২০০ ডেসিবেলে পৌঁছেছে, যেখানে সহনীয় মাত্রা ৬০ ডেসিবেল।
পরিবেশবিদরা বলেছেন, হাজার হাজার ফিটনেসবিহীন যানবাহন থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণের মাত্রা সর্বোচ্চ সহনীয় হার ৬৫ শতাংশ হার্টিজ স্মোক ইউনিটের বিপরীতে ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে।
চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সূত্রমতে, ধুলাবালির দূষণও ৫০০ মাইক্রোগ্রামের বেশি হয়েছে। অথচ সাসপেন্ডেড পার্টিকুলেটস ম্যাটারের ক্ষেত্রে সহনীয় মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ২০০ মাইক্রোগ্রাম হিসেবে বিবেচিত হয়।
অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, নগরীর চকবাজার, বহদ্দারহাট মোড়, জিইসি মোড়, নিউমার্কেট, আগ্রাবাদ ও আন্দরকিল্লাসহ কয়েকটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দূষণের মাত্রা অত্যন্ত বেশি।
ফিটনেসবিহীন যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া এবং উন্মুক্ত স্থানের ধূলা একত্রিত হয়ে নগরীর বায়ুর মান ভয়াবহভাবে অবনতি ঘটাচ্ছে।
নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা শিক্ষার্থী নোহা আক্তার বলেন, ‘পাশের কক্ষ থেকে আমার মা জোরে ডাকলেও আমি শুনতে পাই না। কারণ পাশের আবাসিক ফ্ল্যাট ও ওয়েল্ডিং কারখানার জেনারেটর থেকে প্রচণ্ড শব্দ হয়।’
চকবাজার এলাকার শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমি সাধারণত রাতে পড়াশোনা করি। কিন্তু অতিরিক্ত শব্দের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘুমানোও যাচ্ছে না। ভারী যানবাহনের শব্দ শুনে আমার সন্তানরা প্রায়ই ভয় পেয়ে ঘুম থেকে উঠে কান্না করে।
বাসসের সঙ্গে আলাপকালে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. আবদুস সাত্তার বলেন, দীর্ঘসময় ধরে শব্দদূষণের মধ্যে থাকলে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়েই পুরোপুরি শ্রবণশক্তি হারাতে পারেন।
তিনি জানান, কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ শিশুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ ধরনের পরিবেশগত অবনতি অব্যাহত থাকলে নগরবাসীর মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের রোগ বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ওয়েল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং ও লেদ মেশিন, লোহার কারখানা এবং জেনারেটর আবাসিক এলাকা থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার দূরে স্থাপন করতে হবে।
বিদ্যুৎ জেনারেটরও ভূগর্ভে স্থাপনের কথা বলা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, কারখানা ও ওয়েল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মালিক এবং আবাসিক ভবনের ডেভেলপাররা এ পরিস্থিতি নিয়ে করা অভিযোগের প্রতি কোনো গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরী ও আশপাশের এলাকায় ৩২টিরও বেশি হালকা ও ভারী যানবাহন ফিটনেস সনদ ছাড়াই চলাচল করছে। এসব যানবাহন থেকে কালো ধোঁয়া নির্গত হচ্ছে।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, তারা প্রতি ছয় মাস পরপর এসব ফিটনেসবিহীন যানবাহনের তথ্য নগরী ও জেলার ট্রাফিক বিভাগে পাঠায়, যাতে যানবাহনগুলো পরীক্ষা করে কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআরটিএর এক কর্মকর্তা বাসসকে বলেন, সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিকদের নিয়মিত নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। তাদের যানবাহন সংস্কার, ফিটনেস সনদ নবায়ন এবং সড়ক কর পরিশোধের জন্যও তাগাদা দেওয়া হচ্ছে।
বিআরটিএ কর্মকর্তারা দাবি করেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ এবং মহানগর ও জেলা পুলিশের সহায়তায় তারা ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন। তবে অজ্ঞাত কারণে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক/জনসংযোগ) আমিনুর রশীদ বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন শুধু বায়ু ও শব্দদূষণই সৃষ্টি করে না, এগুলো যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনার জন্যও দায়ী।
তিনি যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক জমির উদ্দিন বাসসকে বলেন, তারা বায়ু ও শব্দদূষণ কমাতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। ২০০৮ সাল থেকে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে বিপুলসংখ্যক ফিটনেসবিহীন যানবাহনকে জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। শব্দদূষণ নিয়ে কেউ অভিযোগ করলে কর্তৃপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকেই নতুন করে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সূচনা করার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকের ডিলার, ব্যবসায়ী, অর্থের জোগানদাতা, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা এবং সেবনকারী—সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। গত ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে মাদকবিরোধী র্যালি ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সমাবেশ লক্ষ্মীপুর টাউন হল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী আরও জানান, “এটাই মাদক নির্মূলের সময়। মানুষকে মাদকমুক্ত সমাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত জনপদ উপহার দিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য মাদকের বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি জানালেন, গত ১৬ আগস্ট থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের আওতাধীন ১১টি জেলায় সর্বাত্মক মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযান শুরুর পর কুমিল্লায় তিন লাখ পিস ইয়াবার একটি বড় চালান আটক করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ডিআইজি আরও বলেন, “আগে বড় চালান আটক হলে অনেক সময় শুধু ক্যারিয়ারদের আইনের আওতায় আনা হতো। এবার তা হবে না। মাদক চক্রের মূলহোতা থেকে শুরু করে অর্থের জোগানদাতা ও বিক্রেতা—যারা যে পর্যায়েই জড়িত থাকুক, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি জানান, মাদক নির্মূল করা সম্ভব হলে অন্যান্য অপরাধও স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের প্রতিটি মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর পরে লক্ষ্মীপুর টাউন হল অডিটোরিয়ামে হল থেকে শুরু হয়ে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের প্রধান সড়কে মাদকবিরোধী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ গিয়ে শেষ হয়।
জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবুদ্দিন সাবু, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে সামাজিক আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখার অধীন ৬৬টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এই পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলা রাজস্ব প্রশাসনের অফিস সহায়ক পদে ৬৪ জন এবং নিরাপত্তা প্রহরী পদে ২ জনসহ মোট ৬৬টি পদে জনবল নিয়োগের জন্য ২১ আগস্ট লিখিত পরীক্ষার দিন ধার্য ছিল। তবে অনিবার্য কারণবশত ওই তারিখের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ এবং সময় পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হবে, বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : যশোরে জনপ্রিয় চেইন রেস্টুরেন্ট ‘কাচ্চি ভাই’-এর একটি আউটলেটকে ফায়ার লাইসেন্স না থাকার কারণে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করা টাকার আদায়ও করা হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যশোর কার্যালয়ের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর-১ লুৎফর রহমান খান জানান, প্রতিষ্ঠানটি চালুর পর থেকে তাদের তিন দফা নোটিশ দিয়ে ফায়ার লাইসেন্স সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ নোটিশগুলোকে উপেক্ষা করেছেন। এ কারণে বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়।
তিনি আরও বলেন, যশোরের অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠানকে ফায়ার লাইসেন্সের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকে এখন পর্যন্ত সাড়া দেয়নি।
এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে বলে তিনি সতর্ক করে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ