বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫৪ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বালুবাহী ট্রাক এবং যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার ফলে আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের রক্তিপাড়ায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
এটি ঘটেছে রাত ১০টার দিকে, যখন ঢাকা থেকে মাদারগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাস যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, ঠিক তখন বিপরীত দিক থেকে আসা বালুভর্তি একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
ফলে ঘটনাস্থলে ৩ জনের মৃত্যু ঘটে। একই সঙ্গে অন্তত আরও ৫ জন আহত হন। পরে স্থানীয় জনগণ এবং পুলিশ এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অবিলম্বে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তারা পরিচয় শনাক্ত করার পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে ভ্রমণের জন্য সতর্কতা হালনাগাদ করেছে। সামগ্রিক ভ্রমণ সতর্কতা ‘লেভেল ৩’ (ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা করুন) থেকে ‘লেভেল ২’ (অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন)-এ পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর ফলে, বলা যায় ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশ বর্তমানে আগের চেয়ে নিরাপদ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গরের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের পরপরই সার্জিও গোর একটি টেক্সট বার্তার মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়ে অবহিত করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভ্রমণ সতর্কতার এই উন্নতি বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও স্থিতিশীলতার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন।
গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের ইতিবাচক গতিপথকেও তুলে ধরে।
মন্ত্রণালয় আরো জানায়, সরকার এই উন্নতিকে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনগণের মধ্যে সংযোগের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে দেখে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ১৮ মাসের দুর্নীতির ফাইল যদি তরুণ উপদেষ্টাদের খোলা হয়, তাহলে তারা কোথায় যাবেন, এমন প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক মন্ত্রী বেগমগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য বরকত উল্যাহ বুলু। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বেগম জিয়া যেভাবে দেশের পরিচালনা করেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেভাবে কাজ করবেন এবং তিনি ১ সেকেন্ডের জন্যও দেশের স্বার্থ বিরোধী কোনো কাজ করবেন না। এটি বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী পৌরসভার খাল খনন, উন্নয়ন এবং খালপাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এসব আলোকপাত করেন।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ বছর সঠিকভাবে ক্ষমতা পরিচালনার জন্য সকলের সহযোগিতা চান এবং তিনি আশা করে চলেছেন যে, এই দেশ ২৫ বছর এগিয়ে যাবে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কায়েসুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কামাক্ষা চন্দ দাস, পৌর বিএনপির আহবায়ক জহির উদ্দিন হারুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজুল হক আবেদ, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মহসিন আলম, বিএনপি নেতা আহছান উল্লা, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ম আহবায়ক ইসমাইল হোসেন দুলাল এবং আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোনো নতুন করের চাপ বৃদ্ধি না করে ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর পৌরসভার জন্য ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ২০৫ কোটি ৫৪ লাখ ২৫ হাজার ২৯৪ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে, চাঁদপুর পৌরসভার মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে, আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন। বাজেটের প্রধান দিকসমূহের মধ্যে মোট বাজেট: ২০৫ কোটি ৫৪ লাখ ২৫ হাজার ২৯৪ টাকা। রাজস্ব আয়: ৬৮ কোটি ১৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। প্রারম্ভিক স্থিতি: ৩ কোটি ১৯ লাখ ১৫ হাজার ২৯৪ টাকা। উন্নয়ন খাত (রাজস্ব উদ্বৃত্ত ব্যতীত): ১৩৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। রাজস্ব ব্যয়: ৫৫ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সমাপনী স্থিতি: ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪৫ হাজার ২৯৪ টাকা। উন্নয়ন ব্যয় (রাজস্ব উদ্বৃত্তসহ): ১৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ না করে বিদ্যমান রাজস্ব কাঠামো জোরদার করা, নিজস্ব আয়ের উৎস বৃদ্ধি এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার চেষ্টা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি এবং একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগরায়ণ গড়ে তুলতে ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা নুর আজম শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম সলিম উল্যা সেলিম, পুলিশ সুপারের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবির, চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিও) মো. কবির হোসেন সরদার। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তব্য দেন- চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুভাষচন্দ্র রায়, জেলা জামায়াতের আমির মো. বিল্লাল হুসেন মিয়াজী, সেক্রেটারি অ্যাড. মো. শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ মাস্টার, চাঁদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন মাঝি, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ডা. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সাংবাদিক ফারুক আহমেদ এবং নারী উদ্যোক্তা তানিয়া বাহার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রপ্তানি বৃদ্ধি, পরিবেশগত মানদণ্ড প্রতিপালন জোরদার এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২ হাজার কোটি টাকার একটি প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে। এই স্কিমের আওতায় দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে গঠিত এ স্কিমের সাহায্যে চামড়া শিল্পকে টেকসই, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে পরিণত করতে সহায়তা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই স্কিমের আওতায় অর্থায়ন করা হবে কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর জন্য, যেমন- ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি), স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), ডাম্পিং ইয়ার্ড এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায়।
এছাড়া লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ অর্জনের ব্যয়, বিদ্যমান ট্যানারি আধুনিকীকরণ এবং চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিক, সহায়ক উপকরণ এবং অন্যান্য সহায়ক পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এ তহবিল থেকে সহযোগিতা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
স্কিমের আওতায় ঋণগ্রহীতারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়নে (রিফাইন্যান্স) সুবিধা প্রদান করবে।
রিভলভিং ভিত্তিতে তিন বছরের মেয়াদে পরিচালিত হবে এই তহবিল। নতুন কারখানা নির্মাণের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। বিদ্যমান কারখানা আধুনিকীকরণে সর্বোচ্চ চার বছরের ঋণ দেওয়া হবে, যেখানে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। কার্যকর মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণের মেয়াদ হবে এক বছর, যা সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।
বাংলাদেশের সব তফসিলি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই স্কিমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
স্কিমের আওতায় নতুন চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা, নতুন চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন অবকাঠামোর জন্য ২০ কোটি টাকা, বিদ্যমান স্থাপনা আধুনিকীকরণের জন্য ১০ কোটি টাকা এবং সহায়ক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যকর মূলধনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে।
টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক স্কিমের আওতায় বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে। চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থায়ন পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ অর্জন করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে নিশ্চিত করতে হবে।
শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত ঋণগ্রহীতারা এই স্কিমের আওতায় অর্থায়নের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
এছাড়া, একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) এবং গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও এই স্কিমের সুবিধা নিতে পারবেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ