ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হিমবাহ থেকে বছরে যে পরিমাণ পানি গলছে, তাতে ১২০০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বিশাল শহর


হিমবাহ থেকে বছরে যে পরিমাণ পানি গলছে, তাতে ১২০০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বিশাল শহর

এশিয়ার উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহগুলো থেকে প্রতিবছর যে পরিমাণ বরফ গলে পানি হয়ে বের হচ্ছে, তা বোঝাতে এক মার্কিন বিজ্ঞানী একটি অবাক করার মতো হিসাব উপস্থাপন করেছেন। তাঁর মতে, এসব হিমবাহ থেকে গলে যাওয়া পানির পরিমাণ নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপকে প্রায় ১২০০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কলোরাডো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড্যান ম্যাকগ্রাথ সিএনএনকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, এশিয়ার পাহাড়ি অঞ্চলে প্রায় ৯৫ হাজার হিমবাহ বিদ্যমান। এই সব হিমবাহের যে এলাকা জুড়ে রয়েছে, তার আয়তন দক্ষিণ কোরিয়ার সমান।

ম্যাকগ্রাথ বলেন, এসব হিমবাহ দ্রুত তাদের বরফের ভর হারাচ্ছে। প্রতিবছর গলে যাওয়া পানির পরিমাণ বোঝাতে তিনি বলেন, যেন প্রতিবছর ম্যানহাটনের ওপর ১২০০ ফুটের বেশি উচ্চতার পানির স্তর জমছে।

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য বিষয়টি আরও সহজ করে বললে, ১২০০ ফুট উচ্চতা একটি সাধারণ বহুতল ভবনের কয়েকশ তলার সমান। অর্থাৎ বিজ্ঞানীর এই তুলনা শুধুমাত্র বিপুল পরিমাণ পানির ধারণা দেওয়ার জন্য নয়, বরং হিমবাহ গলার মাত্রা কতটা বড় হয়ে উঠেছে, সেটিও বোঝায়।

নেপাল-চীন সীমান্তে গত বুধবারের ভয়াবহ দুর্যোগের পর হিমবাহ গলার এই চিত্র আবারও সামনে এসেছে। ওই দিন লাংটাং লিরুং পর্বতের কাছাকাছি একটি হিমবাহের বড় অংশ ভেঙে পড়ে। এরপর তীব্র ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও পরে সিএনএনের পক্ষ থেকে অবস্থান শনাক্ত করে যাচাই করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে হিমবাহের একটি বিশাল অংশ ভেঙে নিচে নেমে আসছে।

স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, পাহাড়ের অনেক ওপরে থাকা হিমবাহের একটি বিশাল অংশ নদীর দিকে ধসে পড়ে। সিএনএনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বরফের ওই অংশ প্রায় ৭ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫৩ সেনা নিহত

ধসে পড়া হিমবাহের অংশটির প্রস্থ ছিল প্রায় ২ হাজার ফুট। এর পাশের প্রায় একই আকারের একটি পাথুরে অংশও ধসে পড়ে। এতে পাহাড়ের গায়ে প্রায় ৩ হাজার ফুট প্রশস্ত একটি ক্ষত তৈরি হয়েছে বলে স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণে জানা গেছে।

ঘটনাটির শক্তি এতটাই বেশি ছিল যে শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এটিকে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে নথিবদ্ধ করেছিল। পরে বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওই ভূকম্পনের সংকেত আসলে ভূমিধস থেকেই তৈরি হয়েছিল।

হিমবাহ ধসের পর বরফ, পানি ও পাথরের বিশাল স্রোত নদীর দিকে ছুটে আসে। প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী জেফরি কারগেলের হিসাব অনুযায়ী, এই ঢল প্রথম ২২ কিলোমিটার পথ ঘণ্টায় গড়ে ১৯৩ কিলোমিটার গতিতে অতিক্রম করে।

অর্থাৎ মাত্র ৬ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে প্রায় ১৪ মাইল পথ পাড়ি দেয় ওই ধ্বংসের স্রোত। বরফ ও পাথর গুঁড়িয়ে পানির সঙ্গে মিশে যাওয়ায় ঢলটির ধ্বংসক্ষমতাও ছিল অত্যন্ত বেশি।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি, ঠিক কী কারণে হিমবাহের ওই অংশ ভেঙে পড়েছিল। তবে এশিয়ার হিমবাহগুলো দ্রুত সংকুচিত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে।

উচ্চ পার্বত্য এ অঞ্চলে হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে শুধু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা নয়, পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। নেপালের সাম্প্রতিক দুর্যোগ সেই ঝুঁকির ভয়াবহ একটি উদাহরণ সামনে এনেছে।

ম্যাকগ্রাথের দেওয়া হিসাবের মূল বার্তা হলো, হিমবাহ হারানোর পরিমাণ এখন আর শুধু পাহাড়ি এলাকার সমস্যা নয়। এসব বরফের মজুদ এশিয়ার বহু নদীর পানির অন্যতম উৎস। ফলে হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়া অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এর প্রভাব বিস্তৃত অঞ্চলের পানি, পরিবেশ ও মানুষের জীবনে পড়তে পারে।

সূত্র:

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে : ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ রোপণের পাশাপাশি এর পরিচর্যায়ও গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


গাছ রোপণের পাশাপাশি এর পরিচর্যায়ও গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত যথাযথ যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

তিনি আরও বলেছেন, বৃক্ষরোপণ করার চেয়ে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করা আরও কঠিন। বিশেষ করে তালগাছ, কেননা প্রকৃতিগতভাবেই এই গাছের রক্ষণাবেক্ষণে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন।

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে ক্রমবর্ধমান বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় তালগাছ রোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, তালগাছ রোপণ করার এ কর্মসূচিটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। তবে শুধু তালগাছ নয়, অন্যান্য প্রজাতির গাছও ব্যাপকভাবে রোপণ করতে হবে। আর গাছ লাগানোর পর সেগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে তালগাছ রোপণ করার পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রোপণের জন্য তা বিতরণ করা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। আমরা সবাই মিলে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করবো। এতে পরিবেশ বাঁচবে,সেইসঙ্গে বাঁচবে মানুষ ও পশু-পাখি।’

রাজনীতি করার কারণে দীর্ঘ সময় রাজশাহী কারাগারে ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, যখন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন কারাগার প্রাঙ্গণে বহু গাছ লাগিয়ে ছিলাম। সেই গাছগুলো এখন অনেক বড় হয়েছে, এর ছায়ার নিচে হাজতি ও কয়েদিরা বিশ্রাম করেন। এসব গাছে এখন শত শত পাখি আশ্রয় নিচ্ছে।

প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে প্রকৃতিকে বাঁচাতে তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।

এরপর মন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে একটি তালগাছের চারা রোপণ করেন।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার ফয়সাল আলম এবং সিটি কর্পোরেশনের সচিব সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে তালগাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে জাতীয় কবি নজরুলের ৫০তম প্রয়াণ দিবসে আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


সুনামগঞ্জে জাতীয় কবি নজরুলের ৫০তম প্রয়াণ দিবসে আলোচনা সভা

সুনামগঞ্জ, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে হাছন রাজা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক সৌরভ অধিকারী অয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, সুনামগঞ্জ পৌর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, কবি ও প্রাবন্ধিক সুখেন্দু সেন, সংগীতশিল্পী ছানা গোপাল সরকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আলোচনা পর্বে বক্তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও সাম্যবাদী চেতনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। 

তারা বলেন, নজরুলের সাহিত্যকর্ম বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মানবতা ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অনন্য দৃষ্টান্ত। নতুন প্রজন্মের মাঝে কবি নজরুলের জীবন ও কর্মের চর্চা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

আলোচনা সভা শেষে নজরুলের রচনা ও সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম সন্দেহে আরও ৩ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


হাম সন্দেহে আরও ৩ জনের মৃত্যু

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৪৩ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ আগস্ট  পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৫৭ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৫৩ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৮৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আগামীকাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আগামীকাল

ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ডেনমার্কের সহযোগিতায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামীকাল।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া প্রজেক্ট সাইটে আগামীকাল রোববার বেলা ১১টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, এমপি ও বিশেষ অতিথি থাকবেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগ এ বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে গতি আনা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই প্রেক্ষাপটে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আধুনিক অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ টার্মিনাল দেশের সমুদ্রবন্দর ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও গতিশীল হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেনমার্কের সহযোগিতায় নির্মিতব্য এ টার্মিনাল চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কনটেইনার পরিবহন ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় দেশের বন্দর ও নৌপরিবহন অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পও এ ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

এই প্রকল্পটি পিপিপি বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব মডেলে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বিনিয়োগ, যার মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। প্রকল্পের আওতায় কনটেইনার ইয়ার্ড, জেটি, গেট, আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে উঠবে।

প্রস্তাবিত টার্মিনালের বার্ষিক হ্যান্ডলিং সক্ষমতা হবে প্রায় ০.৮ মিলিয়ন ঞঊটং এবং জেটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৬১৫ মিটার। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও আধুনিক এসটিএস ক্রেনসহ উন্নত কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা এখানে স্থাপন করা হবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%