ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আসন্ন চুক্তিটিকে কীভাবে দেখছে?


ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আসন্ন চুক্তিটিকে কীভাবে দেখছে?

 

ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়নি।

যদিও উভয় পক্ষের কট্টরপন্থী অবস্থান এবং কঠিন শর্তের কারণে সমঝোতার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নারীর মৃত্যু, তামাবিল দিয়ে লাশ হস্তান্তর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর তিন মাসেরও বেশি সময় পেরিয়েছে। তবুও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে কোনো চূড়ান্ত ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ, ইরানের বন্দর অবরোধ, পারমাণবিক কর্মসূচি, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রশ্নে মতবিরোধ বহাল রয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। তেহরানের দাবি, এপ্রিলের শুরুতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘন করছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে, তেহরানের আন্দিশেহ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ইসরাইলি গণমাধ্যমে একজন আইআরজিসি জেনারেলকে লক্ষ্য করে হামলার দাবি করা হলেও ইরানি গণমাধ্যম এটিকে গ্যাস লিকজনিত দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ইরানের সামরিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব একযোগে ‘আত্মসমর্পণ না করার’ বার্তা দিলেও তাদের অবস্থানে কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মোজতবা খামেনির অবস্থান

আরও পড়ুন: স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০

নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পুত্র মোজতবা খামেনি বর্তমানে দেশটির ধর্মীয় এবং সামরিক কাঠামোর শীর্ষ নেতৃত্বে অবস্থান করছেন। পিতার মৃত্যুর পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে খুব কমই উপস্থিত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তিনি কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লিখিত বার্তাগুলোতে মোজতবা খামেনি সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা না করলেও তিনি উল্লেখ করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হবে যুক্তরাষ্ট্রমুক্ত এবং এই অঞ্চলের জনগণের অগ্রগতি, শান্তি ও কল্যাণের জন্য নিবেদিত।

তিনি ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ হিসেবে উল্লেখ করে এগুলো রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। পাশাপাশি সমর্থক ও সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা তুলে ধরে তিনি দেশকে আরো এক বছর ‘প্রতিরোধ অর্থনীতি’ অনুসরণের জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও বলেছেন।

ট্রাম্প-ইরান চুক্তির জন্য লেবানন কেন মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে?

আরও পড়ুন: মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে যুবদল নেতার অডিও ভাইরাল, ‘টাকা না দিলে বোট জ্বালাইয়া দিমু’

প্রভাবশালী সামরিক ও নিরাপত্তা বলয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আইআরজিসি নেতৃত্বাধীন সামরিক ও নিরাপত্তা গোষ্ঠীর প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুদ্ধ পরিচালনাকারী শীর্ষ কমান্ডাররা প্রকাশ্যে আলোচনা বিষয়ক বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য না করলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

সামরিক নেতৃত্বের অবস্থান মূলত কঠোর। তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার আহমাদ বাহিদি তার বক্তব্যে প্রতিরোধ, সামরিক সক্ষমতা এবং প্রয়োজনে সংঘাত বাড়ানোর সক্ষমতার ওপর জোর দিয়েছেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ব্যর্থতার পথে থাকা পরাশক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করেছেন, ইরান বিজয়ের পথে রয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায় ‘ধ্বংসাত্মক ও নরকসম প্রতিক্রিয়া’ দেখানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কের বাংলাদেশ ২ লাখ ৪৫ হাজার যুবকের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ শুরু

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব আপাতত আলোচনার পথ খোলা রাখলেও জাতীয় নিরাপত্তা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাবের প্রশ্নে বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই সীমিত। ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো এখনো কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ এম


বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট এই অভিনন্দন জানিয়েছেন মঙ্গলবার (২ জুন) রাতের দিকে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একজন পোস্টের মাধ্যমে।

ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আপনার সাফল্য কামনা করি।’

এছাড়াও, তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে সাধারণ পরিষদ সকল সদস্য রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করে যাবে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জনগণ এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত।’

এর আগে, সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয়তাবিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেজ কাকাউরিসকে হারিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সাধারণ পরিষদের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রেজ কাকাউরিস পেয়েছেন ৯১টি ভোট। আট ভোটের ব্যবধানে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হন বাংলাদেশের প্রার্থী।

এক বছর ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এই অধিবেশন আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অতঃপর, ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্বনেতাদের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে উঁচুপদস্থ সাধারণ বিতর্ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে মৃতদেহ বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ এম


ইসরাইলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে মৃতদেহ বিক্রি

আল জাজিরার অনুসন্ধানশীল সিরিজ ‘ডাইরেক্ট ফ্রম’-এর মাধ্যমে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী এবং ইসরাইলি সামরিক চিকিৎসা দলের প্রশিক্ষণের জন্য মৃতদেহ অধিগৃহীত এবং দান করা মৃতদেহ কয়েকটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নেভাদার মেডিকেল কেস ম্যানেজার মিরিয়াম ভলপিন ২০২৫ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার (ইউএসসি) একটি ছাত্র সাংবাদিকের দ্বারা একটি বার্তা পাওয়ার পর অনুশোচনায় পড়ে যান। তার মা জিনেট ভলপিন, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্লাইট নার্স হিসেবে কাজ করেছেন, মৃত্যুর আগে গবেষণার উদ্দেশ্যে তার দেহ ইউএসসিকে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০২১ সালে ১০১ বছর বয়সে তার মৃত্যু ঘটে।

এছাড়া, সাম্প্রতিক অনুসন্ধানের ফলস্বরূপ মিরিয়াম ভলপিনের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে যে, তার মায়ের মৃতদেহ সম্ভবত যুদ্ধক্ষেত্রের অস্ত্রোপচার প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছিল, যা ইসরাইলের গাজা অভিযানের মতো সংঘর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

ছাত্র সাংবাদিকদের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে যে, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইউএসসি এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর (ইউসিএসডি) এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মাধ্যমে ইসরাইলি সার্জিক্যাল টিমের প্রশিক্ষণের জন্য মানবদেহ সরবরাহ করেছে। এই অনুসন্ধানের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে ইউএসসি অন্তত ৮৯টি ‘ফ্রেশ ক্যাডাভার’ বা সংরক্ষিত মৃতদেহ সরবরাহ করেছে, যা মার্কিন নৌবাহিনী ও ইসরাইলি সামরিক চিকিৎসা দলগুলোকে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল।

২০২০ সালে ইউএসসি ও মার্কিন নৌবাহিনীর প্রশিক্ষকদের প্রকাশিত একটি মেডিকেল গবেষণাপত্রে দেখা যায় যে, সেখানে চার দিনের একটি ‘কমব্যাট ট্রমা সার্জারি স্কিলস কোর্স’ পরিচালিত হয়েছিল। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ‘ফরওয়ার্ড সার্জিক্যাল টিম’-এর জন্য এই কোর্স পরিচালিত হয়েছিল। প্রশিক্ষণের সময় মৃতদেহগুলোকে ‘পারফিউশন’ নামক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে রক্তসঞ্চালন করে জীবন্ত মানুষের মতো করে তোলা হচ্ছিল। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈনিকদের শরীরে রক্তক্ষরণের পরিস্থিতি খুব বাস্তবসম্মতভাবে অনুকরণ করা সম্ভব হচ্ছিল।

গবেষণাপত্রে এমন প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধজনিত জখমের চিকিৎসা অনুশীলনের উল্লেখ রয়েছে, যেমন বুকে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া এবং মুখমণ্ডল ও দেহে বিস্ফোরণের আঘাতের চিকিৎসা।

ইউএসসি আল জাজিরার একাধিক প্রশ্নের জবাবে জানায়নি, মৃতদেহে কী ধরনের আঘাত সৃষ্টি করা হয়েছিল বা কীভাবে প্রশিক্ষণ পরিচালন করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি দাবি করেছে, এটি একটি ‘শিক্ষামূলক’ কার্যক্রম; যা সামরিক কর্মসূচি নয় এবং অংশগ্রহণকারী চিকিৎসাকর্মীরা সাধারণ নাগরিক। অন্যান্যদিকে, মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছেন যে, অভিজ্ঞ ট্রমা সার্জনরা অস্ত্রোপচারের কৌশল ব্যবহার করে জটিল আঘাতের পরিস্থিতি তৈরি করেন, যাতে প্রশিক্ষণার্থীরা বাস্তবসম্মত পরিবেশে দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে যে, ইউএসসি একসময় এই প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় মৃতদেহ সরবরাহে সক্ষমতা হারায় এবং তারা তখন ইউসিএসডির সহায়তা নেয়। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ইউসিএসডি থেকে ১২৪টি মৃতদেহ ইউএসসিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। তবে ইউসিএসডি দাবি করেছে যে, তাদের দানকৃত মৃতদেহ সামরিক প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগটি ভুল।

দাতা পরিবারে ক্ষোভ ও প্রশ্নও এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, দেহদাতারা মৃত্যুর পর তাদের দেহ কীভাবে ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে শর্ত আরোপ করতে পারেন না। বরং পরিবারের সদস্যদেরও এর তথ্য পাওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে অনেক পরিবার প্রশ্ন তুলছে যে, যদি তারা আগে জানতেন যে, দানকৃত মৃতদেহ সামরিক প্রশিক্ষণে ব্যবহার হবে, তবে কি তারা সেই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিতেন?

আল জাজিরার অনুসন্ধান নৈতিকতা, স্বচ্ছতা এবং দাতাদের সম্মতির সীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরজিকর কাণ্ডে আইনগত সমস্যায় রচনা ব্যানার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ এম


আরজিকর কাণ্ডে আইনগত সমস্যায় রচনা ব্যানার্জি

আরজিকর হাসপাতালের সেই নৃশংস ঘটনার প্রেক্ষিতে ফেঁসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। কলকাতার চারু মার্কেট থানায় তার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) দায়ের করা হয়েছে।

কলকাতার চারু মার্কেট থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত জিডিটি করেছেন একজন আইনজীবী। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, নায়িকার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালেই থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছিল।

কিন্তু ওই সময় সরকারের পক্ষ থেকে ও প্রশাসনের তরফে কেউই কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তাই রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর, তিনি আবারও চারু মার্কেট থানায় নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনের সূত্রে জানা যায়, নায়িকার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে রচনা ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আরজিকর হাসপাতালের ওই নৃশংস ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।

একজন সাংসদ হয়েও, ওই ভিডিওবার্তায় তিনি একাধিকবার নিহত নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের নাম উচ্চারণ করেছিলেন যা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ।

এ বিষয়ে, তবে এখনও কোনো অফিসিয়াল মন্তব্য করেননি টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও দিদি নাম্বার ওয়ানের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা রচনা ব্যানার্জি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দামে কমে দেশে কি পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ এম


দামে কমে দেশে কি পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে আজ

সর্বশেষ সমন্বয়ের পর দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (বুধবার, ৩ জুন) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামে।

সবশেষ মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে মুক্তি পেতে থাকা এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ওই দিন মূল্যবান এই ধাতু দুইটির দাম যথাক্রমে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা এবং ১১৭ টাকা কমানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে, পূর্ববর্তী ২৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এখন পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে ৭০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ৩৩ দফা। এছাড়া, গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমানোর ফলে দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এবং চলতি বছর রুপার দাম ৪১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ২২ দফা বাড়ানো এবং কমানো হয়েছে ১৯ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%