ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

৭ নভেম্বর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা ও পরিবর্তনগুলো


৭ নভেম্বর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা ও পরিবর্তনগুলো

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলি সময়ের সাথে ইতিহাসে রূপ নেয়। ইতিহাস সাক্ষী হয় ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন এবং মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পরিচালিত করে।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর), ২০২৬। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

আরও পড়ুন: সপরিবারে দেশে ফিরছেন হলিউড অভিনেত্রী গ্যাল গ্যাডট

৩৩৫ - আথানাসিয়ুস, আলেকজান্দ্রিয়ার ২০তম পোপ, কনস্টান্টিনোপলে শস্যবাহী নৌবহর আটকানোর অভিযোগে ট্রিয়ারে নির্বাসিত হন।

৬৮০ - কনস্টান্টিনোপলে ষষ্ঠ সর্বজনীন পরিষদ শুরু হয়।

৯২১ - ফ্রাঙ্ক রাজা চার্লস দ্য সিম্পল ও হেনরি দ্য ফাউলার রাইন নদীর তীরে সীমান্ত স্বীকৃতি দিয়ে বন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

১৪২৬ - লাম সন বিদ্রোহে বিদ্রোহীরা হ্যানয়ের দোং কোয়ানে টট ডং - চুক ডং-এর যুদ্ধে মিং বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করে।

আরও পড়ুন: ঘুমিয়ে ৯.৬ লাখ টাকা জিতলেন জিনিয়া চ্যাটার্জি

১৪৯২ - প্রাচীনতম তারিখযুক্ত উল্কা এনসিসহাইম উল্কা ফ্রান্সের আলসাসের এনসিসহাইম গ্রামের বাইরে গমক্ষেতে আছড়ে পড়ে।

১৫০৪ - ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার চতুর্থ ও শেষ সমুদ্রযাত্রা থেকে ফিরে আসেন।

১৬১৯ - এলিজাবেথ স্টুয়ার্ট বোহেমিয়ার রানী হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৬৫৯ - ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে ঐতিহাসিক পাইরনিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আরও পড়ুন: প্রতিদিন একই খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরে যেসব প্রভাব ফেলতে পারে

১৬৬৫ - ব্রিটেনের সরকারি প্রকাশনা দ্য লন্ডন গেজেট প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৭২৩ - ইয়োহান সেবাস্টিয়ান বাখের সংলাপ ক্যান্টাটা ও এভিগকাইট, ডু ডোনারভোর্ট, বিডব্লিউভি ৬০ লাইপৎসিশে প্রথম পরিবেশিত হয়।

১৭৭৫ - ভার্জিনিয়ার রাজকীয় গভর্নর লর্ড ডানমোর ডানমোরের ঘোষণা জারি করে দাসদের মুক্তির প্রস্তাব দেন।

১৭৮৩ - ইংল্যান্ডে সর্বশেষ প্রকাশ্য ফাঁসি হয়।

আরও পড়ুন: কম ঘুমিয়েও যেভাবে অনেকে সতেজ থাকেন

১৭৮৬ - যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম সংগীত সংগঠন স্টাউটন মিউজিক্যাল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮১১ - টেকুমসেহের যুদ্ধে টিপেকানোয়ের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৮২৩ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ ঘোষণা করেন।

১৮৩৭ - ইলিনয়ের অলটনে বিলোপবাদী মুদ্রাকর এলাইজা পি. লাভজয় জনতার হাতে নিহত হন।

আরও পড়ুন: পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্তি কাটছে না? সমস্যায় ভুগছেন জানুন

১৮৬১ - আমেরিকান গৃহযুদ্ধে বেলমন্টের যুদ্ধ সংঘটিত হয়; ইউলিসিস এস. গ্রান্টের নেতৃত্বে ইউনিয়ন বাহিনী কনফেডারেট শিবির দখল করে।

১৮৬১ - অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রথম মেলবোর্ন কাপ ঘোড়দৌড় অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৭৪ - থমাস নাস্টের কার্টুনে প্রথমবার রিপাবলিকান পার্টির প্রতীক হিসেবে হাতি ব্যবহৃত হয়।

১৮৭৫ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কাঁঠালপাড়ায় বন্দে মাতরম গানটি রচনা করেন।

আরও পড়ুন: লন্ডনে রবীন্দ্রসংগীতের মূর্ছনায় মুগ্ধতা ছড়ালেন তানজীনা তমা

১৮৮১ - মাপুচে বিদ্রোহে বিদ্রোহীরা চিলির নুয়েভা ইম্পেরিয়াল বসতি ধ্বংস করে।

১৮৮৫ - কানাডার প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় রেলপথের লাস্ট স্পাইক অনুষ্ঠান ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ক্রেইগেলাচিতে সম্পন্ন হয়।

১৮৯৩ - যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে নারী ভোটাধিকার দেয়া হয়।

১৮৯৩ - স্পেনের বার্সেলোনার লিসেও অপেরা হাউসে নৈরাজ্যবাদী বোমা হামলায় ২০ জন নিহত হন।

১৯০০ - দ্বিতীয় বোয়ের যুদ্ধে লেলিফন্টেইনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯০৭ - হেসুস গার্সিয়া বিস্ফোরকভর্তি জ্বলন্ত ট্রেন ৬ কিলোমিটার দূরে সরিয়ে মেক্সিকোর নাকোসারি দে গার্সিয়া শহরকে রক্ষা করেন।

১৯১০ - রাইট ভ্রাতৃদ্বয় ডেটন থেকে কলম্বাসে প্রথম বিমানযোগে মাল পরিবহন সম্পন্ন করেন।

১৯১২ - বার্লিনের শার্লটেনবুর্গে ডয়চে অপার্নহাউস উদ্বোধন করা হয়।

১৯১৩ - গ্রেট লেকস ঝড় শুরু হয়; এই তুষারঝড়ে ২৫০ জন নিহত হন।

১৯১৪ - জাপানি বাহিনী জার্মান সাম্রাজ্যের উপনিবেশ জিয়াওঝো উপসাগর ও ছিংতাও দখল করে।

১৯১৬ - জ্যানেট র্যানকিন মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯১৬ - উড্রো উইলসন দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯১৬ - বোস্টনে সামার স্ট্রিট ব্রিজ বিপর্যয়ে ট্রাম দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হন।

১৯১৭ - লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১৭ - অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা শীতকালীন প্রাসাদ দখল করে।

১৯১৭ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গাজার তৃতীয় যুদ্ধ শেষ হয়; ব্রিটিশ বাহিনী অটোমান সাম্রাজ্যের কাছ থেকে গাজা দখল করে।

১৯১৮ - ১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারি পশ্চিম সামোয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

১৯১৮ - কার্ট আইসনার বাভারিয়া রাজ্যে ভিটেলসবাখ রাজবংশের উৎখাত ঘটান।

১৯১৯ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম পামার রেইড পরিচালিত হয়।

১৯২০ - মস্কোর প্যাট্রিয়ার্ক তিখন রাশিয়ার বাইরে রুশ অর্থোডক্স চার্চ গঠনের ডিক্রি জারি করেন।

১৯২৪ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর্জেন্টিনার বুয়েনস আয়ার্সে উপস্থিত হন।

১৯২৯ - নিউ ইয়র্ক সিটিতে মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্ট জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

১৯৩১ - চীনা সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।

১৯৩৩ - ফিওরেলো এইচ. লা গার্ডিয়া নিউ ইয়র্ক সিটির ৯৯তম মেয়র নির্বাচিত হন।

১৯৩৬ - স্পেনীয় গৃহযুদ্ধে মাদ্রিদ প্রতিরক্ষা পরিষদ গঠিত হয়।

১৯৪০ - ওয়াশিংটনের টাকোমায় টাকোমা ন্যারোস সেতু ধসে পড়ে।

১৯৪১ - পার্ল হারবারে জাপানিদের বোমা আক্রমণ শুরু হয়।

১৯৪১ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত হাসপাতাল জাহাজ আর্মেনিয়া জার্মান বিমান হামলায় ডুবে যায়।

১৯৪৪ - ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট সব রেকর্ড ভঙ্গ করে চতুর্থবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৪৪ - সোভিয়েত গুপ্তচর রিচার্ড জোর্গে জাপানি বন্দিদশায় ফাঁসিতে নিহত হন।

১৯৪৯ - আজারবাইজানের অয়েল রকসে বিশ্বের প্রাচীনতম সমুদ্রতীরবর্তী তেল প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রথম তেল উত্তোলিত হয়।

১৯৫৬ - জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে সুয়েজ খাল নিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটে।

১৯৫৬ - হাঙ্গেরীয় বিপ্লবে ইয়ানোস কাদার সোভিয়েত সাঁজোয়া বহরে বুদাপেস্টে ফিরে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৫৭ - স্নায়ুযুদ্ধে গাইদার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।

১৯৬৭ - কার্ল স্টোকস ক্লিভল্যান্ডের মেয়র নির্বাচিত হন; তিনি কোনো বড় মার্কিন শহরের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান মেয়র।

১৯৬৭ - মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন পাবলিক ব্রডকাস্টিং অ্যাক্ট স্বাক্ষর করেন।

১৯৭২ - রিচার্ড নিক্সন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন।

১৯৭৩ - মার্কিন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের ভেটো অগ্রাহ্য করে ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন পাস করে।

১৯৭৫ - বাংলাদেশের তৎকালীন সেনা প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সিপাহী-জনতার মিলিত অভ্যুত্থানে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত হন।

১৯৭৫ - খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয় এবং সিপাহীদের গুলিতে নিহত হন।

১৯৮২ - আপার ভোল্টায় সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট সায়ে জেরবো ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৮৩ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে।

১৯৮৩ - স্নায়ুযুদ্ধে এবল আর্চার ৮৩ মহড়া শুরু হয়।

১৯৮৭ - তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রপতি হাবিব বুরগিবা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং জিন আবেদিন বিন আলী নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৮৭ - সিঙ্গাপুরে এমআরটি ব্যবস্থা যাত্রী পরিষেবা শুরু করে।

১৯৮৮ - আর্মেনিয়ায় ভূমিকম্পে লক্ষাধিক লোক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৯ - কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত পূর্ব জার্মান সরকার ইস্তফা দেন।

১৯৮৯ - ডগলাস ওয়াইল্ডার ভার্জিনিয়ার গভর্নর নির্বাচিত হন; তিনি প্রথম নির্বাচিত আফ্রিকান-আমেরিকান গভর্নর।

১৯৮৯ - ডেভিড ডিঙ্কিন্স নিউ ইয়র্ক সিটির প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান মেয়র নির্বাচিত হন।

১৯৯০ - মেরি রবিনসন আইরিশ প্রজাতন্ত্রের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯১ - ম্যাজিক জনসন এইচআইভি পজিটিভ ঘোষণা দিয়ে এনবিএ থেকে অবসর নেন।

১৯৯৪ - নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডব্লিউএক্সওয়াইসি বিশ্বের প্রথম ইন্টারনেট রেডিও সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৯৬ - ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে সাইক্লোনে আড়াই হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯৬ - নাসা মার্স গ্লোবাল সার্ভেয়ার উৎক্ষেপণ করে।

১৯৯৬ - নাইজেরিয়ায় এডিসি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ০৮৬ বিধ্বস্ত হয়।

২০০০ - বুশ বনাম গোর মামলায় জর্জ ডব্লিউ. বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

২০০০ - কানসাসের ওয়ামেগোতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র সাইলোতে দেশের বৃহত্তম এলএসডি ল্যাব আবিষ্কৃত হয়।

২০০৪ - ইরাক যুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার ফালুজায় অভিযানের সময় ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

২০০৭ - ফিনল্যান্ডের ইয়োকেলায় স্কুলে বন্দুক হামলায় ৯ জন নিহত হন।

২০১২ - গুয়াতেমালায় ভূমিকম্পে অন্তত ৫২ জন নিহত হন।

২০১৭ - আফগানিস্তানে শামশাদ টিভিতে বন্দুকধারী ও আত্মঘাতী হামলায় একজন নিহত ও ২০ জন আহত হন।

২০২০ - বিশ্বের প্রথম ৬জি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে চীন।

২০২০ - জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

২০২৩ - পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কোস্তা দুর্নীতি তদন্তের জেরে পদত্যাগ করেন।

জন্ম

৯৯৪ - ইবনে হাজম, প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক।

১৭২৮ - ক্যাপ্টেন জেমস কুক, ব্রিটিশ নৌ-সেনাপতি ও আবিস্কারক।

১৮৫৮ - বিপিন চন্দ্র পাল, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৮৬৭ - মারি ক্যুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৮৭৯ - লিওন ত্রোত্‌স্কি, সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজান্ত্রিক বিপ্লবী।

১৮৮৮ - চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, ভারতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী।

১৯০৩ - কনরাড লরেঞ্জ, অস্ট্রিয়ান প্রাণিবিদ্যাবিত, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আর্থলজিস্ট ও পক্ষীবিদ।

১৯১৩ - আলবেয়ার কামু, একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলজেরীয় বংশোদ্ভূত ফরাসী সাহিত্যিক।

১৯২২ - গোলাম আযম, বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতা, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী।

১৯২৯ - এরিক ক্যান্ডেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান স্নায়ুবিজ্ঞানী ও সাইকোলজিস্ট।

১৯৩১ - আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।

১৯৩৪ - সুনন্দা পট্টনায়ক, গোয়ালিয়ার ঘরানার ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী।

১৯৪৩ - মাইকেল স্পেন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৪৭ - ঊষা উথুপ, জনপ্রিয় ভারতীয় পপ, জ্যাজ এবং নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৫৪ - কমল হাসান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৭১ - ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী।

১৯৭৮ - রিও ফার্ডিনান্ড, ব্রিটিশ ফুটবলার।

১৯৭৯ - রাইমা সেন, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৮১ - অনুষ্কা শেট্টি, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৯৭ - মাইনুল আহসান নোবেল, বাংলাদেশি গায়ক।

মৃত্যু

১৮৬২ - বাহাদুর শাহ জাফর, মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট।

১৯২৩ - অশ্বিনীকুমার দত্ত, বাঙালি রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক।

১৯৬৮ - গর্ডন কভেন্ট্রি, অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৭৫ - খালেদ মোশাররফ, বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।

১৯৭৫ - এ.টি.এম. হায়দার, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

২০১১ - জো ফ্রেজিয়ার, হেভিওয়েট মুষ্টিযোদ্ধা।

২০১২ - এলেন ডগলাস, আমেরিকান লেখক।

২০১৩ - রন ডেল্‌ও, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

২০১৯ - নবনীতা দেবসেন, বাঙালি কবি, লেখিকা ও শিক্ষাবিদ।

অন্যান্য

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, বাংলাদেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর: জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একদলীয় শাসন থেকে মুক্তির দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


৭ নভেম্বর: জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একদলীয় শাসন থেকে মুক্তির দিন

৭ নভেম্বর নিয়ে দেড় যুগ ধরে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হয়েছে এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। এমনকি সাধারণ ছুটির সরকারি তালিকা থেকেও ৭ নভেম্বরকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যাতে এ দিনটি নিয়ে কোনো আলোচনা বা কথাবার্তা না হয়।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন এ দিনটির প্রতি এত বিরাগ? ৭ নভেম্বর কি কেবল ক্যালেন্ডারের একটি সংখ্যা? আসলেই কি এটি সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব? ৭ নভেম্বর কি অনিবার্য ছিল? এই বিপ্লবের নির্মোহ বিশ্লেষণ কতটুকু হয়েছে এতদিন?

একটু পেছন থেকে শুরু করা যাক। ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন। যেকোনো হত্যাকাণ্ডই মর্মান্তিক, এটি বলাই বাহুল্য। কিন্তু দেশের জনগণ, এমনকি তার দলও সেই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়নি। পরদিনের পত্রিকাগুলোর শিরোনামেও অবিসংবাদিত নেতৃত্বের গুণগান তো দূরের কথা, সাদামাটা শোকগাথাও প্রকাশিত হয়নি। বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর সরকারনিয়ন্ত্রিত দুটি বাংলা ও দুটি ইংরেজি পত্রিকার সংখ্যা ছিল চারটি। সেদিন ইত্তেফাকের শিরোনাম ছিল ‘খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনীর শাসন ক্ষমতা গ্রহণ’। পত্রিকাটির প্রথম পাতার প্রথম কলামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়র শিরোনাম ছিল ‘ঐতিহাসিক নবযাত্রা’। দৈনিক বাংলার শিরোনাম ছিল ‘খন্দকার মোশতাক নয়া রাষ্ট্রপতি’ এবং সম্পাদকীয়র শিরোনাম ছিল ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’। আগের দিন ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রতিক্রিয়া, প্রতিবাদ কিংবা খবর নেই; বরং ইতিবাচক পরিবর্তনের গুণগান। সে সময় সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন জেনারেল শফিউল্লাহ, যিনি পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

১৫ আগস্ট থেকে কার্যকর করে ২০ আগস্ট ১৯৭৫ খন্দকার মোশতাক সামরিক শাসন জারি করেন। আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ তখনো বহাল ছিল। সংবিধান নিয়ে কোনো কথা নেই। সব বাহিনীর প্রধান মোশতাক সরকারের প্রতি আনুগত্য ও সহযোগিতার প্রত্যয় গণমাধ্যমে ঘোষণা করেন।

আগস্ট ১৯৭৫-এর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা ট্যাংক ও ভারী অস্ত্র নিয়ে বঙ্গভবনে অবস্থান নেন। বলা যায়, তারা সেনা কমান্ডের বাইরে রাষ্ট্রপতি মোশতাকের একান্ত সান্নিধ্যে ছিলেন। দেশে তখন চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল। ১৯৭৩-৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের প্রভাব তখনো পুরোপুরি কাটেনি। রাস্তায় কঙ্কালসার, অনাহারপীড়িত মৃতদেহ পড়ে থাকত। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজার থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছিল।

এর মধ্যে ২৫ আগস্ট ১৯৭৫ উপপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকে রাষ্ট্রদূত করা হয়। চতুর খন্দকার মোশতাক জেনারেল জিয়াকে সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করলেও তার প্রতি অন্ধ আনুগত্যের আস্থা রাখতে পারেননি। ফলে সম্পূর্ণ অভূতপূর্ব এক উদাহরণ সৃষ্টি করে সেনাবাহিনীতে জেনারেল জিয়ার কমান্ড প্রতিষ্ঠার অন্তরায় সৃষ্টি করতে তার ওপরে বসিয়ে দেওয়া হলো আরো দুজনকে।

জেনারেল খলিলুর রহমানকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হলো। আরো নিশ্ছিদ্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে জেনারেল ওসমানীকে দেওয়া হলো প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার পদ। এ দুজনই সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জেনারেল জিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে নানা অজুহাতে অসহযোগিতা করতেন। একই সময়ে সিজিএস জেনারেল খালেদ মোশাররফ ও ৪৬ ব্রিগেডের প্রধান শাফায়াত জামিল সেনাবাহিনীতে কমান্ড ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাপ্রধানের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেনাবাহিনীতে ভিন্ন ধারা প্রতিষ্ঠার একটি পরিকল্পনার পক্ষে জোরেশোরে মাঠে নামেন।

২ নভেম্বর রাতে ৪৬ ব্রিগেডের সহায়তায় ঢাকা সেনানিবাসে বিদ্রোহের সূচনা হয়। বন্দি হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদ মোশাররফ দিনভর চেষ্টা চালিয়ে খন্দকার মোশতাকের কাছে সেনাপ্রধান পদে নিয়োগের জন্য আবেদন জানিয়ে সফল হন ৩ নভেম্বর রাতে।

৪ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের ভাই আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য রাশেদ মোশাররফ ও তাদের মা খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের সমর্থনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি মিছিল নিয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যান। ৩ নভেম্বর রাতে সংঘটিত হয় জেলহত্যা। একই রাতে খালেদ মোশাররফদের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবে ফারুক, রশিদ, ডালিম, হুদা, নূর, পাশা, মোসলেহ উদ্দিনরা বাংলাদেশ বিমানের ফকার এফ২৭ ফ্রেন্ডশিপ বিমানে সপরিবারে, ব্যক্তিগত মালামালসহ নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় ব্যাংককের উদ্দেশে উড়ে যান। এমনকি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে ফকার বিমানটির জ্বালানি পর্যাপ্ত না হওয়ায় চট্টগ্রামে একবার জ্বালানি ভরার ব্যবস্থা করা হয় পরিকল্পনামাফিক।

সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফেরানোর নামে ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত এসব কর্মকাণ্ড সাধারণ সৈনিকরা মোটেও পছন্দ করেননি। তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল। অন্যদিকে, খালেদ মোশাররফের তথাকথিত অভ্যুত্থান ও এর সমর্থনে উল্লসিত আওয়ামী লীগের মিছিল স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত বাংলাদেশে শান্তির নিঃশ্বাস নেওয়া দেশবাসীকে বাকশালী নির্যাতনের পুনরাবির্ভাবের আশঙ্কায় শঙ্কিত করে তোলে। তারাও এই অপশক্তির হাত থেকে পরিত্রাণের অপেক্ষায় ছিলেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার ১২ দফা দাবির প্রচারণা। দেশের মানুষের তখন প্রত্যাশা ছিল, এমন একজন নেতার, যিনি এই অনিশ্চিত পরিস্থিতি থেকে দেশকে পরিত্রাণ দিতে শক্ত হাতে হাল ধরবেন। আর সেনাবাহিনীর প্রত্যাশা ছিল তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক সেনাপ্রধানের নেতৃত্ব। খালেদ মোশাররফের হাতে জেনারেল জিয়ার বন্দিত্ব তারা সহজে মেনে নেয়নি।

ফলে সিপাহি ও জনতা—উভয়ের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন একজনই, তিনি জিয়াউর রহমান। দেশপ্রেমিক সৈনিকরা ৭ নভেম্বর প্রথম প্রহরে বন্দিত্ব থেকে মুক্ত করেন তাদের উপযুক্ত প্রধান জেনারেল জিয়াকে। আর স্বতঃস্ফূর্ত জনতা ও দেশবাসী ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের মতো আবার আশ্বস্ত হন যে দেশের ক্রান্তিকালে পরীক্ষিত ও অসমসাহসী দেশপ্রেমিক সেদিনের মেজর জিয়া ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে আবার এই অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ঠিক সময়ে দেশের হাল ধরেছেন।

জাসদ-সমর্থিত সৈনিকদের একটি দল কর্নেল তাহের ও হাসানুল হক ইনুদের প্ররোচনায় ১২ দফা দাবির পাশাপাশি অদ্ভুত কিছু স্লোগান দিয়ে ঢাকা সেনানিবাসকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে—‘সৈনিক সৈনিক ভাই ভাই, অফিসারদের রক্ত চাই’। এই রক্তহোলিতে নারী চিকিৎসকসহ ১৩ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন।

৭ নভেম্বরের পর বিশৃঙ্খল ও দিশাহীন বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন জিয়াউর রহমান। পূর্বঘোষিত সামরিক শাসনামলের প্রধান ছিলেন বিচারপতি আবু সায়েম। জিয়া ও অন্যান্য বাহিনীর প্রধানরা ছিলেন উপপ্রধান। এ ক্ষেত্রে একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আমাদের সামনে এখনো রয়েছে।

৭ নভেম্বর না এলে বাংলাদেশের কী হতো? আমাদের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা সেদিন অবশ্যই ছিল। সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে না আসার আশঙ্কাও ছিল।

একদলীয় বাকশালের নিষ্পেষণে আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন ও প্রত্যাশা হয়তো আজন্ম অধরাই থেকে যেত। এসব আশঙ্কা সত্যি হয়নি, সেটি হয়তো আমাদের অদেখা স্বস্তি। কিন্তু ৭ নভেম্বর থেকে আমাদের প্রাপ্তির তালিকা অনেক দীর্ঘ।

• ৭ নভেম্বর আমাদের মুক্তি দিয়েছে একদলীয় বাকশালের দুঃশাসন থেকে।

• দিয়েছে চারটি সংবাদপত্রের নিয়ন্ত্রিত প্রকাশনার পরিবর্তে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা।

• দিয়েছে অভিন্ন জাতীয়তার পরিচয়—ধর্ম-বর্ণ, গোত্র-গোষ্ঠী, ভাষা-সংস্কৃতি, পাহাড়-সমতল নির্বিশেষে সম-অধিকারের জাতীয়তা ‘বাংলাদেশি’।

• সমাজতন্ত্রের সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক ধারণার বিপরীতে দিয়েছে স্বাচ্ছন্দ্য ও অবাধ বাজার অর্থনীতির সুযোগ।

• আমাদের বেকার যুবশক্তির জন্য উন্মুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার।

• নারীদের জন্য সৃষ্টি করেছে স্বাধীন ও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ।

• সাহায্যনির্ভর অর্থনীতির পরিবর্তে রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাকশিল্পের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তি।

• দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশ হয়েছে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

• আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা অর্জন করেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে।

• মুসলিম বিশ্বে পেয়েছে সম্মানের আসন। ওআইসির গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে পেয়েছে দায়িত্বপূর্ণ পদ।

আর সবকিছু ছাপিয়ে নিশ্চিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। যুগে যুগে এভাবেই ইতিহাস বীরত্বগাথা রচনা করে, আর একটি জাতি ক্রান্তিলগ্নে খুঁজে পায় তার যোগ্য সন্তানকে। ৭ নভেম্বর আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের মতোই আরেকটি অমর বীরত্বগাথা। সিপাহি-জনতার ঐক্য ও সংহতি প্রকাশের এক অনন্য ইতিহাস। ঐক্যের এই স্রোতোধারা অব্যাহত থাকলে নিরাপদ থাকবে বাংলাদেশ, নিরাপদ থাকবে আমাদের ভূখণ্ড ও সীমান্ত, নিরাপদ থাকবে আমাদের আগামী প্রজন্ম।

লেখক: আহ্বায়ক, বিএনপি মিডিয়া সেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের কেশম দ্বীপে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


যুক্তরাষ্ট্রের কেশম দ্বীপে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে হামলার ফলে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।

সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক প্রতিবেদনে দ্বীপটিতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে তাসনিম।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী কেশম দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি বস্তু আঘাত হানতে দেখেছেন। তারা আরও জানান, এর আগে দ্বীপের আকাশে বিমানের শব্দ শোনা গিয়েছিল।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে কোনো সমঝোতা হয়নি, এমন খবরকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে কাতারের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কার্যালয়।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, কাতারের প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন যে, দুপক্ষ এখনও একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করছে। আলোচনায় সহায়তা করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাতারের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর, শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, দ্বীপটির আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এর আগে শুক্রবার, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ধ্বংস করার খবর প্রকাশ করে ইরানের গণমাধ্যম। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

সূত্র : রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের খেলা: বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিলেটে, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


আজকের খেলা: বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিলেটে, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ আজ সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে মাঠে নামবে। বাংলাদেশ অ–১৯ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

ক্রিকেট

সিলেট টেস্ট: ৩য় দিন

বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সরাসরি, সকাল ৯–৩০ মি.,

টি স্পোর্টস ও ট্যাপম্যাড

সিলেট–রাজশাহী

ময়মনসিংহ–বরিশাল

ঢাকা–খুলনা

রংপুর–চট্টগ্রাম

সরাসরি, সকাল ৯–৩০ মি.,

বিসিবি ইউটিউব

অ–১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট

বাংলাদেশ–শ্রীলঙ্কা

সরাসরি, বেলা ১১টা,

সনি স্পোর্টস ২

২য় ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ড–ভারত

সরাসরি, সকাল ৮টা,

সনি স্পোর্টস ১ ও ২

জিম্বাবুয়ে–আফগানিস্তান

সরাসরি, দুপুর ১২টা,

ট্যাপম্যাড

ফুটবল

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

লিডস–টটেনহাম

সরাসরি, সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.,

আর্সেনাল–হাল সিটি

সরাসরি, রাত ৯টা,

নটিংহাম–ম্যানচেস্টার সিটি

সরাসরি, রাত ১১–৩০ মি.,

স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

লা লিগা

মালাগা–রেসিং

সরাসরি, সন্ধ্যা ৭টা,

এস্পানিওল–দেপোর্তিভো

সরাসরি, রাত ৯–১৫ মি.,

ওসাসুনা–বিলবাও

সরাসরি, রাত ১১–৩০ মি.,

ভ্যালেন্সিয়া–রিয়াল মাদ্রিদ

সরাসরি, রাত ২টা,

টি স্পোর্টস

ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ

পিএসজি–ত্রয়া

সরাসরি, রাত ২–০৫ মি.,

স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর, ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ৬ ঘণ্টা টোল মুক্ত যাতায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


৭ নভেম্বর, ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ৬ ঘণ্টা টোল মুক্ত যাতায়াত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ ৭ নভেম্বর (শনিবার) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ছয় ঘণ্টা টোল ছাড়াই যান চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এদিন নির্ধারিত সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব ধরনের অনুমোদিত যানবাহন সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চলাচল করতে পারবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য কোনো টোল দিতে হবে না। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে যথারীতি নিয়মিত হারে টোল আদায় কার্যক্রম শুরু হবে।

বর্তমানে এক্সপ্রেসওয়েতে শ্রেণিভেদে টোল আদায় করা হয়। এর মধ্যে কার, ট্যাক্সি, এসইউভি, ১৬ আসনের কম মাইক্রোবাস ও ৩ টনের কম হালকা ট্রাকের জন্য ৮০ টাকা; ১৬ আসন বা তদূর্ধ্ব বাসের জন্য ১৬০ টাকা; ৬ চাকা পর্যন্ত মাঝারি ট্রাকের জন্য ৩২০ টাকা এবং ৬ চাকার বেশি ভারী ট্রাকের জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে রিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো দুই ও তিন চাকার যানবাহন এক্সপ্রেসওয়ে চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

বর্তমানে এ অংশেই নিয়মিত যান চলাচল করছে। নকশা অনুযায়ী কাওলা থেকে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়েটি সম্প্রসারিত হওয়ার কথা থাকলেও পুরো অংশের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%