ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আল্লাহর রহমত পাওয়ার ১০টি উপায়


আল্লাহর রহমত পাওয়ার ১০টি উপায়

মানুষের জীবন আল্লাহর রহমত ছাড়া ধারণ করা সম্ভব নয়। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আল্লাহর রহমত পাওয়ার দশটি উপায়ের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, যা প্রতিটি মুমিনের জানার প্রয়োজন।

১. সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো।

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দয়াশীলদের ওপর আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা পৃথিবীবাসীর প্রতি দয়া করো, যাতে আকাশের মালিকও তোমাদের প্রতি দয়া করেন’। (আবু দাউদ: ৪৯৪১) একটি পিপাসার্ত কুকুরকে পানি পান করালে আল্লাহ ক্ষমা করেন এমন উদাহরণও হাদিসে রয়েছে।

আরও পড়ুন: এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নারীর মৃত্যু, তামাবিল দিয়ে লাশ হস্তান্তর

২. ফরজ ইবাদত পালন।

নামাজ, রোজা, জাকাতের মতো ফরজ কাজগুলো আল্লাহর দয়া পাওয়ার মূল চাবিকাঠি। আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও এবং রাসুলের আনুগত্য করো, যাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হতে পারো।’ (সূরা নূর-আয়াত: ৫৬)

৩. ইহসান বা আন্তরিকতার সঙ্গে আমল করা।

নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে আল্লাহ খুশি হন। আল্লাহ পাক বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর অনুগ্রহ সৎকর্মপরায়ণদের নিকটবর্তী।’ (আ'রাফ-আয়াত: ৫৬)

আরও পড়ুন: স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০

৪. তাকওয়া অবলম্বন করা।

আল্লাহভীরু ব্যক্তিরা আল্লাহর রহমতের বেশি হকদার। আল্লাহ পাক বলেছেন; ‘আমার দয়া- তা তো প্রত্যেক বস্তুকে ঘিরে রয়েছে। কাজেই আমি তা লিখে দেব তাদের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে, ঈমান আনে।’ (সূরা আ'রাফ-আয়াত: ১৫৬)

৫. কোরআন তেলাওয়াত ও চর্চা করা।

কোরআন শুনলে, পড়লে এবং বুঝে আমল করলে আল্লাহর রহমত নেমে আসে। আল্লাহ পাক বলেছেন; কোরআনের অনুসরণ করলে দয়া করা হবে।’(সূরা আ'রাফ-আয়াত: ১৫৫)

আরও পড়ুন: মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে যুবদল নেতার অডিও ভাইরাল, ‘টাকা না দিলে বোট জ্বালাইয়া দিমু’

৬. কোরআন শ্রবণ করা।

মনোযোগ দিয়ে কোরআন তেলাওয়াত শোনা আল্লাহর দয়ার পথ খুলে দেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তা মনোযোগ দিয়ে শোন এবং চুপ থাক, যাতে তোমরা রহমত লাভ কর।’ (সুরা আরাফ: ২০৪)

৭. দ্বীনি কাজে কষ্ট স্বীকার করা।

হিজরত ও জি-হা-দে-র পথ বেছে নেওয়া মুমিনদের জন্য বিশেষ অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি বহন করে। (সুরা বাকারা: ২১৮)

আরও পড়ুন: মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

৮. সুন্নাহর অনুসরণে রহমত মেলে।

আল্লাহ বলছেন- ‘তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো, যাতে তোমরা দয়া লাভ করতে পারো।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৩২)

৯. ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা।

ইস্তেগফার আল্লাহর দয়ার দরজা খুলে দেয়। নবী সালেহ (আ.) তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, ‘কেন তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না? যেন তোমাদেরকে রহমত করা হয়?’ (সূরা নামল-আয়াত: ৪৬)

আরও পড়ুন: কের বাংলাদেশ ২ লাখ ৪৫ হাজার যুবকের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ শুরু

১০. আল্লাহর কাছে রহমত লাভের দোয়া করা।

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَۃً হে আমাদের রব! আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন’ (সূরা কাহাফ- আয়াত: ১০) প্রতিদিন পড়ুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমান কৃষিকে আধুনিকায়ন করেছিলেন: ড. মঈন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


জিয়াউর রহমান কৃষিকে আধুনিকায়ন করেছিলেন: ড. মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, দেশে কৃষির আধুনিকায়নে সর্বপ্রথম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাজ শুরু করেছিলেন। দেশে খাদ্যের অভাবের সময় তিনি কৃষিকে আধুনিকায়ন করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলেছিলেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নরসিংদী পলাশ উপজেলা পরিষদ হল রুমে কৃষির সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজিত পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।

এসময় ড. মঈন খান বলেন, বর্তমান সরকার প্রধানও দেশে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বহু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। উচ্চ ফলনশীল ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন ফলজ এবং বনজ গাছ রোপণের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বিএনপি নিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সুজলা-সুফলা করার পাশাপাশি পরিবেশগত বিপর্যয় রোধ করা হবে।

পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসতিয়াক আহমেদ এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন নরসিংদী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আজিজল হক, পলাশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূইয়া মিল্টনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে ড. মঈন খান উপজেলার বিভিন্ন কৃষকদের মধ্যে গাছের চারা, সার, বীজ এবং নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কার কুরআন জাদুঘরে ৩৫০ বছরের পুরনো পাণ্ডুলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


মক্কার কুরআন জাদুঘরে ৩৫০ বছরের পুরনো পাণ্ডুলিপি

সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত হিরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টের পবিত্র কুরআন জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশ বছর আগের একটি বিরল কুরআন পাণ্ডুলিপি। ১১০০ হিজরি সময়ের এই পাণ্ডুলিপিটি বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে অনন্য অলঙ্করণশৈলী, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং নান্দনিক শিল্পবৈশিষ্ট্যের জন্য।

পাণ্ডুলিপিটির প্রতিটি পাতায় সোনালি রঙে আঁকা সূক্ষ্ম নকশা, ফুলেল অলঙ্করণ ও শৈল্পিক বিন্যাস ফুটে উঠেছে। কুরআনের শিরোনাম, আয়াতের বিন্যাস এবং উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার সে সময়ের ইসলামি ক্যালিগ্রাফি ও শিল্পকলার উৎকর্ষের পরিচয় বহন করে।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো এর সূচনাপাতা। সেখানে সূরা আল-ফাতিহা মুখোমুখি দুই পাতাজুড়ে এমন নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জ্যামিতিক ভারসাম্য, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং শিল্পনৈপুণ্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।

হিরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টের পবিত্র কুরআন জাদুঘর ইসলামি ঐতিহ্য, কুরআনের ইতিহাস এবং প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এখানে বিভিন্ন যুগের বিরল কুরআনের কপি, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং ইসলামি শিল্পকলার মূল্যবান সংগ্রহ প্রদর্শিত হয়, যা দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি শুধু ইসলামের ধর্মীয় ঐতিহ্যের সাক্ষ্য নয়; বরং মুসলিম সভ্যতার শিল্প, সংস্কৃতি, জ্ঞানচর্চা এবং ক্যালিগ্রাফির সমৃদ্ধ ইতিহাসও নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে। সূত্র: হারামাইন আর্কাইভ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং-২০২৭: উন্নতি নেই চুয়েটের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং-২০২৭: উন্নতি নেই চুয়েটের

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং-২০২৭’ প্রকাশিত হয়েছে। এই তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান পেয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। তবে এই বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে সময়ের সাথে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থানের কোনো উন্নতি হয়নি।

এবারের সংস্করণে চুয়েট ১৪০১+ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে। এর আগে প্রকাশিত কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং ২০২৬-এও বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান একই ছিল। তবে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে চুয়েট ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছিল। ফলে বর্তমানে এই র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থানের অবনতিই স্পষ্ট হয়েছে।

এ বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে চুয়েটের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যূরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: আব্দুর রহমান ভূইয়াঁ বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের গবেষণা ও প্রকাশনা খাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনেক বিনিয়োগ করেছে। গবেষণা কার্যক্রমে পাঁচ-ছয় বছর আগের বাজেটের তুলনায় এখন বাজেট কয়েকগুণ বেশি। গবেষনাকাজে শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীরাও যুক্ত থাকছে। এতে তাদের একাডেমিক এক্সিলেন্সের পাশাপাশি রিসার্চ পাবলিকেশনেও ভালো করছে। তাই র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনতি হওয়ার কথা নয়। তাদের প্রাপ্ত তথ্যতে কোনো গ্যাপ আছে কিনা দেখতে হবে। আমাদের ডেটাগুলো তাদের কাছে ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে কিনা সেটাও খোঁজ নিতে হবে।’

র‍্যাঙ্কিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সূচকভিত্তিক স্কোরে এমপ্লয়মেন্ট আউটকামে প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৭.৮ পয়েন্ট অর্জন করেছে। এ ব্যাপারে তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমাদের অ্যালামনাইরা সবজায়গায় ভালো করছে, দেশে-বিদেশে সম্মানের সাথে কাজ করছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে তারা কর্মরত, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে। আমি জানি না, তথ্যগুলো সঠিকভাবে আমাদের কাছ থেকে বা আমাদের অ্যালামনাইদের কাছ থেকে যাচ্ছে কিনা।’

ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি এবং ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট নিয়ে কাজ হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে অধ্যাপক ভূইয়াঁ জানান, ‘আমাদের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির সাথে নরওয়ের এডগার ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ ও স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চলছে। আমরা বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছি। গত অর্থবছরে আমরা কিছু 'হিট প্রজেক্ট' পেয়েছি। এখানে দুই একটা প্রজেক্টে ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে।’

অধ্যাপক ভূইঁয়া আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য কোয়ালিটি এডুকেশন এবং কোয়ালিটি এনভায়রনমেন্ট নিশ্চিত করার জন্য আমরা আমাদের কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছি। ফলাফল পেতে স্বাভাবিকভাবেই একটু সময় লাগবে।’

উল্লেখ্য, এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের একশত ছয়টি দেশের মোট এক হাজার পাঁচশত চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে দেশের সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: বিএমসিসিআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: বিএমসিসিআই

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা প্রসারে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন মালয়েশিয়া সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) আশা করছে।

আগামী ২১-২২ জুন অনুষ্ঠিতব্য এই সংক্ষিপ্ত সফরটি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করবে। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর, যা তিনি শেষ করবেন তাঁর চীন ভ্রমণের মাধ্যমে।

বাংলাদেশের 'লুক ইস্ট' নীতি ও আসিয়ান জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে হালাল শিল্প, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং জনশক্তি নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

বিএমসিসিআই-এর সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার শহীদ বলেন, চলতি বছরে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটায় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও মালয়েশীয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার প্রয়োজনীয়তা বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে দুই দেশের বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার, কিন্তু মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের পণ্য রফতানির পরিমাণ মাত্র ৩০ কোটি ডলার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে একটি কার্যকর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বড় ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষ করে মালয়েশিয়ার নেতৃত্বে বৈশ্বিক হালাল খাতে বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি বিনিয়োগকারী দেশের মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম, যার কাছে এদেশের লজিস্টিকস, যানবাহন উৎপাদন, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতের প্রকল্পগুলোতে ক্রমবর্ধমান আগ্রহ রয়েছে।

বিএমসিসিআই সভাপতি আরও জানান, বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি, বিনিয়োগ-বান্ধব নীতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই সফরে মালয়েশিয়ার আরও বড় বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে বাংলাদেশের এই ইতিবাচক ও সম্ভাবনাময় দিকগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে, এবং এতে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%