প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং-২০২৭’ প্রকাশিত হয়েছে। এই তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান পেয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। তবে এই বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে সময়ের সাথে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থানের কোনো উন্নতি হয়নি।
এবারের সংস্করণে চুয়েট ১৪০১+ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে। এর আগে প্রকাশিত কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এও বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান একই ছিল। তবে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে চুয়েট ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছিল। ফলে বর্তমানে এই র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থানের অবনতিই স্পষ্ট হয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে চুয়েটের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যূরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: আব্দুর রহমান ভূইয়াঁ বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের গবেষণা ও প্রকাশনা খাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনেক বিনিয়োগ করেছে। গবেষণা কার্যক্রমে পাঁচ-ছয় বছর আগের বাজেটের তুলনায় এখন বাজেট কয়েকগুণ বেশি। গবেষনাকাজে শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীরাও যুক্ত থাকছে। এতে তাদের একাডেমিক এক্সিলেন্সের পাশাপাশি রিসার্চ পাবলিকেশনেও ভালো করছে। তাই র্যাঙ্কিংয়ে অবনতি হওয়ার কথা নয়। তাদের প্রাপ্ত তথ্যতে কোনো গ্যাপ আছে কিনা দেখতে হবে। আমাদের ডেটাগুলো তাদের কাছে ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে কিনা সেটাও খোঁজ নিতে হবে।’
র্যাঙ্কিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সূচকভিত্তিক স্কোরে এমপ্লয়মেন্ট আউটকামে প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৭.৮ পয়েন্ট অর্জন করেছে। এ ব্যাপারে তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমাদের অ্যালামনাইরা সবজায়গায় ভালো করছে, দেশে-বিদেশে সম্মানের সাথে কাজ করছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে তারা কর্মরত, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে। আমি জানি না, তথ্যগুলো সঠিকভাবে আমাদের কাছ থেকে বা আমাদের অ্যালামনাইদের কাছ থেকে যাচ্ছে কিনা।’
ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি এবং ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট নিয়ে কাজ হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে অধ্যাপক ভূইয়াঁ জানান, ‘আমাদের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির সাথে নরওয়ের এডগার ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ ও স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চলছে। আমরা বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছি। গত অর্থবছরে আমরা কিছু 'হিট প্রজেক্ট' পেয়েছি। এখানে দুই একটা প্রজেক্টে ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে।’
অধ্যাপক ভূইঁয়া আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য কোয়ালিটি এডুকেশন এবং কোয়ালিটি এনভায়রনমেন্ট নিশ্চিত করার জন্য আমরা আমাদের কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছি। ফলাফল পেতে স্বাভাবিকভাবেই একটু সময় লাগবে।’
উল্লেখ্য, এবারের র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের একশত ছয়টি দেশের মোট এক হাজার পাঁচশত চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে দেশের সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন