০৩:৩৭ এম
সিলেটে যৌতুকের অভিযোগে গৃহবধূ ঝুমকি রানী দেবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকালে সিলেট প্রেসক্লাবে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীরা সংবাদ সম্মেলন করে এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার ও দোষীদের উদাহরণমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নিহত ঝুমকি রানী দেব গোলাপগঞ্জের বাঘার গৌরাবাড়ির সন্নত্ কুমার দেবের কন্যা। গত ৯ মার্চ, হেতিমগঞ্জ পূর্বপাড়ার মৃত সত্যেন্দ্র দাসের পুত্র চঞ্চল দাসের সাথে ঝুমকির বিয়ে সম্পন্ন হয়। সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে, ঝুমকির বাবা সন্নত্ কুমার দেব অভিযোগ করেছেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী চঞ্চল দাস এবং তার পরিবারের সদস্যরা ফার্নিচার ও স্বর্ণের চেইনের জন্য ঝুমকির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে শুরু করে। নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মে রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঝুমকির গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার খবর আসলেও, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর স্বজনরা দেখেন, স্বামী চঞ্চল দাস এবং পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে। সেই সঙ্গে, ঝুমকির নিথর দেহের পা দুটি খাটের বিছানায় লাগানো, জিহ্বা মুখের ভেতরে এবং দুই হাতের কব্জি শক্ত করে বাঁধা ছিল। লাশের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে নিহতের পরিবার বলেছে, এটি আসলে একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থানা মামলার না হওয়ার পর, তারা ২ জুন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন: শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেলেন পুত্রবধূ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন