০৯:০৪ পি.এম
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সালের বিরুদ্ধে প্রকল্প বাস্তবায়ন, জাহাজ মেরামত এবং যন্ত্রপাতি সংগ্রহে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।
অভিযোগ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষে ২০১০ সালে বিআইডব্লিউটিএতে যোগ দেন মামুন আল ফয়সাল। পরবর্তীতে উদ্ধার ইউনিটের বিভিন্ন জলযানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিদেশ সফর এবং বিদেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন তিনি। এই সুযোগে চাকরীজীবনে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার কার্যক্রমে ব্যবহৃত কিছু যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান ও তালিকা অনুসরণ করা হয়নি। মূল্যবান সরঞ্জামের পরিবর্তে নিম্নমানের সামগ্রী গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট স্টোরে যথাযথভাবে মালামাল হস্তান্তর না করার অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া বরিশাল নৌবহর এবং পরে নৌ মেরামত কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে জাহাজ মেরামতের ব্যয় অতিরিক্ত দেখিয়ে সরকারি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কিছু ক্ষেত্রে জাহাজে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হলেও কাগজে-কলমে উন্নতমানের সরঞ্জামের ব্যয় দেখানো হয়েছে। এর ফলে একই ধরনের মেরামতের কাজ বারবার করতে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগ করা হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারের মাধ্যমে বড় অঙ্কের কাজ বরাদ্দ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন তিনি ।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে, বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল এর একাধিক বার যোগাযোগ করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জয়
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সত্যতা নির্ধারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিরপেক্ষ তদন্তই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন