ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অভিষেক বচ্চন আজও শাহরুখের পরামর্শ মেনে চলেন


অভিষেক বচ্চন আজও শাহরুখের পরামর্শ মেনে চলেন

শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিষেক বচ্চনের সম্পর্কটি শুধুমাত্র সহশিল্পীর নয়, বরং বড় ভাই ও অনুজের সম্পর্কের মতো। অভিনয়জগতে প্রবেশের পূর্বে শাহরুখের কাছ থেকে পাওয়া একটি পরামর্শ আজও অভিষেকের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মধ্যে সেই পরামর্শটি তাঁর কাজের মূলমন্ত্র হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে অভিষেক বচ্চন বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, অভিনয়ে আসার আগে প্রতি রোববার যশরাজ ফিল্মসের কর্ণধার আদিত্য চোপড়ার বাড়িতে ক্রিকেট খেলতে একত্রিত হতেন তাঁরা। সেই আড্ডায় উদয় চোপড়া, হৃতিক রোশান ও সিকান্দার খেরও উপস্থিত থাকতেন।

তরুণদের সেই আড্ডায় প্রায়শই শাহরুখ খানকে দেখা যেত। অভিষেকের কাছে তিনি ছিলেন অনেকটা বড় ভাইয়ের মতো। কাজের ক্ষেত্রেই নয়, ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ার সম্পর্কেও শাহরুখ তাঁকে বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ প্রদান করেছেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

অভিষেক জানান, অভিনয়ে আসার আগে একদিন তিনি শাহরুখকে প্রশ্ন করেছিলেন, কোন সিনেমাটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয়? শাহরুখের উত্তর ছিল এমন একটি কথা, যা অভিষেকের মনে গেঁথে যায়। শাহরুখ বলেছিলেন, "আমার প্রিয় সিনেমা সেটাই, যেটা আমি এই মুহূর্তে করছি। কারণ যে কাজটা আমি করছি, সেটাই যদি আমার সবচেয়ে প্রিয় না হয়, তাহলে আমি সেটা করছি কেন? এখনকার কাজটাই আমার কাছে সেরা হতে হবে। অতীতে কী হয়েছে, সেটা অতীত। তা নিয়ে পড়ে থাকার কোনো মানে নেই।"

শাহরুখের সেই কথাই পরবর্তী সময়ে অভিষেক তাঁর কাজের ক্ষেত্রে অনুসরণ করেছেন। তাঁর কাছে অতীতের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার চেয়ে বর্তমান কাজটিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

এদিকে, দীর্ঘ বিরতির পর সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ সিনেমায় আবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে শাহরুখ খান ও অভিষেক বচ্চনকে। সিনেমাটির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেকের অভিনয়ে শাহরুখের মেয়ে সুহানা খানের অভিষেক হচ্ছে। বিশেষ একটি নাচের দৃশ্যে কারিনা কাপুর খানকে দেখা যেতে পারে-এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।

বহুল প্রতীক্ষিত ‘কিং’ আগামী ২৪ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: মেঘনা আলমের খালেদা জিয়ার সাজে প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষাৎ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক মিনিটে দুই ট্রেনের টিকিট উধাও, ক্ষোভ প্রকাশ আশফাক নিপুণের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ এম


এক মিনিটে দুই ট্রেনের টিকিট উধাও, ক্ষোভ প্রকাশ আশফাক নিপুণের

রেলওয়ের অনলাইনে টিকিট ছাড়ার এক মিনিটের মধ্যেই কক্সবাজারগামী দুটি ট্রেনের সব টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও নাট্যকার আশফাক নিপুণ। তিনি টিকিট কালোবাজারি ও অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিষয়টিকে ‘কমার্স ফিকশন’ বলে অভিহিত করেছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি নিজের এই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন।

নিপুণ লিখেন, আসন্ন দুর্গাপূজার ছুটিতে তার বয়োবৃদ্ধ সেজো মামাসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বয়সের কারণে টানা বসে বাস ভ্রমণ অসম্ভব হওয়ায় রেলযাত্রার সিদ্ধান্ত নেন তারা। যাত্রার ১০ দিন আগে সকাল ৮টায় ‘ঢাকা-কক্সবাজার’ রুটের টিকিট ছাড়া হবে জেনে সকাল পৌনে আটটা থেকেই মোবাইল নিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে বসেছিলেন তিনি। কোনো নোটিফিকেশন যেন বিঘ্ন না ঘটায় সেজন্য সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

তিনি আরও লিখেন, ‘ঘড়ির কাঁটা ঠিক আটটায় পৌঁছাতেই সার্চ অপশনে ক্লিক করি। চোখের সামনে সারি সারি খালি সিট ভেসে ওঠে। কিন্তু ৮টা বাজতেই টিকিট কাটার প্রক্রিয়া শুরু করার পর ৮টা ১ মিনিটে দেখি গোটা দুটি ট্রেনের সব টিকিট শেষ! চোখের পলকে একদম সব ফাঁকা!’

একজন নিয়মিত ট্রেনের যাত্রী হিসেবে স্বাভাবিক টিকিট কাটার গাণিতিক হিসাব তুলে ধরে নির্মাতা প্রশ্ন তোলেন, ‘একটি টিকিট নির্বাচন, ওটিপি প্রদান, পেমেন্ট গেটওয়ের তথ্য দিয়ে রিকনফার্ম করতেও তো অন্তত সাড়ে ছয় থেকে সাত মিনিট সময় লাগে। সবার দ্রুতগতির ইন্টারনেট থাকলেও সব টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হতে ন্যূনতম ৮টা ৭ মিনিট বাজার কথা। সেখানে এক মিনিটে পুরো দুটি ট্রেনের সব টিকিট কীভাবে শেষ হয়ে যায়? জুল ভার্ন লিখেছিলেন সায়েন্স ফিকশন ‘৮০ দিনে বিশ্ব ভ্রমণ’, আর আমাদের রেলওয়ে লিখল ‘এক মিনিটে দুই ট্রেন গায়েব’-এর মতো কমার্স ফিকশন!’

রেলওয়ের শক্তিশালী সিন্ডিকেটকে দায়ী করে নিপুণ আরও লেখেন, ‘সরকার বদল হলেও এই সিন্ডিকেটের কোনো পরিবর্তন হয় না। কোনো আমলেই সাধারণ মানুষ সহজে টিকিট পায় না। যে সরকারই আসুক না কেন, এই টিকিট চক্রের ক্ষমতা এতটাই প্রবল যে তাদের কাছে কোনো নিয়মনীতি কার্যকর হয় না।’

তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, কোনো সরকার যদি কেবল বিমানবন্দর আর রেলওয়ের এই দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভাঙতে পারে, তবে তাদের সর্বকালের সেরা সরকার হিসেবে বিনাবাক্যে মেনে নিতে তিনি প্রস্তুত।

এদিকে ট্রেনের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টিকিট ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা গায়েব হয়ে যাওয়া এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি ইতোমধ্যে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এ নিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর সিলেটের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আমলি-১১) স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১ অক্টোবর আদালত মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। বর্তমানে পিবিআইয়ের এক উপপরিদর্শক মামলাটি তদন্ত করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নতুন ইতিহাস যুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নতুন ইতিহাস যুক্ত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাস এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন বিষয় নতুন শিক্ষাক্রমের বইয়ে যুক্ত ও সংশোধন করা হচ্ছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানাচ্ছে, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এসব পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনসিটিবির একটি নথি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জন্য বাংলা সাহিত্য, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা—এই তিন ধরনের পাঠ্যবইয়ে অন্তত ১৪টি সংযোজন ও সংশোধন আনা হচ্ছে।

নতুন পাঠ্যবইয়ে তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্ত হচ্ছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন বিষয়।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের পরিবর্তন মূলত বিদ্যমান বইয়ে কিছু বিষয় সংযোজন ও সংশোধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে ২০২৮ সালের শিক্ষাক্রমে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নতুন সংযোজন

২০২৭ সালের বইয়ে উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে থাকছে জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভল্ট’ বিদ্রোহ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাসংক্রান্ত বিষয়। তৃতীয় থেকে সপ্তম শ্রেণিতে বিষয়টি সংক্ষেপে এবং অষ্টম থেকে দশম শ্রেণিতে তুলনামূলক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।

পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতৃবৃন্দ’ অধ্যায়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জীবনী যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক লেখা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে সাত বীরশ্রেষ্ঠকে নিয়ে সংক্ষিপ্ত লেখা এবং অষ্টম শ্রেণিতে ‘মুক্তিযুদ্ধ ব্রিগেড বাহিনী’ নিয়ে পাঠ যুক্ত হবে।

নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের সাংগঠনিক পর্যায় সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে পারবে। এর মধ্যে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত তেলিয়াপাড়া বৈঠক বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে।

গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাধীনতা-পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাস।

মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনাও নতুন করে পাঠ্যবইয়ে স্থান পাচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে উচ্চতর শ্রেণির বইয়ে ধাপে ধাপে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ‘সিপাহি-জনতা বিপ্লব’ নিয়ে আলোচনা যুক্ত করা হবে।

অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়ে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে খালেদা জিয়ার ভূমিকা নিয়েও পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

পাঠ্যবইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানও এবার জাতীয় পাঠ্যক্রমে জায়গা পাচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণির বইয়ে থাকবে ‘শহীদ আনাসের গল্প’। আর নবম ও দশম শ্রেণির বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ সংক্রান্ত বিষয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংসদে জানিয়েছিলেন, বয়স উপযোগীভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ, আন্দোলনে নিহতদের হত্যাকাণ্ড, তাদের আত্মত্যাগ, নারীদের ভূমিকা এবং এ আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব পাঠ্যক্রমে তুলে ধরা হবে।

নবম-দশম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের গুম, হত্যাকাণ্ড, অর্থপাচার, নির্বাচনীব্যবস্থা, পিলখানা ট্র্যাজেডি, সাংবাদিক হত্যা এবং গণমাধ্যমে হস্তক্ষেপের মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবুধাবির তীব্র গরম নিয়ে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্সের মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


আবুধাবির তীব্র গরম নিয়ে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্সের মন্তব্য

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার পূর্বে বাংলাদেশ তীব্র গরমের প্রভাব অনুভব করছে। ক্রিকেটারদের জন্য এই গরম অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আবুধাবিতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকলেও, বাতাসের আর্দ্রতার কারণে অনুভূতি হচ্ছে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো।

এমন তীব্র গরমের সাথে মানিয়ে নেওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিল সিমন্সের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তার শিষ্যরা কিভাবে এই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে এটাই এখন একমাত্র সমস্যা। যারা জাপান থেকে এসেছে, তাদের এখানে কিছু করার সুযোগ হয়নি। এর মধ্যে এই ধরনের আবহাওয়া, দু’দিন ধরে প্রচুর গরম। এখানে মূল বিষয়টা হচ্ছে কিভাবে তারা মানিয়ে নেয়।”

তবে সময়ের সাথে সাথে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং মমিনুল হকরা মানিয়ে নিচ্ছেন বলে জানান সিমন্স। তিনি বলেন, “দিন শেষে এটা মানসিকভাবে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়। আজ তাদের দেখে মনে হয়েছে খুব ভালো অবস্থায় আছে। এই গরমের মধ্যে প্রথম দিন হিসেবেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই ছিল। তাই আমি নিশ্চিত তারা খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারবে।”

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি আগামীকাল শুরু হবে। আবুধাবির উইকেট সম্পর্কে সিমন্স মন্তব্য করেন, “আমি উইকেট দেখেছি, আমার কাছে ভালোই মনে হয়েছে। তবে আমার মনে হয় কিছুটা ধীরগতির হতে পারে। আমরা একটি ভালো উইকেটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা জানি আমাদের বেশ কয়েকজন ভালো মানের স্পিনারের বিপক্ষে খেলতে হবে। এ জন্য আমরা সবকিছুর জন্যই নিজেদের তৈরি করেছি। আমাদের প্রস্তুতিও ভালো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাশিয়ার নাশকতা চালানোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাশিয়ার নাশকতা চালানোর অভিযোগ

ডেনমার্কের বিভিন্ন কোম্পানিতে রাশিয়া নাশকতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে, যা ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা প্রদান বন্ধ করার জন্য পূর্বের বড় পরিসরের কার্যক্রম ব্যর্থ হওয়ার পর রাশিয়া এই নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। বুধবার ডেনমার্কের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত একটি জাতীয় নিরাপত্তা সম্মেলনে ওই কর্মকর্তা এই তথ্য জানান। তিনি ডেনমার্কের জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা। তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাশিয়ার এই পদক্ষেপ মস্কোর ছায়াযুদ্ধের বড় ধরনের বিস্তারকে নির্দেশ করছে।

তিনি বলেন, ‘বসন্তকালে আমরা অনেক পরিকল্পনা দেখতে পেয়েছি। কিন্তু সেগুলোর বাস্তবায়ন খুবই কম হয়েছে। গ্রীষ্মের শুরুতে আমরা লক্ষ্য করেছি, তারা অনেক বেশি তৎপরতা শুরু করেছে।’

রাশিয়া বুঝতে পেরেছে যে, তাদের পূর্বের বিস্তৃত লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে ইউক্রেনকে সহায়তা করতে বাধা দিতে পারেনি। গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও জানান, মস্কো এখনো এসব অভিযানের ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তবে তাদের অভিযানের সাহস বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, রাশিয়া এখন ‘এমন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার চেষ্টা করছে, যার সরাসরি প্রভাব যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পড়ে। এর অর্থ অস্ত্র উৎপাদন।’ নাশকতা বা ছায়াযুদ্ধের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ রাশিয়া বারবার অস্বীকার করেছে। বুধবার কোপেনহেগেনে রুশ দূতাবাসও এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা দাবি করেছে, ডেনমার্কের কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে।

ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি তালিকার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ইউরোপের বিভিন্ন ড্রোন ও ড্রোনের যন্ত্রাংশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। এপ্রিলে রাশিয়া বলেছিল, এসব প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ডেনমার্কের জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, রাশিয়া ক্রমশ প্রশিক্ষণহীন লোকজনকে এসব কাজে নিয়োগ করছে। তাদের মধ্যে গৃহহীন মানুষ এবং মাদকাসক্তরাও রয়েছে। টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

সাধারণত খুব সহজ কাজের মাধ্যমে এসব লোককে কাজে নেওয়া হয়, যেমন কোনো স্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা বা ছবি তোলা। পরে ধীরে ধীরে তাদের প্রকৃত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হয়। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এমন যে কেউ হতে পারে, যে দ্রুত কিছু টাকা আয় করতে চাইছে। প্রথম ব্যক্তি সফল না হলে, তারা আরেকজনকে কাজে লাগাবে। সফল না হওয়া পর্যন্ত তারা এভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।’

ডেনমার্কের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা গত মাসে জানায়, আগামী কয়েক মাসে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার ছায়াযুদ্ধের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর আগে আগস্টে জার্মানি লেইপজিগ-হালে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার চেষ্টার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছিল।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডেনমার্কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে, দেশটির ছয়টি বিমানবন্দরে ড্রোনের কারণে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। এর মধ্যে কোপেনহেগেন বিমানবন্দরও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা নর্ডিক অঞ্চলের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ওই ঘটনাকে তার দেশের বিরুদ্ধে একটি ছায়াযুদ্ধের হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%