১২:২৯ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অপমানজনক’ হিসেবে ঘোষণা করে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) তাজানি বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা ছিল। তবে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে সম্পর্কে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিবাদের কারণে তিনি সফরটি বাতিল করেছেন।
ইতালির সংবাদমাধ্যম লা৭-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন যে, জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি তার সাথে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি মেলোনির প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে ছবি তুলেছিলেন।
আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান মেলোনি। তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কেন মিত্র দেশের নেতৃত্বের সঙ্গে এমন আচরণ করছেন, তা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
মেলোনি বলেন, ইতালি এবং তিনি কখনোই কারও কাছে অনুরোধ করেন না। একই সাথে, তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর শত্রুদের সম্পর্কে ট্রাম্পের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন করতে ছাড়েননি।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রে ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কিত ব্যবসা, বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কথা ছিল তাজানির। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সুযোগও ছিল। তবে পরে সেই অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়।
এ ঘটনার পর, ট্রাম্প মেলোনির সমালোচনা করেছেন আবারও। তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের সময় মিত্র দেশগুলোর মতো ইতালিও যথেষ্ট সহায়তা প্রদান করেনি।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী
ট্রাম্প এবং মেলোনির সম্পর্ক অতীতে বিভিন্ন সময় টানাপোড়েনের মধ্যে পড়েছে। যদিও, মেলোনিকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে গণ্য করে এসেছেন। অভিবাসন নীতি ও জাতীয় স্বার্থের মতো বিষয়গুলোতে তাদের মধ্যে মিলও ছিল।
কিন্তু ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতভেদ থাকার কারণে দুই দেশের নেতার মধ্যে নতুন করে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন