১২:০৫ পি.এম
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জন্মস্থান মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে। এই বিদায়টি ছিল অশ্রুসিক্ত। সপ্তাহব্যাপী শোকানুষ্ঠান, ইরান ও ইরাকজুড়ে শোকযাত্রা ও জানাজার পর বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দাফনের কাজ সম্পন্ন হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভি খামেনির শোকযাত্রাকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শোকযাত্রা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। রাজধানী তেহরান, কোম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালা এবং ইরানের মাশহাদ—এই পাঁচটি শহরে শেষকৃত্যের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় দিনব্যাপী জানাজা ও শেষযাত্রার বিভিন্ন আয়োজন ও অনুষ্ঠানে ৪ কোটি ১০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতির নির্বাচনে রানা-বারী পরিষদের পূর্ণ প্যানেলের জয়
গত শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহবাহী কফিন সর্বসাধারণের জন্য প্রদর্শনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক শেষকৃত্য কার্যক্রম শুরু হয়। সেখানে হাজারো ইরানি শ্রদ্ধা জানাতে এসে জড়ো হন।
খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা। এছাড়া গাজাভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হামাস ও ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুতি আন্দোলনের প্রতিনিধিদলও উপস্থিত ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় পরিবারের বেশ কিছু সদস্যসহ নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী জন্মভূমি মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারের পাশেই তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন: কামরুন্নাহার কলির ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান আসামির বাড়ি গুঁড়িয়ে, মাটি তুলে নিচ্ছে জনতা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন