ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তারেক রহমান ১৮০ দিনে দেশকে ১৮০ ডিগ্রি বদলে দিয়েছেন: প্রিন্স


তারেক রহমান ১৮০ দিনে দেশকে ১৮০ ডিগ্রি বদলে দিয়েছেন: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তারেক রহমান ১৮০ দিনে দেশকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিবাচক পথে যাত্রা শুরু করেছেন। দেশবাসীর সহযোগিতায় ইনশাআল্লাহ, তারেক রহমান আত্মমর্যাদাশীল, কল্যাণমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়বেন।’

এটি সোমবার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন। এই সভার আয়োজন করা হয় হালুয়াঘাট পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে। উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো এই সভার ব্যবস্থা করে।

অনুষ্ঠানে প্রিন্স আরও বলেন, আব্দুল আজিজ খান বিএনপির একজন ত্যাগী, পরোপকারী, মানবিক ও কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি দলের প্রতিটি কর্মসূচি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে তাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। কঠিন সময়ে তিনি দলের পাশে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১২ জন আটক

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আজিজ খান শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী বা নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানুষের আপনজন। নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় পাশে থাকতেন। তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর ত্যাগ, আদর্শ ও মানবিক কর্মকাণ্ড আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেছেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ত্যাগ করেছেন, তাঁদের অবদান জাতি কখনও ভুলবে না।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল। এতে আরও বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু হাসনাত বদরুল কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আমজাদ আলী এবং কাজী ফরিদ আহমেদ পলাশসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে বিএনপির লিফলেট বিতরণ, সরকারের উন্নয়ন প্রচারণা ও গুজবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারী সদর উপজেলা বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


নীলফামারী সদর উপজেলা বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা

নীলফামারী, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : সদর উপজেলাকে বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম ও বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, নিকাহ রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ।

এ সময় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারী এরিয়ার ব্যবস্থাপক অনুকুল চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম নুরুল আমিন শাহ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমিতির সদর উপজেলা সভাপতি আব্দুর রউফ, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, নটখানা জামে মসজিদের ইমাম রমজান আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের শিশু ফোরামের সদস্য ঝুমা আক্তার ও কবীর হাসান সোহাগ। নিজের বাল্য বিবাহ ঠেকানোর গল্প শোনান অনন্যা দাস। বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ে আবারও বিদ্যালয়মুখী হওয়ার গল্প শোনান নিক্সন ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া শিশু মুক্ত উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রম উপস্থাপন করেন আয়োজক সংস্থার টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট তাহমিদুর রহমান।

তিনি জানান, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা শেষে ইউনিয়ন পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটি পুনর্গঠন, ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারীর এলাকা ব্যবস্থাপক অনুকুল চন্দ্র বর্মণ জানান, ইতোমধ্যে উপজেলায় ১৬টি বাল্য বিয়ে বন্ধ ও ৫৪ জন শিশুকে স্কুলমুখী করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হয়।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, বাল্য বিবাহ-শিশু শ্রম ও ঝরে পড়ার কুফল সমন্ধে আমরা সবাই জানি। পরিবার থেকে সচেতনতা সৃষ্টি হলে বাল্য বিবাহ-শিশু শ্রম কিংবা ঝরেপড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহিত সাগরে সৌদি সামরিক জাহাজে হামলার দাবি হুতিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


লোহিত সাগরে সৌদি সামরিক জাহাজে হামলার দাবি হুতিদের

লোহিত সাগরে সৌদি আরবের একটি সামরিক জাহাজ এবং এর সঙ্গে থাকা চারটি সহযোগী নৌযানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

তবে এই হামলার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সোমবার (১৭ আগস্ট) হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, সৌদি সামরিক জাহাজ ও চারটি এসকর্ট নৌযানের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।

তার দাবির ভিত্তিতে, হামলায় সৌদি সামরিক জাহাজটিতে ব্যাপক আগুন ধরে যায়। তিনি বলেছেন, এসকর্ট হিসেবে থাকা কিছু নৌযানও ডুবে গেছে এবং অন্য কিছুতে আগুন ধরে গেছে। তবে হুতিদের এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

হুতি সামরিক মুখপাত্র আরও বলেছেন, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের ‘অবরোধের জবাবে অবরোধ’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং তারা সৌদি সামরিক অবস্থানগুলোতে হামলা চালানো অব্যাহত রাখবে।

হুতিদের সর্বশেষ এই দাবির ঘটনাটি ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের মোখা বন্দরের আশপাশে সামুদ্রিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে ঘটেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, গত কয়েক দিনের হুতিদের হামলার কারণে মোখা বন্দরে বাণিজ্যিক ও সামুদ্রিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের মধ্যে মোখা এলাকায় ২৫টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে সাতজন নিহত হয়েছে এবং প্রায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বন্দরের পরিচালক জানিয়েছেন।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে ‘তিহামাহ’ নামে একটি মিসরীয় মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজে হুতি হামলার ফলে ছয়জন নিহত হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে তিন পাকিস্তানি এবং একজন ইন্দোনেশীয় নাবিক ছিলেন। আরও দুটি ইয়েমেনি উদ্ধারকর্মীও নিহত হন।

হুতিদের দাবি ছিল যে, ওই জাহাজে সৌদি সামরিক সরঞ্জাম বহন করা হচ্ছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের সামুদ্রিক তৎপরতা গত কয়েক সপ্তাহে বাড়ছে। জুলাই মাসে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করার পর থেকে হুতি গোষ্ঠীটি সৌদি-সম্পর্কিত তেলবাহী জাহাজ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে একাধিক হামলার দাবি করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে সৌদি আরবের লোহিত সাগর দিয়ে তেল রফতানির কিছু অংশ গোপনীয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। অনেক ট্যাংকার তাদের স্বয়ংক্রিয় জাহাজ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বা এআইএস বন্ধ রেখে চলাচল করছে। পাশাপাশি বেশ কিছু জাহাজ বাব আল-মান্দাব এড়িয়ে বিকল্প পথে চলাচল করছে।

যদি হুতিদের সর্বশেষ দাবি সত্য হয়, তাহলে সৌদি সামরিক এবং নৌ স্থাপনা লক্ষ্য করে তাদের হামলার মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত জাহাজে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হওয়ায় এই ধরনের হামলা শুধুমাত্র ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সংঘাতেই নয়, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা ও জেরুসালেম পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের গোপন মধ্যস্থতায় ইরাকি নেতা বারজানি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের গোপন মধ্যস্থতায় ইরাকি নেতা বারজানি!

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান এবং উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানি।

এই যোগাযোগের দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রই তাকে খুঁজে বের করে দেয়। তিনি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-আইআরজিসি’র কাছে ট্রাম্প প্রশাসনের বার্তা পৌছে দিয়েছিলেন। পরে, তিনি আবার আইআরজিসির ফিরতি বার্তা পৌছে দিয়েছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের মুখপাত্র দিলশাদ শাহাব বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বিরোধ নিরসনে বারজানির নীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা। তিনি জানান, যুদ্ধের আগে, যুদ্ধ চলাকালে এবং পরবর্তী সময়েও ইরাকি কুর্দিস্তান একই অবস্থান ধরে রেখেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা করলে যুদ্ধ শুরু হয়। তবে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ। ইরানের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় অংশ নেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। কিন্তু এই দুই নেতা আলোচনার জন্য প্রকৃত দায়িত্বপ্রাপ্ত কিনা কিংবা সামরিক বাহিনীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আছে কিনা, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংশয় ছিল। সেই সংশয় দূর করতেই মার্কিন প্রশাসন সরাসরি আইআরজিসি নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। এই গোপন যোগাযোগের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানিকে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং আইআরজিসি উভয়ের কাছেই অত্যন্ত বিশ্বস্ত।

এই বিষয়ে সরাসরি জানেন এমন বেশ কয়েকটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে এই তথ্য জানিয়েছে।

কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার উত্তর ইরাকের একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পরিচালনা করে, যার সদর দপ্তর ইরবিলে অবস্থিত। বারজানি ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইরানে থেকে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি ফার্সি ভাষায় সাবলীল এবং আইআরজিসি-র শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ইরানি প্রশাসনের অনেক সিনিয়র সদস্যের সাথে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক রয়েছে।

গত ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের তখনকার পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড প্রথম বারজানির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেন। গ্যাবার্ড ইরাকি নেতাকে জানান যে, আইআরজিসি কমান্ডার জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদীর সাথে যোগাযোগের জন্য তার সাহায্য প্রয়োজন।

একটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, গ্যাবার্ড বারজানিকে পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের অনুমোদন নিয়েই এই কলটি করছেন। তিনি তাকে আরও বলেন, যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ওয়াহিদীর কাছে পৌঁছাতে পারছে না, তাই তারা এই বিষয়টি স্পষ্ট হতে চায় যে; ঘালিবাফ এবং আরাঘচি যে বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাতে ওয়াহিদী এবং আইআরজিসি-র নেতৃত্বের সায় আছে কিনা অথবা তাদের অন্য কোনো চিন্তাভাবনা বা দাবি রয়েছে।

বারজানি গ্যাবার্ডের অনুরোধে সম্মত হন এবং ট্রাম্পের টিমের বার্তা নিয়ে আইআরজিসি-তে তার পরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি তার সূত্রগুলোকে জানান যে তিনি সরাসরি ওয়াহিদীর সাথে কথা বলতে চান, যাতে তেহরান রাজি হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ মে আইআরজিসি-র একজন কর্মকর্তা ইরবিলে বারজানির কার্যালয়ে তার সাথে দেখা করেন। নিরাপদ এবং সুরক্ষিতভাবে কথা বলার জন্য তিনি বারজানিকে একটি এনক্রিপ্টেড ফোন দেন। সেই ফোনটি ব্যবহার করে বারজানি ওয়াহিদীর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেন। তিনি ওয়াহিদীর কাছে জানতে চান যে তিনি ইরানি আলোচনাকারীদের সাথে একমত কি না। জবাবে আইআরজিসি কমান্ডার ইতিবাচক সাড়া দিয়ে বলেন, ‘আমি তাদের পুরোপুরি সমর্থন করি এবং এটি আইআরজিসি-রও অবস্থান। আমরা আলোচনার মাধ্যমেই এই সংকটের সমাধান করতে পছন্দ করি।’

সূত্রগুলো জানিয়েছে, এর পরপরই বারজানি গ্যাবার্ডের সাথে যোগাযোগ করেন এবং ওয়াহিদীর বার্তাটি পৌঁছে দেন, যা গ্যাবার্ড পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প টিমের কাছে পাঠিয়ে দেন। ইরানের কাছ থেকে জবাব পাওয়ার পর, ট্রাম্প প্রশাসন আবারও আরেকটি প্রস্তাব নিয়ে বারজানির সাথে যোগাযোগ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই প্রস্তাবে ইরবিলে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের ঊর্ধ্বতন আলোচনাকারীদের মধ্যে একটি গোপন বৈঠকের আয়োজন করার কথা বলা হয়েছিল। নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে ইরানিদের উদ্বেগের কারণে সেই বৈঠকটি আর কখনো বাস্তবে রূপ নেয়নি।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধ নিয়ে ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে দ্বন্দ্বের খবর সামনে এসেছে। কট্টরপন্থী একটি অংশ কোনো আলোচনার পক্ষে নয়। আবার মধ্যপন্থিরা আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে যুদ্ধ শেষ করতে চান। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, তারা যাদের সাথে আলোচনা করছেন, তারা সত্যিই দায়িত্বপ্রাপ্ত কিনা কিংবা আলোচনা টেবিলের সমঝোতায় ইরানের মূল নেতৃত্বকে সম্মত করাতে পারবেন কিনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


শেরপুরে কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

শেরপুর, ১৭ আগস্ট ২০২৬ : শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন।

আজ সোমবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এই পরিদর্শনের সময়, জেলা প্রশাসক কারাবন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

এই পরিদর্শনকালে তিনি কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বন্দিদের আবাসন, খাদ্য ও চিকিৎসাসেবাসহ অন্যন্য কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক কারাগারের পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা প্রশাসক এসবের পাশাপাশি কারাগারের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, একই সঙ্গে বন্দিদের মানবিক ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়াও তিনি কারাগারের বাইরে আগত বন্দীদের আত্মীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন।

এই পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্চিতা বিশ্বাস, জেলা কারাগারের সুপার শাহ রফিকুল ইসলাম, জেলার আব্দুস সেলিম সহ জেলা প্রশাসন ও জেলা কারাগারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%